ছেলে আটক
‘টাকা চাওয়া নিয়ে ঝগড়ার’ একপর্যায়ে বাবার মৃত্যু, ছেলে আটক
কুমিল্লার তিতাসে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বাবার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার পর তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই বাবার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ছেলেকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কড়িকান্দি ইউনিয়নের ইউসুফপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুরুল ইসলাম শান্তি (৬৫) ইউসুফপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং অভিযুক্ত তার ছেলে মমিতুল ইসলাম রাজন (২৮)।
পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, এদিন দুপুরে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে নুরুল ইসলাম শান্তির সঙ্গে তার ছোট ছেলে মমিতুল ইসলাম রাজনের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হলে নুরুল ইসলাম শান্তি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন রাজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নুরুল ইসলাম শান্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সেই সঙ্গে রাজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
নিহতের বড় ছেলে মহিমুল ইসলাম মোহন বলেন, ‘আমি হোমনা উপজেলার ঘাড়মোড়ায় বিকাশের দোকানে চাকরি করি। ঘটনার খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি বাবা মারা গেছেন।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রাসেল মিয়া বলেন, রাজনের মা সাহাবৃদ্ধি গ্রামে বাবার বাড়ি থেকে ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া সম্পত্তি বিক্রি করে আট লাখ টাকা পেয়েছেন। আজ (শনিবার) তিনি তার ভাইদের কাছ থেকে বিক্রি করা সম্পত্তির টাকা থেকে ৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা নিয়ে আসেন। এ টাকা নিয়ে রাজনের মায়ের সঙ্গে রাজনের মামাদের ঝগড়া হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।
তিনি আরও বলেন, রাজন শুক্রবার রাতে সাহাবৃদ্ধিতে মামার বাড়িতে ছিলেন। শনিবার সকালে ইউসুফপুরে এসে মা-বাবার কাছে টাকা চান। মূলত টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই বাবা ও ছেলের মধ্যে ঝগড়া হয়। রাজন আগে গৌরীপুর বাজারে একটি ফার্মেসিতে চাকরি করলেও বর্তমানে বেকার।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। তবে নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
১ দিন আগে
নেশার টাকা না দেওয়ায় মাকে হত্যার অভিযোগ, ছেলে আটক
নরসিংদীর শিবপুরে মা শামসুন্নাহারকে (৭০) হত্যার অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত ছেলে জাবের হোসেরে (২৮) বিরুদ্ধে। শনিবার (৩ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার বৈলাব গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাবের হোসেনকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসাইন।
হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর নাম শামসুন্নাহার। তিনি উপজেলার চক্রধা ইউনিয়নের বৈলাব গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মৃত নুরুল হক মাষ্টারের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।
আরও পড়ুন: শেরপুরে ড্রামট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত ১
স্থানীয়রা জানান, জাবের হোসেন একজন মাদকসেবী, তার বড় ভাই প্রবাসী। বাড়িতে মা ও ছেলে থাকতেন। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই জাবের তার মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। মাদকের টাকা না দেওয়ায় জাবের মাকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আজ (রবিবার) সকাল ৯টার দিকে পুলিশ শামসুন্নাহারের লাশ উদ্ধার করে এবং জাবের হোসেনকে আটক করে।
ওসি আফজাল হোসাইন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি জাবের তার মাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলা দায়ের করা হবে।’
৫১৮ দিন আগে
সিলেটে ‘দায়ের কোপে’ বাবার মৃত্যুর অভিযোগ, ছেলে আটক
সিলেটের গোলাপগঞ্জে ছেলে সুলতান আহমদের দায়ের কোপে দুলু মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তি খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার লক্ষিপাশা ইউনিয়নের জাঙ্গালহাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুলু মিয়া ওই গ্রামের মৃত কুটু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, দুলু মিয়ার ছেলে প্রবাস (ফ্রান্স) ফেরত সুলতান সাত মাস আগে দেশে ফেরেন। ফেরার পর থেকে তার বাবার সঙ্গে ঝামেলা লেগেছিল। এই ঝামেলার জেরে নিজ বাড়িতে বাবাকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন ছেলে সুলতান।
আরও পড়ুন: সাভারে ট্রাকচাপায় পুলিশের উপপরিদর্শকের মৃত্যু, চালক আটক
পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে তারা লাশ উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান। এ সময় ছেলেকে আটক করে নিয়ে যায়।
গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান মোল্লা বলেন, ‘পরিবার সূত্রে জানা গেছে—সুলতানের মানসিক সমস্যা রয়েছে। তাই এমন হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছেন।’
৫৫৫ দিন আগে
খাগড়াছড়িতে মা-বাবাকে কুপিয়ে জখম, ছেলে আটক
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পারিবারিক কলহের জেরে মা-বাবাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আবুল কালাম নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরপরই ছেলেকে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার বেলছড়ি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ভাগ্নিকে পৈশাচিক ‘নির্যাতন’, মামা-মামি আটক
স্থানীয়রা জানায়, কালাম নেশাগ্রস্ত হয়ে বাড়িতে এসে রাতে ঘরে ঢুকে দা দিয়ে তার মা ও বাবাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে আবুল কালামকে আটক করে। পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তফিকুল ইসলাম তৌফিক বলেন, ‘আটক আবুল কালাম থানা হেফাজতে রয়েছে। মূলত নেশা করতে বাধা দেওয়ার কারণেই মা-বাবার সঙ্গে দ্বন্দ্ব। আহত দুই জনকে প্রথমে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।’
৫৭৬ দিন আগে
মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে আ. লীগ নেতার ছেলে আটক
রাজশাহীতে মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে শ্রী পার্থর দাস নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার তেলিপাড়ার নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
পার্থর দাস তাহেরপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চাল ব্যবসায়ী শ্রী কালিপদ দাসের ছেলে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় মহানবীকে নিয়ে কটুক্তিকারী গ্রেপ্তার
স্থানীয়রা জানান, পার্থর তার ফেসবুকে মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) ও উনার মাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এই মন্তব্যের প্রতিবাদে একাধিক ব্যক্তি পাল্টা মন্তব্য করায় ফেসবুকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে একাধিক ব্যক্তি তাহেরপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে মৌখিক অভিযোগ করলে তাকে আটক করে তদন্তকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। এদিকে জনতা ও ছাত্ররা তদন্তকেন্দ্র ঘেরাও করে এবং তার শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করে।
পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় পার্থর দাসকে পুলিশ ভ্যানে করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশ ভ্যান ভাঙচুর করে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম ও ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে ফেসবুকে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি: ২ যুবককে আটক
৬৭৪ দিন আগে
মাদক কেনার টাকা না দেওয়ায় বাবাকে হত্যার অভিযোগ, ছেলে আটক
চুয়াডাঙ্গায় মাদক কেনার টাকা না দেওয়ায় ছেলে শিশির আহম্মেদের বিরুদ্ধে তার বাবা আব্দুস সোবহানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় শিশিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার থানাপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আব্দুস সোবহান একজন সাবেক নৌ বাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন।
এদিকে গত বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় মা-ছেলেসহ তিনজনকে হত্যা
স্থানীয়রা জানান, গত মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আব্দুস সোবহান ব্যাংক থেকে মুক্তিযোদ্ধার ভাতা তোলেন। ওই রাতেই তার ছেলে শিশিরের সঙ্গে গণ্ডগোল বাধে। পরে দিন বুধবার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বাবা ও ছেলের মধ্যে হট্টগোল চলে। ওই দিন মাঝ রাতে সোবহানের চিৎকার শোনেন প্রতিবেশীরা। এরপর থেকে সোবহানকে বাইরে দেখেনি এলাকাবাসী। শনিবার বাড়ির দ্বিতল ভবন থেকে পচা গন্ধ বের হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের ভাইয়ের মেয়ে গুলশান আরার ভাষ্য মতে, তার চাচাতো ভাই শিশির বখাটে ও নেশাগ্রস্ত ছিল। কোনো কাজকর্ম করত না। নেশার টাকা জোগাতে না পেয়ে তার বাবার সঙ্গে ঝগড়ার এক পর্যায়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। পরে শনিবার দুপুরে পচা গন্ধ পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন।
এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ গণি মিয়া বলেন, প্রতিবেশীদের খবরে নিহতের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সোবহানের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মাথায় ও শরীরের আঘাতে চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছেলে শিশিরকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকাণ্ডকে 'নির্মমতা' বললেন ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছর এ পর্যন্ত ৩০টি হত্যাকাণ্ডে ১৩১ প্রাণহানি
৭৫৭ দিন আগে
সিলেটে বাবাকে খুনের অভিযোগে ছেলে আটক
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় পারিবারিক কলহের জেরে বাবাকে হত্যার অভিযোগে ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৮ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার মোগলাবাজার থানার সিলাম ইউনিয়নের রুস্তমপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত তপন মিয়া রুস্তমপুর গ্রামের বাসিন্দা।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে দোকান কর্মচারীর হাতে আরেক কর্মচারী খুনের অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কহলের জেরে ছেলে আনছার মিয়া তার বাবা তপন মিয়াকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে ছেলেকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ এসে তাকে আটক করে।
মোগলাবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুকুল আহমদ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এছাড়া ঘাতক ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে।
তিনি আরও জানান, এবিষয়ে এখনো কোনো মামলা হয়নি। মামলা দায়েরের পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: পাবনায় ১ হাজার টাকার জন্য বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন!
সিলেটে প্রবাসী যুবক খুন!
৯৩০ দিন আগে
মিঠামইনে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে আটক
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ছেলের হাতে মা মনমোহনী দাস (৭০) খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় ছেলে ইন্দ্রজিত দাসকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার মিঠামইন সদর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বড়হাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মনমোহনী দাস উপজেলার গোবিন্দপুর বড়হাটি গ্রামের মৃত হরিলাল দাসের স্ত্রী।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে চাচার হাতে ভাতিজা খুনের অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়হাটি গ্রামের মৃত হরিলাল দাসের ছেলে ইন্দ্রজিত দাস (৪৫) দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।
তাকে নিয়মিত চিকিৎসা করানো হলেও ভালো হচ্ছেন না।
শনিবার সকালে ইন্দ্রজিত তার মায়ের (মনমোহনী দাস) প্রতি ক্ষিপ্ত হন। একপর্যায়ে কাঠের টুকরা দিয়ে তিনি তার মায়ের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মা মনমোহনী দাসের মৃত্যু হয়।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কলিন্দ্র নাথ গোলদার জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় তার ছেলে ইন্দ্রজিত দাসকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবক খুন
পঞ্চগড়ে ছেলের হাতে মা খুন
১৩৪৫ দিন আগে
সেপটিক ট্যাংক থেকে বাবার লাশ উদ্ধার, ছেলেসহ আটক ২
খুলনার রূপসায় বাবাকে খুন করে সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখার প্রায় সাত মাস পর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার আইচগাতীর শোলপুর গ্রাম থেকে নিহতের ছেলেসহ দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত এনামুল হক এন্তে (৫০) ওই এলাকার বাসিন্দা। আটক ব্যক্তিরা হলেন- নিহত এনামুল হক এন্তের ছেলে নিয়ামুল ইসলাম তানভির (১৮) ও তানভিরের সহযোগী জুম্মান (৪০)।
আরও পড়ুন: জমি লিখে না দেয়ায় কুড়িগ্রামে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বাবাকে হত্যা
জানা গেছে, গত ২৯ ডিসেম্বর নিয়ামুল ইসলাম তানভির তার ছোট ভাই নাঈমকে (১১) মারধর করলে এক পর্যায়ে নাঈম চিৎকার করে তার বাবার হত্যার কথা বলতে থাকে। বিষয়টি এলাকাবাসী জেনে গেলে নিয়ামুল দিঘলিয়ার একটি গ্রামে আত্মগোপন করে। পরে পুলিশ পলাতক আসামিদের আটক করে এবং এনামুল হক এন্তের গলিত লাশ উদ্ধার করে।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত নিয়ামুল নিজের হাতে বাবাকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। স্বীকারোক্তিতে নিয়ামুল জানায়, প্রায় সাত মাস আগে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। নিয়ামুল তার সহযোগী জুম্মানকে নিয়ে শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে বাবা এনামুল হক এন্তেকে হত্যা করে। পরবর্তীতে ওই রাতেই লাশ নিয়ামুল তাদের বাড়ির পায়খানার সেপটিক ট্যাংকের ভেতর ফেলে দেয়।
আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড
নিহত এনামুল হক এন্তে মৃগীরোগী ছিল। যে কারণে এলাকায় প্রচার হয় যে ভিকটিম মৃগী রোগে মারা গেছে।
ওসি জানান, এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
১৭৩৮ দিন আগে
বরগুনায় ছেলের শাবলের আঘাতে বাবার মৃত্যু
বরগুনা সদর উপজেলায় জমিজমা বণ্টন বিরোধের জেরে ছেলের শাবলের আঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
উপজেলায় হেউলিবুনিয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
আয়নাল মীরের বড় ছেলে কালাম মীর জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিন ভাইদের মধ্যে জমিজমা বণ্টনের ঝামেলা ছিল। এ জের ধরে নিজ বাড়িতে বাবা আয়নার মীর ও ছোট ভাই জামাল মীরের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জামাল মীর শাবল দিয়়ে তার বাবাকে আঘাত করে। এসময় বাবা আয়নাল মীর চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
এদিকে, বরগুনা সদর হাসপাতালের সামনে থেকে অভিযুক্ত ছেলে জামাল মীরকে আটক করে বরগুনা সদর থানা পুলিশ এবং জামাল জমিজমা বণ্টন বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শোনার সাথে সাথেই আমরা অভিযান চালিয়ে হাসপাতালের সামনে থেকে ঘাতক ছেলেকে আটক করতে সক্ষম হই। জামাল নিজেই বাবাকে শাবল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
ওসি বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
১৯৮৩ দিন আগে