কিশোর গ্যাং
ময়মনসিংহে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত ১
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে আব্দুল বারেক আকন্দ ওরফে মজনু মুন্সি (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের বয়ড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মজনু মুন্সি ওই ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের আব্বাস আলী আকন্দের ছেলে। তার ছেলে জহরুল ইসলাম আকন্দ কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন।
নিহতের ছেলে জানান, গতকাল (রবিবার) রাতে স্থানীয় বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে একদল কিশোর গ্যাং তার বাবার পথরোধ করে। তাদের চিনে ফেলায় দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে তার বাবা দুর্বারচর পশ্চিমপাড়ার তিনজনের নাম উল্লেখ করে গেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, তার বাবা বয়ড়া বাজার থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা অন্য কাউকে ছিনতাই বা হত্যার উদ্দেশ্যে ওঁৎ পেতে ছিল। এ সময় ভুলবশত তারা তার বাবার পথরোধ করে। পরে তাকে বুকে ও পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়।
নিহতের ছেলের অভিযোগ, হামলার পর দুর্বৃত্তদের একজন তার বাবার মোবাইল ফোন থেকে তাকে ফোন দেয়। এ সময় প্রায় ১৩ সেকেন্ড কলটিতে সংযোগ থাকলেও তারা কোনো কথা বলেনি। পরে একই নম্বর থেকে তার বোন মাহিয়া আক্তার বৃষ্টিকে ফোন করে একজন বলেন, আপনার বাবাকে আমি মারিনি, আরেকজন ছুরি মেরেছে।
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১০ দিন আগে
কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে কিশোর নিহত, আহত ২
রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে নাঈম মোল্লা (১৭) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দুইজন। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে ওই এলাকার আমবাগিচা এলাকায় চিত্রনায়ক ডিপজলের বাড়ির গলিতে কিশোর গ্যাংয়ের সিনিয়র-জুনিয়র গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো সুইচ গিয়ার চাকুর আঘাতে নাঈম মোল্লা গুরুতর আহত হন। পরে তিনি মারা যান।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, নিহত নাঈমের বাবা মো. মজিদ মোল্লার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকায়। তিনি থানায় এসে অভিযোগ করেন, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা তার ছেলেকে ধারালো সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে বুকে, পাঁজরে ও পেটে এলোপাতাড়ি আঘাত করে হত্যা করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় তাজ নামে এক কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি সাইফুল আলম। তিনি আরও জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরে নিহতের বাবা বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
তবে হত্যার কারণ বা জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
১৩ দিন আগে
রংপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ভ্যানচালক খুন
রংপুরের বদরগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আরিফুল ইসলাম(২৫) নামে এক ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বালুয়াভাটা গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত আরিফুল পৌরশহরে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাঠানপাড়া গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে ছিলেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল (মঙ্গলবার) রংপুর আদালতে একটি মামলায় কিশোর গ্যাংয়ের মমিনুলসহ তার দলের ৫ জন হাজিরা দিতে যায়। একই মামলায় কিশোর গ্যাংয়ের ফিরোজ শাহ ওরফে মার্ডার ফিরোজ ও তার দলবলও সেখানে উপস্থিত হয়। এ সময়ে বাগবিতণ্ডা হলে ফিরোজ ও তার দলবল মমিনুল গ্রুপের ওপর হামলা করে। এ ঘটনায় মমিনুলসহ কয়েকজন আহত হয়। তবে সেখানেই বিষয়টির মীমাংসা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, ওই ঘটনার জের ধরে গতকাল বিকেলে আবারও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। প্রতিশোধ নিতে মমিনুল তার লোকজনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফিরোজ বাহিনীকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ালে পাঠানপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক আরিফুলকে ছুরি দিয়ে জখম করে ফিরোজ গ্যাং। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আরিফুলের বাবা রেজাউল ইসলাম বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘মোর বাবা পাঠান পাড়ার বলে মারছে ওরা। মোর তিনটে ব্যাটা, একটা ব্যাটাক বাঁচপার পাও নাই। আর দুইটার একটাক মারি ফেলাইলো। বাপের ঘারত ছেলের লাশ, এর চেয়ে দুঃখ পৃথিবীতে আর হয় না। আমার ছেলে কোনো অপরাধ করে নাই। আমি অপরাধকে মানিয়ে নেওয়া লোক নোয়াই। আমি এর কঠোর বিচার চাই, নাহলে আমি আত্মহত্যা কইরব।’
বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক যাদোন্দ্রনাথ বলেন, রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পথেই তিনি মারা গেছেন।
বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ সরকার বলেন, কোর্টে আগের মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে মারামারি হয়েছে। পরে পাঠানপাড়ারা সঙ্গবদ্ধ হয়ে এসে একটা দোকান ভেঙে চলে যাওয়ার পর ফিরোজ গ্রুপ এসে পাঠানপাড়ার বাসিন্দা হওয়ায় একটি নিরীহ ভ্যানচালককে কুপিয়ে জখম করে। ফিরোজের বিরুদ্ধে এর আগেও তিনটি হত্যা মামলাসহ ১১টি মামলা রয়েছে। নতুন করে এই ঘটনার এজাহার নেওয়া হয়েছে।
৭২ দিন আগে
চাঁদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্য আটক
চাঁদপুর জেলা শহরে কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্যকে আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত শহরের হাসান আলী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, লেকেরপাড়, স্টেডিয়াম রোড, মাদরাসা রোড, পৌর পার্ক, কবরস্থান রোড, প্রেসক্লাব রোডসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।
এ সময় ওসি (তদন্ত) মিন্টু দত্ত, সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস নূর, এসআই বিল্লাল হোসেন, নাজমুল হোসেন, মোখলেছ, কালাম গাজী, নূরুল আলমসহ অন্য সদস্যরা সঙ্গে ছিলেন।
আটকরা হলেন— ফয়সাল খান (১৪), জাহিদুল (১৬), রবিউল (১৬), আসিফ (২৩), রোকন (১৮), তানভির (১৭), লাবিব (১৭), মাহমুদ (১৮), শাকিব (১৭), শাফিউন (১৮), হামিম (১৯), রায়হান (১৭), ফাহিম (১৭), আল আমিন (১৭), আল সামির (১৫), ফাইয়াজ (১৫), তাওহিদ (১৫), আবরার (১৮), দ্বিন ইসলাম (১৮), সাফিন (১৯) ও মিহাম (১৮)।
ওসি মো. ফয়েজ আহম্মেদ বলেন, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রবিউল হাসানের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে কিশোর গ্যাংয়ের ২১ সদস্যকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
তিনি বলেন, আটকদের যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৪৪ দিন আগে
সিদ্ধিরগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, গ্রেপ্তার ৪
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে মো. আব্দুল্লাহ খাঁন রায়হান নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চার কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় দক্ষিণ কদমতলী এলাকার ডিঅ্যান্ডডি লেকপাড়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত রায়হান এসি সার্ভিসিংয়ের কাজ শিখছিলেন বলে জানিয়েছেন তার বাবা মো. সামিম খান।
ঘটনার পর রাতে ১৬ জনকে আসামি করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন রায়হানের বাবা। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাত আরও আটজনকে আসামি করা হয়। গ্রেপ্তার চারজন হলেন—হৃদয়, সাব্বির, আতিক ও আল আমিন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে রায়হান ও তার বন্ধুরা লেকপাড়ে একটি ক্লাবে ফ্রি-ফায়ার গেম খেলার পর আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মেহেদী ও শুভসহ এক কিশোর তাদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় রায়হানদের সঙ্গে পুরনো বিরোধের জেরে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। পরে তারা আরও কয়েকজনকে ফোনে ডেকে আনে। রায়হান ও তার বন্ধুরা ঘটনাস্থল ছাড়ার চেষ্টা করলে হৃদয়সহ অন্যরা তাদের ক্লাবের সামনে ধরে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে হৃদয় রায়হানের বুকে ছুরিকাঘাত করে।
আরও পড়ুন: বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ আটক, অভিযুক্তের দাবি ষড়যন্ত্র
রায়হানকে প্রথমে সুফিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে খাঁনপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম জানান, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।’
৪১৮ দিন আগে
কিশোর গ্যাংয়ের মহড়ার ভিডিও ভাইরাল, আটক ৪
কুমিল্লায় প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়ার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের ৪ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে নগরীর কান্দিরপাড় এলাকার রানীর দিঘির দক্ষিণ পাড়েবিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন— রেজাউল করিম নাফিজ (১৮), সিফাত হোসেন (১৬), আরমান ইসলাম রাজিম (১৭) ও রাকিব হোসেন (১৬)।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় শিকারি পাখি ও পাখি ধরার ফাঁদসহ আটক ১
তিনি জানান, শুক্রবার কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া ও স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।
সেদিন বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত নগরীর রানীর দিঘির পাড়, তালপুকুর পাড় ও আদালতপাড়া এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মহড়া দেয়। এ সময় সড়কের দুপাশে সাধারণ মানুষজন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন।
ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের মহড়ার খবর পেয়ে পুলিশ অভিযানে নেমে চারজনকে আটক করেছে৷ শনিবার (২৬ এপ্রিল) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
৪৪৭ দিন আগে
ধারালো রাম দার সামনে স্বামীর ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন স্ত্রী
রাজধানীর উত্তরাতে এক দম্পতির ওপর ধারালো রামদা নিয়ে হামলা করে দুই ব্যক্তি। সে সময় স্বামীকে বাঁচাতে ধারালো অস্ত্রের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যান স্ত্রী। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে এমন ঘটে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই হামলার ভিডিও।
এতে দেখা যায়, স্বামীকে বাঁচাতে ঢাল হয়ে ছিলেন স্ত্রী। যদিও এই হামলায় স্বামী-স্ত্রী উভয়ই আহত হয়েছেন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।তবে এখানে স্ত্রী দেখিয়েছেন ভালোবাসার অন্যান্য দৃষ্টান্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এই ঢাল হয়ে থাকার ঘটনা প্রশংসিত হচ্ছে। ধারালো অস্ত্রের সামনেও স্বামীকে বাঁচাতে পিছপা হননি তিনি।
আরও পড়ুন: উত্তরায় চাপাতি দিয়ে দম্পতির ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২
ঘটনার বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ বি সিদ্দিক জানান, বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল একটি রিকশাকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় প্রথমে রিকশাচালক প্রতিবাদ করেন। পাশের আরেকটি মোটরসাইকেলে ছিলেন হামলার শিকার দম্পতি। তারাও এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান।
তিনি বলেন, পরবর্তীতে ধাক্কা দেওয়া মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আরও কয়েকজনকে ডেকে আনেন। পরে ওই দম্পতির ওপর দুজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করেন। হামলাকারীরা স্থানীয় অপরাধী চক্রের সদস্য।
এ ছাড়াও উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান, এই ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন মোবারক হোসেন (২৫) ও রবি রায় (২২)। হামলাকারীরা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
হামলাকারীরাদের সন্ত্রাসী বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, তদন্তের পর ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫১৪ দিন আগে
নওগাঁয় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় সমন্বয়ক ও শিক্ষার্থী আহত, আটক ৩
নওগাঁয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও শিক্ষার্থীদের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় সমন্বয়ক আরমানসহ মেহেদী নামে আরেক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পেটায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে ঘটনাটি ঘটে। পরে রাত সাড়ে ৮টায় দেশীয় অস্ত্র জব্দসহ কিশোর গ্যাংয়ের তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে সেনাবাহিনী।
আটকরা হলেন- সান্নিধ্য, হাসান ও আলামিন।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাং নেতা খুন
সমন্বয়ক আরমান হোসেন ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী এবং অ্যাডমিশনের প্রস্তুতিতে নওগাঁয় অবস্থান করছিলেন তিনি। অন্যদিকে আহত মেহেদী হাসান নওগাঁ সরকারি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে আড্ডা দিচ্ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নওগাঁয় নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরাসহ ছাত্রনেতা আরমান। এসময় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে প্রবেশ করে আরমানকে মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে আরমান মাটিতে লুটিয়ে পড়েলে তাকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা আরমানকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। এসময় মেহেদী নামে আরেক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পেটায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এরপর সেখান থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে সটকে পড়ে কিশোর গ্যাং।
এরপর আরমান ও মেহেদীকে ২৫০ শয্যা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী জাহান বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর চাঁদাবাজিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সমর্থন চেয়ে আসছিল কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দেশীয় অস্ত্র ও অগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালায় তারা।
আরও পড়ুন: ঢাকায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযানে মূলহোতাসহ ৩৫ জন গ্রেপ্তার
হামলায় আহত ছাত্রনেতা আরমান হোসেন বলেন, কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই ওরা (কিশোর গ্যাং) আমাকে মারতে শুরু করে। এক পর্যায়ে স্কুলের পেছনে অন্ধকার একটা জায়গায় টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। এতে বাধা দিলে পকেট থেকে ছুরি বের করে আমাকে হত্যার চেষ্টা চালায় তারা। ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরলেও অভিযুক্তদের গডফাদাররা প্রতিনিয়ত আমাকে হুমকিতে রেখেছে। চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
৬৩৭ দিন আগে
ঢাকায় কিশোর গ্যাংয়ের ৭৫ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে দুই দিনে ‘কিশোর গ্যাংয়ের’ ৭৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দারা।
মঙ্গলবার ও বুধবার তেজগাঁও, গুলশান, উত্তরা ও মতিঝিল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার ডিবির মিন্টো রোড কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে ডিবি প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হারুন-অর-রশিদ এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারদের অধিকাংশই বিভিন্ন মামলায় ওয়ান্টেড আসামি বলেও জানান তিনি।
সম্প্রতি, পুলিশ তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় তথাকথিত ‘বড় ভাইদের’ সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে।
আরও পড়ুন: ফেনীতে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য
গ্রেপ্তাররা দীর্ঘদিন ধরে উত্তরা, রামপুরা, বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ ও ৩০০ ফিট এলাকায় ইভটিজিং, উত্যক্ত ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত বলেও জানান তিনি।
ডিবি প্রধান বলেন, তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত।
তিনি আরও বলেন, এই দলগুলো সমাজে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। তাদের কারণে সমাজের আইনশৃঙ্খলা বিনষ্ট হচ্ছে।
গত দুই বছরে এই গ্যাংদের হামলায় ৩৪ কিশোর নিহত হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডিবি প্রধান আরও বলেন, ‘একসময় আমরা ভাবতাম ভাসমান ও নিম্নবিত্ত পরিবারের শিশুরা কিশোর গ্যাংয়ে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে উচ্চ মধ্যবিত্ত ও ধনী পরিবারের ছেলেমেয়েরাও এসব গ্যাংয়ে জড়িয়ে পড়ছে।’
আরও পড়ুন: যশোরে অস্ত্রসহ ‘কিশোর গ্যাং’য়ের ৯ সদস্য আটক
৮৬২ দিন আগে
ফেনীতে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য
ফেনী শহরের অলিগলিতে, উপজেলার গ্রামাঞ্চলে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে। হত্যা, চুরি, ছিনতাই, স্কুল-কলেজের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা, যৌন হয়রানিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে উঠতি বয়সী এসব কিশোররা।
এদের অনেকের পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। ‘বড় ভাইয়েরা’এলাকায় প্রভাব বিস্তার, বিপক্ষের নেতা-কর্মীকে ধমকানো-শাসানো, জমিজমা বাগিয়ে নেওয়াসহ নানা স্বার্থ উদ্ধারে কিশোর গ্যাং লালন করা হয় বলে জানা গেছে। ফলে পরিবার বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে চেষ্টা করেও তাদের ফেরানো যাচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফেনী জেলায় অন্তত ১০টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। ‘বড় ভাইদের’ আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তারা এখন বেপরোয়া, ভয়ংকর। এদের রাজত্ব জেলা শহর থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত। বড় বড় হাটবাজার ঘিরেও এদের প্রভাব। মাদকের জগতেও রয়েছে বিচরণ। সংঘবদ্ধ হয়ে ছিনতাই, নারী উত্ত্যক্ত, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, হানাহানি থেকে শুরু করে খুনোখুনিতেও জড়িয়ে পড়েছে এরা।
আরও পড়ুন: যশোরে অস্ত্রসহ ‘কিশোর গ্যাং’য়ের ৯ সদস্য আটক
কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতাদের পাল্লা ভারী করতেই মূলত কিশোর গ্যাং সদস্যদের ডাকা হয়। ফেনীতে ‘কসাই’, ‘হিমিল’, ‘শান্ত’, ‘জেকে’, ‘পিটু’, ‘চাকমা জাবেদ’সহ একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতার কথা শোনা যায়। উঠতি বয়সী তরুনদের এ ভয়ংকর রূপ ভাবিয়ে তুলেছে অভিভাবক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের।
বৃহস্পতিবার ফেনী পৌরসভার মধ্যম রামপুর এলাকা থেকে এসডিকে গ্রুপের প্রধান মো. রাব্বি, মো. তৌহিদুল ওরফে সাগর, মো. ফখরুলকে আটক করা হয়। ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ হয়ে মারামারি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত ছিলেন তারা।
তারা প্রকাশ্যে দিনে-দুপুরে স্থানীয় এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি, নিজেদের মধ্যে মারামারি, অন্য সাধারণ কিশোরদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন এবং মাদক সেবন করে বলে জানা গেছে। আটকের সংখ্যা বেশি হলেও কয়েকজন পরীক্ষার্থী হওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসডিকে গ্রুপের এক সদস্য জানান, ‘নেতাদের কোনো প্রয়োজন হলে তারা বড় ভাইদের বলেন। আর বড় ভাইরা আমাদের নিয়ে অপারেশন কমপ্লিট করেন। এক্ষেত্রে সদস্যরা কিছু টাকা পায়।’
কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের আটক করা হলে তাদের ছাড়ানোর জন্য বড়ভাই বা নেতাদের কল আসে বলে জানান এক পুলিশ কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের ৩৭ সদস্য গ্রেপ্তার
ফেনী গার্লস স্কুল এবং মহিলা কলেজের সামনে ছাত্রীকে একদল বখাটে উত্ত্যক্ত করে। অপরদিকে, ফেনীর জিয়া মহিলা কলেজ, ফেনী সরকারি কলেজ, মহিপাল সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন কলেজের প্রতিনিয়তই কিছু বখাটে কিশোর দাঁড়িয়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। এসব কিশোর গ্যাং ধরতে ইতোমধ্যে ফেনী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
সম্প্রতি ফেনীতে ঘটে যাওয়া বখাটেদের কয়েকটি ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচগাছিয়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নেতা কর্তৃক ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা; ফালাহিয়ায় সহিংসতা।
এদিকে, কিশোর গ্যাংয়ের আঘাতে কিছুদিন আগে জায়লস্কর ইউনিয়নের নুরুল্লাপুর গ্রামে সজীব নামে এক ছেলে মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া শহরতলির আল জামিয়াতুল কামিল মাদরাসায় একদল বখাটে কিশোর তাণ্ডব চালায়। এ সময় পুলিশ খবর পেয়ে মাদরাসায় অভিযান পরিচালনা করলে তারা পালিয়ে যায়।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে হায়দার ক্লিনিকের পাশে খালি জায়গায় কিশোর গ্যাং ‘এফসিবি’ মারামারির একটি দৃশ্য ভাইরাল হয়। ভিডিও ফুটেজে ফেনী মডেল হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আমিরুল হুদা মুবিনকে পিটিয়ে আহত ও পা ধরে ক্ষমা চাওয়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। রাতে নির্যাতনের শিকার কিশোরের মা পারভিন আক্তার বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ কিশোরকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় পিকনিকের বাস থেকে কিশোর গ্যাংয়ের ৯ সদস্য আটক
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফেনীর এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ফেনী শহরের স্কুলগুলোতে ও পাড়াকেন্দ্রিক সক্রিয় রয়েছে কিশোর গ্যাংয়ের একাধিক গ্রুপ। এরা শহরের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী। এক গ্রুপের সদস্যকে মারধরের ঘটনা ঘটলে প্রতিশোধ নিতে কালক্ষেপণ করে না অন্য গ্রুপের সদস্যরা। এদের স্কুলব্যাগে চাপাতি, পকেটে থাকে ক্ষুর। আধিপত্য বিস্তার, ছোট ভাই-বড় ভাই ও প্রেম-সংক্রান্ত বিষয়সহ ছোটখাটো বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কি হলেই মারামারিতে লিপ্ত হয়। এরা স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে।’
ফেনী পুলিশ কোয়ার্টার এলাকার বাসিন্দা ওয়াজি উল্লাহ জানান, ‘প্রকাশ্যে চলে সিগারেট, মদ-গাঁজা সেবনসহ নানান অপকর্ম। তাদের দৌরাত্ম্যে বন্ধ থাকে মার্কেটের বেশিরভাগ দোকান। ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না দোকান মালিকরা। কিশোর গ্যাংয়ের কারণে দোকান মালিকরা অতিষ্ঠ। দিন দিন কাস্টমার কমে যাচ্ছে। সকাল-বিকাল প্রতিদিন মারামারি স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিকাল থেকে রাতের ১০টা পর্যন্ত তাদের আসর জমে।’
ফেনী জেলা পুলিশ সুপার জাকির হাসান বলেন, ‘শিশু ও কিশোর অপরাধ এবং কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে সমাজকে আরও সচেতন হতে হবে। অভিভাবকদেরও শিশু-কিশোরদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সবসময় কাজ করছে। বিভিন্ন স্কুল-কলেজ শেষে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তাঘাটে আড্ডা না দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ২ কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ: গ্রেপ্তার ১৬, অস্ত্র-ককটেল জব্দ
৮৬৪ দিন আগে