জাতিসংঘ
জাতিসংঘ বৈঠক: বৈশ্বিক তেল সংকটের চ্যালেঞ্জ ও দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর প্রভাব তুলে ধরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে চলমান বৈশ্বিক তেল সংকটে উন্নয়নশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর চ্যালেঞ্জ এবং দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর অসম ও বৈষম্যমূলক প্রভাব বিষয়ে আলোকপাত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মহাসচিব নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের ধারাবাহিক মানবিক নেতৃত্ব ও উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এ সময় সমসাময়িক বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান বৈশ্বিক তেল সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে উন্নয়নশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সম্মুখীন চ্যালেঞ্জগুলো এবং দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর অসম ও বৈষম্যমূলক প্রভাব বিষয়ে আলোকপাত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ড. রহমান মহাসচিবকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। মহাসচিব আমন্ত্রণটি সাদরে গ্রহণ করেন এবং এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
৩ দিন আগে
বর্ণবাদ নির্মূলে বৈশ্বিক ঐক্যের ডাক বাংলাদেশের
বিশ্বজুড়ে বর্ণবাদ নির্মূল, সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদার করার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
সোমবার (২৩ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ নির্মূল দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মারক সভায় এই আহ্বান জানানো হয়।
সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্যবিরোধী সকল আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বর্ণবাদ নির্মূলে ঢাকার অটুট অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে মিয়ানমারের রাখাইন ও ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান বর্ণবাদমূলক নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরেন। আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী অভিবাসী শ্রমিকদের বঞ্চনা, শোষণ এবং ন্যায়বিচারে তাদের সীমিত প্রবেশাধিকারের সমস্যার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি জাতিসংঘের মূল আদর্শ ও চেতনার পরিপন্থী। বৈষম্য ও অন্যায় প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ শুরু থেকেই মানবাধিকার, সমতা ও মর্যাদা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ঢাকা।
ভবিষ্যতে বর্ণবাদমুক্ত বিশ্ব গড়তে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কয়েকটি বিষয়ের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি শিক্ষায় টেকসই বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন জাতির মধ্যে আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ ও যোগাযোগ জোরদার করার আহ্বান জানান।
৬ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় সমুদ্রপথে অবাধ ও বৈধ নৌচলাচলের পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের
জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সম্পর্কিত কনভেনশনসহ (ইউএনসিএলওএস) আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে জাহাজের অবাধ ও বৈধ চলাচলের পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। সেইসঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে অর্থবহ সম্পৃক্ততার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।
বুধবার (১৮ মার্চ) ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) কাউন্সিলের ৩৬তম বিশেষ অধিবেশনে এ আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
অধিবেশনে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ওপর এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে জানিয়েছে লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
লন্ডনের আইএমও সদর দপ্তরে এই অধিবেশনে যোগ দেয় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে নিযুক্ত ডেপুটি হাইকমিশনার ড. নজরুল ইসলাম দলটির নেতৃত্ব দেন।
ডেপুটি হাইকমিশনার তার বক্তব্যে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে কর্মরত জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকসহ সব নাবিকদের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও কল্যাণে বাংলাদেশের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
১১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক সফরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক সফরের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থনের লক্ষ্যে তার এ সফর।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে ঢাকা ছাড়েন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইউএনবিকে জানিয়েছেন, নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতিতে তুরস্কে অবস্থান করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই সময় আঙ্কারায় দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে বৈঠক করবেন ড. খলিলুর।
তিনি আরও জানান, তুরস্কে অবস্থানকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কয়েকটি বৈঠক ও আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে সমর্থন বাড়ানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সফরকালে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তার। এসব আলোচনার মাধ্যমে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আরও জোরদার করার চেষ্টা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে ফিলিস্তিন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছে। এরপর ওই পদে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ জুন। প্রার্থী দেওয়ায় এ পদে এবার বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে মনোনয়ন দিয়েছিল। কিন্তু তিনি বর্তমানে দায়িত্বে না থাকায় তার পরিবর্তে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ।
আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক আবর্তন নীতিমালা অনুযায়ী, এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অব স্টেটস থেকে এবার সভাপতি নির্বাচন করা হবে।
বাংলাদেশ সর্বশেষ ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে এ মর্যাদাপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। চার দশক পর আবারও এ পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার আশা করা হচ্ছে।
১৬ দিন আগে
ফিলিস্তিনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে প্রার্থী দিল বাংলাদেশ
২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে ফিলিস্তিন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছে। এরপর ওই পদে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ জুন। প্রার্থী দেওয়ায় এ পদে এবার বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে মনোনয়ন দিয়েছিল। কিন্তু তিনি বর্তমানে দায়িত্বে না থাকায় তার পরিবর্তে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ।
৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে ফিলিস্তিনের আগেই প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ। তবে ফিলিস্তিনকে আসন ছেড়ে দেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক আবর্তন নীতিমালা অনুযায়ী, এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অব স্টেটস থেকে এবার সভাপতি নির্বাচন করা হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক ২০২৬ সালের মে মাসে প্রার্থীদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভার আহ্বান করবেন।
বাংলাদেশ সর্বশেষ ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে এ মর্যাদাপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। চার দশক পর আবারও এ পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার আশা করা হচ্ছে।
৩২ দিন আগে
ইরান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ
ইরানকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন সংস্থার মহাসচিবের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিয়মিত ব্রিফিং চলাকালে সিনহুয়ার এক প্রশ্নের জবাবে দুজারিক বলেন, ‘জাতিসংঘ মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে ইরানের স্থায়ী মিশন যে চিঠি পাঠিয়েছে সে প্রসঙ্গে আমি আপনাদের বলতে পারি যে, এই অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা, যুদ্ধমহড়া অথবা কেবল সামরিক নৌ-উপস্থিতি বৃদ্ধির কারণে আমরা যে তীব্র ভাষায় বক্তৃতা দেখতে পাচ্ছি। এতে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান উভয়কেই মতপার্থক্য মেটাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য উৎসাহিত করছি।’
চিঠিতে জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি জানিয়েছেন, যেকোনো সামরিক আগ্রাসনের জবাবে দেশটি দৃঢ় ও সমানুপাতিক প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং জাতিসংঘ সনদের অধীনে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে। তিনি নিরাপত্তা পরিষদ ও জাতিসংঘ মহাসচিবকে খুব দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
দুজারিকের মতে, ইরানের স্থায়ী মিশনের অনুরোধ অনুযায়ী চিঠিটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদ উভয়ের কাছেই পাঠানো হয়েছে।
৩৭ দিন আগে
জাতিসংঘে জনবান্ধব নীতিমালা ও ন্যায্য অর্থায়নের আহ্বান ঢাকার
সামাজিক উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার সুদৃঢ় করতে বাংলাদেশ নতুন করে বৈশ্বিক সংহতি এবং জনবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সামাজিক উন্নয়ন কমিশনের ৬৪তম অধিবেশনে বক্তৃতাকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি সকলের জন্য সমান সুযোগসহ সহানুভূতিশীল সমাজ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সালাহউদ্দিন নোমান গ্রামীণ উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, যুব উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের ওপর জোর দিয়ে সরকারের সামগ্রিক উন্নয়ন পদ্ধতির ওপরও আলোকপাত করেন।
ঋণ ত্রাণ, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং নিপীড়নের কারণে বাস্তুচ্যুতদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদার করার আহ্বান জানান জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের এ স্থায়ী প্রতিনিধি।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সামাজিক উন্নয়ন কমিশনের ৬৪তম অধিবেশন ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
বাংলাদেশ ২০২৩-২০২৭ সালের জন্য এ কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
৫৪ দিন আগে
জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ
২০২৬ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কমিশনের ৫ সদস্যের ব্যুরো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কমিশনের ২০তম অধিবেশনের প্রথম সভায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে মরক্কোকে সভাপতি এবং জার্মানি, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া ও বাংলাদেশকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে।
পিবিসি একটি আন্তঃসরকারি উপদেষ্টা সংস্থা, যা সংঘাত-আক্রান্ত দেশগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। এ কমিশন ৩১টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত, যারা সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ এবং জাতিসংঘ ব্যবস্থায় নেতৃস্থানীয় সৈন্য এবং আর্থিক অবদানকারী দেশগুলো থেকে নির্বাচিত।
বাংলাদেশ ২০০৫ সালে কমিশনটি প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই এর সদস্য। এর আগে, বাংলাদেশ ২০১২ ও ২০২২ সালে কমিশনের সভাপতি এবং ২০১৩ ও ২০২৩ সালে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) একটি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০তম অধিবেশনের প্রথম সভায় বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সহ-সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি এবং মহাসচিবের পক্ষে তার সচিবালয়ের প্রধান সভায় উপস্থিত ছিলেন। তারা শান্তি বিনির্মাণে কমিশনের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য দেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য বাংলাদেশের ওপর আস্থা রাখায় কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। সেইসঙ্গে জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
৫৯ দিন আগে
সুদানে নিহত ৬ শান্তিরক্ষীর জানাজা সম্পন্ন
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সকাল সোয়া ৯টায় অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
জানাজা শেষে মরদেহে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর একে একে তিনবাহিনীর পক্ষ থেকে নিহতদের কফিনে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
আইএসপিআর জানায়, জানাজার আগে নিহত সেনাসদস্যদের জীবন বৃত্তান্ত পড়ে শোনানো হয়। পাশাপাশি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে তাদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হয়। এরপর সেনাসদস্যদের মরদেহবাহী হেলিকপ্টার নিজ নিজ জেলায় উদ্দেশে রওনা দেয়।
নিহত শান্তিরক্ষীরা হলেন: কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, এএসসি (নাটোর); সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম, বীর (কুড়িগ্রাম); সৈনিক শামীম রেজা, বীর (রাজবাড়ি); সৈনিক শান্ত মন্ডল, বীর (কুড়িগ্রাম); মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ), লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া (গাইবান্ধা)।
শনিবার বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে নিহত শান্তিরক্ষীদের কফিন বহনকারী বিমান শাহাজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
গত ১৩ ডিসেম্বর আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী পরিচালিত ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন দায়িত্বরত শান্তিরক্ষী নিহত হন। ওই হামলায় আরও নয় শান্তিরক্ষী আহত হন।
আহতদের বিষয়ে এর আগে আইএসপিআর জানিয়েছিল, আহত শান্তিরক্ষীদের দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে তারা কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগও করেছেন। বর্তমানে আহতদের সবাই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
৯৯ দিন আগে
সুদানে আহত বেড়ে ৯, শান্তিরক্ষীদের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাল আইএসপিআর
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ড্রোন হামলায় আরও একজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে করে দেশটিতে আহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সংখ্যা ৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানিয়েছে, সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৮ জন শান্তিরক্ষী আহত হন। পরবর্তীতে প্রাপ্ত হালনাগাদ তথ্যে আরও একজন শান্তিরক্ষী আহত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আহত শান্তিরক্ষীদের দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে তারা কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগও করেছেন। বর্তমানে আহতদের সবাই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া, ওই হামলায় নিহত ছয় শান্তিরক্ষীর মরদেহ আগামী ২০ ডিসেম্বর ঢাকায় ফেরানোর কথা রয়েছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে প্রত্যাবর্তনের পর যথাযথ মর্যাদায় তাদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
গত ১৩ ডিসেম্বর আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী পরিচালিত ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন দায়িত্বরত শান্তিরক্ষী নিহত হন।
১০২ দিন আগে