কিশোর গ্যাং
নওগাঁয় মাদক ও অস্ত্রসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
নওগাঁর মান্দায় মাদকবিরোধী ও কিশোর অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মান্দা উপজেলার কাশোপাড়া ইউনিয়নের চকউলী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে শুক্রবার দুপুরে জানিয়েছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন চকউলী গ্রামের ইসলাম বাবু (২১) ও শাওন ইসলাম (১৯) এবং শুটকিবাদল গ্রামের আরিফ হোসেন (২৩)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চালিয়ে দুটি বার্মিজ চাকু এবং বসতবাড়ির একটি গর্তে লুকিয়ে রাখা আধুনিক চাইনিজ ডাবল-হেড ট্যাকটিক্যাল অ্যাক্স বা ডাবল-ব্লেড টমাহক নামের আরেকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ৬০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ২০০ লিটার চোলাই মদ ও মাদক বিক্রির ৭৩ হাজার ৫০ টাকা জব্দ করা হয়।
পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক ও অস্ত্র মামলা করা হয়েছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর বলে জানান তিনি।
২ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে আটক ৫১৯
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে ৫১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীররাত পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার কিশোর গ্যাং বিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ১৮টি থানা এলাকায় জেলা পুলিশের সকল ইউনিট এবং ডিবি পুলিশ একযোগে অভিযান চালায়।
অভিযানে নগরী এবং প্রত্যেকটি থানা এলাকায় যেসব জায়গায় কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে সে সব চিহ্নিত স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে পুলিশ ৫১৯ জনকে আটক করে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান জানান, আটকদের অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। উঠতি বয়সী কিশোরেরা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে, সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিতই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয় এ বিষয়ে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
৯ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৫৩
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩৫৩ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম চালানো হয় বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। জেলার ১৮টি থানার পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এতে অংশ নেয়।
কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার যেসব থানা এলাকায় কিশোরদের দিয়ে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে, সেসব স্থানে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
আটক ব্যক্তিরা অপরাধে জড়িত কি না, তা যাচাই করছে পুলিশ। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ আরও জানায়, কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযান চলাকালে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও নজরদারি করা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
১৩ দিন আগে
চাঁদপুরের মাদক ও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ও গ্রেপ্তার ৯০
চাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। এ সময় মোট ৯০ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি ৫১ পিস ইয়াবা ও ২৯৩ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিয়া নূর ইউএনবিকে এসব তথ্য জানান। এর আগে গতকাল (শনিবার) জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবনের অপরাধে আটজন ও ১১ পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করে। পাশাপাশি ফরিদগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার ও ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ ২৩ গ্রাম গাঁজাসহ দুজনকে এবং মতলব উত্তর থানা পুলিশ ২৪ পিস ইয়াবা ও ২০ গ্রাম গাঁজাসহ দুজনকে আটক করে।
এছাড়া হাজীগঞ্জে পাঁচ পিস ইয়াবাসহ দুজন, শাহরাস্তিতে ছয় পিস ইয়াবাসহ দুজন এবং কচুয়ায় পাঁচ পিস ইয়াবা ও ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুজনকে আটক করা হয়।
আটক বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অন্যদিকে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে হাইমচরে একজন, ফরিদগঞ্জে ১৪ জন, মতলব উত্তরে আটজন, হাজীগঞ্জে ১৪ জন, শাহরাস্তিতে ১৭ জন ও কচুয়ায় ১৬ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাদকমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে তিনি সব স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
১৪ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৫২
কুমিল্লা জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২৫২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের নির্দেশনায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে, এমন বিভিন্ন স্থানকে অভিযানের আওতায় আনা হয়। এতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. লুৎফর রহমান জানান, আটকদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
১৬ দিন আগে
কুমিল্লায় তিন কিশোর গ্যাংয়ের ৫ হোতা গ্রেপ্তার
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রোধে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তিন গ্যাংয়ের পাঁচ হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৫ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশের কনফারেন্স হলে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।
গ্রেপ্তাররা হলেন কোতোয়ালি থানা এলাকার ‘শ্যামল স্কোয়াড’ গ্যাংয়ের জিসান (১৯) ও সাইফুল ইসলাম (২০); চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকার ‘১২০৭’ গ্যাংয়ের মো. তারেক হোসেন সৈকত (১৯) ও মো. জাকির আহমদ (২৩) এবং মনোহরগঞ্জ থানা এলাকার ‘পিএক্স ১০’ গ্যাংয়ের মো. শাকিব (১৭)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। এরই অংশ হিসেবে কোতোয়ালি, চৌদ্দগ্রাম ও মনোহরগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ হোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে গ্রেপ্তারদের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে।
গ্রেপ্তারদের কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২০ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক আরও ৩৬৩
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী বখাটেদের বিরুদ্ধে ফের অভিযান চালিয়ে ৩৬৩ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সরাসরি অংশগ্রহণে জেলার ১৮টি থানার পুলিশ, জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও ডিবি একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে।
এ নিয়ে পাঁচ দফার অভিযানে মোট ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে প্রথম দফায় ৬২৪ জন, দ্বিতীয় দফায় ২৫৪ জন, তৃতীয় দফায় ৪১৫ জন এবং চতুর্থ দফায় ৩৭৯ জনকে আটক করা হয়। সর্বশেষ ৩৬৩ জনসহ পাঁচ দফায় আটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৫ জনে।
পুলিশ জানায়, কুমিল্লা মহানগরীসহ বিভিন্ন থানা এলাকার কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে এমন স্থান, অপরাধপ্রবণ এলাকা ও আড্ডাস্থলে অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জেলা পুলিশ জানায়, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
২২ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক আরও ৪১৫
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী বখাটেদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আরও ৪১৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় জেলা পুলিশ ও ডিবি যৌথভাবে একযোগে অভিযান চালায়।
এর আগে দুই দফার অভিযানে ৬২৪ ও ২৫৪ জনসহ তিন দফায় মোট ১ হাজার ২৯৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান জানান, কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার ১৮টি থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকা, কিশোর বয়সী বখাটেদের আড্ডাস্থল ও সন্দেহজনক স্থানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অভিযানে সরাসরি অংশ নেন।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের পূর্বের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিশোর গ্যাং ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।
২৭ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক আরও ২৫৪
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী বখাটেদের বিরুদ্ধে একযোগে অভিযান চালিয়ে আরও ২৫৪ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান। এর আগে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, কুমিল্লা নগরীসহ কিশোরদের উৎপাত থাকা প্রতিটি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
এই কর্মকর্তা আরও জানান, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
অপরাধের সঙ্গে আটকদের সম্পৃক্ততা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী এক অভিযানে পুলিশ ৬২৪ জনকে আটক করে। তাদের মধ্যে ১৭৪ জনকে কারাগার বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল, আর বাকিদের মুচলেকা দেওয়ার পর মুক্তি দেওয়া হয়।
২৮ দিন আগে
ময়মনসিংহে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত ১
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে আব্দুল বারেক আকন্দ ওরফে মজনু মুন্সি (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের বয়ড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মজনু মুন্সি ওই ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের আব্বাস আলী আকন্দের ছেলে। তার ছেলে জহরুল ইসলাম আকন্দ কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন।
নিহতের ছেলে জানান, গতকাল (রবিবার) রাতে স্থানীয় বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে একদল কিশোর গ্যাং তার বাবার পথরোধ করে। তাদের চিনে ফেলায় দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে তার বাবা দুর্বারচর পশ্চিমপাড়ার তিনজনের নাম উল্লেখ করে গেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, তার বাবা বয়ড়া বাজার থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা অন্য কাউকে ছিনতাই বা হত্যার উদ্দেশ্যে ওঁৎ পেতে ছিল। এ সময় ভুলবশত তারা তার বাবার পথরোধ করে। পরে তাকে বুকে ও পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়।
নিহতের ছেলের অভিযোগ, হামলার পর দুর্বৃত্তদের একজন তার বাবার মোবাইল ফোন থেকে তাকে ফোন দেয়। এ সময় প্রায় ১৩ সেকেন্ড কলটিতে সংযোগ থাকলেও তারা কোনো কথা বলেনি। পরে একই নম্বর থেকে তার বোন মাহিয়া আক্তার বৃষ্টিকে ফোন করে একজন বলেন, আপনার বাবাকে আমি মারিনি, আরেকজন ছুরি মেরেছে।
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১১১ দিন আগে