রিমান্ড
সিলেটে তিনজনকে গলাকেটে হত্যা: ৪ দিনের রিমান্ডে আটক বাবুল
সিলেট নগরীর রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকায় ৩ জনকে হত্যার ঘটনায় বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের মাধ্যমে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিপলু চৌধুরী।
তিনি জানান, আজ (রবিবার) বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক ফারহানা সুলতানা চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সকালে রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমের (১৫) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত দম্পতির মেয়ে সেলিনা সুলতানা বাদী হয়ে মামলা করেন।
এ ঘটনায় বাবুল মিয়া (৪০) নামে একজনকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে সম্পর্ক কিংবা কথাকাটাকাটির জেরে বাবুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনজনকে হত্যা করেন।
তবে, পুলিশের এ বক্তব্য নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে নিহতদের পরিবার। তাদের দাবি, আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। গৃহকর্মীর সঙ্গে বাবুলের কোনো সম্পর্ক ছিল না বলেও দাবি করেছেন তারা।
মামলার বাদী সেলিনা সুলতানা বলেন, একজনের পক্ষে একসঙ্গে তিনজনকে হত্যা করা সম্ভব নয়। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। তার অভিযোগ, ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে গৃহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আনা হচ্ছে। গৃহকর্মী তাহমিনার পিতাও একই দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারাও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না তা নিশ্চিত করতে গভীর ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি।
ঘটনার পর ১৩ আগস্ট সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তার বাবুল মিয়া পরিকল্পিতভাবে ছুরি নিয়ে বাসায় প্রবেশ করে ধারাবাহিকভাবে তিনজনকে হত্যা করেছে। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বাবুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি খালি প্লট থেকে রক্তমাখা ব্যাগ ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসার ভেতরে বেসিনে হাত ও ছুরি ধোয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং বিভিন্ন স্থানে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং রক্তের নমুনা মিলিয়ে দেখা হবে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল দাবি করেছে, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। তাহমিনার খারাপ আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে। প্রথমে তাহমিনার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। পরে বাধা দিতে আসলে গৃহকর্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও শেষে গৃহকর্তা আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর ভেতর থেকে দরজা আটকে দিয়ে বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান বাবুল। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া ওই বাসার আলমারি ও ওয়ারড্রোব খোলা অবস্থায় পাওয়া গেছে। কোনো মূল্যবান জিনিস বা গুরুত্বপূর্ণ নথি খোয়া গেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে পুরো নগরজুড়ে শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক যুগ্ম সচিব জগলুল পাশা সাত দিনের রিমান্ডে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সমাবেশে যোগদানে বাধা দিতে গুলশানের বাসভবনের সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং পেপার স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তার জামিন আবেদন নাকচ করে সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
এর আগে, বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। একই দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আনোয়ার হোসেন জগলুল পাশার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
গত ৩ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন গুলশান থানায় ১১১ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ এজাহারভুক্ত আসামিরা মারাত্মক অস্ত্রসহ খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনের সামনে সকাল থেকে অবস্থান নেন এবং বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মারধর করেন।
এতে আরও বলা হয়, আসামিরা অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সড়ক বন্ধ করে এবং খালেদা জিয়া যাতে সমাবেশে যোগ দিতে না পারেন, সে জন্য এলাকায় ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করেন। কর্মসূচি অনুযায়ী ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে খালেদা জিয়া সফরসঙ্গীদের নিয়ে সমাবেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে আসামিরা বালুভর্তি ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, খালেদা জিয়া বারবার চেষ্টা করেও বের হতে পারেননি। এ সময় আসামিরা পেপার স্প্রে ব্যবহার করলে খালেদা জিয়াসহ তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা আহত হন।
এ মামলার পাশাপাশি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ‘জাল নথি প্রস্তুত ও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে জগলুল পাশার বিরুদ্ধে।
১০ দিন আগে
চট্টগ্রামে ডেভিড ইমনসহ চার আসামি ১০ দিনের রিমান্ডে
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনসহ চার আসামির ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
ফটিকছড়িতে হত্যা ও অস্ত্র আইনে দায়ের করা দুই মামলায় ৭ দিন করে মোট ১৪ দিন রিমান্ডে আবেদন করে পুলিশ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দুই মামলায় ওই আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহর আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। তাদের রিমান্ড শুনানীকে ঘিরে আদালত এলাকাতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে যশোরের কোতোয়ালী থেকে গ্রেপ্তার ইমনসহ ৪ জনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফটিকছড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, ইমনের বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্রসহ মোট ১৩টি মামলা চলমান রয়েছে। এছাড়া একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও তদন্তাধীন।
মোবারক হোসেন ইমন প্রকাশ ডেভিড ইমন (২৫) ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা।
রিমান্ডে নেওয়া ডেভিড ইমন ছাড়াও এই মামলার অপর আসামিরা হলেন— তার সহযোগী মো. শামীম, সাফায়েত হোসেন এবং আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল।
পুলিশ জানায়, গত ২৯ জুলাই যশোরের কোতোয়ালী থানার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ডেভিড ইমন ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানায় হত্যা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পৃথক মামলা করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী এলাকায় সংঘটিত মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ জানান, ফটিকছড়ি থানায় দায়ের করা হত্যা ও অস্ত্র মামলায় আসামি ডেভিড ইমন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রতিটি মামলায় ৭ দিন করে মোট ১৪ দিন রিমান্ডে আবেদন করা হয়েছে। তবে আদালত শুনানি শেষে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামিদের কাছ থেকে অপরাধ জগতের আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও অস্ত্র উদ্ধারের উদ্দেশ্যে এই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
১৪ দিন আগে
নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: ২ দিনের রিমান্ডে আসামি
নড়াইল সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে পাঁচ বছরের শিশু জান্নাতুল মাওয়া জান্নাতিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির (৩৫) দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (২২ জুলাই) সকাল থেকে তার রিমান্ড কার্যকর হয়েছে।
এর আগে, গতকাল (মঙ্গলবার) পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে সদর আমলী আদালতের বিচারক মারুফ হাসান দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এ মামলার একমাত্র আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আজ (বুধবার) সকালে নড়াইল সদর থানায় আনা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত সোমবার উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে পাঁচ বছরের শিশু জান্নাতুলকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে নিহতের প্রতিবেশি ও ফুফাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঘটনার পরদিন (মঙ্গলবার) সকাল ৯টার দিকে দত্তপাড়া এলাকা থেকে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয় জনতা।
নিহত জান্নাতি দত্তপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
এদিকে, শিশু জান্নাতুলকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তকে ফাঁসির দাবিতে এসপি অফিসের সামনে গতকাল সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা বৃষ্টির মধ্যে নড়াইল-মাইজপাড়া-মাগুরা সড়কে অবস্থান করেন ছাত্র-জনতা।
অপরদিকে, নড়াইল-বেনাপোল-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কের দত্তপাড়া এলাকায় বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত অবরোধ করে রাখে বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা। এরপর বিকেল ৩টায় নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত ব্যাক্তির বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয় তারা।
নিহত জান্নাতুলের চাচা মুজিবুর রহমান বলেন, জান্নাতুলের বাবা মফিজুর রহমান গত সোমবার বিকেলে স্থানীয় হাট থেকে মিষ্টি নিয়ে বাড়িতে আসেন। জান্নাতুল সেই মিষ্টি খেতে খেতে বাড়ির পাশের রাস্তায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের বাড়িতে জান্নাতুলকে ডেকে নেন। ঘণ্টাখানেক পরও জান্নাতুল বাড়িতে না আসায় তাকে পরিবারের লোকজন আশপাশের বাড়িতে ডাকাডাকি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশে অভিযুক্তের ঘরের মেঝে থেকে কাপড় দিয়ে ঢাকা জান্নাতুলের নিথর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, জান্নাতুলকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। অভিযুক্ত একাই তার ঘরে থাকতেন। তিনি বিবাহিত হলেও অনেক দিন ধরে তার স্ত্রী-সন্তান বাড়িতে ছিল না।
এ ব্যাপারে গতকাল দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, শিশু জান্নাতুল মাওয়া জান্নাতিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে অপরাধীকে ধরতে পুলিশ সব ধরনের চেষ্টা চালিয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্তের কাছে মোবাইল ফোন ছিল না। তবুও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, তাকে শনাক্ত করতে। তার বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেওয়া হবে। তার সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে যত ধরনের আইনগত সহযোগিতা প্রয়োজন, তা করা হবে। আশা করছি, তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে। তিনি জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।
এ সময় নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকীসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২৫ দিন আগে
রংপুরে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা: রিমান্ডে মেডিকেল শিক্ষার্থী সাকিন
রংপুরে শিক্ষার্থী নুজশাত জাহানকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার আলোচিত মামলায় অভিযুক্ত মেডিকেলের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (২৮ জুন) সকালে কারাগার থেকে সাকিনকে আদালতে নেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রংপুর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ড. মুহাম্মদ রাশেদ হোসাইনের কাছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম রফিক সাকিনের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অপরদিকে, সাকিনের আইনজীবিরা তার জামিনের আবেদন করেন। এ সময় আদালতের কাছে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্র উপস্থাপন করলে বিচারক তার জামিন আবেদন নাকোচ করে আগামী ৩ দিনের যেকোনো এক দিন রিমান্ডে নিয়ে সাকিনকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন। পরে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আবু হায়দার মো. আব্দুল মুবিন বলেন, মামলার উপাদান ও মোবাইলের তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে তদন্তকারী কর্মকর্তা তা আদালতে উপস্থাপন করে রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত আজ সাকিনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
তিনি আরও বলেন, গত ১৬ জুন সাকিন দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে নুজশাতকে মোবাইলে ফোন করে দীর্ঘ ৫০ মিনিট ১২ সেকেন্ড কথা বলেন। গত তিন মাসে ১১৮ বার তাদের মোবাইল ফোনে কথা হয় এবং মেসেজ আদান-প্রদান করা হয়। গভীর রাতে এত দীর্ঘক্ষণ কোনো ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কথা হতে পারে না।
বিবাদীর আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম মন্ডল বলেন, ৩০৬ ও ১০৯ ধারায় মামলা করার জন্য এজাহারে যে উপাদান থাকতে হয়, তার কিছুই নেই। পুলিশের কাছে দুটি মোবাইল ফোনই ছিল। তারা তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে সকল ধরনের তথ্য বের করতে পারবে। এর জন্য রিমান্ডের কোনো প্রয়োজন পড়ে না। আমরা সাকিনের জামিন আবেদন করেছিলাম। আদালত যেহেতু একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন, তাই আমাদের আবেদন নাকোচ করেছে। রিমান্ড শেষে পুনরায় জামিনের আবেদন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২২ জুন বিকেলে নগরীর নর্থভিউ হোটেলের ছাদ থেকে পড়ে মারা যান এইচএসসি পরীক্ষার্থী নুজশাত জাহান। এ ঘটনায় পরের দিন রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন নুজশাতের বাবা নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় ওই দিনই অভিযুক্ত রংপুর মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের ছাত্র ও নুজশাতের প্রাইভেট শিক্ষক শাহরিয়ার আহমেদ সাকিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
৪৯ দিন আগে
স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্রারোচনা মামলায় অভিনেতা আলভী রিমান্ডে
স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়ার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. আব্দুল মালেক গত ২১ জুন জাহের আলভীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য ২৪ জুন (বুধবার) দিন ধার্য করেন। এরপর আজ (বুধবার) উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার জাহের আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় নিজ বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
ইকরার বাবা কবির হায়াত খান মামলায় বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়।
আলভী ও ইকরা ২০১০ সালে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলেসন্তান রয়েছে।
আলভীর মা নাসরিন সুলতানা গত ৪ জুন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
৫৩ দিন আগে
তনু হত্যা মামলা: ১০ বছরে প্রথম গ্রেপ্তার, ৩ দিনের রিমান্ডে আসামি
দীর্ঘ এক দশক পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো সন্দেহভাজন এক আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এরপর তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে কুমিল্লা সদর আমলি আদালত-১-এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক এ আদেশ দেন।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আসামিকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম হাফিজুর রহমান। তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার।
কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তনুর ভাই রুবেল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, হাফিজুর রহমানকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে উপস্থাপন করেন তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম।
গত ৬ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচের অনুমতি চান। তারা হলেন—সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলম। আদালত তাতে সম্মতি দেন।
২০১৭ সালে সিআইডি তনুর পোশাক থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল।
আদালত সূত্র জানায়, বহুল আলোচিত এ মামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০টি শুনানির দিন নির্ধারণ হয়েছে। গত এক দশকে চারটি সংস্থার সাতজন কর্মকর্তা মামলার তদন্তে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১১৬ দিন আগে
ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই নেতা রিমান্ডে
ঝিনাইদহে বাস পোড়ানো মামলায় বৈষম্যবিরোধী দুই ছাত্রনেতার রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বাকি ৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহ জেষ্ঠ্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোখলেছুর রহমান এ আদেশ দেন।
রিমান্ড পাওয়া দুই ছাত্রনেতা হলেন— ঝিনাইদহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ন কবির এবং ‘দ্য রেড জুলাই’-এর জেলা কমিটির আহ্বায়ক আবু হাসনাত তানাইম।
ঝিনাইদহ আদালত পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বলেন, হুমায়ন কবির ও তানাইমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন।
গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে বাসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে বাস মালিকপক্ষ থেকে মামলা করা হয়। ওই মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখ সারির নেতাদের আসামি করা হয়।
একই দিন আওয়ামী লীগ নেতা হারুন অর রশিদের সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫ নেতার জামিন নামঞ্জুর করে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ঝিনাইদাহ আদালতের পরিদর্শক মোক্তার হোসেন জানান, ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের মামলায় আটক আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। তবে আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে আওয়ামী লীগ নেতা হারুণ অর রশিদের তাজ ফিলিং স্টেশনে পাম্পকর্মীদের হামলায় নিহত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ফারদিন আহমেদ নিরব। পাম্পে তেল নিতে গিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে বৈষম্যবিরোধী ওই নেতাকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করেন পাম্পের কর্মীরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
ওই ঘটনার পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা রাতে আওয়ামী লীগ নেতার একটি ফিলিং স্টেশনের ভাঙচুর চালান। একই দিন মধ্যরাতে ঝিনাইদহ টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরদিন ৮ মার্চ অগ্নিসংযোগ ও ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়। মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়।
এরপর ওইদিন মধ্যরাতে শহরের বিভিন্ন ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের আটক করে। পরে তাদের ওই দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
১৫৭ দিন আগে
নরসিংদীতে কিশোরীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যা: ৭ আসামি রিমান্ডে
নরসিংদীতে কিশোরীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (১ মার্চ) জুডিশিয়াল দ্বিতীয় আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান এই আদেশ দেন।
এর আগে, গত শুক্র ও শনিবার দুদিনে ৭ আসামির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওমর কাইয়ুম। এরপর আজ (রবিবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নরসিংদী জজ কোর্টের দ্বিতীয় জুডিশিয়াল আদালতে তোলা হয় ওই ৭ আসামিকে।
এদিন বাদীপক্ষ স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনজীবী আদালতে দাঁড়ালেও আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী আদালতে দাঁড়াননি।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাতে নূরা এবং একই সময়ে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর মাধ্যমে নিয়ে কিশোরীর মা ফাহিমা বেগমের করা মামলায় ৯ জন আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
তার আগে, গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কিশোরী আমিনার বাবার কাছ থেকে নূরার নেতৃত্বে একটি চক্র তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষাখেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলার এজহারের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৪ জন এবং বিচারকাজে সহায়তাকারী সাবেক মেম্বারসহ ৩ জন নিয়ে মোট ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। বাকী দুই পলাতক আসামিকেও দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
১৬৮ দিন আগে
জুলাই যোদ্ধা সুরভী রিমান্ডে, মুক্তির দাবিতে গাজীপুরে বিক্ষোভ
প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেপ্তার আলোচিত জুলাই যোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভীকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৫ জানুয়ারি) আদালতের বিচারক এই আদেশ দেন।
এদিকে, তার মুক্তির দাবিতে অভ্যুত্থানকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ব্যানারে আদালত এলাকায় বিক্ষোভ করা হয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের নেতারা সেখানে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া, গারদখানা থেকে প্রিজনভ্যানে তোলার সময় তাহরিমা নিজেও নানা কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন।
গত বছরের ২৬ নভেম্বর গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। পরে গত ২৫ ডিসেম্বর টঙ্গীর বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন তাহরিমা জামান সুরভী।
২২৩ দিন আগে