মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ভুল ও অপতথ্য প্রতিরোধ আমাদের জন্য যুদ্ধে পরিণত হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ভুল এবং অপতথ্য প্রতিরোধ করাটা একটা প্রধান চ্যালেঞ্জ। তথ্য মন্ত্রণালয়ের দিক থেকেও এটা আমাদের জন্য এখন যুদ্ধে পরিণত হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপতথ্যের বিস্তার ঠেকাতে একসঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তারের ফলে মতপ্রকাশের সুযোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি এর অপব্যবহারও বাড়ছে, যা সমাজ ও রাষ্ট্র জীবনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এই প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা ও দায়বদ্ধতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই এখন সরকারের জন্য অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
মন্ত্রী বলেন, আলোচনায় এসেছে যে সারা পৃথিবীতেই এবং আমাদের জন্য তো অবশ্যই ভুল এবং অপতথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করাটা একটা প্রধান চ্যালেঞ্জ। তথ্য মন্ত্রণালয়ের দিক থেকেও এটা আমাদের জন্য এখন যুদ্ধে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিতে যেভাবে মানুষের জন্য সুযোগ রয়ে গেছে, সেই সুযোগে অপতথ্য প্রচারকারীরা একটা বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে সমাজ, রাষ্ট্র ও নাগরিক জীবনে। সেই ক্ষেত্রে রাষ্ট্র এবং সরকার কীভাবে জনগণকে এই অপতথ্যের হাত থেকে সুরক্ষা দিতে পারে, এটা আমাদের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছিল একসময়ের চ্যালেঞ্জ। এখন শুধু স্বাধীনতা নয়, ভারসাম্যপূর্ণ স্বাধীনতাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যারা স্বাধীনতা একটু চর্চা করছেন, সেটা প্রতিষ্ঠান হোক অথবা ব্যক্তিই হোক, বিশেষ করে যখন সামাজিক মাধ্যমে আমরা দেখছি যে এই স্বাধীনতার অপব্যবহারটা এমন হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য অনেক বেশি ভুক্তভোগী হয়ে পড়ছে। অতএব গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অপতথ্যের হাত থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, দুটো কাজই তথ্য মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে করতে হচ্ছে।
বৈঠকের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় গন্তব্য হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমাদের মানবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় দাতা হচ্ছে তারা। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অংশীদার হচ্ছে তারা। সেই বিবেচনায় আমাদের বন্ধুত্বকে আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
তিনি বলেন, আমরা এবং সারা পৃথিবী এখন একটা মিডিয়া পরিস্থিতি নিয়ে চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছি। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মতো এরকম একটা প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত একটা দেশ এই নতুন ইকোসিস্টেমকে কীভাবে ম্যানেজ করে, এ ব্যাপারে আমরা পারস্পরিকভাবে আমাদের কীভাবে সহযোগিতা বিনিময় করতে পারি—এটাই ছিল মূলত আলোচনার বিষয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিশন ফর মিডিয়া কীভাবে কাজ করে এবং আমাদের এখানে একটা মিডিয়া কমিশন গঠন করার যে প্রতিশ্রুতি সরকার ঘোষণা করেছে, সেই কাজটা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা আমাদের নৈতিক সহযোগিতা করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা দুই পক্ষ—যুক্তরাষ্ট্রের এখানকার রাষ্ট্রদূতদের কার্যালয় এবং আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে আমরা পারস্পরিকভাবে খোঁজার চেষ্টা করব যে কোথায় আমরা গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করতে পারি।
৭ দিন আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমাদের উভয় দেশকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
এ সময় ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রদূত।
এর আগে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বার্তায় বলেন, এই অঞ্চলের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
৭০ দিন আগে
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরালো করার ইঙ্গিত দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছান। এদিন কর্মসূচির শুরুতে তিনি পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়ামের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের দপ্তরে যান।
বৈঠক শেষে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে চমৎকার বৈঠক হয়েছে। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’
এদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক কমানোর সুযোগ খুঁজছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে আগামীকাল (সোমবার) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্যচুক্তি সই করতে পারে।
৮৫ দিন আগে
জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন
বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ পক্ষ নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র বাংলাদেশের জনগণের। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আমি খুবই আগ্রহী। আমি এই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি এবং এর ফলাফল দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।’
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র বাংলাদেশের জনগণের, এবং শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।’
সিইসির সঙ্গে বৈঠক সম্পর্কে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে তথ্যগুলো আমার সঙ্গে শেয়ার করেছেন, সেগুলো নিয়ে আমি খুবই সন্তুষ্ট। আপনাদের সবার মতো আমিও ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের ফলাফলের অপেক্ষায় আছি।
তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে যখন আমি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করি, তিনি বলেন, নির্বাচনের দিনটি উৎসবমুখর হবে। আশা করি, এটি একটি আনন্দময় নির্বাচন হবে। যেখানে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে গিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন এবং আপনারা একটি অত্যন্ত সফল নির্বাচন সম্পন্ন করবেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট একযোগে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানের তফসিল ঘোষণা করে।
আজ (বুধবার) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
৯৬ দিন আগে
১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মান নির্ধারণ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সব নির্বাচনের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে।
বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, শ্রম আইনের ব্যাপক সংস্কার, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক চুক্তি, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকার ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বিপুল সংখ্যক নির্বাচন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করবে এবং আশা প্রকাশ করেন, অন্যান্য উন্নয়ন অংশীদাররাও নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক পাঠাবে।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে। ভবিষ্যতের ভালো নির্বাচনের জন্য এটি একটি মানদণ্ড তৈরি করবে। আসুন, আমরা আশাবাদী থাকি।’
জবাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যারাই বিজয়ী হবেন, তাদের সঙ্গে কাজ করতে তিনি আগ্রহী।
এ সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে বাংলাদেশ উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো-অপারেশনে-সার্ককে কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগসহ প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। নতুন শ্রম আইন প্রণয়নের উদ্যোগকেও তিনি সাধুবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাংলাদেশের পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে আরও শুল্ক কমানো সম্ভব হবে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাণিজ্য আলোচনার অগ্রগতিকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাগত জানায়। কৃষিপণ্য, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ঢাকা-ওয়াশিংটন আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রোহিঙ্গা প্রসঙ্গেও কথা বলেন মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শিবিরগুলোতে বসবাসরত ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিমের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রতি বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ।
দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা আসিয়ানের সদস্যপদ চাইছে এবং ইতোমধ্যে আঞ্চলিক ব্লকের সঙ্গে সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনারশিপের জন্য আবেদন করেছে।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গত ১৮ মাসে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে তিনি আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, যাতে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণ ও অর্থনীতি আরও ঘনিষ্ঠ হতে পারে। আগামী সরকার এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উভয় পক্ষ বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের ওপর আরোপিত সাম্প্রতিক মার্কিন ভিসা বিধিনিষেধ নিয়েও আলোচনা করেছে।
বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজিবিষয়ক সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।
১০১ দিন আগে
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পরিকল্পনা নিয়ে ঢাকায় বিরোধী দলীয় নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত: রাশিয়া
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, অক্টোবরের শেষদিকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস সরকারবিরোধী সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে দেশের বিরোধী দলের এক সদস্যের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
তিনি এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে বলেছিলেন,‘এই ধরনের কর্মকাণ্ড অভ্যন্তরীণ বিষয়ে গুরুতর হস্তক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়।’
আরও পড়ুন: মানব সম্পদ ও জলবায়ু সহনশীলতার উন্নয়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক
তিনি বলেন, 'বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তা আমরা বারবার তুলে ধরেছি।’
সাংবাদিকরা রুশ কর্মকর্তার মন্তব্যের বিষয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও দূতাবাসের মুখপাত্রের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ার মতো দুর্দশাগ্রস্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা করুন: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ
৮৯৩ দিন আগে
বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ প্রধানদের সঙ্গে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বুধবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকায় এই বৈঠক করেন তিনি।
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি চিফ আবদুলাই সেক এবং আইএমএফের আবাসিক প্রতিনিধি জয়েন্দু দে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: পিটার হাসকে হুমকির বিষয়ে সরকারের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে: মার্কিন দূতাবাস
মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র স্টিফেন আইবেলি ইউএনবিকে বলেন, ‘কূটনীতিক হিসেবে আমরা বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও জনগণের সঙ্গে কথা বলি। এর মধ্যে রয়েছে সুশীল সমাজ, বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম পেশাজীবী, ব্যবসায়ী নেতা, চেম্বার অব কমার্স, রাজনৈতিক দল, একাডেমিক ও বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক অবদানকারী, শিক্ষাবিদ এবং আরও অনেক ধরনের সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি।
তিনি বলেন, 'এই কথোপকথন আমাদের বাংলাদেশকে আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে সহায়তা করবে।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের উন্নয়ন ও তৈরি পোশাক খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রশংসা ইইউ প্রতিনিধি দলের
৯০১ দিন আগে
মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে হুমকি দেওয়ায় আ. লীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
একজন বিদেশি কূটনীতিককে প্রকাশ্যে ভাষণে হুমকি দেওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ কূটনৈতিক বিষয়ে সব নিয়ম ও দায়িত্বকে সম্মান করে এবং অপর পক্ষের কাছ থেকেও অনুরূপ ব্যবহার আশা করে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।
এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, তারা আশা করে স্বাগতিক দেশের সরকার তাদের (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের) কর্মীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বজায় রাখার জন্য সব ধরনের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেলকে স্থানীয় এক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুল হক চৌধুরীর মন্তব্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সুযোগ-সুবিধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি এই ধরনের হিংসাত্মক বক্তব্য খুবই অসৌজন্যমূলক।’
প্যাটেল ভিয়েনা কনভেনশনের অধীনে দেশগুলোর বাধ্যবাধকতা এবং এর অধীনে থাকা কূটনৈতিক কনভেনশনের কথাও উল্লেখ করেছেন।
আরও পড়ুন: সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনই আমাদের মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত বলেন, যদিও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণত ইউনিয়ন পর্যায়ের যেকোনো নেতাকে যেকোনো অন্যায়ের জন্য সতর্ক করে, তবে সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ মুজিবুল হককে কারণ দর্শাতে বলবে এবং সতর্ক করবে।
তিনি তার এক্সে অ্যাকাউন্টে (পূর্বে টুইটার) লিখেছেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই বাংলাদেশ সরকার ভিয়েনা কনভেনশন এবং কূটনৈতিক কনভেনশনের অধীনে থাকা বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কূটনীতিক ও তাদের কর্মী এবং সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বজায় রাখার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’
ইউনিয়ন পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুল তার জনসাধারণের বক্তৃতায় বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে ‘মারধর’ করার হুমকি দেন।
আরাফাত বলেন, ‘ইউনিয়ন হলো দলের সর্বনিম্ন পর্যায় এবং সেই পর্যায়ের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এমন অনেক কথা বলে যা আমরা খুব একটা গুরুত্ব দেই না। আওয়ামী লীগ কোনো রেজিমেন্টেড দল নয়, তাই তৃণমূল নেতারা বাকস্বাধীনতা ভোগ করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে এই বিশেষ ক্ষেত্রে, আমি আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতার করা ঘৃণ্য বক্তব্যের নিন্দা জানাই। আমি তৃণমূলের সব নেতার আওয়ামী লীগ নেতাদের সতর্কতা অবলম্বন করার এবং কোনো কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন না করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন: দলীয় সদস্যদের প্রতি শেখ হাসিনা
৯০৬ দিন আগে
পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
বৈঠকের পর মার্কিন দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেন, 'কূটনীতিক হিসেবে আমরা সুশীল সমাজ ও বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম কর্মী, ব্যবসায়ী নেতা, চেম্বার অব কমার্স, রাজনৈতিক দল, শিক্ষাবিদ ও বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ এবং আরও অনেক ধরনের সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলি।’
মুখপাত্র বলেন, এই কথোপকথন বাংলাদেশকে আরও ভালভাবে বুঝতে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে তাদের সহায়তা করে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের
সহিংসতা বর্জন করে সংযম বজায় রাখার আহ্বান ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত সারাহ কুকের
৯১৪ দিন আগে
পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, ইসিকে সময়মতো নির্বাচন করতে হবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন করা ছাড়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কোনো বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের পর সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, ‘পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন ইসিকে যথাসময়ে নির্বাচন করতে হবে।’
সিইসি বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। তবে এর মানে এই নয় যে পরিবেশ অনুকূল না হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না।’
আরও পড়ুন: আমরা অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর: দক্ষিণ এশীয় নির্বাচন কমিশনারদের প্রধানমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ‘তারা হয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারে বা বয়কট করতে পারে, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাছে এমন কোনও বিকল্প নেই।’
কমিশনের প্রধান এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মার্কিন রাষ্ট্রদূত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের আশা প্রকাশ করেন। আমরাও একই কথা বলেছি।’
তিনি বলেন, ‘রাজপথে শক্তি প্রদর্শন করে সমস্যার সমাধান হবে না। তিনিও (মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস) বিশ্বাস করেন যে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিৎ।’
আরও পড়ুন: বিএনপি সত্যিকার অর্থে নির্বাচন চাইলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতো না: ওবায়দুল কাদের
৯১৬ দিন আগে