নৌপথ
ঢাকার চারপাশের নৌপথে বেসরকারি ওয়াটার বাস যুক্ত করার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর
রাজধানী ঢাকার চারপাশের নৌপথগুলো সচল করে ওয়াটার বাস চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। নগরবাসীর যাতায়াত আরও সহজ করতে আগ্রহী বেসরকারি কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিবেচনা করে নৌপথে তাদের ওয়াটার বাস পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকার চারপাশের নৌপথ চালু-সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ঢাকার চারপাশের নৌপথগুলো সচল করার পাশাপাশি নদীর দূষণ প্রতিরোধ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং নদীতীরের পরিবেশ উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি নদীর চারপাশে নির্মিত ওয়াকওয়ের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর নির্দেশনাও দেন, যাতে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি নদীতীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
সভা শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে ঢাকার চক্রাকার নৌপথে ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, আশুলিয়া থেকে সদরঘাট হয়ে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত নদীপথের একটি অংশ যাত্রীবান্ধব হলেও অন্য অংশে এখনও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। সড়কপথে যেখানে মানুষ দেড় থেকে দুই ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সেখানে নদীপথে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগলে যাত্রীদের আগ্রহ কমে যায়। ফলে যাত্রী সংকট তৈরি হয়।
তিনি বলেন, এর আগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) ওয়াটার বাস পরিচালনা করলেও যাত্রী স্বল্পতা, নদী দূষণ এবং পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গত ১০ বছরে সংস্থাটির প্রায় ৫৭ কোটি টাকা লোকসান হয়। ফলে সেবাটি বন্ধ হয়ে যায়।
শেখ রবিউল আলম বলেন, এবার কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওয়াটার বাস পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাদের লক্ষ্য শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, নদীকেন্দ্রিক পর্যটন ও বিনোদনের সম্ভাবনাও কাজে লাগানো।
হাতিরঝিলের ওয়াটার বাসের সঙ্গে এ প্রকল্পের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, হাতিরঝিলে অল্প দূরত্বে যাত্রীর চাপ বেশি এবং চলাচলেও তেমন কোনো বাধা নেই। কিন্তু দীর্ঘ রুটে যখন সড়কপথে কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, তখন নদীপথে যাত্রী আকর্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
১৭ দিন আগে
নৌপথে নিরাপদ ঈদযাত্রায় বিআইডব্লিউটিএর একগুচ্ছ নির্দেশনা
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবং নৌ-দুর্ঘটনা রোধে একগুচ্ছ নির্দেশনা ও সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক জরুরি নৌ-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি যাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি এই অনুরোধ জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঈদুল আযহা উপলক্ষে নৌপথে স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী চলাচল করে। এই সময়ে জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি এড়াতে যাত্রীদের টিকিট কেটে লঞ্চে ওঠার পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) কপি সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।
নৌ-দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোর একটি ‘অতিরিক্ত যাত্রী’ উল্লেখ করে বিআইডব্লিউটিএ জানায়, কোনোভাবেই অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে বা লঞ্চের ছাদে ভ্রমণ করা যাবে না। ছাদে যাত্রীর কারণে নৌযান ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ার ও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া তাড়াহুড়া না করে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে লঞ্চে আরোহণ ও অবরোহনের জন্য যাত্রীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে নিতে হবে এবং দুর্যোগপূর্ণ বা খারাপ আবহাওয়ায় কোনোভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভ্রমণ করা যাবে না। মাঝ নদীতে ট্রলার থেকে চলন্ত লঞ্চে ওঠানামা করা থেকেও বিরত থাকতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে লঞ্চে আরোহণের পর লাইফ জ্যাকেট ও লাইফ বয়ার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। এছাড়া অজ্ঞান পার্টি, পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের কবল থেকে বাঁচতে অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার গ্রহণ না করতে এবং মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঈদের ভিড় এড়াতে সম্ভব হলে আগেভাগেই পরিবার-পরিজনকে গন্তব্যে পাঠিয়ে দেওয়া এবং ঘাটে লঞ্চ না আসা পর্যন্ত টার্মিনালের ভেতরেই অপেক্ষা করা উচিত।
জরুরি পরিস্থিতিতে বা যেকোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে দ্রুত যোগাযোগের জন্য বিআইডব্লিউটিএর নিজস্ব হটলাইন নম্বরসহ (১৬১১৩) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, ৩৩৩ (সরকারি তথ্য ও সেবা), ১০২ (ফায়ার সার্ভিস), ১৬১১১ (কোস্ট গার্ড) ও নৌ-পুলিশের (০১৭৬৯-৭০২২১৫) নম্বরগুলোতে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
৯৭ দিন আগে
তিন ঘণ্টা পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু
আকস্মিক কুয়াশায় প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চালু হয়েছে। এর আগে, ভোর ৪টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া দুটি ফেরি মাঝ পদ্মায় ঘন কুয়াশার কবলে আটকা পড়ে।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে পদ্মা নদী অববাহিকা আকস্মিক কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় নৌযান চলাচলে ঝুঁকি দেখা দেয়। এরপর মাঝ নদীতে দুটি ফেরি আটকে পড়ার খবরে সাড়ে ৪টা থেকে ফেরিসহ সকল নৌযান বন্ধ রাখা হয়।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয় জানায়, গতকাল (রবিবার) দিবাগত রাতের পর থেকে পদ্মা অববাহিকায় কুয়াশা পড়তে থাকে। সময়ের সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে, ভোর ৪টার দিকে চারদিকে কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এতে করে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দেখা যায়।
এ সময় দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া এনায়েতপুরী নামক একটি রো রো এবং বাইগার নামক একটি কে-টাইপ ফেরি মাঝ নদীতে কুয়াশার কবলে পড়ে। চারদিকে কিছুই দেখতে না পেয়ে ফেরি দুটি মাঝ নদীতেই নোঙর করে থাকে বলে জানায় বিআইডব্লিউটিসি।
ফেরি নোঙর করে থাকার খবর পেয়ে উপায় না পেয়ে কর্তৃপক্ষ ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া নৌপথে ফেরিসহ নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, এ সময় পাটুরিয়া প্রান্তে ৩ নম্বর ঘাটে রো রো (বড়) ফেরি খানজাহান আলী, কেরামত আলী ও ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি বনলতা নোঙর করে থাকে। একইভাবে, ৪ নম্বর ঘাটে ভাষা সৈনিক ডা. গোলাম মাওলা ও শাহ পরান নামক দুটি রো রো ফেরি এবং ৫ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি শাহ মখদুম ও ইউটিলিটি পেরি হাসনাহেনা নোঙর করে থাকে।
অন্যদিকে, দৌলতদিয়া প্রান্তে ৪ নম্বর ঘাটে কেটাইপ (মাঝারি) ফেরি ঢাকা এবং ৭ নম্বর ঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান নামক একটি রো রো ফেরি নোঙর করে থাকে।
এদিকে, নদী অববাহিকার পাশাপাশি সড়ক ও মহাসড়কেও কুয়াশার কবলে পড়ে যানবাহন। যানবাহনগুলো লাইট জ্বালিয়ে ধীরে ধীরে চলতে থাকে। মাঝে মধ্যে অতিমাত্রায় ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখতে না পেয়ে যানবাহনগুলোকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
সরেজমিন ভোর পাঁচটার দিকে দেখা যায়, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় দূরপাল্লার যানবাহনগুলো সতর্কতার সঙ্গে ধীরে গতিতে চলছে।
মোটরসাইকেল নিয়ে তেল আনতে পাম্পের দিকে যাওয়া রাকিবুল হক নামের এক ব্যক্তি বলেন, দিনের বেলায় অনেক লম্বা লাইন হয় বলে ভোরে রওনা করেছি। কিন্তু কুয়াশার কারণে গাড়ি চালাতে খুব ভয় করছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, কুয়াশায় নদীপথ অন্ধকার হয়ে আসায় নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ভোর চারটার দিকে ঘাট ছেড়ে যাওয়া দুটি ফেরি মাঝ নদীতে কুয়াশার কবলে আটকা পড়লে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সাড়ে ৪টার দিকে ফেরি বন্ধ করা হয়।
প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধের পর সকাল পৌনে ৭টার দিকে কুয়াশা কম দেখে মাঝ নদীতে থাকা ফেরিগুলো ঘাটের দিকে আসে। ঘাটে নোঙরে থাকা ফেরিগুলো একে একে ঘাট ছেড়ে যায় বলে জানান মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন।
১৪২ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থায় সমুদ্রপথে অবাধ ও বৈধ নৌচলাচলের পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের
জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সম্পর্কিত কনভেনশনসহ (ইউএনসিএলওএস) আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে জাহাজের অবাধ ও বৈধ চলাচলের পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। সেইসঙ্গে গঠনমূলক সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে অর্থবহ সম্পৃক্ততার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।
বুধবার (১৮ মার্চ) ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) কাউন্সিলের ৩৬তম বিশেষ অধিবেশনে এ আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
অধিবেশনে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ওপর এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে জানিয়েছে লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
লন্ডনের আইএমও সদর দপ্তরে এই অধিবেশনে যোগ দেয় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে নিযুক্ত ডেপুটি হাইকমিশনার ড. নজরুল ইসলাম দলটির নেতৃত্ব দেন।
ডেপুটি হাইকমিশনার তার বক্তব্যে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে কর্মরত জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকসহ সব নাবিকদের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও কল্যাণে বাংলাদেশের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
১৫৩ দিন আগে
তিন দিন বন্ধ থাকার পর ভোলার নৌপথে লঞ্চ চলাচল শুরু
বৈরী আবহাওয়ার কারণে টানা তিন দিন বন্ধ থাকার পর ভোলার ১০টি অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও সি-ট্রাক চলাচল শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) সকাল থেকে এসব নৌপথে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
বিআইডব্লিউটিএর ভোলা নদী বন্দরের পরিবহন পরিদর্শক কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানান, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে এসব রুটে নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। এতে করে যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা ইলিশা লঞ্চ ঘাট দিয়ে নৌপথে যাতায়াত শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: ভোলার মেঘনায় ঝড়ে ট্রলারডুবি, পাঁচ জেলে উদ্ধার
৩৮৩ দিন আগে
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীর ভিড় বাড়লেও নেই ভোগান্তি
ঈদ উদযাপনে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে। তবে যাত্রীদের চাপ থাকা সত্ত্বেও স্বস্তিতেই চলাচল করতে পারছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকাল থেকেই এ নৌপথে ফেরি ও লঞ্চ পারাপারের যাত্রীদের চাপ বাড়তে থাকে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদযাত্রায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ চলাচল করছে।
এর ফলে ঘাট এলাকায় ফেরি কিংবা লঞ্চের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। অনায়াসেই লঞ্চ-ফেরিতে উঠতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন যাত্রীরা।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে নেই যানজট
জেলা পুলিশ সুপার ইয়াসমিন আক্তার জানান, ঘাটের নিরাপত্তা ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ, নৌপুলিশসহ আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাম হোসেন জানান, বর্তমানে নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথে পদ্মা নদীর অববাহিকায় তীব্র স্রোত রয়েছে। এ কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ফেরি চলাচলে কিছুটা বেশি সময় লাগছে। তবে ফেরির সংখ্যা বেশী থাকায় যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
৪৪০ দিন আগে
নৌযানে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া যাবে না: শ্রম উপদেষ্টা
নৌযানে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া যাবে না। যাত্রীদের নির্ধারিত ভাড়া আজ থেকেই তালিকা আকারে প্রকাশ করতে হবে। যদি কেউ অতিরিক্ত ভাড়া নেয়, তবে শুধু জরিমানা নয়, সেই লঞ্চের রুট পারমিটও বাতিল করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সচিবালয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৫ উপলক্ষে নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া যাবে না। যাত্রীদের নির্ধারিত ভাড়া তালিকাভুক্ত করে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হলে শুধু জরিমানা নয়, সেই লঞ্চের রুট পারমিটও বাতিল করা হবে।
আরও পড়ুন: প্রয়োজনে বিদেশে পলাতকদের পাসপোর্ট বাতিল করা হবে: শ্রম উপদেষ্টা
তিনি আরও বলেন, কোনো লঞ্চ নির্ধারিত সিরিয়ালের বাইরে ছেড়ে যেতে পারবে না। অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা যাবে না। শুধু সদরঘাট নয়, রাস্তা থেকে যাত্রী তোলা যাবে না। এসব বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদারকি করবে, নৌবাহিনীও সহযোগিতা করবে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপ্রয়োজনে লঞ্চে চেক করে সময় নষ্ট করবে না। ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো লঞ্চ চলতে পারবে না ও নির্ধারিত গতিসীমার বেশি চালানো যাবে না।
শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা বলেন, সদরঘাট এলাকায় জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত এমন বিশৃঙ্খলা থাকে যে, তিন ঘণ্টা আগে রওনা দিলেও অনেকে লঞ্চ ধরতে পারেন না। তাই রাস্তা পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রয়োজনে রেকার দিয়ে অবৈধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি সরিয়ে নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: কোনো কথা না বুঝে বলেননি সেনাপ্রধান: শ্রম উপদেষ্টা
তিনি আরও জানান, এসব সিদ্ধান্ত ১৫ রমজান থেকে কার্যকর হবে। ১৫ রমজান থেকে রাতে স্পিডবোট চলবে না। এছাড়া ঈদের পাঁচ দিন আগে ও পরের পাঁচ দিন বাল্কহেড (বালুবাহী নৌযান) চলাচল বন্ধ থাকবে।
ফেরিতে বাস যাত্রীসহ উঠতে পারবে না। বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে ফেরিতে উঠাতে হবে ও ফেরি থেকে বাস নামার পর যাত্রীরা আবার উঠতে পারবেন।
৫৩১ দিন আগে
নৌপথে মানুষের হয়রানি যাতে না হয়: উপদেষ্টা সাখাওয়াত
নৌপথে মানুষের হয়রানি যাতে না হয়, সেই নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, অনেক স্থান থেকে অভিযোগ আসে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়। ঘাট ইজারা টিকেট ১০ টাকা। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা নেওয়া অবৈধ হলেও সেটা নেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঘাটে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ যদি আসে আর সে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ইজারাদারের ইজারা বাতিল করে দেওয়া হবে। নৌ ও পরিবহন মন্ত্রণালয় প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করে।
তিনি বলেন, বড় প্রজেক্ট নয়; ছোট প্রজেক্টেও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতে পারে। ভোলার প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ঘাট তৈরি করে দিয়েছি, যাতে সেখানকার মানুষের উন্নতি হয়।
আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধ আমরাই শুরু করেছি, শেষও করেছি আমরা: সাখাওয়াত
উপদেষ্টা বলেন, নৌ ও পরিবহন মন্ত্রণালয় কাজই করছে প্রান্তিক অঞ্চলে। আমাদের কোনো মেগা প্রজেক্ট নেই যে ঢাকা শহরে বা অন্য কোথাও বানাবো। যতই আমরা রেল করি, যতই সেতু বানাই আবহমান কাল থেকে নৌপথের গুরুত্বটা রয়ে গেছে। এক সময় ছিলো আমরা নৌপরিবহনের মধ্যেই ছিলাম; এখনও তাই। কম খরচে পরিবহন নদী পথেই সম্ভব।
এর আগে তিনি ইলিশা লঞ্চ ঘাটের সাধারণ মানুষের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনেন এবং লঞ্চ ঘাটের সার্বিক চিত্র ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করেন।
৫৭৬ দিন আগে
নৌপথে পণ্যের চোরাচালান বন্ধে কোস্টগার্ডদের সতর্ক থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
সমুদ্র-নৌপথে ইলিশ ও সারসহ বিভিন্ন পণ্যের চোরাচালান বন্ধে কোস্টগার্ডদের সতর্ক থাকতে হবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে কোস্টগার্ডের সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নাবিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান উপদেষ্টা।
আরও পড়ুন: পুলিশ সংস্কারে শিগগির কমিটি গঠন করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
তিনি বলেন, নিজস্ব চাহিদা বিবেচনায় সরকার এ বছর ভারতে ইলিশ রপ্তানি করছে না। তাছাড়া বিদ্যমান ডলার সংকটের মধ্যেও সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ সার আমদানির মাধ্যমে সারের যোগান অব্যাহত রেখেছে।
এ অবস্থায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইলিশ ও সারের চোরাচালানের ঝুঁকি রয়েছে বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীগুলোর মধ্যে নৈতিকতার ক্ষেত্রে স্খলন দেখা দিলেও কোস্টগার্ড এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। তারা নৈতিক মানদণ্ড বজায় রেখেছে ও দায়িত্বের ক্ষেত্রে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে।
আরও পড়ুন: মাজারে হামলা বন্ধের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
কোস্টগার্ডদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানে তাদের অতীত ঐতিহ্য ও সম্মান সমুন্নত রেখে অস্ত্রসহ বিভিন্ন পণ্য ক্রয় ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার আহ্বান জানান উপদেষ্টা।
তিনি কোস্টগার্ডের আবাসন, জনবল, অস্ত্র এবং টহল ও উদ্ধারকারী নৌযান ক্রয় ও সংগ্রহসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সহযোগিতা ও ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
এসময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন- জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়াল এডমিরাল মীর এরশাদ আলী।
আরও পড়ুন: সীমান্ত হত্যা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
৭০১ দিন আগে
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ, সতর্কতার সঙ্গে চলছে ফেরি
ঝড়-বৃষ্টির কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে শনিবার (১৪ সেপ্টেম্ব) সকাল থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
শনিবার সকালে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা বন্ধ ছিল ফেরি চলাচল। এখন সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করছে ফেরি।
খুব প্রয়োজন ছাড়া সহজে কেউ বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। যারাও বের হচ্ছেন তাদের পড়তে হচ্ছে দুর্ভোগে।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় হামুন: বরিশাল থেকে সব ধরনের লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা দেখা যায়। মাঝেমধ্যে এক-দুইটি যান চলাচল করলেও যাত্রী তেমন নেই।
লঞ্চ বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া ঘাটের পন্টুনে বসে চালক, সারেং, ইনচার্জরা অলস সময় পার করছেন। এছাড়া পন্টুনে বাঁধা চার থেকে পাঁচটি লঞ্চ।
এদিকে পদ্মা নদীর পাড় ঘেঁষে রাখা হয়েছে আরও কয়েকটি লঞ্চ।
পন্টুনে বসে থাকা এমভি আমানত লঞ্চের মাস্টার নাসির উদ্দিন বলেন, আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে সরকারি নির্দেশনা মেনে শনিবার বেলা ১১টার পর থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘাটে লঞ্চ রেখে এই আবহাওয়ায় কোথাও যেতে পারছেন না কেউ। তাই পন্টুনে বসেই সময় পার করতে হচ্ছে।
এছাড়া নদী পাড়ি দিতে কোনো যাত্রী এলে তাদের ফেরিতে নদীপথ পাড়ি দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
আরও পড়ুন: বরিশালের অভ্যন্তরীণ ১০ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ
ঘূর্ণিঝড় রিমাল: দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ
৭০৩ দিন আগে