হত্যার হুমকি
নিরাপত্তা সংকটে আমির হামজার ওয়াজ মাহফিল স্থগিত
নিরাপত্তা সংকট ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সারা দেশে অনুষ্ঠিতব্য সকল ওয়াজ ও তাফসির মাহফিল স্থগিত ঘোষণা করেছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে আমির হামজা জানান, আজ থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পূর্বনির্ধারিত তার সকল ওয়াজ ও তাফসির মাহফিলের সূচি স্থগিত থাকবে।
তিনি বলেন, ‘এমন সিদ্ধান্তে আয়োজক কমিটির কাছে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’ সেইসঙ্গে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন তিনি।
সম্প্রতি মুফতি আমির হামজার পুরোনো একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে তাকে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর নাম নিয়ে বিকৃত মন্তব্য করতে শোনা যায়। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি তার ওই বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তার ব্যাখ্যা দেন। এ নিয়ে পরবর্তী সময়ে আমির হামজার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ায় ঝাড়ু মিছিল হয়। এ ছাড়াও কুষ্টিয়া ও খুলনায় তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা হয়েছে।
এদিকে, আমির হামজার দাবি, তাকে বিভিন্ন মাধ্যমে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে গতকাল (সোমবার) আসরের নামাজের পর সদর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে বক্তৃতা চলাকালে হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যুবরণ করেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা সংকট ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সারা দেশে অনুষ্ঠিতব্য সকল ওয়াজ ও তাফসির মাহফিল স্থগিত ঘোষণা করে আবারও নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিলেন আলোচিত ইসলামিক বক্তা থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হওয়া মুফতি আমির হামজা।
১৫ দিন আগে
বরিশালে শিক্ষকের লাশ উদ্ধার, ‘মৃত্যু’ নিয়ে সন্দিহান পরিবার
বরিশাল নগরীর ভাড়া বাসা থেকে মো. মহিউদ্দিন নামে এক স্কুলশিক্ষকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই শিক্ষককে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তার স্বজনরা। মৃত্যুর আগে মহিউদ্দিন হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাতে নগরের করিম কুটির মসজিদ গলির একটি ভাড়া বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
মৃত মহিউদ্দিন নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তিনি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হরিদ্রাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ মাঝির ছেলে।
নগরের আলেকান্দা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা জানান, করিম কুটির মসজিদ গলির স্মরণিকা ভিলার নিচতলায় ভাড়া বাসায় একা বসবাস করতেন মহিউদ্দিন। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে তাকে বিছানার ওপর শুয়ে থাকতে দেখেন আশপাশের লোকজন। রাত পর্যন্ত একই অবস্থায় শুয়ে থাকতে দেখে ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি জানান তারা।
আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেখানে খাটের ওপর মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় মহিউদ্দিনকে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি মিজানুর রহমান জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ বলা যাবে। তাছাড়া স্বজনরা অভিযোগ দিলে সে অনুযায়ী তদন্তের ব্যবস্থাও করা হবে।
ওই শিক্ষকের বড় ভাই, পিরোজপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জসিমউদ্দিন বলেন, ‘আমার ভাইয়ের হঠাৎ মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছে না। তাকে হত্যা করা হয়ে থাকলে আল্লাহ যেন হত্যাকারীর বিচার করেন। মহিউদ্দিনের মৃত্যুর খবর আমরা সবাই পেয়েছি, ওর স্কুলের সবাইকে জানিয়েছি কিন্তু তারা কেউ এলো না।’
মৃতের ছোট ভাই বরিশাল বিএম স্কুলের শিক্ষক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ‘হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দুর্নীতিসহ নানা অনিয়ম নিয়ে ভাইয়ের বিবাদ ছিল। কিছুদিন আগে স্কুলের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন, সাংবাদিকদেরও জানিয়েছেন তিনি।’
তিনি আরও জানান, মহিউদ্দিনকে বিভিন্ন সময় হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল, এমনকি তাকে থামানোর জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কয়েক মাস আগে মহিউদ্দিনকে বহিরাগতদের দিয়ে মারধর করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
আলাউদ্দিন বলেন, ‘এসব ঘটনা পরিবারের কাউকে বলতে চাইতেন না ভাই, নিজেই সমাধান করতে চাইতেন। সম্প্রতি স্কুলের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে কোনো সুরাহা না পেয়ে চাকরি থেকেও পদত্যাগ করেন। আমাদের ধারণা, ওর আকস্মিক মৃত্যুর সঙ্গে হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবাদ করার বিষয়টির সম্পর্ক আছে।’
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে কারাগারে কয়েদির মৃত্যু
তিনি জানান, তার ভাইয়ের মৃত্যু অস্বাভাবিক বলেই তাদের মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় পরিবারের সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে সামনের দিকে এগোবেন। আপাতত লাশ উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হবে।
এদিকে, মৃতের স্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার রিপা আক্তার জানান, তাদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। যাকে নিয়ে তিনি নগরের আলেকান্দা বুক ভিলা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। তবে সম্প্রতি তার স্বামী করিম কুটির এলাকার ওই বাসা ভাড়া নেন এবং সেখানে থাকাও শুরু করেন। তবে তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক কলহ ছিল না।
অন্যদিকে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্কুলের এক শিক্ষক জানান, সাবেক প্রধান শিক্ষক ফকরুজ্জামানের নিয়মবহির্ভূত কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেন শিক্ষক মহিউদ্দিন। এরপর থেকেই তার বিরুদ্ধে অনেকেই জোটবদ্ধ হন এবং নানাভাবে হয়রানি করতে শুরু করেন। এ নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত থাকতেন। পাশাপাশি তিনি শারীরিকভাবেও বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।
২০১ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টা, বিচারপতি ও সেনাপ্রধানকে হত্যার হুমকি দিয়ে গ্রেপ্তার আ. লীগ কর্মী
ফেসবুকে রক্তমাখা ছুরি দেখিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানকে হত্যার হুমকি দেওয়া মো. আলমগীর নামে আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ জুন) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি জাফতনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়- আলমগীর নামে ফটিকছড়ি উপজেলার রক্তমাখা একটি ছুরি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। ভিডিওতে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতেও দেখা গেছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে এই নিয়ে জনগণে অসন্তোষ দেখা দেয়।
পড়ুন: ইনুকে ডান্ডাবেড়ি পরানোয় পুলিশকে হুমকি
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুর আহমেদ।
তিনি বলেন, রক্তমাখা একটি ছুরি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হত্যার হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে ফটিকছড়ি থানায় হওয়া একটি বিস্ফোরক মামলায় আদালতে পাঠানো হয়।
২২১ দিন আগে
শাহরুখ খানকে হত্যার হুমকি
বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানকে ৫০ লাখ রুপি মুক্তিপণ দাবি করে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর ) মুম্বাই পুলিশ এই তথ্য জানিয়েছে।
ছত্তিশগড়ের রায়পুর থেকে যে ব্যক্তি ফোন করেছেন তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে 'হিন্দুস্তানি' বলে পরিচয় দেন।
বান্দ্রা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করছে।
কল করা ঐ ব্যক্তি ফৈজান খান বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তবে তিনি দাবি করেন, ২ নভেম্বর তাঁর ফোন চুরি হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ধুম ৪-এ শাহরুখ খান: ঘটনা না কি রটনা?
৫ নভেম্বর দুপুর ১টা ২০ মিনিট নাগাদ ফোনটি আসে, যেখানে মুক্তিপণ না দিলে 'জওয়ান' তারকার ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।
শাহরুখ খানকে এই প্রথম হুমকি দেওয়া হলো বিষয়টি এমন নয়। গত বছরের অক্টোবরে তাকে একইভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে কর্তৃপক্ষকে তার সুরক্ষা ওয়াই + স্তরে উন্নীত করেছিল। এই স্তরের সুরক্ষার আওতায় তাকে ২৪ ঘণ্টা ছয়জন সশস্ত্র কর্মী সরবরাহ করে। এই সুরক্ষা সুবিধা পাওয়ার আগে তার দু'জন সশস্ত্র সুরক্ষা প্রহরীর ছিল।
সম্প্রতি বলিউডের আরেক তারকা সালমান খানের একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে শাহরুখ খানকে এই হুমকি দেওয়া হয়।
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছ থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। হুমকি দিয়ে বলা হয়, তাকে পাঁচ কোটি টাকা দিতে হবে অথবা কৃষ্ণসার হরিণ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। ভিখারাম জালারাম বিষ্ণোই নামে ওই গ্যাংয়ের এক সদস্য এই হুমকি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই গ্যাংয়ের নেতা কর্ণাটকে এখনো আটক রয়েছেন।
৩০ অক্টোবর আরেকটি ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি সালমান খানের কাছ থেকে ২ কোটি রুপি মুক্তিপণ দাবি করে সতর্ক করেছিল। বারবার এরূপ হুমকির প্রেক্ষিতে সালমান খানের সুরক্ষাও জোরদার করা হয়। বিশেষ করে ১২ অক্টোবর মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকীর সাম্প্রতিক হত্যার পরে এই ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষ।
মুম্বাই পুলিশ উভয় বলিউড তারকার সর্বশেষ হুমকির তদন্ত করার সময় উচ্চ সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অভিনেতাদের ক্ষতির আশঙ্কা থেকে রক্ষায় এমন সুরক্ষা ব্যবস্থা যে রয়েছে তাএসব পদক্ষেপ নিশ্চিত করে।
আরও পড়ুন: পাঠান মুভি রিভিউ: বলিউড কিং শাহরুখ খানের অভিজাত প্রত্যাবর্তন
৪৫৪ দিন আগে
পিটার হাসকে হত্যার হুমকি: ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ
ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া চট্টগ্রামের বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মুজিবুল হক চৌধুরীসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে করা মামলার আবেদন খারিজ করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী মামলা গ্রহণ করার উপাদান না থাকায় তা খারিজের আদেশ দেন।
এদিন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশের চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এম এ হাশেম রাজু এ মামলার আবেদন করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম সরকার এ তথ্য জানিয়েছেন।
এ সময় ইফতেখার উদ্দিন বাবু, সাজ্জাত, এহছান, ফরহাদ, নাছির ও সাইফুলকে আসামি করে আবেদন করা হয়।
মামলার আবেদনে বলা হয়, গত ৬ নভেম্বর বাঁশখালীর এক জনসভায় মুজিবুল হক চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে মেরে ফেলার হুমকি দেন এবং অশালীন মন্তব্য করেন।
৮ নভেম্বর বিভিন্ন পত্রিকায় এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এছাড়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ড. মোহাম্মদ ইউনূস সম্বন্ধেও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে, যা হাজার কোটি টাকার মানহানির শামিল।
৮১৩ দিন আগে
হত্যার হুমকি পেয়ে হিরো আলমের জিডি
হিরো আলম নামে পরিচিত আশরাফুল আলম সোমবার রাতে ফোন কলে হত্যার হুমকি পেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে হিরো আলম বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় জিডি করেন বলে জানান উক্ত থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদির।
জিডি সূত্রে জানা যায়, হিরো আলমকে হত্যার হুমকি দিয়ে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তিনটি ফোন কল আসে। সোমবার রাত ৯টা ৪৩ মিনিটে তিনি প্রথম কল পান।
আরও পড়ুন: ঢাকা-১৭ আসনে পুনঃনির্বাচনের দাবি হিরো আলমের
জিডিতে আরও উল্লেখ আছে, ফোনকারী তাকে (হিরো আলমকে) শিক্ষা দেবে এবং সাত দিনের মধ্যে তার লাশ বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলে দেবে বলে হুমকি দেয়।
গত ১৭ জুলাই রাজধানীর বনানীতে ভোটকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন ঢাকা-১৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম।
এ ঘটনায় হিরো আলমের একান্ত সহকারী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে আসামি করে বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
হিরো আলমের ওপর উক্ত ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: হিরো আলমকে মারধর: পিকআপ মালিক সমিতির সভাপতি গ্রেপ্তার
৯২৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মাগুরায় আরেকটি মামলা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকিসহ তার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে মাগুরা আদালতে মামলা করা হয়েছে।
বুধবার জেলার আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান মাগুরা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ন কবীরের আদালতে ডিজিটাল আইনে মামলাটি করেন। বিচারক হুমায়ুন কবির মামলাটি আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
আরও পড়ুন: ‘প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির’ অভিযোগে মির্জা ফখরুল ও রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা
শুনানি শেষে আদালত মাগুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এজাহার প্রদান করেছেন।
বাদি পক্ষের আইনজীবী শাখারুল ইসলাম শাকিল জানান, আসামি চাঁদ ১৯ মে পুটিয়ায় স্কুল মাঠে জনসভায় বক্তৃতা দানকালে প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেন। হত্যার হুমকি দেওয়ায় তার জীবনহানী ঘটার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যার কারণে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মী আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। আসামির এই বক্তব্যে বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টিসহ নাশকতামুলক কর্মকাণ্ড ঘটতে পারে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ফরিদপুরে মামলা
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: নেত্রকোণা আদালতে আরও ১টি মামলা
৯৮৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ফরিদপুরে মামলা
রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের (৬৫) বিরুদ্ধে ফরিদপুরে মানহানি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ মে) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম ১নং আমলী আদালতে এ মামলাটি করা হয়।
মামলা করেন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক। তিনি জেলা শহরের দক্ষিণ আলীপুরের ওলিউল হকের ছেলে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে ঢাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ
দুপুরে ফরিদপুর কোর্টের পরিদর্শক আবুল খায়ের মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদ প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকির ফলে তার জীবনহানি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মী বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।
তাছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে বিএনপি নেতার বক্তব্য প্রচার হওয়ায় তা মানহানি হয়েছে। মানহানির ঘটনায় ২০ কোটি টাকা উল্লেখ করা হয়।
অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম ১নং আমলী আদালতের বিচারক তরুণ বাছার মামলাটি আমলে নিয়ে তা এফআইআর এর জন্য কোতোয়ালি থানাকে নির্দেশ দেন।
মামলাটি দায়েরের সময় জেলা আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংঘঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে মামলার বাদি ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির পর সারা বাংলাদেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষুব্ধ মানুষ হুমকিদাতার বিচার চাচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা, মেরে ফেলে ও কবরস্থানে পাঠানোর হুমকি জাতিসহ বিশ্ব বিবেক মানে না।
তিনি আরও বলেন, এজন্য আমরা আইনের দারস্থ হয়ে বিচার চেয়েছি। আশা করছি আদালতে সুষ্ঠু বিচার পাবো।
তিনি দাবি করেন যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে বিএনপির যে এটা নীলনকশা ছিলো তা ফাঁস হয়ে গেছে। জাতি জেনে গেছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: নেত্রকোণা আদালতে আরও ১টি মামলা
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: বিএনপি নেতার নামে মামলা
৯৮৮ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: নেত্রকোণা আদালতে আরও ১টি মামলা
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় নেত্রকোণায় অতিরিক্ত প্রধান বিচারিক হাকিম আদালতে আরও একটি মামলা করা হয়েছে। এঘটনায় এ নিয়ে মোট দুটি মামলা করা হলো।
মঙ্গলবার (২৩ মে) দুপুরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অসিত সরকার সজল বাদী হয়ে মামলা করেন। অসিত সরকারের আইনজীবী মো. শহিদুল্লাহ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে ঢাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ
মামলায় বলা হয়, গত ১৯ মে প্রকাশ্য জনসভায় শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি প্রধানমন্ত্রীর জন্যে মানহানিকর, কুরুচিপূর্ণ, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্যে হুমকি। এ ধরনের হুমকি দেওয়ায় বাদী সংক্ষুব্ধ, মর্মাহত ও মানসিকভাবে আহত হয়েছেন।
আইনজীবী মো. শহিদুল্লাহ জানান, মামলায় প্রাণনাশের হুমকি, মানহানি ও হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিচারক মো. কামাল হোসাইন মামলা আকারে গ্রহণের জন্য নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) আদেশ দিয়েছেন বলে জানান এই আইনজীবী।
এর আগে গতকাল সোমবার (২২ মে) একই আদালতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামছুর রহমান লিটন বাদী হয়ে মামলা করেন।
আরও পড়ুন: ‘প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির’ অভিযোগে মির্জা ফখরুল ও রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: বিএনপি নেতার নামে মামলা
৯৮৮ দিন আগে
‘প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির’ অভিযোগে মির্জা ফখরুল ও রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ‘হত্যার হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান বাদী হয়ে নাটোর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
আবু সাঈদ চাঁদকে এ মামলার প্রধান আসামি এবং বিএনপি মহাসচিবকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
এ সময় জেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছিম আহমেদ মামলাটি গ্রহণ করেছেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রাজশাহী বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদকে বিশ্বাসঘাতক উল্লেখ করে মামলার বাদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রধান আসামির 'হুমকিমূলক বক্তব্য' দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: বিএনপি নেতার নামে মামলা
মামলার এজাহারে বলা হয়, এ ধরনের মন্তব্য দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে।
এর আগে শুক্রবার বিকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মহানগর ও জেলা বিএনপির জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দেন আবু সাঈদ চাঁদ।
তিনি বলেন, ‘আর ২৭ বা ১০ দফা দাবি নয়, এখন শুধু একটাই দফা, আর তা হলো- শেখ হাসিনাকে কবরে পাঠাও! শেখ হাসিনার পদত্যাগের জন্য যা যা করা দরকার আমরা করব।’
এদিকে এই হুমকির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
এ ঘটনায় আবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে পুঠিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এটা সরকারের সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র: খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে ফখরুল
৯৮৯ দিন আগে