ঈদ উপহার
ঝালকাঠিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে রিকশা-ভ্যানগাড়ি ঈদ উপহার
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়ায় দরিদ্র ও বেকার মানুষের মাঝে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও রিকশা ও ভ্যানগাড়ি ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টার বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. আরিফ হোসেন রিকশা, ভ্যানগাড়িসহ অন্যান্য ঈদ উপহার বিতরণ করেন। এ সময় প্রায় তিন হাজার দরিদ্র নারী-পুরুষের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গিসহ বিভিন্ন ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সেইসঙ্গে চারজন দরিদ্রকে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যান দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব উপহার বিতরণ করেন মো. আরিফ হোসেন।
তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রিকশা ও ভ্যানগাড়ি পেয়ে উপকারভোগীরা এখন নিজ উদ্যোগে আয়-রোজগারের পথ তৈরি করতে পারবেন।
উপকারভোরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা কর্মসংস্থানের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। এই সহায়তা তাদের নতুন করে বাঁচার আশা জাগিয়েছে এবং পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানস্থলে সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
রাজধানীতে শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীর ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, খিলগাঁও, রামপুরা ও বাড্ডাসহ বেশ কয়েকটি থানা এলাকায় জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।
ফাউন্ডেশনের কুমিল্লা বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ডা. মো. মজিবুর রহমান গত দুই দিনে এ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেন।
তিনি বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পরিবারের একমাত্র উপার্জনাক্ষম সদস্য হারানো নিঃস্ব অনেক পরিবার স্বজন হারানোর পাহাড়সম কষ্টের মাঝেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের পাঠানো ঈদের উপহার সামগ্রী ও তার সই করা চিঠি পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠেন। বিএনপির এই শীর্ষস্থানীয় নেতা হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও তাদের স্মরণ রাখায় শহীদ পরিবারের স্বজনরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।’
ডা. মজিবুর রহমান বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে যারা জীবন দিয়ে দেশকে দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, এসব শহীদদের পরিবারের হাতে সামান্য ঈদ উপহার পৌঁছে দিতে পেরে আমরা গৌরবান্বিত।’
তিনি রামপুরা ও বনশ্রী এলাকার বেশ কয়েকজন শহীদের শিশু সন্তানের লেখাপড়ার দায়িত্ব গ্রহন ও ও যে কোনো বিপদ-আপদে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
৩৭১ দিন আগে
গণআন্দোলনে অংশ নেওয়া দুস্থ ব্যক্তিদের ঈদ উপহার দিলেন কাইয়ুম
ছাত্র-জনতার জুলাই গণআন্দোলনে অংশ নেওয়া দুস্থ ব্যক্তিদের ঈদ উপহার দিয়েছেন বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক এম এ কাইয়ুম।
শনিবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর শাহজাদপুরে ঢাকাস্থ নরসিংদী জাতীয়তাবাদী ফোরামের উদ্যোগে তিন শতাধিক পরিবারে এই উপহার বিতরণ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর, সদস্য এজিএম শামসুল হক, গুলশান থান বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দীন ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল আলম পলাশ।
আরও উপস্থিত ছিলেন ১৮ ওয়ার্ড সহসভাপতি আলমগীর আলম, ঢাকাস্থ নরসিংদী জাতীয়তাবাদী ফোরামের কর্মকর্তারা ছাড়াও স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
৩৭১ দিন আগে
ঈদ উপহার দিতে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে বাসচাপা, দুই ভাইসহ যুবক নিহত
ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে উপহার নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি। সঙ্গী হয়েছিলেন তারই দুই ভাই। তবে সড়ক দুর্ঘটনায় উৎসবের আগে শোকের ছায়া নেমে এলো তাদের পরিবারে।
ঘটনাটি বরগুনার। জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় বাসের চাপায় মোটরসাইকেলের আরোহী তিন সহোদর নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাথরঘাটা-মঠবাড়িয়া সড়কের রায়হানপুর ইউনিয়নের সোনারবাংলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নাঈমুজ্জামান শুভ শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে নিহত হন। সঙ্গে প্রাণ যায় তার দুই ভাই শান্ত ও নাদিমের। তারা পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের বাইশকুড়া গ্রামের নাসির খানের ছেলে।
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় ট্রাকচাপায় মা-ছেলে নিহত
এর ফলে নাসির খানের চার ছেলের মধ্যে তিনজনেরই প্রাণ কেড়ে নিল একটি সড়ক দুর্ঘটনা। এর আগে অপর ছেলেটিও ছোটবেলায় পানিতে ডুবে মারা যায় বলে জানান তার পরিবারের সদস্যরা।
স্থানীয়রা জানান, নতুন পোশাক নিয়ে তিন ভাই শুভ, শান্ত ও নাদিম মোটরসাইকেল করে শুভর চাচা শ্বশুরের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে রাজিব পরিবহনের একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হন।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াকুব হোসেন বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও সহযোগী পালিয়ে গেছেন। তবে বাসটি জব্দ করা হয়েছে।’
৩৭১ দিন আগে
কুড়িগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার
কুড়িগ্রামের সদরে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে কুড়িগ্রামে প্রায় পাঁচ লাখ দুঃস্থ হত দরিদ্র অসহায় মানুষজন পেল প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঈদ উপহার ভিজিএফ এর চাল। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ও অসহায় পরিবারগুলোর মুখে হাসি ফোঁটাতে ভিজিএফের এ চাল বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার সকালে উপজেলার ভোগডাঙা ইউনিয়ন পরিষদে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে চাল বিতরণ শুরু হয়।
জেলার ৯টি উপজেলা, ৩টি পৌরসভার ৭২টি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে এ চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেদুল হাসান, সদর উপজেলার সরকারি মাধ্যমিক অফিসার ইয়াসিন আলী, ভোগডাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলহাজ্ব সাইদুর রহমান প্রমুখ।
কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অফিসের তথ্য মতে, জেলার ৯টি উপজেলায় ৪ লাখ ৫৭ হাজার ১৭৬টি পরিবার ভিজিএফের চাল পাচ্ছেন। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় ৫৭ হাজার ৩১২টি পরিবার। ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় ৫৬ হাজার ১৮৭টি পরিবার।
আরও পড়ুন: আশ্রয়ণ-২: প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেল ৩৩ হাজার পরিবার
নাগেশ্বরী উপজেলায় ৮১ হাজার ১৯ টি পরিবার, ফুলবাড়ী ৩৮ হাজার ৬৩২ টি পরিবার, রাজারহাট উপজেলায় ৪৩ হাজার ৬১টি পরিবার, উলিপুর উপজেলায় ৮৩ হাজার ১৫টি পরিবার, চিলমারী উপজেলায় ৩০ হাজার ৩১০টি পরিবার, রৌমারী উপজেলায় ৪৭ হাজার ৯৮৪টি পরিবার, চর রাজিবপুর উপজেলায় ১৯ হাজার ৬৫৬ টি পরিবার সুবিধা পাচ্ছেন।
এছাড়াও কুড়িগ্রাম পৌরসভা এলাকায় ৪ হাজার ৬২১টি পরিবার, নাগেশ্বরী পৌরসভায় ৪ হাজার ৬২১টি ও উলিপুর পৌরসভা এলাকায় ৩ হাজার ৮১টি পরিবার ঈদ উপহার হিসেবে ভিজিএফের ১০ কেজি চাল পাচ্ছেন পরিবারগুলো।
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেয়ে ভোগ ডাঙা ইউনিয়নের মোছা. আছিয়া বেওয়া বলেন, কদিন পরে ঈদ ঘরে চাল নাই খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম ঈদে কি খাবো আজ ভিজিএফের চাল পেয়ে চিন্তা দূর হলো খুবই খুশি হয়েছি।
আরেক দিনমজুর মো. হামিদুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে কাম কাজ নাই, ঘরে খাবার নাই, বউ বাচ্চাকে নিয়ে কষ্টে ছিলাম। আজ চাল পেয়ে ভালো লাগলো।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ঘর পাচ্ছে রাজশাহীর ১১৪৯ পরিবার
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু বলেন, অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের ঈদ আনন্দ যাতে নিরানন্দে পরিণত না হয় সে লক্ষ্যে বরাবরই কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের অন্যতম জনবহুল দারিদ্র্য জনগোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে প্রতি ঈদে বিভিন্ন সহযোগিতার পাশাপাশি ভিজিএফ কার্ডের সুবিধা দেন তিনি।
এরই ধারাবাহিকতায় দেশের প্রতিটি দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের হাতে ঈদ উপহার হিসেবে ১০ কেজি করে ভিজিএফের চাল তুলে দেয়া হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে অনেক খুশি পরিবারগুলো। জেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে উপহারের চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে ঘরে ঘরে পৌঁছে গেল প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার
১০১৫ দিন আগে
প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের ঈদ উপহার দিল জে কে ফাউন্ডেশন
এম বি এইচ জুয়েলের সহায়তায় প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছে জে কে ফাউন্ডেশন।
বৃহস্পতিবার ( ২০ এপ্রিল) মুন্সীগঞ্জে প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করে সংগঠনটি।
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রায় ২০০০ মানুষকে উপহার দেয় জে কে ফাউন্ডেশন।
আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য চাকরি মেলা উদ্বোধন আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর
১০৭৯ দিন আগে
সেনাবাহিনীর দেয়া ঈদ উপহার পেলেন খাগড়াছড়ির দরিদ্ররা
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কর্তৃত দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। প্রায় তিন শতাধিক পাহাড়ি-বাঙালির এই ঈদ সামগ্রী পেয়ে খুশি।
রবিবার বেলা ১১টার দিকে মহালছড়ি উপজেলার মানিকছড়ি এলাকায় শখাগড়াছড়ি রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো.জাহাঙ্গীর আলম সবার হাতে ঈদ সামগ্রীগুলো তুলে দেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ঘর পাচ্ছে রাজশাহীর ১১৪৯ পরিবার
তিনি বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। তাইতো পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালির মাঝে অসাম্প্রদায়িক মেল বন্ধন ছড়িয়ে দিতে আসন্ন ঈদে পাহাড়ি-বাঙালি সবার মুখে একটু হাসি ফোটানোর জন্য সবার ঘরে ঈদ সামগ্রী পৌঁছিয়ে দিতে সেনাবাহিনীর এ সামান্য প্রয়াস।
আরও পড়ুন: মুজিববর্ষ: ঠাকুরগাঁওয়ে জমি-নতুন ঘর পাচ্ছেন ২৬১২ ভূমিহীন
উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, মহালছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আরাফাত সিদ্দিকী, খাগড়ছড়ি রিজিয়নের স্টাফ অফিসার মেজর মো. জাহিদ হাসান ।
১৪৪১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ঘর পাচ্ছে রাজশাহীর ১১৪৯ পরিবার
মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে রাজশাহীর ১১৪৯টি পরিবার ঘর পাচ্ছে। বিভাগের প্রথম ধাপে ৬৯২টি ও দ্বিতীয় ধাপে ৮৫৪টি গৃহহীন ও ভূমিহীনরা রঙিন টিনশেডের সেমিপাকা বাড়ি পেয়েছেন।
রবিবার দুপুর ১২টাযর দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, ২৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তৃতীয় ধাপে রাজশাহীর ৯ উপজেলার ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ১১৪৯টি ঘরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়া ৪৮১টি ঘর উপকারভোগী পরিবারের অনুকূলে হস্তান্তর করবেন। অবশিষ্ট আরও ৭৮৬টি ঘর আগামী বছর ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর আগেই গৃহহীনদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়াও তৃতীয় পর্যায়ে ১২৬৭টি ঘরের মধ্যে ১১৪৯টি ঘরের চাবি তুলে দেয়া হবে।
আরও পড়ুন: মুজিববর্ষ: ঠাকুরগাঁওয়ে জমি-নতুন ঘর পাচ্ছেন ২৬১২ ভূমিহীন
জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল জানান, রাজশাহীর ৯টি উপজেলার ১২৬৭টি পরিবারের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পবায় ১৫০টি, মোহনপুরে ৯২টি, তানোরে ১৬১টি, গোদাগাড়ী ২২৯টি, বাগমারায় ১৬০টি, দুর্গাপুরে ১৫৫টি, পুঠিয়ায় ১৮০টি, চারঘাটে ৬৫টি ও বাঘায় ৭৫টি পরিবার ঘর পাচ্ছে।
তিনি জানান, বৃহৎ এই কর্মযজ্ঞে ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ষাটোর্দ্ধ প্রবীণ ব্যক্তিদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। খাস জমিতে ব্যারাক নির্মাণের মাধ্যমে দুই শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান করে একক গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে।
আব্দুল জলিল বলেন, প্রতিটি বাড়িতে থাকবে দুটি বেড রুম, একটা কিচেন রুম, একটা ইউটিলিটি রুম, একটা টয়লেট ও একটা বারান্দা। দুর্যোগ সহনীয় এসব ঘর হবে টেকসই এবং প্রতিটি ঘরেই থাকবে সোলার সিস্টেম আর বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা। প্রতিটি সেমিপাকা ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। ইটের দেয়াল, কংক্রিটের মেঝে এবং রঙিন টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি সবগুলো বাড়ি সরকার নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের মাঝে যুবলীগের ঈদ উপহার
তিনি জানান, ঘরগুলো নির্মাণে কোনও প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি যাতে না হয় সে জন্য প্রত্যেক উপজেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বিষয়টি তদারকি করেছেন।
১৪৪১ দিন আগে
মুজিববর্ষ: ঠাকুরগাঁওয়ে জমি-নতুন ঘর পাচ্ছেন ২৬১২ ভূমিহীন
মুজিববর্ষ উপলক্ষে তৃতীয় পর্যায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে আরও ২ হাজার ৬১২ জন ভূমিহীন জমি ও নতুন ঘর পাচ্ছেন। এ বিষয়ে রবিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে ঘরে ঘরে পৌঁছে গেল প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার
ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুর রহমান জানান, জেলায় তৃতীয় পর্যায়ে মোট দুই হাজার ৬১২ জন ভূমিহীন প্রত্যেকে ২ শতক করে জমি ও একটি করে দুই রুম বিশিষ্ট আধাপাকা গৃহ পাবেন। উদ্বোধনযোগ্য গৃহের সংখ্যা এক হাজার ৪৬৬টি। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৭৫৫টির মধ্যে উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত গৃহের সংখ্যা ৩৪০টি, পীরগঞ্জ উপজেলায় ৬৪৮ টির মধ্যে উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত ৪৪৮টি, রাণীশংকৈল উপজেলায় ৭৭৬টির মধ্যে প্রস্তুত ৩৫১টি, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৫৩টির মধ্যে প্রস্তুত ৪৮টি ও হরিপুর উপজেলায় ৩৮০টির মধ্যে ২৭৯টি উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
আগামী ২৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে জানান জেলা প্রশাসক।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের মাঝে যুবলীগের ঈদ উপহার
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় আরও বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কামরুন নাহার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রামকৃষ্ণ বর্মন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মো. সামসুজ্জামান, প্রেসক্লাব সভাপতি মনসুর আলী, সাংবাদিক কামরুল ইসলাম রুবাইয়েত, মজিবর রহমান খান, শাহ্ মো. নাজমুল ইসলাম প্রমুখ।
১৪৪১ দিন আগে
বীরাঙ্গনা টেপরি বেওয়াকে জেলা প্রশাসকের ঈদ উপহার
ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈলে ৭১ এর বীরাঙ্গনা টেপরি বেওয়াকে ঈদ উপহার দিয়েছেন জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসক এই ঈদ উপহার তার হাতে তুলে দেন।
জেলা প্রশাসক বীরাঙ্গনা টেপরি বেওয়া ও তার সন্তান সুধীরকে ঈদ সামগ্রী, কাপড় ও নগদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করেন।
আরও পড়ুন: বীরাঙ্গনার স্বীকৃতির পর মাথা গোজার ঠাঁই পেলেন মায়া রানী
জেলা প্রশাসক জানান, এর আগেও বীরাঙ্গনা টেপরি বেওয়াকে বাড়ি, আর্থিক সহায়তা, তার সন্তানের জন্য একটি ইজিবাইক এবং সরকারি সব রকমের সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ছাপড়া ঘরে বীরাঙ্গনা চারুবালার বসবাস, দেখতে গেলেন ওসি
জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম আরও বলেন, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজেদের সম্মান বিসর্জন দিয়েছেন, এদেশকে স্বাধীন করতে অবদনা রেখেছেন, তাদেরকে শ্রদ্ধা জানাতে। তাদের পাশে আমরা সর্বদা আছি। সরকারের সব ধরনের সহযোগিতা বীরাঙ্গনারা পাবেন।
ঈদ উপহার পেয়ে জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান টেপরি বেওয়া।
আরও পড়ুন: একাত্তরের পরাজিত শক্তি আবার মাথাচারা দিয়েছে: তোফায়েল
এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম, রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকারনাইন কবির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা।
১৭৮৮ দিন আগে