মহাপরিচালক
সীমান্ত নিরাপদ রেখে সারা দেশে ৩৭ হাজার বিজিবি মোতায়েন: মহাপরিচালক
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) একটি পেশাদার, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে অর্পিত সকল দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় তিনি বলেন, ‘ভোটাররা যেন নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিজিবি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করবে।’
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে বিজিবির মহাপরিচালক চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় সফর করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় সিভিল প্রশাসন, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভায় অংশ নেন।
বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ রেখেই সারা দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় ৩৭ হাজারেরও বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদাসহ সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবে।’
তিনি জানান, সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে ঝুঁকি বিবেচনায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ), র্যাপিড অ্যাকশন টিম (আরএটি), বিশেষায়িত ক-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিট, ড্রোন এবং বডি-অন ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
সমন্বয় সভা শেষে বিজিবির মহাপরিচালক দামুড়হুদা আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজে স্থাপিত নির্বাচনি বেইজক্যাম্পে দায়িত্বরত বিজিবির সকল পর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সভায় বিজিবি সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, যশোর রিজিয়ন কমান্ডার, কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার, চুয়াডাঙ্গা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও র্যাবসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা এবং কুষ্টিয়া সেক্টরের অধীন সকল ব্যাটালিয়নের অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালকসহ ৪ জনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা
ডিজিএফআই’র সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শেখ মামুন খালেদসহ চারজনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক দুটি আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।
অন্য নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তরা হলেন— ডিজিএফআই’র সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শেখ মামুন খালেদের স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদ, কর কমিশনার আবু সাঈদ মো. মুস্তাক ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল টি. এম. জোবায়েরের ভায়রা ভাই খন্দকার আবুল কাইয়ুম।
শেখ মামুন খালেদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। তদন্তকালে জানা যায়, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশত্যাগ করে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন নিষিদ্ধ করা জরুরি।
আরও পড়ুন: ডিবির হারুনের ঘনিষ্ঠ জাহাঙ্গীরসহ তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
কর কমিশনার আবু সাঈদ মো. মুস্তাক ও খন্দকার আবুল কাইয়ুমের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল টি. এম. জোবায়েরের বিরুদ্ধে ঘুস গ্রহণ, চাকরি প্রদানে ক্ষমতার অপব্যবহার, এবং কোটি কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে সম্পদ ক্রয় ও অর্থ পাচারের বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে।
তদন্তে আরেও জানা যায়, আবু সাঈদ মো. মুস্তাক এবং খন্দকার আবুল কাইয়ুম নিজ উদ্যোগে ও বিভিন্ন উপায়ে টি. এম. জোবায়েরের অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে স্থানান্তর করেছেন। তারাও দেশ ছেড়ে পালাতে পারেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন নিষেধাজ্ঞা জারি করা প্রয়োজন।
২৬৭ দিন আগে
এসএসএফের সাবেক মহাপরিচালক ও তার স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমিসহ ৩৪ ব্যাংক হিসাব জব্দ
অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাবেক মহাপরিচালক মো. মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী তাসরিন মুজিবের ৩৪টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে ১ কোটি ৪৪ লাখ ৯৯ হাজার ২০০ টাকা রয়েছে। এছাড়া ঢাকা মহানগরে থাকা দুটি ফ্ল্যাট, একটি প্লটসহ ৬৯ দশমিক ৭৯ শতক জমি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বলেন, ‘মজিবুর রহমানের ২৪টি ও তার স্ত্রীর ১০টি ব্যাংক হিসাব জব্দ ও ফ্ল্যাট, প্লট, জমি অবরুদ্ধের আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন।’ জব্দ হওয়া সম্পদের মধ্যে রয়েছে— মুজিবুরের নিজ নামে থাকা মিরপুরের মাটিকাটায় ৪ হাজার ৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে থাকা একটি প্লটসহ চার দলিলের খিলক্ষেত, মিরপুর, সাভার ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের জমি। এছাড়া স্ত্রীর নামে থাকা ঢাকার ক্যান্টনমেন্টের সাহারা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট, ক্যান্টনমেন্টের বাউনিয়া এলাকায় ৭ দলিলের জমি।
দুদকের পক্ষে কমিশনের উপপরিচালক মো. সিরাজুল হক সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম শুনানি করেন।
আরও পড়ুন: গুমের তদন্তকারীদের হত্যার জন্য বোমা পুঁতে রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর
পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, মুজিবুর রহমান সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখার অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। তিনি পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসাধু উপায়ে নিজ ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের মালিকানা অর্জন করেন।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, তার দখলে রাখা ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ টাকা জমা এবং উত্তোলনের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করে মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে রূপান্তর, স্থানান্তর ও হস্তান্তর করার অভিযোগ রয়েছে। তিনি অবৈধ পন্থায় অর্জিত সম্পদ অন্যত্র বিক্রয়, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন। এ কারণে তার নিজ, স্ত্রী ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে বিভিন্ন স্থাবর সম্পদজব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।
তাদের স্থাবর সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাবসমূহ অবরুদ্ধ করা না গেলে বিচারকালে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব হবে না। এতে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
৩১২ দিন আগে
পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষে নতুন মহাপরিচালক
বাংলাদেশ পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষে নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে এটিএম আবু আসাদকে পুনর্বহাল
এ পদে নিয়োগ পেয়েছেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আব্দুর রহিম খান।
সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
আরও পড়ুন: ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক বশিরুলের বদলি
৫০১ দিন আগে
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক বশিরুলের বদলি
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ায়ের আওতাধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মো. বশিরুল আলমকে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
আরও পড়ুন: বিচার বিভাগে বড় রদবদল: ৮১ বিচারপতিকে বদলি
নিয়মিত মহাপরিচালক যোগদান না করা পর্যন্ত ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংস্থা ও আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলামকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ করেছে।
আরও পড়ুন: আনসার-ভিডিপির ৯ কর্মকর্তাকে বদলি
হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসককে কৃষি মন্ত্রণালয়ে বদলি
৫০৮ দিন আগে
ওএসডি হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আব্দুস সামাদকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।
বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সাংবাদিককে গালমন্দ করে ওএসডি হলেন টেকনাফের ইউএনও
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে সই করেছেন উপসচিব মো. আলমগীর কবির।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।
আরও পড়ুন: সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৩ ডিজিকে ওএসডি
দুদকের চার্জশিটে নাম আসায় খুলনার সিভিল সার্জনকে ওএসডি
৫২০ দিন আগে
বাংলা একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আন্দোলনকারীদের চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে সরকার, বিতর্কিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দ্রুত বাতিল
এছাড়া বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর এবং ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগও বাতিল করা হয়েছে।
জনস্বার্থে শিগগিরই এ আদেশ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঁচজন সচিবকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়।
আরও পড়ুন: ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানের নিয়োগ বাতিল
বাতিল হলো ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি
৫৪৪ দিন আগে
পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে তরুণদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে তরুণেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ।
তিনি আরও বলেন, টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তরুণদের ভূমিকার ওপর জোর দিতে হবে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র: পরিবেশমন্ত্রী
শুক্রবার (১৭ মে) বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৪ উদযাপনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে ‘প্রকৃতি ও পরিবেশ’ প্রতিপাদ্যের ওপর শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়।
এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের শিল্পের মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
তিনি বলেন, শিল্পকর্মগুলো প্রকৃতির গুরুত্ব এবং আমাদের পরিবেশ রক্ষার জরুরি প্রয়োজন তুলে ধরেছে।
চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় চারটি গ্রুপে- ক গ্রুপে অনূর্ধ্ব ৮ বছর; খ গ্রুপে ৮ থেকে অনূর্ধ্ব ১২ বছর; গ গ্রুপে ১২ থেকে অনূর্ধ্ব ১৬ বছর এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রুপে অনূর্ধ্ব ১৮ বছরের শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করে।
চারটি গ্রুপের প্রতি গ্রুপে তিনজন বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদান করা হবে।
আগামী ২১ মে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নোটিশ বোর্ড, পরিবেশ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বিজয়ী প্রতিযোগীদের নাম প্রকাশ করা হবে। এছাড়াও বিজয়ীদের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হবে।
প্রতিযোগিতায় শিশু-কিশোরদের আঁকা ছবিগুলোর মূল্যায়নে ছিলেন- পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. ছিদ্দিকুর রহমান, বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ আবুল বারক আলভী, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম এবং শিল্পকলা একাডেমির উপপরিচালক খন্দকার রেজাউল হাশেম।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন পরিচালক রাজিনারা বেগমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী
উন্নত বিশ্বকে কার্বন নিঃসরণ কমানোর দিকে মনোযোগ দিতে পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান
৬৩৭ দিন আগে
ইচ্ছেমতো ওষুধের দাম বাড়ানো বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ
নিজেদের ইচ্ছেমতো ওষুধের দাম বাড়ানো বন্ধে স্বাস্থ্য সচিব ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি মো. মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
একইসঙ্গে ২০২৩ সালের ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্টের ৩০ ধারা অনুযায়ী ওষুধের দাম নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
এছাড়া রুলে একই আইনের ৭৬ ধারা অনুযায়ী একটি বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সব ওষুধের দাম নির্ধারণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তাও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: পরিবহন-যোগাযোগ খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের
স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাবের) করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এমন নির্দেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায় এবং সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ ও আনিচ উল মাওয়া।
পরে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, খেয়াল খুশি মতো ওষুধের দাম বাড়ানো বন্ধে স্বাস্থ্যসচিব ও ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তিনি আরও বলেন, ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিগুলোকে বলা হয়েছে যাতে সরকারের অনুমোদন ব্যতীত কাঁচামাল আমদানি করতে না পারে।
এছাড়া বিদেশ থেকে আমদানি করা অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
‘দুই সপ্তাহে ওষুধের দাম বেড়েছে ৭ থেকে ১৪০ শতাংশ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করে ক্যাব।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই মাসে দেশের বিভিন্ন কোম্পানি তাদের উৎপাদিত ওষুধের দাম লাগামহীনভাবে বাড়িয়েছে। অন্তত ৫০ ধরনের ওষুধের দাম ২০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। চলতি মার্চের প্রথম সপ্তাহেও দাম বাড়ানো হয়েছে বেশ কয়েকটি ওষুধের। সবচেয়ে বেশি বাড়ানো হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট, ডায়াবেটিসের রোগীদের ইনসুলিন ও ইনজেকশনের দাম।
এছাড়া হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা, হাঁপানিসহ বিভিন্ন ওষুধ এবং ভিটামিনের দামও বেড়েছে। বাদ যায়নি জ্বর-সর্দির ট্যাবলেট-ক্যাপসুল, বিভিন্ন সিরাপও।
বিভিন্ন কোম্পানির উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং বিক্রি থেকে আয়ের হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দাম বাড়ানোর হার অস্বাভাবিক।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে আরও ভালোভাবে জানানোর আহ্বান
এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির অজুহাত হিসেবে কোম্পানিগুলো ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করছে।
এসময় গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও উৎপাদন খরচ বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন ওষুধ কোম্পানিগুলোর শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তারা।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সরকার একটি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে। কিন্তু ২০০০ সালের পর থেকে সরকার এ ধরনের কোনো গেজেট নোটিফিকেশন জারি করেনি।
দ্যা ড্রাগস অ্যক্ট-১৯৪০ ও দ্যা ড্রাগস (কন্ট্রোল) অর্ডিন্যান্স ১৯৮২-তেও একই ধরনের বিধান রয়েছে।
একইসঙ্গে ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট-২০২৩ সরকার ওষুধের দাম নির্ধারণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
গত ১৫ মাসে ১১৭টি ওষুধের দাম ১৩ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে কিন্তু সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো দৃষ্টিপাত করেনি।
ওষেুধের দাম বৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রণ এবং পর্বেক্ষণের দায়িত্ব সরকারের স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপিরিচালকও ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালকের।
কিন্তু তারা ওষুধের দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
আরও পড়ুন: টিপু-প্রীতি হত্যা: আ. লীগ নেতা আশরাফসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
৬৫৫ দিন আগে
দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তঃসম্পর্ক জোরদারে এফএও মহাপরিচালকের গুরুত্বারোপ
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক ড. চু ডংইউ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন। বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম কর্তৃক জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থায় স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে ড. চু ডংইউ এসব মন্তব্য করেন।
তিনি দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার আওতায় বাংলাদেশকে সুবিধা গ্রহণ এবং দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার দেশসমূহের সঙ্গে কৃষিক্ষেত্রে বাংলাদেশের আন্তঃসম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে খাদ্য-পুষ্টি নিরাপত্তার উন্নয়নে এফএও ও ইআরডির ৪ প্রকল্প চুক্তি সই
রাষ্ট্রদূত ইসলাম এফএও-এর স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করার জন্য এবং বাংলাদেশের অর্জন সম্পর্কে তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রদূত এফএও-কে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মহাপরিচালকের গতিশীল নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
৪৫ বছরের অধিক সময় ধরে বাংলাদেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে, কৃষি পরিবেশ, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে এফএও-এর প্রশংসনীয় ভূমিকার কথা স্থায়ী প্রতিনিধি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বন্যা কবলিত কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করল এফএও
রাষ্ট্রদূত ইসলাম কান্ট্রি প্রোগ্রামিং ফ্রেমওয়ার্ক ২০২২-২০২৬ এর আলোকে বাংলাদেশের কৃষির রূপান্তর বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য এফএও-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এফএও সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি ‘কাউকেই বাদ দেওয়া হবে না’ এর ভিত্তিতে দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূলে আগামী দিনে বাংলাদেশ এবং এফএও উভয়েই একত্রে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করে সমাপ্ত হয়।
অনুষ্ঠানে দূতাবাসের বিকল্প স্থায়ী প্রতিনিধি মো. আল আমিন, প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) মিস আয়েশা আক্তার, প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) মো. আশফাকুর রহমান এবং এফএও-র উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে এফএও'র নতুন প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন ড. শি
৭৩৭ দিন আগে