ভূমি মন্ত্রণালয়
ভূমি-সংক্রান্ত প্রচারে ডিসিরা পাবেন ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা
ভূমি-সংক্রান্ত প্রচার ও বিজ্ঞাপন ব্যয়ের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের ৪৯ জেলার জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে দুই কোটি ৩৩ লাখ ৫২ হাজার ৩৭৪ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের বাজেট ও অডিট অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত সরকারি মঞ্জুরি আদেশ জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, বরাদ্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ১১০ টাকা দেওয়া হয়েছে নেত্রকোণা জেলায়। এরপর ফেনী জেলায় ১৪ লাখ ৬০ হাজার ১৭ টাকা, রংপুরে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৯৭৬ টাকা, টাঙ্গাইলে ১০ লাখ ৮২ হাজার ৩১৫ টাকা, রাজবাড়ীতে ৯ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮০ টাকা ও নওগাঁয় ৮ লাখ ৭২ হাজার ৬৭৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা জেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৯৬ হাজার ৮২০ টাকা। এছাড়া মুন্সিগঞ্জে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৮৮৭ টাকা, মানিকগঞ্জে ৪ লাখ ২৯ হাজার ৫২ টাকা, গাজীপুরে ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা, নরসিংদীতে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫৮ টাকা, ফরিদপুরে ৩ লাখ ৯১ হাজার ৩৪৫ টাকা, গোপালগঞ্জে ৭৬ হাজার ৮৪ টাকা, মাদারীপুরে ৪৬ হাজার ৪৬০ টাকা, শরীয়তপুরের ৮৬ হাজার ৮৪৮ টাকা ও টাঙ্গাইলে ১০ লাখ ৮২ হাজার ৩১৫ টাকা দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪০ টাকা, কক্সবাজারে ২ লাখ ২০ হাজার ৯৯৫ টাকা, কুমিল্লায় ৩ লাখ ৯ হাজার ১৫৫ টাকা, চাঁদপুরে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৯৬ টাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৭ টাকা, নোয়াখালীতে ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫১২ টাকা, ফেনীতে ১৪ লাখ ৬০ হাজার ১৭ টাকা, লক্ষ্মীপুরে ২ লাখ ৪০ হাজার ৮১০ টাকা, খাগড়াছড়িতে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭০ টাকা, রাঙামাটিতে ৫৮ হাজার ৬৪০ টাকা ও বান্দরবানে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৭৭ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী বিভাগের মধ্যে নওগাঁয় ৮ লাখ ৭২ হাজার ৬৭৬ টাকা, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৭৯ টাকা, নাটোরে ৩ লাখ ১৫ হাজার ২৪৮ টাকা, বগুড়ায় ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৮ টাকা, জয়পুরহাটে ২৬ হাজার ৪০০ টাকা, পাবনায় ৭ লাখ ৯৮ হাজার ১৪ টাকা ও সিরাজগঞ্জে ৬ লাখ ৬০ হাজার ৮৯২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে রংপুরে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৯৭৬ টাকা, কুড়িগ্রামে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৮৫ টাকা, গাইবান্ধায় ৭ লাখ ৩ হাজার ২২ টাকা, দিনাজপুরে ৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬৬৫ টাকা, পঞ্চগড়ে ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩৩ টাকা, লালমনিরহাটে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪০ টাকা ও ঠাকুরগাঁওয়ে ৬ লাখ ৭ হাজার ৫৫১ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে খুলনায় ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৬৩৬ টাকা, বাগেরহাটে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৪৬৩ টাকা, সাতক্ষীরায় ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৯২০ টাকা, মাগুরায় ২ লাখ ৬৪ হাজার ৪৩৬ টাকা, কুষ্টিয়ায় ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৬০৪ টাকা, নড়াইলে ২ লাখ ২২ হাজার ৯০০ টাকা, চুয়াডাঙ্গায় ৯৩ হাজার ৪৯৫ টাকা, মেহেরপুরে ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০০ টাকা ও যশোরে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩২২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ‘সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬’ ও ‘সরকারি ক্রয় বিধিমালা, ২০২৫’ এবং প্রচলিত সব আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের বকেয়া প্রচার ও বিজ্ঞাপন বিলও এ বরাদ্দ থেকে পরিশোধ করা যাবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধের জন্য এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে কোনো বকেয়া বিল দাবি করা যাবে না। ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট আয়ন-ব্যয়নকারী কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।
অব্যয়িত অর্থ থাকলে তা আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
১৪ দিন আগে
ভূমি অফিসে স্বচ্ছতা ও নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ
দেশের মাঠপর্যায়ের ভূমি অফিসগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, শতভাগ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কর্মঘণ্টার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে ‘ভূমিদৃষ্টি’ মোবাইল অ্যাপটি (জিওফেন্সিং এটেনডেন্স সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন) আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ থেকে উদ্বোধন করা হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপটি প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমি প্রশাসন গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। এ অ্যাপ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করে কার্যক্রমে গতিশীলতা আনবে বলে আশা করা যায়, যা সাধারণ মানুষের সেবা প্রাপ্তি সহজ করবে।
জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তিনির্ভর এ অ্যাপটির মাধ্যমে কর্মস্থলের নির্ধারিত ভৌগোলিক অবস্থান (জিপিএস)-এর ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি মনিটরিং করা হবে। অ্যাপটি চালু করার ক্ষেত্রে প্যারালাক্সলজিক ইনফোটেক কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম-এ ৬টি জেলায় অ্যাপটির পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৬১০টি কার্যালয়ের মোট ৯১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রাথমিক কভারেজের আওতায় আনা হয়েছে। পাইলট প্রকল্প সফল হলে পর্যায়ক্রমে দেশের সকল বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ভূমি অফিসে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।
‘ভূমিদৃষ্টি’র প্রধান প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা
জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি: প্রতিটি ভূমি অফিসের নির্দিষ্ট ভার্চুয়াল বা ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে অবস্থান করলেই কেবল মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে হাজিরা বা ‘চেক-ইন’ দেওয়া যাবে। সীমানার বাইরে থেকে হাজিরা দেওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব।
লাইভ ড্যাশবোর্ড: অ্যাপে হাজিরা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেন্ট্রাল ড্যাশবোর্ডে তথ্য আপডেট হয়ে যাবে। ফলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো অফিসের উপস্থিতির চিত্র দেখতে পাবেন।
অসঙ্গতি শনাক্তকরণ: সীমানা লঙ্ঘন বা ভুয়া লোকেশন ব্যবহারের চেষ্টা করলে ড্যাশবোর্ডে স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা পাঠাবে।
সাইট ভিজিট ও ছুটি ব্যবস্থাপনা: সরকারি কাজ বা তদন্তে বাইরে গেলে ‘সাইট ভিজিট’ ফিচারের মাধ্যমে কারণ উল্লেখ করা যাবে। এছাড়া, অ্যাপটি থেকেই ছুটির আবেদন ও হিসাব রাখা যাবে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে তেজগাঁও ভূমি ভবনে আয়োজিত ভূমি সেবা মেলায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী সর্বপ্রথমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে প্রযুক্তিনির্ভর ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ চালুর প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আগামীকাল দাপ্তরিকভাবে অ্যাপটি উদ্বোধন করা হচ্ছে।
২৯ দিন আগে
সার্ভেয়ার ও কানুনগোদের কমপক্ষে দুই বছর এক কর্মস্থলে রাখার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠ প্রশাসনে কর্মরত সার্ভেয়ার ও কানুনগোদের প্রশাসনিক বিশেষ প্রয়োজন ব্যতীত ঘন ঘন বদলি বা পদায়ন না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কমপক্ষে দুই বছর একই কর্মস্থলে রাখার জন্য বলা হয়েছে।
সম্প্রতি এ বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান, সকল বিভাগীয় কমিশনার ও দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসনে রাজস্ব ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পর্যায়ে সার্ভেয়ার ও কানুনগো পদে কর্মরত জনবল রয়েছে। এ দুটি পদ রাজস্ব প্রশাসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ। কিন্তু লক্ষ করা যায়, সার্ভেয়ার ও কানুনগোদের ঘন ঘন কর্মস্থল বদলির কারণে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই সার্ভেয়ার ও কানুনগো পদে কর্মরতদের কমপক্ষে দুই বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে একই কর্মস্থলে থাকা প্রয়োজন।
এতে আরও বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বদলির তদবির করা চাকুরির বিধিবিধানের পরিপন্থী কাজ। তাই প্রশাসনিক বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া স্ব-স্ব কর্মস্থল বা পদায়ন করা স্থান থেকে অন্যত্র বদলি বা পদায়ন না করার জন্য চিঠিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
৮০ দিন আগে
দুর্নীতির দায়ে ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর শাস্তি
ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিমুক্ত সেবা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অসদাচরণ ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একজনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত এবং অপরজনকে বেতন গ্রেডে এক ধাপ অবনমিত করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ (জিরো টলারেন্স) নীতি বজায় রাখতে ভূমি মন্ত্রণালয় কঠোর ভূমিকা পালন করছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৫/২৫ নম্বর বিভাগীয় মামলায় রংপুর সদরের সাবেক কপিস্ট কাম বেঞ্চ সহকারী (বর্তমানে পাবনার বেড়া উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত) মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
এছাড়া ২৪/২৫ নম্বর বিভাগীয় মামলায় দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ড কিপার রেজভীন আখতারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বেতন গ্রেডের এক ধাপ নিম্নে অবনমিত করার লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় বলেছে, ভূমি সেবাকে হয়রানিমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ও আরও জনকল্যাণমুখী হিসেবে গড়ে তুলতে মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
১০৮ দিন আগে
ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর : জ্যেষ্ঠ সচিব
ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্চতা নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশে ভূমিসেবা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন’ বিষয়ক অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।
সালেহ আহমেদ বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া মানুষের জীবিকা, সম্মান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এ প্রক্রিয়ায় সময়সাপেক্ষতা ও জটিলতা পরিহার করে দক্ষতার পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিকতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, সরকার এখন এডহক এপ্রোচ থেকে বেরিয়ে এসে একটি নিয়মতান্ত্রিক ডিজিটাল ভূমি অধিগ্রহণ কাঠামো প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয় স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও ভূমি হুকুম দখল বিধিমালার খসড়া প্রস্তুত সম্পন্ন করেছে। একইসঙ্গে, ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে পৌঁছে দিতে একটি ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘসূত্রিতা ও হয়রানি হ্রাস পাবে এবং ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।
এই মতবিনিময় কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো একটি অধিকতর দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া গড়ে তুলতে বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কর্মশালায় ভূমি অধিগ্রহণের জন্য একটি প্রমিত পরিচালন পদ্ধতি বা এসওপি উপস্থাপন করা হয়। সকলের মতামতের আলোকে এই এসওপি চূড়ান্ত করা হবে। এর মাধ্যমে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে, যা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. এমদাদুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি শ্রী কুমার তাদিমাল্লা, ডং কিউ কোয়াক এবং মো. আক্তারুজ্জামান । এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সুশীল সমাজ, বেসরকারি সংস্থা এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
১৮৩ দিন আগে
নাশকতার আশঙ্কা: ভূমি অফিসগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারে স্বরাষ্ট্র সচিবকে চিঠি
ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠপর্যায়ের ভূমি অফিসগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি স্থাপনায় নাশকতামূলক অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে সরকারি স্থাপনাসমূহে দুর্বৃত্তদের দ্বারা নাশকতামূলক অগ্নিসংযোগের ঘটনা লক্ষ করা যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ ডিসেম্বর ভোর সোয়া ৪টার দিকে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা মাগুরা সদর উপজেলা ভূমি অফিসে প্রবেশ করে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ ঘটায়। একই সময়ে মাগুরা সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসেও আগুন লাগে।
অগ্নিকাণ্ডে উপজেলা ভূমি অফিসের একটি কক্ষে সংরক্ষিত প্রয়োজনীয় কিছু নথিপত্র ও রেজিস্টার, একটি কম্পিউটার, একটি প্রিন্টারসহ টেবিল, চেয়ার, আলমারি ও অন্যান্য আসবাবপত্র পুড়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি পেট্রোলের বোতল, কয়েকটি খালি বোতল ও মাস্ক উদ্ধার করা হয়েছে, যা পুলিশ আলামত হিসেবে জব্দ করেছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে জনগণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমি সংক্রান্ত দলিলপত্র সংরক্ষিত থাকে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভবিষ্যতে এ ধরনের নাশকতামূলক ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড কক্ষসহ ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠপর্যায়ের সব উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অগ্নিসংযোগসহ যেকোনো ধরনের নাশকতা ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে উল্লেখ করা হয় ওই চিঠিতে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সব কার্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠিতে স্বরাষ্ট্র সচিবকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
২৯৭ দিন আগে
হাইকোর্টে খালাস পেলেন ‘ভূমির কুতুব’
ভূমি মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন আহমেদকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সাজার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করে বুধবার (২৯ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর একক বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: অফিস আদালত খুললেও ঢাকা এখনো ছুটির মেজাজে
এর আগে ওই মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেন কুতুব উদ্দিন আহমেদ। আপিলের শুনানি শেষে ২৩ মে রায়ের জন্য বুধবার আজকের দিন ঠিক করেন আদালত।
আদালতে কুতুব উদ্দিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।
আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, হাইকোর্ট কুতুব উদ্দিনকে খালাস দিয়েছেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।
এ মামলায় ২০২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি কুতুব উদ্দিন আহমেদকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। এরপর তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০২২ সালের ১৬ মার্চ নিম্ন আদালতের সাজার বিরুদ্ধে কুতুবের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।
২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল গুলশান থানায় কুতুব উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে দুদক।
কুতুব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার একটি প্লট তার শ্বশুরসহ কয়েকজনের নামে বরাদ্দ করেন।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রংপুরে শ্রম আদালতের মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টে স্থগিত
সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ আদালতের
৮৬৯ দিন আগে
জনকল্যাণে যথাযথ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করুন: ভূমিমন্ত্রী
ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর আওতাভুক্ত দপ্তর বা সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেছেন, আপনাদের প্রতি আমি অনুরোধ করছি, জনকল্যাণে যথাযথ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করুন। একই সঙ্গে সতর্কও করছি যেন এর ব্যত্যয় না হয়।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ভূমি ভবনে অবস্থিত কেন্দ্রীয় সেমিনার হলে আয়োজিত ‘ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত দপ্তর বা সংস্থা সমূহের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণ’ সভায় ভূমিমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: ভূমি মালিকদের স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে: ভূমিমন্ত্রী
ভূমিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, আমাকে প্রধানমন্ত্রী একটা মিশন নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। তা হচ্ছে দক্ষ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিত করা। স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করে এই মিশন পূরণ করতে আমি দৃঢ়ভাবে সংকল্পবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আমরা সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যা চাচ্ছেন তা পূরণ করা সম্ভব।
আরও পড়ুন: পরিবেশ সুরক্ষায় চিংড়ি মহালের ফাঁকা স্থানে সবুজায়নের নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর
ভূমি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত সবার বেতন জনগণের ট্যাক্সের টাকা থেকে আসে- বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, বিত্তশালী ও বিত্তহীন সব নাগিরকই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ট্যাক্স দেন। চাকরি করে নাগরিক সেবা দেওয়ার কর্তব্য যথাযথভাবে পালন না করার অর্থ হচ্ছে চাকরির উপার্জন হালাল না হওয়া।
মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন, নারী অধিকার নিশ্চিতকরণ, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিল্প ও খনিজ সম্পদ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং সর্বোপরি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে ভূমি প্রয়োজন। এজন্য টেকসই, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ভূমি সংস্কার বাস্তবায়ন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের অংশ।
আরও পড়ুন: ৬০ বিঘার বেশি জমি থাকলে মালিক পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে পারবেন: ভূমিমন্ত্রী
১০০৩ দিন আগে
৭৭৯টি জলমহাল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে হস্তান্তর করছে ভূমি মন্ত্রণালয়
মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে মাছের প্রাচুর্যতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার ৭৭৯টি জলমহাল (পুকুর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি-২০০৯ অনুযায়ী ভূমি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এই ব্যাপারে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্বাছ উদ্দিন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল কাইয়ূমসহ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে কিশোর নিখোঁজ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব দেলোয়ার হোসেন মাতুব্বর এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত মৎস্য অধিদপ্তর এসব পুকুর সংস্কার করে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মাছের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
মৎস্য অধিদপ্তর স্থানীয় সমবায় সমিতির আওতাভুক্ত মাছ চাষিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করারও উদ্যোগ গ্রহণ করবে। ‘নিমগাছি এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে দেশে মাছের চাহিদা পূরণে অবদান রাখার সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদিত সুস্বাদু দেশিয় প্রজাতির মাছ বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
দেশের অপার সম্ভাবনাময় জলজ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে স্থানীয় আপামর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নেও অবদান রাখবে এই কার্যক্রম।
প্রসঙ্গত, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত ৩৯ হাজারের বেশি জলমহাল থেকে ইজারাবাবদ প্রতি বছর প্রায় ১০০ কোটি টাকার অধিক রাজস্ব আদায় হয় এবং এর থেকে আহরিত মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণি দেশের আমিষের চাহিদা পূরণ করে। দেশের বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠী বিভিন্নভাবে জলমহালের উপর নির্ভরশীল।
আরও পড়ুন: পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাটেই বিক্রি দেড় কোটি টাকার মাছ
চিংড়ি-মাছ রপ্তানিতে নগদ সহায়তা দিতে বিবি’র নতুন নীতিমালা জারি
১০৬৬ দিন আগে
দেবোত্তর সম্পত্তি বরাদ্দের বিষয় তদারকির সুপারিশ
দেবোত্তর সম্পত্তি যাদের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তাদের আদৌ জমির প্রয়োজন আছে কি না ও ভূমিহীন মানুষেরা উক্ত জমি বরাদ্দ পাচ্ছে কি না ইত্যাদি বিষয়ে তদারকি করতে সুপারিশ করে করা হয়।
২১৬৭ দিন আগে