উপাচার্য
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি চান রাষ্ট্রপতি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকা মাদকমুক্ত রাখতে এবং শিক্ষার্থী ও তরুণদের মাদকের অপব্যবহার থেকে সুরক্ষায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা ও সমস্যার বিষয়েও রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি প্রতিনিধিদলকে এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
উপাচার্য উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্যও রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা, সহকারী অধ্যাপক ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ভবনে অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-২-এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। তার পর থেকে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ভবনে অবরুদ্ধ রয়েছেন উপাচার্যসহ বেশ কয়েকজন।
এদিকে ভিসির সঙ্গে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সাবেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল ও বর্তমান উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা।
রাত ১টার দিকে চুয়েট চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও টেকনোলজিস্ট বাসুদেব প্রশাসনিক ভবন-২-এ প্রবেশ করে অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। উপাচার্য মুঠোফোনে চিকিৎসককে ডেকে পাঠানোর পর আলোচনার মাধ্যমে তাদের ভবনে প্রবেশের অনুমতি দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় একজনের রক্তচাপ বেশি পাওয়ায় তাকে চুয়েট চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শে ভবনের ভেতরে অবস্থানরত অন্যদের স্যালাইন দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম বলেন, ‘আমাদের দুজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী উচ্চ রক্তচাপের জটিলতায় ভুগছেন। তাই আমি অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসক ডেকেছি। এখানে যেহেতু সবাই দীর্ঘ সময় ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন, তাই সবাই অসুস্থ ও ক্লান্ত অনুভব করছেন।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ৯টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে ক্যাম্পাসে পৌঁছান উপাচার্য শরীফুল আলম। ফটকে নিজেকে ‘শিক্ষক’ পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন তিনি। পরে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে যান এবং নির্ধারিত চেয়ারে বসেন।
এ সময় তার কক্ষে চুয়েট শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি জানতে পেরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছেড়ে যাওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়লে সেটিকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা, ফটকে তালা দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে জানান।
আলটিমেটামের সময় শেষ হলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। একই সঙ্গে ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদ এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে এ কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতি পালন করছেন। এ কারণে টানা ২০ দিন ধরে চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
২ দিন আগে
উপাচার্যকে ভেতরে রেখে ভবনে তালা চুয়েট শিক্ষার্থীদের
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের পদত্যাগের দাবিতে তার ভবনে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনে তালা দেওয়ার পর থেকে ড. শরীফুল তার কক্ষে অবরুদ্ধ রয়েছেন।
এর আগে আজ (সোমবার) সকালে মূল ফটকের তালা ভেঙে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী ছিলেন।
শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানতে পেরে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেন এবং ‘তালা তালা তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
আন্দোলনরত যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাবিহা শবনম নতুন উপাচার্যের পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, ‘মুকুট পরলেই রাজা হওয়া যায় না, স্যার। পদে আসীন হওয়া আর সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করা এক বিষয় নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আপত্তি ও প্রতিবাদ উপেক্ষা করে তালা ভেঙে উপাচার্য ভবনে প্রবেশ করে নতুন উপাচার্য কী বার্তা দিতে চেয়েছেন—তা আমাদের বোধগম্য নয়।’
উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণের ৫৬ দিনের মাথায় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে অপসারণ করে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে ওই রাতেই প্রশাসনিক ভবনে তালা দেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন তারা। পাশাপাশি সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা চলছে।
৩ দিন আগে
গণতন্ত্রের জন্য অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন ও বিরোধীদের পরিসর জরুরি: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে গণতন্ত্রের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। সেই সঙ্গে তিনি গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং বিরোধী দল ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের পর্যাপ্ত পরিসর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রবিবার (৪ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে গণতন্ত্রের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। এ জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অপরিহার্য।’
গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে বিরোধী দল ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের পর্যাপ্ত পরিসর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ‘এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণতন্ত্রকে তার নিজস্ব গতিতে কার্যকরভাবে চলতে দিতে হবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠই নয়, বাংলাদেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও কেন্দ্রবিন্দু।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার মান আরও উন্নত করে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন ৫৪তম সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন, তিনি সমাবর্তনে উপস্থিত থাকবেন।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন।
১১ দিন আগে
কর্মসংস্থান বাড়াতে কর্মমুখী শিক্ষায় জোর রাষ্ট্রপতির
দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষার ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, বেকারত্ব তৈরি করে এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করে না—এমন শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আমাদের ধীরে ধীরে সরে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার মান উন্নত করতে হবে, যাতে দেশের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যেতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আসন্ন সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন।
২৩ দিন আগে
উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন জাতীয়তাবাদী আদর্শের ‘সাদা দল’ সমর্থিত শিক্ষকরা। উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচার ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের একটি অংশও আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা দিয়ে সেখানে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা উপাচার্যকে ‘দুর্নীতিবাজ’ ও ‘জাতীয়তাবাদী আদর্শের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে তাতে যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, মো. গোলাম রব্বানী, রাকিব হোসেন অত্রাদ, জাহিদ হাসান ফাহাদ, মঈনুল হাসান সাদিক, মেহেদী হাসান রতন, সাদাব হোসেন রিয়ন, আহ্বায়ক সদস্য আশরাফুল ইসলাম, সদস্য রাজেশ বাছাড়, তারিকুল ইসলাম, মামুন মিয়া, মুক্তার হোসেন, নাজমুল হোসেন ও ধ্রুব সিদ্দিকী।
এর আগে, গেল সোমবার উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পাঁচ শিক্ষকসহ ১১ জন শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। একই সঙ্গে উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষক-কর্মকর্তারা রয়েছেন। তারা হলেন: এমএজি ওসমানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কাওছার হোসেন, শহীদ জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া, হযরত শাহজালাল (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হক, হযরত শাহপরান (র.) হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, দুররে সামাদ রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মজুমদার, ঢাকার গেস্ট হাউসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বাসির উদ্দিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক গাজী মো. জহিরুল ইসলাম, শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামত উল্যাহ, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. আশরাফুজ্জামান, ক্যাম্পাসের গেস্ট হাউসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. বাসির উদ্দিন।
পদত্যাগকারী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ, ক্রয়প্রক্রিয়া এবং শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন অনিয়ম হয়েছে। এসব বিষয়ে আপত্তি জানিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা না পাওয়ায় তারা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ অনেকটা স্থবির হয়ে আছে। রাজস্ব খাতের অর্থে কিছু উন্নয়ন ও মেরামতকাজ করা হলেও এসব ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম আনুষ্ঠানিকভাবে টেকওভার করার আগেই সেখানে মেরামতকাজ করা হয়েছে। এসব কাজের প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কয়েকটি কাজের ক্ষেত্রে যথাযথ দরপত্র প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলেও দাবি তাদের।
ক্রয়প্রক্রিয়া নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ করেছেন তারা। তাদের ভাষ্য, ইলেকট্রনিকস ও আসবাবপত্র কেনার ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধি অনুযায়ী যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকলে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কয়েকটি ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
৩৫ দিন আগে
বাকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সরদার
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১১ (১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারকে উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা তার অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটবে) এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।
অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার দীর্ঘদিন ধরে বাকৃবির ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মৎস্যসম্পদ গবেষণা ও বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি তিনি ‘জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ (স্বর্ণপদক)’ অর্জন করেন।
এছাড়া তিনি ২০২৪ সাল থেকে বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২০ আগস্ট তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
৩৭ দিন আগে
পবিপ্রবিতে উপাচার্যের অপসারণ ও বহিরাগত হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি, ধর্মঘট অব্যাহত
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ এবং ক্যাম্পাসে আন্দোলনকারী শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনার বিচার দাবিতে সপ্তম দিনের মতো কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।
রবিবার (১৭ মে) সকাল ১১টা থেকে ক্যাম্পাসে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। আজকের সমাবেশে উপাচার্যের অপসারণ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হাবিবুর রহমান।
এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন ইকোনমিক অ্যান্ড সোশিওলজি সায়েন্স অনুষদের সাবেক ডিন ড. বদিউজ্জামান, অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান, কর্মকর্তা ড. আমিনুল ইসলাম টিটো, ছাত্র প্রতিনিধি নাহিদ হোসেন, নেছার আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাস বর্জন এবং অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
বর্তমান উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে তার অপসারণের দাবিতে গত ১১ মে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। সে সময় বহিরাগত কিছু সন্ত্রাসী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় শিক্ষক, কর্মকর্তা, ও কর্মচারীসহ ১০ জন আহত হন।
হামলার ঘটনায় উপাচার্যকে দায়ী করে তার পদত্যাগ এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ সমাবেশ করেন ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে এ ঘটনায় ২৬ জনকে আসামি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. মুকিত মিয়া মামলা করেন।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন জানিয়েছেন, হামলায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা সবাই স্থানীয় দুমকি উপজেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
এ ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি, বিক্ষোভ সমাবেশ এবং ক্লাস বর্জন কর্মসূচি চলমান রয়েছে।
১৫১ দিন আগে
ভিসির অপসারণ দাবিতে পবিপ্রবিতে টানা তৃতীয় দিন চলছে অবস্থান কর্মসূচি
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের সদস্যরা।
একইসঙ্গে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় জড়িত বহিরাগতদের বিচারের দাবিও জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারেক হাওলাদার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন। ক্যাম্পাসের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
এ সময় আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বহিরাগতরা হামলা চালিয়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের আহত করেছে।
আন্দোলনকারীরা বলেন, তিনদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অভিভাবকহীন অবস্থায় রয়েছে। উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারার কেউই ক্যাম্পাসে আসছেন না।
তারা অবিলম্বে উপাচার্যের পদত্যাগ এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তারা।
১৫৫ দিন আগে
এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক হলেন অধ্যাপক আব্দুল আওয়াল
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক পদে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এস এম আব্দুল আওয়ালকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (১৫ মার্চ) রাতে তাকে সচিব পদমর্যাদা ও অন্যান্য সুবিধাদি দিয়ে চুক্তিতে এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) তার এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে।
অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগের শর্তে তাকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারণ করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব প্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল আওয়াল ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।
২১৩ দিন আগে