লিবিয়া
লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭৫ বাংলাদেশি
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৭৫ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) ভোর ৬টা ২৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় আনা হয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ফিরে আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ত্রিপলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১১৩ জন এবং বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ৬২ জন ছিলেন।
প্রত্যাবাসিতদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রত্যাবাসিতদের তাদের অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা প্রত্যেক প্রত্যাবাসিতকে পথখরচা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
১৩ দিন আগে
মানবপাচার বন্ধ ও অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
মানবপাচারের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং এই অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
রবিবার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক মানবপাচারচক্র জড়িত। এ চক্রের সদস্যরা বাংলাদেশ ও লিবিয়া উভয় দেশেই সক্রিয়। তারা উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে বিপজ্জনক পথে পাঠিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর তাদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।
দ্রুত এ চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আইন ও বাংলাদেশের আইন উভয় ব্যবস্থায় বিচার নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় অন্তত ১৮ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। তারা লিবিয়া হয়ে গ্রিসে পৌঁছানোর জন্য একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ নৌপথ ব্যবহার করছিলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের মিশনগুলো সেখানকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। যারা উদ্ধার হয়েছেন, তাদের যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি।
টাকা উপার্জনের নেশায় মানুষ এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে—বিষয়টিকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, যাদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে তাদের হাসপাতালে অথবা ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভুল তথ্য থাকলে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করা, গ্রিস সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং শারীরিক ও আইনি অবস্থা বিবেচনা করার পরই তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
১৭ দিন আগে
লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৭৫ বাংলাদেশি
লিবিয়ায় আটক ও দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকা ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের প্রত্যাবাসন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাদের দেশে আনা হয়।
প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে লিবিয়ার বেনগাজীস্থ গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ৩০ জন এবং বেনগাজী ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত দুস্থ, অসহায় ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ১৪৫ জন রয়েছেন। তারা সবাই স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন।
জানা যায়, তাদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেন। অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিজেদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসিত প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা দেওয়া হয়েছে।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
৪৮ দিন আগে
ভূমধ্যসাগর থেকে লিবিয়া উপকূলে ভেসে এল ৭ ‘অভিবাসীর’ মরদেহ
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পূর্ব দিকের এক সৈকত থেকে সাতটি মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির উদ্ধারকারী দল। মরদেহগুলো অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বলে নিজেদের ধারণার কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ত্রিপোলির পূর্বে অবস্থিত উপকূলীয় শহর কাসর আল-আখিয়ারের ওই সৈকত থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সমুদ্রের ঢেউয়ের তাণ্ডবে অনেক অভিবাসীর মরদেহ তীরে ভেসে এসেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় নিখোঁজদের প্রকৃত সংখ্যা এখনও অজানা। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
ইউরোপের ভৌগোলিক নৈকট্য এবং দীর্ঘ ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলরেখার কারণে লিবিয়া অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য একটি প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হয়ে উঠেছে।
৫২ দিন আগে
লিবিয়ায় প্রবাসীকে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবি, ফেনীতে গ্রেপ্তার ৩
লিবিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিকে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় তিনজনকে ফেনী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, মামলা দায়েরের পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের ফেনী থেকে আনতে কুমারখালী থানা পুলিশ রওনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে।
জানা যায়, জীবিকার সন্ধানে ২০২৪ সালে দালালের খপ্পরে লিবিয়ায় পাড়ি জমান কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ চরপাড়া গ্রামের যুবক পলাশ ইসলাম (৩৫)। কিন্তু সেখানে জীবিকার সংস্থানে গিয়ে উল্টো পড়েছেন জীবন সংকটে। তাকে নির্মম নির্যাতনের ভিডিও ও অডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে।
মুক্তিপণের টাকার দাবিতে প্রায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হচ্ছে। আর ভয়াবহ সেসব নির্যাতনের ভিডিও পাঠানো হচ্ছে স্বজনদের কাছে।
এমন ঘটনায় গত ১ জুন কুমারখালী থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছেন পলাশের ভাই আব্দুর রহিম। তিনিও বর্তমানে আসামি আনতে পুলিশের সঙ্গে ফেনীর পথে রয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন নাজমা আক্তার (৩০), তার স্বামী আফসার হোসেন ও মঈনুদ্দিন নামে এক ব্যক্তি।
মামলার এজাহারে বলা হয় আমার ভাই পলাশ ইসলাম (৩৫) ও ২ নম্বর আসামি আফসার পূর্ব পরিচিত। আফসার লিবিয়া প্রবাসী ছিলেন। সেই সূত্রে আফসার আমার ভাইকে বিদেশ (লিবিয়া) নিয়ে যাওয়ার জন্য ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ সাড়ে চার লাখ টাকা নেন। এরপর আমার ভাই লিবিয়াতে এক বছর ২ মাস থাকলেও তাকে কোনো কাজ দেওয়া হয়নি। উল্টো আমার ভাইকে একটি অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে আফসার তার স্ত্রীকে দিয়ে ১৫ লাখ টাকা দাবি করতে থাকেন। টাকা দিতে না পারায় আমার ভাইকে ভিডিও কল দিয়ে মারধর করে দেখায়। মুখ, হাত-পা বেঁধে লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করা হচ্ছে। হাত পায়ের আঙুলের নখ তুলে তার আর্তচিৎকারের অডিও পাঠানো হচ্ছে। ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায় তারা আরও তিন জনকে একইভাবে বন্দী করে রেখেছে।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে চুরির অভিযোগে মা-মেয়েকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন
এদিকে নাজমা অনবরত বিভিন্ন নাম্বার থেকে আমার ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। ভাইয়ের প্রাণ রক্ষার্থে তিন নম্বর বিবাদী মঈনুদ্দিনের ইসলামী ব্যাংক একাউন্টে আমরা দেড় লাখ টাকা পাঠিয়ে প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছি। বাকি টাকার জন্য তারা বিভিন্ন নাম্বার থেকে বারবার ফোন দিচ্ছেন।
জানতে চাইলে আব্দুর রহিম বলেন, আমি এখন ফেনীতে যাচ্ছি পুলিশ ভাইদের সঙ্গে। ফিরে এসে বিস্তারিত জানাতে পারব। আমরা যেকোনো মূল্যে ভাইকে ফেরত চাই। দেশে তার সন্তানরা বাবার পথ চেয়ে আছে।
আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, র্যাব তিনজনকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। কুষ্টিয়া পুলিশের টিম আসলে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৩১৫ দিন আগে
লিবিয়ায় ২৩ অপহৃত বাংলাদেশি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
লিবিয়ার মিসরাতা শহরে ২৩ অপহৃত বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজন অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লিবিয়ায় বাংলাদেশি দূতাবাস এমন তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, লিবিয়া পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অভিযান চালিয়ে কমপক্ষে ২৩ জন অপহৃত বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে এবং এ ঘটনায় জড়িত দুই অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। মিসরাতার আল-গিরান থানায় বেশ কয়েকজন বিদেশিকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগের ভিত্তিতে সিআইডি এই তদন্ত শুরু করে।
আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে পিটুনিতে শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু, লক্ষ্মীপুরে গ্রেপ্তার ৪
তদন্তের মাধ্যমে অপহরণকারী চক্রের অবস্থান চিহ্নিত করে পুলিশ সফল অভিযান পরিচালনা করে জিম্মিদের মুক্ত করে। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত ব্যক্তি ও গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়ার জন্য আল-গিরান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ দূতাবাস মিসরাতার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে। একই সঙ্গে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছে।
৩৭৮ দিন আগে
লিবিয়ায় আটক থাকা ১৪৫ অভিবাসনপ্রত্যাশী ঢাকায় ফিরলেন
লিবিয়ার বেনগাজী থেকে ১৪৫ অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশিকে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টায় বুরাক এয়ার চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে। এতে বলায়, এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীর বেশিরভাগই সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন।
তাদের অধিকাংশই লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। দেশে ফেরত আসার পর এই ভয়ঙ্কর পথ পাড়ি দিয়ে আর যেন কেউ লিবিয়াতে না যান এ বিষয়ে তাদেরকে সচেতন হওয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আহ্বান জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: লিবিয়ায় আটকে থাকা ১৪৫ বাংলাদেশিকে প্রত্যাবাসন
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেককে ছয় হাজার টাকা, কিছু খাদ্য সমগ্রী উপহার, মেডিকেল চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপিতে বলা হয়, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টোরে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপলিতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা এক সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
৪২৬ দিন আগে
লিবিয়ায় আটকে থাকা ১৪৫ বাংলাদেশিকে প্রত্যাবাসন
লিবিয়ার বেনগাজি গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৪৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এমন তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ দূতাবাস লিবিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১২ ফেব্রুয়ারি বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৪৫ জন বাংলাদেশিকে আইওএম-এর সহায়তায় দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
দূতাবাস জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিরা ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টায় লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।আরও পড়ুন: লিবিয়া-তিউনিশিয়া থেকে ফিরলেন আটকে পড়া ১৬১ জন বাংলাদেশি
দূতাবাসের মিনিস্টার (রাজনৈতিক) কাজী আসিফ আহমেদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে তাদের গ্রহণ করে এবং বেনগাজীর বেনিনা বিমানবন্দর থেকে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল এরইমধ্যে গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করে আটক বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং যাচাই-বাছাইয়ের পর তাদের অনুকূলে ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করে। পরবর্তীতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এবং আইওএম-এর সার্বিক সহযোগিতায় তাদের বিনা খরচে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়েছে।
৪২৬ দিন আগে
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৫৭ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৫৭ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ভোর ৪টা ২৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তারা।
ফিরে আসাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা।
লিবিয়ার মিসরাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল হতে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ১৫৭ জন আটকে পড়া অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, ত্রিপলী, লিবিয়া ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় ফিরিয়ে আনা হয়।
আরও পড়ুন: লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৫০ অনিয়মিত বাংলাদেশি
ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানব পাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন। তাদের অধিকাংশই লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।
দেশে ফেরত আসার পর এই ভয়ঙ্কর পথ পাড়ি দিয়ে আর যেন কেউ লিবিয়াতে না যায় এ বিষয়ে তাদের সচেতন হওয়ার জন্য এবং সবাইকে সচেতন করার জন্য আহ্বান জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা।
আইওএমের পক্ষ থেকে লিবিয়া থেকে ফেরা প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকা, কিছু খাদ্য সামগ্রী উপহার, চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে একসঙ্গে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, ত্রিপলী ও আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
আরও পড়ুন: লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন ৫৪ বাংলাদেশি
৫৪০ দিন আগে
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৫০ অনিয়মিত বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে ১৫০ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর ) সকাল সোয়া ৯টায় বুরাক এয়ারের চার্টার্ড ফ্লাইটে বাংলাদেশে ফেরেন তারা।
ফেরত আসা বাংলাদেশিরা লিবিয়ার গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপলিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থার প্রচেষ্টায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
আরও পড়ুন: লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৪৪ অনিয়মিত বাংলাদেশি
ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান।
ফেরত নাগরিকদের প্রত্যেকের জন্য ছয় হাজার টাকা, কিছু খাদ্য সমগ্রী ও মেডিকেল চিকিৎসা এবং প্রয়োজন অনুসারে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে তিউনিশিয়া থেকে ৫ সেপ্টেম্বর চারজন ও ৬ সেপ্টেম্বর ১৮ জন এবং ৬ সেপ্টেম্বর লিবিয়ার ত্রিপোলির ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৫৪ অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করে ইইউকে ইউরোপপ্রবাসী বাংলাদেশিদের স্মারকলিপি
৫৭৯ দিন আগে