নয়াদিল্লি
জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনারকে তলব
প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ সময় নয়াদিল্লির কাছে ঢাকার অসন্তোষের কথা জানানো হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে তাকে কূটনৈতিক নিয়ম মেনে তলব করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, ওই ঘটনার বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে এবং বিষয়টি ভারতীয় কূটনীতিকের কাছে তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগে, এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, নয়াদিল্লির বিমানবন্দর থেকে ডা. জাহেদ উর রহমানের ফেরত আসা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, দুঃখজনকও বটে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং আজ দিনশেষে আমরা এ বিষয়ে আপনাদেরকে জানাব।
দিল্লিতে সোমবার শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিতে ড. জাহেদ উর রহমান রবিবার (১৩ জুন) বিকালে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল তার।অ
তবে সেখানে ইমিগ্রেশনে তাকে জেরার মুখে পড়তে হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা জিজ্ঞাসবাদের পর বিভিন্ন মহলের হস্তক্ষেপে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবেশের অনুরোধ করা হলে তিনি পাসপোর্ট ফেরত চান। এরপর তিনি কলম্বো হয়ে আজ সকালে দেশে ফিরে আসেন।
১১ দিন আগে
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে আবারও বিক্ষোভ
ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের বাইরে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ময়মনসিংহে পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিক্ষোভের ডাক দেয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআই ও এএনআইসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গেরুয়া পতাকা হাতে স্লোগান দিতে দিতে বিক্ষোভকারীরা একাধিক পুলিশী ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যায়। এতে উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত কূটনৈতিক এলাকায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনীকে হিমশিম খেতে হয়।
প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আজ (মঙ্গলবার) সকাল থেকেই চাপা উত্তেজনা ছিল দিল্লিতে। এজন্য সেখানকার বাংলাদেশ হাইকমিশনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে ঘেরা হয় হাইকমিশন চত্বর। দিকে দিকে বসানো হয় পুলিশ ব্যারিকেড। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত বাহিনীও।
তবে বেলা গড়াতেই উত্তেজনা ছড়ায় হাইকমিশনের বাইরে। বহু লোক জড়ো হয় সেখানে। তাদের মুখে স্লোগান। হাতে প্ল্যাকার্ড। এ সময় তারা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহের ভালুকার জামিরদিয়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কারখানায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু দাসকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে উত্তেজিত জনতা। পরে তার মরদেহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে নিয়ে গাছে ঝুলিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ। এর মধ্যে র্যাব সাতজনকে এবং পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
ভিএইচপিসহ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে সব ধরনের কনস্যুলার সেবা ও ভিসা প্রদান স্থগিত ঘোষণা করা হয়। বলা হয়, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এসব সেবা বন্ধ থাকবে।
১৮৫ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ, নয়াদিল্লির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান ঢাকার
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। ঢাকা বলেছে, ওই বিক্ষোভের কারণে হাইকমিশনার ও তার পরিবার নিরাপত্তা শঙ্কা অনুভব করেছেন।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এ বিষয়ে ঢাকার অবস্থান তুলে ধরেন।
উপদেষ্টা বলেন, ভারতের দাবি অনুযায়ী নয়াদিল্লির বাংলাদেশ দূতাবাসের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙার চেষ্টা হয়নি। বরং ২০–২৫ জন যুবক ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাসের হত্যার প্রতিবাদে স্লোগান দিয়েছে। তবে ভারতের প্রেসনোটে এ বিষয়টি ‘সহজভাবে’ উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ পুরোপুরি গ্রহণ করছে না।
তিনি বলেন, মাত্র ২০–২৫ জন হিন্দু চরমপন্থীর একটি দল কূটনৈতিক এলাকায় এত গভীরে প্রবেশ করতে পারবে কেন? এটা স্পষ্টভাবে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন। একজন বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনা কেন সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা আমাদের কাছে অপ্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশ এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
তৌহিদ হোসেন বলেন, দূতাবাসের ভেতরে থাকা কর্মকর্তারা নিরাপত্তা শঙ্কা অনুভব করেছেন, যথেষ্ট নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল না। আমরা পরিস্থিতি খারাপ হলে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সীমিত করার পদক্ষেপ নিতে পারি।
আরও পড়ুন: নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে নিরাপত্তা ভাঙার চেষ্টা হয়নি: ভারত
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে উগ্রবাদী সংগঠন অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্রসেনার অন্তত ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল চার থেকে পাঁচটি গাড়িতে করে নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করে বাংলাদেশ হাউসের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে তারা কিছু সময় ধরে বাংলাদেশবিরোধী উগ্র স্লোগান দিতে থাকে। সে সময় বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে হুমকিও দেয় তারা।
এ ব্যাপারে নয়াদিল্লিতে আজ (রবিবার) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘বিষয়টি হচ্ছে, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে ২০–২৫ জন তরুণ জড়ো হয়ে ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে স্লোগান দেন। তারা বাংলাদেশে সব সংখ্যালঘুর সুরক্ষার আহ্বান জানান।’
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসব ঘটনার দৃশ্যমান প্রমাণও রয়েছে। চাইলে যে কেউ তা দেখতে পারেন।
এ সময় ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী নিজেদের ভূখণ্ডে বিদেশি মিশন ও পোস্টগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন জয়সওয়াল।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর ভারত নিবিড়ভাবে নজর রাখছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। এছাড়া (বাংলাদেশে) সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় কর্তৃপক্ষের কাছে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।’
জয়সওয়াল বলেন, দিপু চন্দ্র দাসের বর্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে ভারত।
১৮৭ দিন আগে
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে নিরাপত্তা ভাঙার চেষ্টা হয়নি: ভারত
গতকাল শনিবার নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে একদল উগ্রপন্থীর বিক্ষোভের সময় কোনোভাবেই নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙার চেষ্টা বা নিরাপত্তার অবনতিজনিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছে ভারত।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানিয়েছেন।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে উগ্রবাদী সংগঠন অখণ্ড হিন্দু রাষ্ট্রসেনার অন্তত ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল চার থেকে পাঁচটি গাড়িতে করে নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করে বাংলাদেশ হাউসের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে তারা কিছু সময় ধরে বাংলাদেশবিরোধী উগ্র স্লোগান দিতে থাকে। সে সময় বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে হুমকিও দেয় তারা।
এ ব্যাপারে নয়াদিল্লিতে আজ (রবিবার) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘বিষয়টি হচ্ছে, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে ২০–২৫ জন তরুণ জড়ো হয়ে ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে স্লোগান দেন। তারা বাংলাদেশে সব সংখ্যালঘুর সুরক্ষার আহ্বান জানান।’
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসব ঘটনার দৃশ্যমান প্রমাণও রয়েছে। চাইলে যে কেউ তা দেখতে পারেন।
এ সময় ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী নিজেদের ভূখণ্ডে বিদেশি মিশন ও পোস্টগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন জয়সওয়াল।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর ভারত নিবিড়ভাবে নজর রাখছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। এছাড়া (বাংলাদেশে) সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় কর্তৃপক্ষের কাছে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।’
এ ঘটনায় বাংলাদেশের কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচার লক্ষ করা গেছে বলেও তিনি দাবি করেন।
জয়সওয়াল বলেন, দিপু চন্দ্র দাসের বর্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে ভারত।
১৮৭ দিন আগে
বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
বাংলাদেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি, বিশেষ করে ভারতীয় হাইকমিশন ও দপ্তরগুলোর আশপাশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ জানাতে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়।
এ সময় ঢাকায় ভারতীয় মিশন ঘিরে সৃষ্ট সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে বিশেষভাবে হাইকমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
একই সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যে মিথ্যা বয়ান তৈরি করার চেষ্টা চলছে, তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে ভারত।
‘অন্তর্বর্তী সরকার ঘটনাগুলোর বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করেছে না, এমনকি ভারতের সঙ্গে অর্থবহ কোনো প্রমাণও ভাগ করছে না। এটি দুঃখজনক।’
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, যার শেকড় মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে যৌথ সংগ্রামে প্রোথিত। পরবর্তীতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ও দুদেশের জনগণের যোগাযোগের মাধ্যমে তা আরও দৃঢ় হয়েছে।
বাংলাদেশের শান্তি ও সুষ্ঠু নির্বাচনে নিজেদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে ভারত আরও বলেছে, ‘আমরা বাংলাদেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে আসছি।’
একই সঙ্গে কূটনৈতিক দায়িত্বের আলোকে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশন ও পোস্টগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।
১৯১ দিন আগে
নয়াদিল্লিতে বিমসটেক রিট্রিটে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিতীয় বিমসটেক রিট্রিট সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীন সফর শেষে বুধবার রাতে বেইজিং থেকে সরাসরি দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সম্মেলনে যোগ দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী এই রিট্রিটে বিমসটেক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বিমসটেক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা এবং আসন্ন ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনকে সফল ও ফলপ্রসূ করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন। নেপালের প্রতিনিধিত্ব করছেন তাদের পররাষ্ট্র সচিব।
আলোচনায় অংশ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আঞ্চলিক এই জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, সংযোগ ও সুনীল অর্থনীতির ক্ষেত্রে কার্যকর সহযোগিতার ওপর জোর দেন।
বৈঠকের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান ভারত ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশে নিত্যপণ্য আমদানিতে অব্যাহত সুবিধা বজায় রাখা ও তিস্তা প্রকল্পের জন্য কারিগরী দল পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
অপরদিকে মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুই বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেন। নেপালের পররাষ্ট্র সচিব সেওয়া লামসাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
উল্লেখ্য, বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক) দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ৭টি দেশ নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক জোট। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড নিয়ে এই জোট গঠিত হয়।
আরও পড়ুন: জিডিসির সমাপনী অধিবেশনে ডিজিটাল রূপান্তরে বিমসটেকের সহযোগিতার আহ্বান ঢাকার
২০১৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় বিমসটেকের সদর দপ্তর উদ্বোধন করেন।
বিমসটেকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বঙ্গোপসাগর উপকূলের দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পারিক সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করা। ব্যবসা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, পর্যটন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কৃষি উন্নয়ন, মৎস্যসম্পদ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পোশাক ও চামড়া শিল্পসহ আরও অনেকগুলো ক্ষেত্র বিমসটেকের আওতাভুক্ত।
আরও পড়ুন: এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশকে জিরো ট্যারিফ সুবিধা দেবে চীন
৭১৫ দিন আগে
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ২ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার (২১ জুন) প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় বিকাল ৩টা ২৯ মিনিটে নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে দুপুর ২টায় ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
আরও পড়ুন: ২ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়া দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান ভারতের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রী কীর্তিবর্ধন সিং এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান।
এরপর দেশটির ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্যের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হয়।
সড়কের দুই পাশে বাংলাদেশ ও ভারতের পতাকা এবং শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির প্ল্যাকার্ড দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে পালাম বিমানবন্দর থেকে হোটেল তাজ প্যালেস পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন ভাষায় নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে।
বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এই প্রথম কোনো সরকার প্রধানের ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফর।
এ সফরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক হবে এবং ঢাকা ও নয়াদিল্লি বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই করা হবে।
এছাড়াও দুই দেশের মধ্যে একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কে আলোচনা হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত এক দশক ধরে অসংখ্য আন্তঃসীমান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা
গত ৯ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হওয়ার পর ১৫ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে এটি ভারতে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর।
শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন আবাসস্থলে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
শনিবার সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে লাল গালিচা সংবর্ধনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করে নেওয়া হবে। এসময় বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত বাজানো হবে। এরপর সেখানে শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।
এরপর তিনি রাজঘাটে ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন। সেখানে পরিদর্শক বইয়েও সই করবেন তিনি।
একই দিনে হায়দরাবাদ হাউজে মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।
বৈঠক শেষে উভয় প্রধানমন্ত্রী সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী সংবাদ বিবৃতি দেবেন।
এরপর হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন তারা।
বিকালে সচিবালয়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন শেখ হাসিনা।
এরপর সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।
একই দিনে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট দিল্লির পালাম বিমানবন্দর ত্যাগ করে রাত ৯টায় ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: রেমিট্যান্স পাঠিয়ে অর্থনীতিতে অবদান রাখায় প্রবাসীদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন
৭৩৫ দিন আগে
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে: নির্বাচন প্রসঙ্গে এমইএ মুখপাত্র
বাংলাদেশের জনগণ কীভাবে নির্বাচন করতে চায় তার ভিত্তিতে নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নির্ধারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী।
বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) নয়া দিল্লিতে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘পুরো বিশ্ব এতে মন্তব্য করতে পারে কিন্তু ভারত ভারতের মতোই। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।’
এই বছরের ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রথম ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করল।
আরও পড়ুন: 'সন্ত্রাস শিল্পের মুখপাত্র': পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে যা ঘটে সেটি তাদের প্রভাবিত করে।
তিনি বলেন, ‘দেখুন, আমি মনে করি সেখানে অনেক ধরনের কার্যক্রম চলছে। লোকজন সম্ভবত সেগুলোর সম্পর্কে মন্তব্যও করছে।’
ঢাকায় তাদের একটি হাই কমিশন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অবশ্যই, ভারত ঘনিষ্ঠভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
আরও পড়ুন: গুজরাটে ভারতের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কামালের সাক্ষাত, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
এই মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা আশা করি সেখানে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে। কোনো সহিংসতা হবে না। নির্বাচন পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।’
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার অবশ্যই কোনো মন্তব্য নেই।
যুক্তরাষ্ট্রসহ দেশগুলো বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করে আসছে এবং বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে।
এদিকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
আরও পড়ুন: সেপ্টেম্বরে ভারতের সহায়তাপুষ্ট ৩ মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন: হাইকমিশনার
১০৫৮ দিন আগে
পুলিৎজার পুরস্কারজয়ী কাশ্মীরি সাংবাদিককে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে বাধা
পুলিৎজার পুরস্কারজয়ী কাশ্মীরি ফটোসাংবাদিক বুধবার অভিযোগ করে বলেছেন, বৈধ ভিসা এবং টিকিট থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় অভিবাসন কর্তৃপক্ষ তাকে পুরস্কার গ্রহণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে বাধা দিয়েছে৷
সানা ইরশাদ মাট্টু নামে ওই সাংবাদিক জানান, সোমবার পুলিৎজার পুরস্কার গ্রহণের জন্য নিউইয়র্কে যাওয়ার কথা ছিল তার, কিন্তু নয়াদিল্লির বিমানবন্দরে কর্মকর্তারা তাকে যেতে বাধা দেন।
মাট্টু বলেন, তাকে কোনো কারণ ছাড়াই বাধা দেয়া হয়েছে এবং তার টিকিট বাতিল করা হয়।
সানা আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সে কাজ করেন। ভারতে কোভিড-১৯ সংকটের সময় কভারেজের জন্য ফিচার ফটোগ্রাফিতে ২০২২ পুলিৎজার পুরস্কার জিতেন তিনি।
মাট্টু বলেন, অভিবাসন কর্মকর্তা তার বোর্ডিং পাস ফেরত দিয়েছেন কিন্তু তিনি বারবার জিজ্ঞেস করলেও কোন উত্তর দেননি। এরপর তাকে তার লাগেজ সংগ্রহের জন্য এয়ারলাইন কাউন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।
কাশ্মীরি এই সাংবাদিক বলেন, কেন তাকে ভ্রমণে বাধা দেয়া হয়েছে তার কোনও ধারণা নেই। এটা কি আমার কাজের কথা? এটা কি অন্য কিছু? আমাকে বলা উচিত। সমস্যা হল আমি জানি না সমস্যাটা কি।’
ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে ২০২০ সালে প্যারিসে একটি বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে যাওয়ার পথে তাকে বিমানবন্দরে আটকে দেয়া হয়।
সানা ২০১৮ সাল থেকে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জীবন চিত্রিত করে ফ্রিল্যান্স ফটোসাংবাদিক হিসাবে কাজ করছেন। এই অঞ্চলের বিদ্রোহীরা স্বাধীনতা বা প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তানের সাথে একীভূত হওয়ার জন্য লড়াই করছে।
১৩৪৬ দিন আগে
আজমির পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ভারত সফরের শেষ দিনে খাজা গরীব দরগাহ শরিফে নামাজ পড়ার জন্য বৃহস্পতিবার সকালে আজমির পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশ, জনগণ এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে নফল নামাজ ও মোনাজাত করবেন।
স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট রাজস্থানের জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে, ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ১২ মিনিটে নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
ইহাসনুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী সুফি মঈনুদ্দিন চিশতীর মাজার খাজা গরীব নওয়াজ দরগাহ শরীফে ফাতেহা ও মোনাজাত করে কিছু সময় কাটাবেন।
পরে আজমির দরগাহ শরীফ প্রদক্ষিণ করবেন হাসিনা।
পড়ুন: ভারতের সঙ্গে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়চুক্তি সই
বাংলাদেশকে তৃতীয় বিশ্বে ট্রানজিট ফ্রি রপ্তানির প্রস্তাব ভারতের
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোবেলজয়ী কৈলাশ সত্যার্থীর সাক্ষাৎ
১৩৮৮ দিন আগে