উপাচার্য
কর্মসংস্থান বাড়াতে কর্মমুখী শিক্ষায় জোর রাষ্ট্রপতির
দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষার ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, বেকারত্ব তৈরি করে এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করে না—এমন শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আমাদের ধীরে ধীরে সরে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার মান উন্নত করতে হবে, যাতে দেশের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যেতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আসন্ন সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন জাতীয়তাবাদী আদর্শের ‘সাদা দল’ সমর্থিত শিক্ষকরা। উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচার ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের একটি অংশও আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা দিয়ে সেখানে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা উপাচার্যকে ‘দুর্নীতিবাজ’ ও ‘জাতীয়তাবাদী আদর্শের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে তাতে যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, মো. গোলাম রব্বানী, রাকিব হোসেন অত্রাদ, জাহিদ হাসান ফাহাদ, মঈনুল হাসান সাদিক, মেহেদী হাসান রতন, সাদাব হোসেন রিয়ন, আহ্বায়ক সদস্য আশরাফুল ইসলাম, সদস্য রাজেশ বাছাড়, তারিকুল ইসলাম, মামুন মিয়া, মুক্তার হোসেন, নাজমুল হোসেন ও ধ্রুব সিদ্দিকী।
এর আগে, গেল সোমবার উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পাঁচ শিক্ষকসহ ১১ জন শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। একই সঙ্গে উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষক-কর্মকর্তারা রয়েছেন। তারা হলেন: এমএজি ওসমানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কাওছার হোসেন, শহীদ জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া, হযরত শাহজালাল (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হক, হযরত শাহপরান (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, দুররে সামাদ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মজুমদার, ঢাকার গেস্ট হাউসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাসির উদ্দিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক গাজী মো. জহিরুল ইসলাম, শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামত উল্যাহ, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. আশরাফুজ্জামান, ক্যাম্পাসের গেস্ট হাউসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. বাসির উদ্দিন।
পদত্যাগকারী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন অনিয়ম হয়েছে। এসব বিষয়ে আপত্তি জানিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা না পাওয়ায় তারা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ অনেকটা স্থবির হয়ে আছে। রাজস্ব খাতের অর্থে কিছু উন্নয়ন ও মেরামতকাজ করা হলেও এসব ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম আনুষ্ঠানিকভাবে টেকওভার করার আগেই সেখানে মেরামতকাজ করা হয়েছে। এসব কাজের প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কয়েকটি কাজের ক্ষেত্রে যথাযথ দরপত্র প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলেও দাবি তাদের।
ক্রয়প্রক্রিয়া নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ করেছেন তারা। তাদের ভাষ্য, ইলেকট্রনিকস ও আসবাবপত্র কেনার ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধি অনুযায়ী যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকলে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কয়েকটি ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
১৪ দিন আগে
বাকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সরদার
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১১ (১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারকে উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা তার অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটবে) এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।
অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার দীর্ঘদিন ধরে বাকৃবির ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মৎস্যসম্পদ গবেষণা ও বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি তিনি ‘জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ (স্বর্ণপদক)’ অর্জন করেন।
এছাড়া তিনি ২০২৪ সাল থেকে বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২০ আগস্ট তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
১৬ দিন আগে
পবিপ্রবিতে উপাচার্যের অপসারণ ও বহিরাগত হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি, ধর্মঘট অব্যাহত
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ এবং ক্যাম্পাসে আন্দোলনকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনার বিচার দাবিতে সপ্তম দিনের মতো কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।
রবিবার (১৭ মে) সকাল ১১টা থেকে ক্যাম্পাসে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। আজকের সমাবেশে উপাচার্যের অপসারণ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হাবিবুর রহমান।
এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন ইকোনমিক অ্যান্ড সোশিওলজি সায়েন্স অনুষদের সাবেক ডিন ড. বদিউজ্জামান, অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান, কর্মকর্তা ড. আমিনুল ইসলাম টিটো, ছাত্র প্রতিনিধি নাহিদ হোসেন, নেছার আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাস বর্জন এবং অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
বর্তমান উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে তার অপসারণের দাবিতে গত ১১ মে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। সে সময় বহিরাগত কিছু সন্ত্রাসী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় শিক্ষক, কর্মকর্তা, ও কর্মচারীসহ ১০ জন আহত হন।
হামলার ঘটনায় উপাচার্যকে দায়ী করে তার পদত্যাগ এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ সমাবেশ করেন ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে এ ঘটনায় ২৬ জনকে আসামি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. মুকিত মিয়া মামলা করেন।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন জানিয়েছেন, হামলায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা সবাই স্থানীয় দুমকি উপজেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
এ ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি, বিক্ষোভ সমাবেশ এবং ক্লাস বর্জন কর্মসূচি চলমান রয়েছে।
১৩০ দিন আগে
ভিসির অপসারণ দাবিতে পবিপ্রবিতে টানা তৃতীয় দিন চলছে অবস্থান কর্মসূচি
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের সদস্যরা।
একইসঙ্গে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় জড়িত বহিরাগতদের বিচারের দাবিও জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারেক হাওলাদার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। ক্যাম্পাসের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
এ সময় আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বহিরাগতরা হামলা চালিয়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আহত করেছে।
আন্দোলনকারীরা বলেন, তিনদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অভিভাবকহীন অবস্থায় রয়েছে। উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারার কেউই ক্যাম্পাসে আসছেন না।
তারা অবিলম্বে উপাচার্যের পদত্যাগ এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তারা।
১৩৪ দিন আগে
এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক হলেন অধ্যাপক আব্দুল আওয়াল
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক পদে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এস এম আব্দুল আওয়ালকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (১৫ মার্চ) রাতে তাকে সচিব পদমর্যাদা ও অন্যান্য সুবিধাদি দিয়ে চুক্তিতে এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) তার এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে।
অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগের শর্তে তাকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারণ করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব প্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল আওয়াল ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।
১৯২ দিন আগে
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাকৃবি উপাচার্যের শোক
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ শোক জানানো হয়।
শোকবার্তায় উপাচার্য মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, আজ আমরা একজন সৎ, দৃঢ়চেতা ও দেশের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ আপসহীন নেত্রীকে হারালাম। তিনি দেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন তা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা তার অশেষ রহমতে মরহুমার সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের অনন্ত শান্তির আশ্রয় দান করুন, আমিন।
২৬৮ দিন আগে
জবির রেজিস্ট্রার দপ্তরে ব্যাপক রদবদল, জানেন না উপাচার্য
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রেজিস্ট্রার দপ্তরে ২৪ জন কর্মকর্তার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে, যা উপাচার্য বা রুটিন দায়িত্বে থাকা কোষাধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ পরিবর্তন কার্যকর করা হয়।
জানা যায়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিদেশ সফরে ছুটিতে যান। এর কিছুদিন পরেই রেজিস্ট্রার এ আদেশ জারি করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সিনিয়র কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, উপাচার্য ছুটিতে যেতেই রেজিস্ট্রার তড়িঘড়ি করে বদলির আদেশ দেন। তার এ ধরনের ক্ষমতা নেই এবং এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারিতা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট রঞ্জন কুমার দাস বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় আইন কিংবা সংবিধিতে রেজিস্ট্রারের এমন ক্ষমতা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৫-এর ১৩(ছ) ধারায় বলা হয়েছে, রেজিস্ট্রার সংবিধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী কিংবা একাডেমিক কাউন্সিল, সিন্ডিকেট বা উপাচার্যের অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন।
পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে উত্তপ্ত রাবি, উপ-উপাচার্য ও প্রক্টর অবরুদ্ধ
অভিযোগের বিষয়ে রেজিস্ট্রার গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘এটি বদলি নয়, অভ্যন্তরীণ দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। এর জন্য উপাচার্যের অনুমতি প্রয়োজন হয় না।’ তবে তিনি স্বীকার করেন, আইন বা সংবিধিতে এর সুস্পষ্ট উল্লেখ নেই।
রুটিন দায়িত্বে থাকা কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি, তবে এতে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। উপাচার্য আদেশ দিয়েছেন কি না, সে সম্পর্কেও আমি কিছু জানি না।’
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে এবং আলোচনা চলছে। যৌক্তিক সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ। কেন রেজিস্ট্রার এ কাজ করেছেন, তা আমি জানি না।’
৩৬৫ দিন আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ৭১৭ শিক্ষকের ১১৩ জন ছুটিতে: উপাচার্য
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চলতি অর্থবছরে ৭১৭ জন কর্মরত শিক্ষকের মধ্যে ১১৩ জন শিক্ষক ছুটিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
শনিবার (২৮ জুন) বিকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের ৪২তম বার্ষিক অধিবেশন পূর্ববর্তী শুভেচ্ছা ভাষণে এই তথ্য জানান উপাচার্য।
এসময় জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, 'বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ৭১৭ জন, কর্মকর্তা ৩৮০ জন, তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ৯৭০ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ৫০৬ জন কর্মরত আছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য ১০২ জন শিক্ষক ছুটিতে এবং ১১ জন শিক্ষক লিয়েন ছুটিতে রয়েছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজের শিক্ষক হিসাবে দায়িত্বে আছেন ৫২ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে সর্বমোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ হাজার ৬৯০ জন।'
তিনি আরও বলেন, 'বিগত শিক্ষাবর্ষে ১ হাজার ৬৭ জন শিক্ষার্থী স্নাতক (সম্মান), ১ হাজার ১৮২ জন শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর ৩ জন এমফিল এবং ৪৭ জন গবেষক পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।'
পড়ুন: জাবিতে আবাসিক হল থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
তিনি বলেন, 'আমি অর্জিত ডিগ্রিধারীদের এই সিনেটের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং আশা করছি তারা কর্মক্ষেত্রে মেধা, দক্ষতা এবং প্রজ্ঞায় অর্জিত ডিগ্রির মান সমুন্নত রাখবেন।'
শনিবার (২৮ জুন) বিকাল ৩টায় সিনেটের নিয়মিত অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় ১ ঘণ্টা পিছিয়ে বিকাল ৪টা থেকে তা শুরু হয়। তবে জাবির ৪২তম বার্ষিক সিনেট অধিবেশন শুরুর আগে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে আওয়ামী লীগপন্থী তিন শিক্ষক সিনেট কক্ষ ত্যাগ করেন।
সিনেট কক্ষ ত্যাগ করা তিন সিনেটর হলেন- মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক নিগার সুলতানা, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিক-উর-রহমান এবং কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. যুগল কৃষ্ণ দাস।
৪৫৩ দিন আগে
উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে এবার আমরণ অনশনে ববির শিক্ষার্থীরা
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনের অপসারণে এবার আমরণ অনশনে বসেছেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া, মঙ্গলবার (১৩) দুপুর ২ টার মধ্যে উপাচার্য পদত্যাগ না করলে পুরো দক্ষিণবঙ্গ অচল করে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
এর আগে, সোমবার (১২ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চলমান একাডেমিক শাটডাউন কর্মসূচির মধ্যে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা।
রাত সাড়ে নয়টার দিকে ডাকা এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী সুজয় শুভ বলেন, ‘উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারছেন না। ২৮ দিন ধরে চলমান এই আন্দোলনের কোনো পর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। অথচ শেষ মুহূর্তে এসে ফেসবুক লাইভে আসছেন। আমাদের স্পষ্ট কথা, তার মত ফ্যাসিস্ট উপাচার্য আমরা চাই না।’
আরও পড়ুন: ভিসি অপসারণের দাবিতে ববিতে ‘একাডেমিক শাটডাউন’ ঘোষণা
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যৌক্তিক আন্দোলনকে মেনে নিয়ে উপাচার্যকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা আমাদের কথার কোনো কর্ণপাত করেননি। তাই মঙ্গলবার দুপুর ২টার মধ্যে উপাচার্য যদি পদত্যাগ না করেন, তাহলে আমরা দক্ষিণবঙ্গ অচল করে দেব।’
আরেক শিক্ষার্থী মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘দাবি মেনে না নেওয়ায় বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারীরা একসঙ্গে সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দ্রুত আমাদের দাবি মেনে না নিলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।’
এদিকে, সোমবার শিক্ষার্থীদের ডাকা একাডেমিক ও প্রশাসনিক শাটডাউনে ববিতে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। দিনভর ২৫টি বিভাগে পরীক্ষা চললেও শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে দেখা যায়নি।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বিবৃতি ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিক্ষকরা। কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও একাংশ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।
এ ছাড়াও চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান, ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে মশাল মিছিল ও অবরোধ, উপাচার্যের বাসভবনে তালা লাগানো, সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
৪৯৯ দিন আগে