বাংলাদেশ
বেলজিয়াম ও ইইউতে ভারতের রাষ্ট্রদূত হলেন প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশে নিযুক্ত বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার এই নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বেলজিয়ামে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রণয় ভার্মা খুব শিগগিরই তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনারের নাম এখনও ঘোষণা না হওয়ায় প্রণয় ভার্মা আরও এক বা দুই মাস এখানে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
এর আগে, ভিয়েতনামে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা প্রণয় ভার্মা ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আসেন।
১৯৯৪ সালে ভারতীয় পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দেওয়া এই কূটনীতিক হংকং, সান ফ্রান্সিসকো, বেইজিং, কাঠমান্ডু এবং ওয়াশিংটনে বিভিন্ন কূটনৈতিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রণয় ভার্মা ২০১৭ সালের জুন থেকে নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব এশিয়া বিভাগের যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি পরমাণু শক্তি বিভাগে বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক যুগ্ম সচিব হিসেবে ভারতের পরমাণু কূটনীতির বিষয়টি দেখভাল করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে প্রণয় ভার্মা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী।
ভারতীয় পররাষ্ট্র সেবায় যোগ দেওয়ার আগে তিনি ভারতের ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান টাটা স্টিলে তার পেশাদার জীবন শুরু করেছিলেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মিডলবারি ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ থেকে চীনা ভাষার ওপর তার মাস্টার্স ডিগ্রি রয়েছে।
২ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে ঘোষিত সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। একে ওই অঞ্চলের উত্তেজনা হ্রাসের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ও উৎসাহব্যঞ্জক অগ্রগতি হিসেবে দেখছে ঢাকা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সমর্থন জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ আশা করে যে সংঘাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এই যুদ্ধবিরতির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে। একইসঙ্গে একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে এই সুযোগটিকে গঠনমূলকভাবে কাজে লাগিয়ে পুরো অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট হবে।
এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে যেসব পক্ষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও মধ্যস্থতা করেছে, তাদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে যেকোনো ধরনের বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা সম্ভব এবং বর্তমানে বিশ্ব পরিস্থিতিতে সেটিই কাম্য।
৪ দিন আগে
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারের আশা বাংলাদেশ-ইইউয়ের
ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) চতুর্দশ মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দুই পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির বাণিজ্যবিষয়ক কমিশনার মারোস সেফকোভিচ। তার সঙ্গে ছিলেন ট্রেড ডিরেক্টর জেনারেল সাবিন ওয়েয়ান্ডসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও জোরদারের বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন সরকার বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যা টেকসই বাণিজ্যনির্ভর প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।
বাংলাদেশের আসন্ন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে প্রস্তুতিমূলক সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানান, যাতে রপ্তানি প্রতিযোগিতা ধরে রাখা এবং অর্থনীতিতে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়। একইসঙ্গে, বাংলাদেশের প্রধান তৈরি পোশাক রপ্তানি বাজার হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দ্রুত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সম্পন্ন করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ ও সিইপিএ নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রম খাতে সংস্কার কার্যক্রমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং সংশোধিত শ্রম আইন শিগগিরই প্রণয়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ-সংক্রান্ত প্রস্তুতি সময় বৃদ্ধির অনুরোধকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং শ্রমখাতে চলমান সংস্কারের প্রশংসা করা হয়। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত এফটিএ বিষয়ে প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষে মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানানো হয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে সমতাভিত্তিক পরিবেশ, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারসাম্যপূর্ণ সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সকল অংশীদারের জন্য বৈষম্যহীন ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
১৩ দিন আগে
মানবপাচার বন্ধ ও অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
মানবপাচারের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং এই অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
রবিবার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক মানবপাচারচক্র জড়িত। এ চক্রের সদস্যরা বাংলাদেশ ও লিবিয়া উভয় দেশেই সক্রিয়। তারা উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে বিপজ্জনক পথে পাঠিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর তাদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।
দ্রুত এ চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আইন ও বাংলাদেশের আইন উভয় ব্যবস্থায় বিচার নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় অন্তত ১৮ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। তারা লিবিয়া হয়ে গ্রিসে পৌঁছানোর জন্য একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অবৈধ নৌপথ ব্যবহার করছিলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের মিশনগুলো সেখানকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। যারা উদ্ধার হয়েছেন, তাদের যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি।
টাকা উপার্জনের নেশায় মানুষ এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে—বিষয়টিকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, যাদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে তাদের হাসপাতালে অথবা ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভুল তথ্য থাকলে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করা, গ্রিস সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং শারীরিক ও আইনি অবস্থা বিবেচনা করার পরই তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
১৪ দিন আগে
কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের কৃষক ও কৃষাণী ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই বিএনপির রাজনীতি। বিএনপি জনগণের দল জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা সরকার পরিচালনা করব।
সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ‘শাহাপাড়া খাল’ পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এদিন দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এই কর্মসূচির আওতায় পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, খাল খনন কর্মসুচির মাধ্যমে আমরা দেশ গড়ার কর্মসুচিতে হাত দিলাম। কৃষক ও কৃষানের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
তারেক রহমান বলেন, ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ শাহাপাড়া খালটির খনন কাজ শেষ হলে এলাকার প্রায় ৩৩ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। এর মাধ্যমে ১২০০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আসবে এবং এলাকার সাড়ে তিন লাখ মানুষ নানাভাবে এই খালের সুবিধা ভোগ করবেন। এতে এই এলাকায় আগের চেয়ে প্রায় ৬০ হাজার টন বেশি ফসল উৎপাদিত হবে।
এ সময় শুধু খাল খননই নয়, খালের দুই পাড়ে সাত হাজার বৃক্ষরোপণ এবং মানুষের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণেরও ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে কথা দিয়েছিলাম ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করব। সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই আমরা সুদসহ সেই কৃষি ঋণ মওকুফের ব্যবস্থা করেছি। দেশের চার কোটি পরিবারের মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার মায়ের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
উত্তরাঞ্চলের কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় কৃষিপ্রধান এলাকা। এখানকার বেকার যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য ইপিজেডগুলোতে কৃষিভিত্তিক শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের পর এ বিষয়ে বড় বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমরা বসব।
বিএনপি সরকারকে ‘কৃষকবান্ধব’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের রাজনীতির লক্ষ্য হলো মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। আজকে যে মানুষটি মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে, আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে তার আয় যেন ১০ হাজার টাকায় পৌঁছায়, আমরা সেই পলিসি নিয়েই কাজ করছি। কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে।
দেশের উন্নয়ন ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সমর্থন ছাড়া দেশের উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণই হচ্ছে আমাদের সব ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মানুষই একাত্তর সালে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে এবং ২৪ সালে ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার বিদায় করেছে। এ মানুষগুলোই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
তবে বিভিন্ন রকম মিষ্টি কথা বলে যারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান তুলে দেশ গড়ার কাজে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল কাটার উদ্বোধন করেন এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
২৭ দিন আগে
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে ১১ রানের জয়ে ইতিহাস গড়ে সিরিজ নিশ্চিত করায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
সোমবার (১৬ মার্চ) তথ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ক্রিকেটারদের এই অদম্য স্পৃহা এবং লড়াকু মানসিকতায় আমি অত্যন্ত গর্বিত। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজ জয় আমাদের ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। মাঠের লড়াইয়ে খেলোয়াড়রা যে ধৈর্য ও সাহসিকতা দেখিয়েছেন, তা পুরো জাতিকে আনন্দিত করেছে। খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ ও বোর্ড-সংশ্লিষ্ট সকলকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ দলের এই জয়ের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী দল হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
২৭ দিন আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী লন্ডন
নীল অর্থনীতি খাতে বিনিয়োগ, মেড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের প্রসার, শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ বহুপক্ষীয় বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার পরিধি জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির লন্ডনে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী স্যার ক্রিস ব্রায়ান্টের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে তারা বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা, মেড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের প্রসার, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা, শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
চলতি মাসের শেষের দিকে ক্যামেরুনে অনুষ্ঠিতব্য ১৪তম ডব্লিউটিও মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনকে সামনে রেখে উভয় পক্ষ ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ-বিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারনেস রোজি উইন্টারটন লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশনে ড. খলিলুর রহমান এবং হুমায়ূন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
তারা এভিয়েশন বা বিমান চলাচল খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করার পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে এগিয়ে নিতে প্রতিনিধি দলটি দুটি পৃথক বৈঠক করেন।
২০২৭–২০৩৬ মেয়াদের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) বিচারক পদের ব্রিটিশ প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক ডাপো আকান্দে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সহযোগিতা কামনা করেন।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরাম ও নির্বাচনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতায় উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা আগামী দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে এই অংশীদারত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
৩৩ দিন আগে
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে তার পদ থেকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) লন্ডনে পৌঁছে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এদিন লন্ডনে পৌঁছান।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আবিদা ইসলাম লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে অনেকটা ‘আওয়ামীকরণ’ করে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে এই পদ থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
গত বছরের জানুয়ারিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠিয়েছিল। এর আগে, বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তার আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে তিনি আমেরিকা অনুবিভাগসহ বিভিন্ন শাখায় দায়িত্ব সামলেছেন।
৩৫ দিন আগে
আর্জেন্টিনার সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা বাংলাদেশের
অগ্রাধিকারমূলক খাতগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুসংহত ও গভীর করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বুধবার (৪ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে অগ্রাধিকারমূলক ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করেন।
বৈঠকে তারা বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, কৃষিতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদার করা এবং ফুটবলের বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। এছাড়া জ্বালানি বাণিজ্য, সরবরাহ চেইন অংশীদারত্ব এবং বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে একটি বহু-খাতভিত্তিক সংলাপের প্রস্তাব দেন।
তিনি ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস পুনরায় চালু করার প্রশংসা করেন এবং সম্প্রতি বুয়েনস আইরেসে বাংলাদেশের দূতাবাস পুনরায় খোলার বিষয়ে আর্জেন্টিনার সম্মতির জন্য ধন্যবাদ জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দ্বিপাক্ষিক কার্যক্রমকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বুয়েনস আইরেসে বাংলাদেশের আবাসিক মিশনটি যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার বিষয়ে আর্জেন্টিনার মূল্যবান সমর্থন কামনা করেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূত নতুন দায়িত্বে নিযুক্ত হওয়ার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি আর্জেন্টিনা সরকারের শুভকামনাও পৌঁছে দেন তিনি। রাষ্ট্রদূত বলেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়ার পথে রয়েছে।
এর আগে, আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান অনন্য বন্ধন—বিশেষ করে ফুটবলের মাধ্যমে তৈরি হওয়া সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং তরুণ ও নারী ফুটবল উন্নয়নে কাঠামোগত সহযোগিতার প্রস্তাব দেন।
শামা ওবায়েদ ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা চেম্বার অব কমার্স’-এর মতো একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির ওপর জোর দেন। তিনি তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ওষুধ, সিরামিক এবং পাটজাত পণ্য আমদানির প্রস্তাব দেন।
উভয় পক্ষই বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে। সুনির্দিষ্ট ও ফলাফলভিত্তিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই অংশীদারত্বকে একটি গতিশীল ও বহুমাত্রিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তারা।
৩৮ দিন আগে
ফিলিস্তিনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে প্রার্থী দিল বাংলাদেশ
২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে ফিলিস্তিন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছে। এরপর ওই পদে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ জুন। প্রার্থী দেওয়ায় এ পদে এবার বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে মনোনয়ন দিয়েছিল। কিন্তু তিনি বর্তমানে দায়িত্বে না থাকায় তার পরিবর্তে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ।
৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে ফিলিস্তিনের আগেই প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ। তবে ফিলিস্তিনকে আসন ছেড়ে দেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক আবর্তন নীতিমালা অনুযায়ী, এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অব স্টেটস থেকে এবার সভাপতি নির্বাচন করা হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক ২০২৬ সালের মে মাসে প্রার্থীদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভার আহ্বান করবেন।
বাংলাদেশ সর্বশেষ ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে এ মর্যাদাপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। চার দশক পর আবারও এ পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার আশা করা হচ্ছে।
৪৫ দিন আগে