স্কুল
স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বাতিল, ২০২৭ থেকে ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা
দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে আর লটারি পদ্ধতি থাকছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব শ্রেণিতে ভর্তিতে পরীক্ষা নেব। তবে খুব জটিল কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না। ক্লাস ওয়ানে তো আর আমরা ওদের নিউরোসার্জন বানাব না। একটা সিম্পল টেস্টের মাধ্যমে স্কুলে ভর্তি করানো হবে।’
ভর্তি পরীক্ষা ফিরলে কোচিং বাণিজ্য ও তদবির বাড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখানে কোচিং করানোর সুযোগ রাখা হবে না। সিম্পল টেস্ট হবে... সাধারণভাবে সবকিছু হবে। এটা নিয়ে অভিভাবকদের চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি মনে করি, লটারি করে ভর্তি করানো কোনো শিক্ষাব্যবস্থায় থাকতে পারে না।’
১৩ দিন আগে
জুতা না পরে স্কুলে যাওয়ায় প্রধান শিক্ষকের পিটুনিতে শিক্ষার্থী হাসপাতালে
নড়াইলে জুতা না পরে স্কুলে যাওয়ায় হাবিবা খান মিষ্টি নামের এক শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় মাঠে খোলা মঞ্চে অসংখ্য শিক্ষার্থীর সামনে পিটিয়েছেন প্রধান শিক্ষক এস এম মুরাদুজ্জামান। শুধু তা-ই নয়, প্রধান শিক্ষকের পিটুনিতে অসুস্থ হয়ে পরে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে মেয়েটিকে।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ের মাঠে খোলা মঞ্চের ওপর তাকে পেটান প্রধান শিক্ষক মুরাদুজ্জামান।
হাবিবা কাশিপুর ইউনিয়নের গিলাতলা গ্রামের মনিরুজ্জামানের মেয়ে এবং ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ ভূইয়ার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন হাবিবার বাবা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (মঙ্গলবার) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে খোলা মঞ্চের ওপর ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে হাবিবাকে বেত দিয়ে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে আহত করেন প্রধান শিক্ষক এস এম মুরাদুজ্জামান। পরে হাবিবার জ্বর এলে তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর কুবি শিক্ষার্থী উদ্ধার, আটক ১
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘আমার মেয়ে রোজা রাখায় শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করছিল। তাই সে পায়ে জুতা না পরে স্কুলে চলে যায়। এ কারণে প্রধান শিক্ষক সব ছেলেমেয়ের সামনে তাকে নির্দয়ভাবে মারধর করে।’
তিনি বলেন, ‘সামান্য বিষয় নিয়ে কেন এমন নির্দয়ভাবে আমার মেয়েকে মারধর করা হলো? আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।’
প্রধান শিক্ষক এস এম মুরাদুজ্জামান বলেন, ‘ছেলেমেয়েদের একেবারে ছেড়ে দিলে হয় না, একটু শাসন করতে হয়। শাসন করতে গিয়েই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ ভূইয়া বলেন, ‘এক মেয়ে শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে যদি সতত্যা পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৪১৭ দিন আগে
গাজায় মসজিদ ও স্কুলে বোমা হামলা, নিহত ২৪
মধ্য গাজায় একটি মসজিদ ও একটি স্কুলে ইসরায়েলের বোমা হামলায় অন্তত ২৪ ফিলিস্তিনি নিহত ও ৯৩ জন আহত হয়েছে।
হামাস পরিচালিত গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আল-আকসা শহীদ হাসপাতাল ও ইবনে রুশদ স্কুল সংলগ্ন আল-আকসা শহীদ মসজিদে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
রবিবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, দেইর আল বালাহ এলাকায় 'ইবনে রুশদ' স্কুল নামে পরিচিত একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের ভেতরে থাকা হামাস জঙ্গিদের ওপর 'সুনির্দিষ্টভাবে হামলা' চালিয়েছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী।
আরও পড়ুন: গাজার শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১২
এতে আরও বলা হয়, দেইর আল বালাহ এলাকায় 'শুহাদা আল-আকসা' মসজিদ নামে পরিচিত একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের মধ্যে তৎপরতা চালানো হামাস জঙ্গিদের ওপর বিমান বাহিনী 'সুনির্দিষ্টভাবে হামলা' চালিয়েছে।
গত বছরের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় হামাস। ১২০০ জনের মৃত্যু হয়। ২৫০ জনকে জিম্মি করে নেয় হামাস। এ হামলার পরপরই গাজায় অব্যাহত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল।
শনিবার এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ হাজার ৮২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
এই সংঘাতের বর্ষপূর্তির একদিন আগেই মসজিদ আর স্কুল লক্ষ্য করে হামলা চালালো ইসরায়েল।
আরও পড়ুন: গাজার মধ্যাঞ্চলে ইসরায়েলি বোমা হামলায় নিহত ৮
৫৪০ দিন আগে
ঈশ্বরগঞ্জে স্কুলের নৈশপ্রহরীকে হত্যা
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের আরমান নামে এক নৈশপ্রহরীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার নিজ কর্মস্থল জাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত আরমান মিয়া (২৪) জাটিয়া গ্রামের মৃত লোকমান হেকিমের ছেলে।
আরও পড়ুন: নাটোরে মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের জাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী হিসেবে প্রতিদিনের মতো আরমান মিয়া সোমবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে স্কুল ক্যাম্পাসে তিনি দায়িত্বে ছিলেন।
সকাল ৭টায় স্থানীয়রা স্কুলের ভেতর থেকে গোংরানির শব্দ শোনে জানালার ফাঁক দিয়ে দেখতে পান নৈশপ্রহরী আরমান রক্তমাখা অবস্থায় শিক্ষক মিলনায়তন কক্ষে উপুড় হয়ে পড়ে আছে। এমন অবস্থা দেখে আরমানের বাড়িতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানের চিকিৎসক আরমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
জাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দিন বলেন, আরমান খুবই ভালো ছেলে ছিল। কি কারণে সে হত্যা শিকার হয়েছে বুঝতে পারছি না। আমি এ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্তে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের শনাক্ত করে আটক করতে সক্ষম হব। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা
নরসিংদীতে পোল্ট্রি ফিড ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
৫৪৪ দিন আগে
স্কুলে নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
কুমিল্লায় নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের পানিতে পড়ে মোসা. নুর নামে তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে রসুলপুর গ্রামে উত্তর রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মোসা. রসুলপুর উত্তরপাড়ার নুর মো. রিজান ও সুমাইয়া আক্তারের মেয়ে।
আরও পড়ুন: সিলেটে খালের পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
স্থানীয়রা জানায়, উত্তর রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংকটির জন্য করা গর্ত দুই মাসের বেশি সময় ধরে কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী ছাড়াই ফেলে রাখা হয়। এদিকে বৃষ্টির পানিতে ভরে যাওয়ায় মোসা. নুর গর্তে পড়ে ডুবে যায়। দুপুর ২টায় শিশুর লাশ ভেসে ওঠে।
বিদ্যালয়টির সেপটিক ট্যাংকের নির্মাণকাজ দুই মাস আগে শুরু করলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তা শেষ করেনি। দীর্ঘদিন ধরে অর্ধেক কাজ করে ফেলে রাখায় এ ঘটনা ঘটেছে।
স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য স্বপন মিয়া বলেন, বহুবার এ কাজের ঠিকাদারকে বলা হলেও অরক্ষিত অবস্থায় কাজটি ফেলে রাখায় আজ এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা উপজেলা চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছি। তিনি যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায় বলে জানান স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য স্বপন মিয়া।
আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু
সীতাকুণ্ডে সাগরে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
৬৪৬ দিন আগে
অতিরিক্ত গরমে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য রক্ষার উপায়
বর্তমানে গরমের তীব্রতা অসহনীয় করে তুলেছে মানুষের জীবন। বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য এই প্রতিকুল অবস্থা আশঙ্কাজনক। অত্যধিক ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় তরল বেরিয়ে যাওয়ার কারণে নানা ধরণের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি হয়। আর এই ঝুঁকির মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে এই কম বয়সী শিক্ষার্থীরাই। তাই উষ্ণ আবহাওয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রয়োজন যথাযথ পদক্ষেপের। উপসর্গ দেখা দেওয়ার আগেই সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া গেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে। তাই চলুন, গরমের তীব্রতা থেকে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়গুলো জেনে নেওয়া যাক।
তীব্র গরমে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের সুস্থ রাখার ১০টি উপায়
দিনের তীব্র গরমের সময় সূর্যালোক এড়িয়ে চলা
সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অতিবেগুনি রশ্মি সবচেয়ে বেশি তীব্র থাকে। আর দিনের এই সময়টাতেই শিক্ষার্থীরা সাধারণত ক্লাস এবং স্কুল-পরবর্তী খেলাধুলার জন্য ঘরের বাইরে থাকে। তাই এই সময়টাতে শিক্ষার্থীদের বিচরণের জায়গাগুলোতে সর্বাত্মকভাবে ছায়ার ব্যবস্থা করতে হবে। গাছ-গাছালি ঘেরা প্রাকৃতিক ছায়া শোভিত স্থান সর্বোত্তম। তবে এর পাশাপাশি ছাউনির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। খেলাধুলার সময় ছাত্রছাত্রীরা যেন উন্মুক্ত জায়গায় চলে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
সূর্যালোকের সংস্পর্শ এড়ানোর জন্য আরেকটি উত্তম উপায় হলো ছাত্রছাত্রীদের ইনডোর গেমের প্রতি আকৃষ্ট করা। এতে করে তাদের বিনোদনও হবে, একই সঙ্গে তাদের শরীরও ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচবে। এটি ছুটির দিনে ঘরের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
আরও পড়ুন: অটিজম কী? অটিজম সচেতনতা ও সহমর্মিতা কেন জরুরি?
গরমের জন্য আরামদায়ক পোশাক পরিধান করা
শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা-যাওয়াসহ বিভিন্ন উপলক্ষে ঘরের বাইরে থাকার সময়ে হাল্কা বুনন, হাল্কা ও এক রঙের কাপড় পড়তে হবে।
হাতাকাটা শার্ট বা গেঞ্জি এবং হাফ প্যান্ট বা শর্টস এক্ষেত্রে উপযুক্ত মনে হতে পারে। কিন্তু কাপড়ের উপাদান এবং শিক্ষার্থীদের শরীরের কতটা অংশ উন্মুক্ত থাকছে সেদিকে কড়া নজর দেওয়া আবশ্যক।
এছাড়া হাতাকাটা বা শর্টসের ক্ষেত্রে কাপড় যদি অনেক মোটা বা ভারী হয়, তাহলে তা আরও গরম করে তুলতে পারে। উপরন্তু, রোদের সংস্পর্শে উন্মুক্ত হাত-পায়ের চামড়া পুড়ে যেতে পারে। তাই শরীর যতটা ঢেকে রাখা যায় ততই ভালো। অর্থাৎ লম্বা হাতা এবং লম্বা প্যান্ট বেছে নেওয়া উত্তম। আর কাপড় ঢিলেঢালা ফিটিং ও হাল্কা রঙের হলে তা বাতাস চলাচলের জন্য উপযোগী হয়।
আরও পড়ুন: নারীদের চেয়ে পুরুষদের আত্মহত্যার হার বেশি যে কারণে
সানস্ক্রিন ব্যবহার করা
সকালে স্কুলে যাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে বাচ্চাদের শরীরের উন্মুক্ত অংশে সানস্ক্রিন লাগিয়ে দিতে হবে। কিশোর বয়সীদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়েদের তাদের সন্তানকে সানস্ক্রিন ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ছোট থেকে অভ্যাস করানো হলে কিশোর বয়সীরা নিজেরাই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে শিখে যাবে। এই অভ্যাস কার্যকর করার জন্য প্রতিবার ঘর্মাক্ত হওয়ার দুই ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন প্রয়োগ করা যেতে পারে। এছাড়া স্কুলের খেলাধুলার পর বাচ্চাদের সানস্ক্রিন প্রয়োগ করতে মনে করিয়ে দেওয়া যেতে পারে।
একটি গল্ফ বলের মাপের সমান বা প্রায় ২৮ গ্রাম সানস্ক্রিন পুরো শরীরে লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে শরীরের যে অংশগুলো সাধারণত এড়িয়ে যায় সেগুলোতে বেশি নজর দেওয়া উচিত। যেমন- কানের পিছনে, ঘাড়ে, হাত ও পায়ের উল্টো পিঠের অংশগুলো।
ছাতা ব্যবহার করা
স্কুলে যাওয়া ও আসা নিয়ে প্রতিদিনই বাচ্চাদের একটি উল্লেখযোগ্য সময় রোদের আলোয় কাটাতে হয়। এই সময়টিতে শুধুমাত্র সানস্ক্রিনের উপর নির্ভর করাটা যথেষ্ট নয়। সূর্যালোক প্রতিরক্ষামূলক পোশাক পরিধান ছাড়াও এ সময়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ছাতা ব্যবহার করা। খুব নান্দনিক এবং রঙচঙা নয়, এ ক্ষেত্রে খেয়াল দিতে হবে ছাতাটি রোদ থেকে কতটা ছায়া দিতে পারছে তার উপর। মুষলধারে বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে যেভাবে ছাতা ব্যবহার করা হয়, এক্ষেত্রেও একই কাজ করা উচিত। আর ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের এই অভ্যাস তৈরিতে আদর্শ হতে পারে পিতামাতা ও পরিবারের অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্করা।
আরও পড়ুন: সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধ
ঘরকে ঠান্ডা রাখা
গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচতে ঘরে থাকতে হলে সেই ঘরকেও রাখতে হবে তাপমুক্ত। কেননা বাইরে থেকে রোদের আলো ঘরে ঢুকে অথবা ঘরের দেয়াল রোদ শুষে নিয়ে ঘরকে উত্তপ্ত করে তোলে। এ অবস্থা থেকে শতভাগ মুক্তি না মিললেও সম্ভাব্য কার্যকর উপায়গুলো অবলম্বন করা যেতে পারে।
যেমন হলুদ এবং হ্যালোজেন বাল্বগুলো প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে। তাই এগুলোর বদলে ব্যবহার করতে হবে এলইডি লাইট, যা ঘর ঠান্ডাও রাখে আবার বৈদ্যুতিক খরচের দিক থেকেও বেশ সাশ্রয়ী।
দিনের উত্তপ্ত সময়গুলোতে জানালার পর্দা টেনে দিতে হবে। জানালা বন্ধ রাখা হলে সূর্যালোকের ঘরের ভেতর ঢুকতে আরও একধাপ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। ঠিক সন্ধ্যার দিকে পর্দা সরিয়ে জানালা খুলে দিলে বাইরের ঠান্ডা বাতাস ভেতরে প্রবেশ করবে। এতে করে দিনের বেলা বাইরের গরম বাতাস ভেতরে আসবে না। রাতভর ঘরের ভেতর জমা হওয়া ঠান্ডা বাতাস দিনের বেলা বাইরে যেতে পারবে না।
আরও পড়ুন: মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধ
৭০০ দিন আগে
রোজায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ থাকবে: হাইকোর্ট
রমজানের প্রথম ১০ দিন প্রাথমিক এবং ও ১৫ দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দুই মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (১০ মার্চ) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাহমুদা খানম এবং রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. সাইফুজ্জামান।
আরও পড়ুন: ১৪ বছরেও হয়নি সেতু, ভেলায় চড়েই স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. সাইফুজ্জামান জানান, হাইকোর্ট প্রাথামিক ও মাধ্যমিক স্কুল রোজার মধ্যে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন।
এছাড়া দুই মাসের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করে রুল দিয়েছেন। এ আদেশের ফলে রোজার মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করে রমজানে ১৫ দিন মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়েরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: বুধবার থেকে শুরু বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা স্কুল ফুটবল
অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালায় জানায়, রমজানে ১০ দিন ক্লাস চলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে।
আগামী ১১ থেকে ২৫ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
পরে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্তের এই বিজ্ঞপ্তি দুইটি চ্যালেঞ্জ করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল।
আরও পড়ুন: রমজান মাসে ১৫ দিন খোলা থাকবে স্কুল
রিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, শিক্ষা সচিব, উপসচিব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, উপসচিব শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), শিশুকল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালককে বিবাদী করা হয়। সেই রিটের উপর রবিবার শুনানি হয়।
৭৫০ দিন আগে
বুধবার থেকে শুরু বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা স্কুল ফুটবল
বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৩ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৩ চূড়ান্ত পর্বের খেলা।
বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সকাল ৯টায় চূড়ান্ত পর্বের খেলার উদ্বোধন করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ময়নমনসিংহ বিভাগের চ্যাম্পিয়ন জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরগোলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বরিশাল বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ভোলা সদর উপজেলার ব্যাংকেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মুখোমুখি হবে।
আরও পড়ুন: সিলেটে ট্রাকচাপায় ফুটবলার নিহত
অন্যদিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় চট্টগ্রাম বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মুখোমুখি হবে বরিশাল বিভাগের চ্যাম্পিয়ন পটুয়াখালির বাউফল উপজেলার মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এবারের প্রতিটি টুর্নামেন্টে ৬৫ হাজার ৩৫৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। উভয় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২ লাখ ২২ হাজার, ২৬ জন।
ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় শেষে এখানে চূড়ান্ত পর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে উভয় টুর্নামেন্টের বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন স্কুলসমূহ চূড়ান্তপর্বের খেলায় অংশ নিচ্ছে।
বিশেষ অতিথি থাকবেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ এবং সভাপতিত্ব করবেন- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত।
আরও পড়ুন: ফিফা নারী আন্তর্জাতিক ফুটবল: সিঙ্গাপুরকে ৮-০ ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ জয়ী বাংলাদেশ
স্বাধীনতা কাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু রবিবার
৭৬২ দিন আগে
১৪ বছরেও হয়নি সেতু, ভেলায় চড়েই স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা
কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠবাড়ি গ্রামে একটি সেতুর অভাবে ভেলায় চড়েই গত ১৪ বছর ধরে শিক্ষার্থীরা পার হচ্ছে খাল।
এছাড়া মঠবাড়ি গ্রামটিকে দুইভাগে বিভক্ত করেছে প্রায় তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ২৫০ মিটার চওড়া একটি খাল। ২০০৯ সালে গ্রামের পার্শ্ববর্তী শাকবাড়িয়া নদীর বাঁধ ভেঙে জোয়ার-ভাটার প্রবল স্রোতে ওই খালের সৃষ্টি হয়।
এক বছর পর বাঁধ মেরামত হলেও খালটি ভরাট করা হয়নি। ফলে গত ১৪ বছর ধরে গ্রামের মানুষ ভেলায় চড়ে ও নৌকার মাধ্যমে খাল পারাপার হচ্ছেন। এতে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীরা।
সুন্দরবন সংলগ্ন কয়রা উপজেলার প্রতাপ স্মারণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাবেয়া খাতুন বলেন, কত মানুষ এসে দেখে গেছে প্রতিশ্রুতি দিয়েই গেছে, কিন্তু কেউ কথা রাখেনি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের স্বাস্থ্যশিক্ষা ও গবেষণায় ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের আগ্রহ প্রকাশ
তিনি আরও বলেন, বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যেকোনো একটা উপায় হলে বই খাতা নিয়ে কোনো আতঙ্ক ছাড়াই স্কুলে আসতে পারতাম।
গ্রামবাসী জানান, খালটির পশ্চিম পাড়ে প্রতাপ স্মারণী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মঠবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া একটি কমিউনিটি ক্লিনিকও রয়েছে সেখানে। প্রথমদিকে খালের অন্য পাড় থেকে বিদ্যালয়গামী ছেলেমেয়েরা ডিঙি নৌকায় পারাপার হতো। কিন্তু নৌকা সব সময় পাওয়া যায় না। জেলেরা নৌকা নিয়ে সুন্দরবনে চলে গেলে কলার ভেলায় পার হতে হয় তখন। এতে ঝুঁকি ছিল বেশি। পরে প্লাস্টিকের ড্রামের উপর কাঠের তক্তা দিয়ে স্থায়ীভাবে ভেলা বানানো হয়।
সরেজমিন দেখা গেছে, প্লাস্টিকের ড্রাম চারকোনা করে বেঁধে উপরে তক্তার পাটাতন বিছিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ এই ভেলা। খালের দুই পাশে একটি লম্বা রশি আড়াআড়িভাবে খুঁটির সঙ্গে টানিয়ে রাখা হয়েছে। লোকজন ভেলায় চড়ে নিজেরাই রশি টেনে পারাপার হচ্ছেন। সেখানকার বাসিন্দাদের ভেলায় খাল পেরিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হয়।
প্রায় পাঁচ হাজার জনসংখ্যার বড় এ গ্রামটির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া শাকবাড়িয়া নদী পেরিয়ে সুন্দরবন। রয়েছে একটি বাজার ও ফরেস্ট স্টেশন। খালের পূর্ব পাড়ে সুপেয় পানির সংকট থাকায় বাসিন্দারা ভেলায় খাল পেরিয়ে পশ্চিম পাড় থেকে পানি নিয়ে আসেন।
খালের পশ্চিম পাড়ের মঠবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, এ বছরের শুরুতে ছেলে মেয়েরা নতুন বই নিয়ে বাড়ি যাওয়ার সময় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেছে এখানে।
তিনি আরও জানান, ভেলায় পার হওয়ার সময় সেটি উল্টে শিক্ষার্থীরা খালে পড়ে যায়। আশপাশের লোকজন এসে ছোট ছোট শিশুদের উদ্ধার করলেও তাদের নতুন বইগুলো ভিজে গেছে।
তবে এ ধরনের দুর্ঘটনা বর্ষাকালে বেশি হয় জানিয়ে তিনি বলেন, একটি সেতু নির্মাণ না হলে এখানকার দুর্ভোগ কমবে না।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ডিসি পার্ক দিঘিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হলো সাম্পান বাইচ
প্রতাপ স্মারণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক রনজিত কুমার সরকার বলেন, দুই শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন খাল পার হয়ে যাতায়াত করে।
তিনি আরও বলেন, অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের খাল পারাপার নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। অন্তত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে মঠবাড়ি গ্রামের খালে একটি সেতু নির্মাণ করে দেওয়া জরুরি।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার, নজরুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান, সুভাষ মণ্ডলসহ কয়েকজন জানান, প্রতিদিন ভেলায় খাল পার হয়ে বিদ্যালয়ে আসতে যেতে ভয় লাগে তাদের। ভেলা থেকে পড়ে গেলে বই, খাতা ভিজে যায়। অনেক সময় ভেলায় লোকজন বেশি উঠলে পার হতে পারে না তারা। এজন্য অনেক সময় ক্লাসে উপস্থিত হতে দেরি হয়ে যায়।
গ্রামের বাসিন্দা কোহিনুর আলম বলেন, ‘১৪ বছর ধরে শুনতেছি, এ জায়গায় ব্রিজ হবে। আবার শুনি খালের ওপর আড়াআড়ি বাধ হবে। কিন্তু কিছুইতো হয় না। উপায়ন্তর না দেখে স্কুলের বাচ্চাগের পারাপারের জন্যি(জন্যে) ড্রামের ভেলা বানাই দিছি। তাতেই এখন গ্রামের সব মানুষ পার হই।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু সাইদ বলেন, সাড়ে ১৪ বছর আগে তৈরি হওয়া খালটির পাড়ে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পারাপারে ভোগান্তি লাঘবে খালের উপর একটি সেতু হলে এই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ নিরাপদ যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।
মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট দিয়ে এত বড় খালে সেতু বানানো সম্ভব নয়। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা পরিষদের সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনা করে দেখব।
কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, এটা দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করেছি।
আপাতত ভাসমান সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে প্রবাসীদের প্রতি হাইকমিশনার আল্লামা সিদ্দীকীর আহ্বান
৭৮৫ দিন আগে
চট্টগ্রামে স্কুল শিক্ষিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
চট্টগ্রাম মহানগরীতে পতেঙ্গা এলাকায় নিজ বাসায় গলায় ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় জয়া মজুমদার (২২) নামে এক স্কুল শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর পতেঙ্গা থানার কাঠগড় এলাকার ২ নম্বর গলিত থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: সিলেটে স্কুল শিক্ষিকা, গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার নিয়ে রহস্য!
জয়া মজুমদার পতেঙ্গার স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। তার স্বামীর নাম সুজিত মজুমদার।
পতেঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান বলেন, এক নারীর আত্মহত্যার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে ওই নারীকে গলায় ওড়না প্যাচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। তবে কী কারণ তিনি আত্মহত্যা করলেন তা এখনো বলতে পারছি না।
তিনি আরও বলেন, আমরা সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছি। আর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছি।
আরও পড়ুন: তুরস্কে আরও ৪ জনের লাশ উদ্ধার করল বাংলাদেশ সম্মিলিত দল
তুরস্কে ভূমিকম্পের ৮ দিন পর আরও জীবিত মানুষ উদ্ধার
৯৩২ দিন আগে