নদীর পানি বৃদ্ধি
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে সড়ক ভেঙে ডুবছে হাওর, দুশ্চিন্তায় কৃষক
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার এরনবিল (ইকরাছই) হাওরে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করেছে। নেত্রকোনার দুর্গাপুর হয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র চাপে মনাই নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হামিদপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামীণ সড়ক ভেঙে এই পানি হাওরে প্রবেশ করছে। এতে এখনও হাওরে থাকা জমির ফসল ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইকরাছই হাওরে মোট ১১৪ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে। এর মধ্যে কৃষকরা এখন পর্যন্ত মাত্র ৪০ হেক্টর জমির ধান সফলভাবে ঘরে তুলেছেন। তবে পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট এই আকস্মিক ভাঙনে প্রায় ৫ থেকে ১০ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। বর্তমানে হাওরের বাকি ধান রক্ষা করাই এখন স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হাওর এলাকার কৃষকরা জানান, পাহাড়ি ঢল আসার সময়টি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ। গত কয়েকদিন ধরে উজানের ঢলে নদীর পানি বাড়ায় তারা আগে থেকেই সতর্ক ছিলেন। সড়ক ভেঙে পানি ঢোকায় এখন অবশিষ্ট পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তুলতে তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী যৌথভাবে ভাঙন মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন যাতে পরিস্থিতির আরও অবনতি না ঘটে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতির সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।
মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় ঘোষ জানান, যে সড়কটি ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করছে, সেটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো বাঁধ নয়, এটি একটি গ্রামীণ সড়ক। নেত্রকোনার দুর্গাপুর এলাকা দিয়ে নেমে আসা প্রবল পাহাড়ি ঢলের কারণে মনাই নদীর পানির চাপ সহ্য করতে না পেরে সড়কটির একটি অংশ ভেঙে গেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। যদিও অধিকাংশ জমির ফসল ইতোমধ্যে কাটা শেষ হয়েছে, তবুও অবশিষ্ট ফসল রক্ষার জন্য স্থানীয় জনতা ও প্রশাসন মিলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
৬ দিন আগে
কুড়িগ্রামে নদীর পানি বৃদ্ধি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাটেশ্বরীর সোনাহাট রেলসেতু পয়েন্টে দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। এছাড়াও জেলার ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
পাহাড়ি ঢল আর টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদী গুলোতে পানি বাড়ায় নদী অববাহিকার চরাঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি বাড়ায় গ্রামীণ সড়ক এবং নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার মানুষ নৌকা-ভেলা করে চলাচল করছে। এছাড়াও পানিতে তলিয়ে গেছে সবজি, আমনের চারাসহ পাট।
বুধবার দুপুরে নাগেশ্বরী উপজেলা বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের তেলিয়ানী পাড়ায় দুধকুমার নদের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে তীব্র স্রোতে পানি লোকালয়ে ঢুকে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে বেড়েই চলেছে নদ-নদীর পানি, বন্যার আশঙ্কা
১০৪৭ দিন আগে
কুড়িগ্রামে ফের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল
কুড়িগ্রামে আবারও ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারসহ প্রায় সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।
২১২৩ দিন আগে
ফরিদপুরে পদ্মা, মধুমতি, আড়িয়ালখা নদীর পানি বৃদ্ধি
পাহাড়ি ঢল ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে।
২১৪৫ দিন আগে