ঈদের শুভেচ্ছা
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান আইজিপির
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঈদুল ফিতরের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
আইজিপি বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে হাইওয়ে, ট্রাফিক ও জেলা পুলিশসহ সব ইউনিটের সদস্যরা অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন।
অনুষ্ঠান চলাকালীন পুলিশ প্রধান সদর দপ্তরে কর্মরত সব পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা, সদস্য এবং সিভিল স্টাফদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন ।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপিরা, ঢাকাভিত্তিক বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
কূটনীতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কূটনৈতিক অঙ্গনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে তার সরকারি বাসভবনে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সাক্ষাতের সময় তিনি আগত অতিথিদের সঙ্গে আন্তরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উৎসবমুখর পরিবেশে কূটনীতিকদের সঙ্গে হাস্যরস ও খুনসুটিতেও মেতে উঠতে দেখা যায় বিরোধীদলীয় নেতাকে। পরে বাসভবন প্রাঙ্গণে একটি গাছ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও দেন তিনি।
এর আগে, সকালে রাজধানীর মিরপুরের ৬০ ফুট সড়ক-সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাই স্কুল মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন শফিকুর রহমান।
৫ দিন আগে
প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশবাসীর সহযোগিতা থাকলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে সরকার।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহুবছর পর দেশের মাটিতে দেশের মানুষের সঙ্গে স্বপরিবারে ঈদ করতে পারায় আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি বলেন, এবার যেমন নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপিত হয়েছে, ভবিষ্যতেও দেশবাসী আরও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবে—এমনটাই প্রত্যাশা।
এ সময় তিনি ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালে যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তারেক রহমান বলেন, এই ঈদে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। প্রত্যাশিত দেশ গড়তে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
দেশবাসীর সহযোগিতা থাকলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিন প্রথমে ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রায় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে এ কর্মসূচি।
এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে, সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
৫ দিন আগে
অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক ইউনূস ছাড়াও রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক ও সিনিয়র সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম ঈদ উদযাপন। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোর থেকেই যমুনা প্রাঙ্গণে সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে জনসাধারণের জন্য যমুনার দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
৫ দিন আগে
কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কূটনীতিক ও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
এদিন প্রথমে ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রায় বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে এ কর্মসূচি।
এ সময় তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এর আগে, সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই জামাতে অংশ নেন তারা।
এই জামাতকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই ঈদগাহ ময়দান মুসল্লিদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহে পৌঁছান। এসময় পুরো এলাকা জুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয় এবং দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় করা হয় বিশেষ মোনাজাত।
মোনাজাত শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসভবনের উদ্দেশে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।
৫ দিন আগে
ঈদ হোক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিকতার বন্ধন জোরদারের অনুপ্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।’
তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে।
তারেক রহমান বলেন, পবিত্র রমজান মাস সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য শিক্ষা দেয়। এই এক মাসের সাধনা মানুষকে আত্মসংযমী হতে এবং অন্যের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত হয়।
তিনি বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, ছোট-বড় সব ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আনন্দের দিনে আমরা যেন সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। ‘আসুন, আমরা ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করি।’
শেষে তিনি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করেন, তিনি যেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে বর্ষিত করেন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন।
৬ দিন আগে
ঈদে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার (২০ মার্চ) এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আনন্দ ও উৎসবের বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে। ঈদ শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য শিক্ষা দেয়।
মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ঈদের এই আনন্দ ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জীবনে অনাবিল সুখ ও শান্তি বয়ে আনবে। তিনি বলেন, ‘সাম্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই হোক আমাদের এবারের ঈদের অঙ্গীকার।’
বার্তায় দেশ ও জাতির কল্যাণে ত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সেই সঙ্গে তিনি দেশবাসীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন এবং সবাই যেন নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশ জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো এক বার্তায় মোদি বলেছেন, ‘ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আপনাকে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।’
বার্তায় তিনি বলেন, গত এক মাস ধরে ভারতসহ সারা বিশ্বের মুসলমানরা পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালন ও ইবাদতে সময় অতিবাহিত করেছেন। ঈদের এই উৎসব মানুষকে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও একসঙ্গে থাকার চিরন্তন মূল্যবোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে সবার শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য ও সুখ কামনা করি। আমাদের দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হোক।’
৭ দিন আগে
যত বাধাই আসুক, ঐক্যবদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গঠন করবই: ড. ইউনূস
ঈদের দিন জাতির উদ্দেশে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, শত বাধা সত্ত্বেও ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে আমরা নতুন বাংলাদেশ গঠন করবই।
সোমবার (৩১ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে মোনাজাতের আগে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের শুরুতে জাতির পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান অধ্যাপক ইউনূস। বলেন, ‘ঈদ মোবারক! আজ বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি বাজারে, প্রতিটি গঞ্জে, প্রতিটি শহরে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জামাতে যারা শরিক হয়েছেন, আমরা জাতির পক্ষ থেকে তাদের ঈদ মোবারক জানাচ্ছি।’
‘যারা ঈদের জামাতে শরিক হওয়ার সুযোগ পাননি, তাদেরও ঈদ মোবারক জানাচ্ছি। আমাদের মা-বোনেরা যারা ঘরে আছেন, তাদেরও আমরা ঈদ মোবারক জানাচ্ছি।’
প্রবাসীদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের প্রবাসী শ্রমিকেরা, যারা বিদেশে আছেন, সারা বছর কষ্ট করেছেন, ঈদের জামাতে হয়তো যেতে পারবেন, হয়তো যেতে পারবেন না, তাদেরও ঈদ মোবারক জানাই। যেসব বাংলাদেশিরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আছেন, তাদের আমরা ভুলে যাইনি, তাদেরও ঈদ মোবারক জানাচ্ছি।’
‘অনেকে হাসপাতালে আছেন, রোগী, বিভিন্ন কারণে ঈদের জামাতে যেতে পারেননি, তাদেরও ঈদ মোবারক জানালাম।’
আরও পড়ুন: ঈদের নামাজ আদায় করলেন প্রধান উপদেষ্টা
এ সময় জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন বীর সন্তানেরা, আত্মাহুতি দিয়েছেন, আমরা যেন মোনাজাতে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। যারা আহত হয়েছেন, যারা স্বাভাবিক জীবন থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছেন, এই দেশের জন্য নিজেদের স্বাভাবিক জীবন ত্যাগ করতে যারা বাধ্য হয়েছেন, তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনের ক্ষমতা দেওয়ার জন্য, রোগমুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে যেন আমরা প্রার্থনা করি আজকের দিনে।’
৩৬০ দিন আগে
তিন বছর পর গণভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শনিবার তার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলীয় নেতা-কর্মী, বিচারক ও বিদেশি কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বিগত ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান হয়নি।
আরও পড়ুন: দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব পরিহার করে জাতীয় উন্নয়নের জন্য কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা প্রথমে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দলীয় নেতা-কর্মী, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
পরে তিনি সকাল ১১টা থেকে বিচারক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিন বাহিনীর প্রধান, বিদেশি কূটনীতিক, সিনিয়র সচিব, সচিব এবং সচিবের সমতুল্য পদমর্যাদার বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশে শনিবার উদযাপন করা হবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি
যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানাবে ঢাকা: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে প্রধানমন্ত্রী
১০৭০ দিন আগে