জুলাই
জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৬, প্রাণহানির এক-তৃতীয়াংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়
দেশে গত জুলাই মাসে ৪৫৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ জন নিহত এবং ৬২৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫৭ জন নারী ও ৪৮ জন শিশু। একই সময়ে ১৫৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৮ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। এছাড়া দুর্ঘটনায় ১০৬ জন পথচারী এবং ৫১ জন যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি জুলাই মাসের সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সাংগঠনটি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে ১৩টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৯ জন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ২৯টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন।
যানবাহনভিত্তিক নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৩৮ জন (৩৩.১৭ শতাংশ), থ্রি-হুইলারের যাত্রী ৯৪ জন (২২.৫৯ শতাংশ), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ২৬ জন (৬.২৫ শতাংশ), বাসের যাত্রী ২১ জন, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ ও ট্রলির আরোহী ১৯ জন, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সের আরোহী ৭ জন এবং রিকশা ও বাইসাইকেল আরোহী ৫ জন নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার মধ্যে ১৬৯টি (৩৬.৮৯ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, ১৫৫টি (৩৩.৮৪ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৬১টি (১৩.৩১ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে, ৬৬টি (১৪.৪১ শতাংশ) শহরের সড়কে এবং ৭টি (১.৫২ শতাংশ) অন্যান্য স্থানে ঘটেছে।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১২৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৬৪টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১০৮টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৫৪টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৯টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় মোট ৭১১টি যানবাহন সম্পৃক্ত ছিল। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ১৭২টি, থ্রি-হুইলার ১৩১টি, বাস ১২৪টি, ট্রাক ৯২টি এবং অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রয়েছে।
সময়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে সকালে (২৮.৮২ শতাংশ)। এছাড়া রাতে ১৯.৪৩ শতাংশ, দুপুরে ১৭.২৪ শতাংশ, বিকালে ১৪.৮৪ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১২.২২ শতাংশ এবং ভোরে ৭.৪২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩৩টি দুর্ঘটনায় ১২৫ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে, যেখানে ২৮টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৩৪টি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৪৭ জন আহত হয়েছেন।
নিহতদের পেশাগত পরিচয়ের মধ্যে পুলিশ সদস্য, বিজিবি সদস্য, শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, ব্যাংক ও বীমা কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিও কর্মী, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, বিক্রয় প্রতিনিধি, ইমাম ও খাদেম, পোশাক শ্রমিক, কৃষি শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৩ জন শিক্ষার্থীও রয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও বেপরোয়া মানসিকতা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যান চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএর সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজির বিষয়গুলো চিহ্নিত করেছে।
সংস্থাটি সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল পুনর্গঠন, বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএর কাঠামোগত সংস্কার, মোটরযানে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির বাধ্যতামূলক ব্যবহার, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহার, রাজধানীতে আধুনিক বাস সার্ভিস চালু, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি, মহাসড়কে সার্ভিস রোড নির্মাণ, সব রেলক্রসিংয়ে গেটকিপার নিয়োগ, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বাজেট বরাদ্দ এবং সমন্বিত যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করেছে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলেছে, সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। তবে এ জন্য সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১৯ দিন আগে
জুলাই নিয়ে অপতৎপরতা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবে বিএনপি: সেতুমন্ত্রী
জুলাইকে ঘিরে যেকোনো অপতৎপরতা বিএনপি রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, সেতু, রেল ও নৌমন্ত্রী এবং ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, ‘জুলাইয়ের চেতনা ও অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা জনগণকে সঙ্গে নিয়েই রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করা হবে।’
বুধবার (২৯ জুলাই) ঢাকা কলেজের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আ ন ম নজীর উদ্দিন খান খুররম অডিটোরিয়ামে কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শাশ্বত জুলাই’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, জুলাই আমাদের নতুন করে শাণিত হতে, সংশোধিত হতে এবং সমৃদ্ধ জাতি হতে শিখিয়েছে। একই সঙ্গে একটি ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন নিশ্চিত হওয়ার শিক্ষা দিয়েছে। এ আন্দোলন ছাত্ররাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের শিক্ষা দিয়েছে এবং সেই পরিবর্তন বাধ্যতামূলকভাবে এসেছে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন এবং আগামী দিনের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সূতিকাগার হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলার শিক্ষা দিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদের পতন নিশ্চিত হয়েছে এবং রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের সরকারও নিশ্চিত হয়েছে। এখন বাকি রয়েছে রাষ্ট্র ও জনগণকে আরও সমৃদ্ধ, মানসম্পন্ন ও শাণিত করা। জনগণের নির্বাচিত সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে এবং সেই সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন তারেক রহমান।
ঢাকা কলেজ তার নির্বাচনি এলাকার অন্তর্ভুক্ত উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের প্রতি তার বিশেষ দায়বদ্ধতা রয়েছে। তিনি বলেন, ঢাকা কলেজ শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা, অবকাঠামো, আবাসন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার উন্নয়নে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা কলেজের সুনাম ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
ঢাকা কলেজের ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন দপ্তর, পরিদপ্তর, অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন বিভাগে ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরা দায়িত্ব পালন করছেন। একসময় সারা দেশের শিক্ষার্থীদের কাছে ঢাকা কলেজে ভর্তি হওয়া ছিল একটি স্বপ্ন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আলোচনা সভার আগে শেখ রবিউল আলম ঢাকা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক, কলেজের অধ্যক্ষ, সাবেক শিক্ষক, সাবেক ছাত্রনেতা, ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
২৭ দিন আগে
জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস কর্মসূচি
আগামী জুলাই মাস থেকে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও ব্যাগ বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের ২৫টি উপজেলা বা থানার ৩ হাজার ৫২২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
সভা শেষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকার বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস, ব্যাগ ও জুতা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এখানে সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাতও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আজকের সভায় আমাদের ব্যবসায়ীরা ছিলেন। বিজিএমইএ আমাদের এক লাখ শিক্ষার্থীর জন্য পোশাক দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এরকম আরও সহযোগিতা পেলে আমরা সব শিক্ষার্থীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্কুল ড্রেস দিতে পারব।’
কবে থেকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ শুরু হবে—এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আমরা জুলাই থেকে এটা শুরু করব। এটা পাইলট প্রোগ্রাম। প্রথমে আটটি বিভাগেরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর আমরা ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে এর আওতায় আনব।
বেসরকারি বিদ্যালয়ে দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইবতেদায়ী মাদরাসা এই সুবিধা পাবে। এরপর বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রাথমিক স্তরের কাজ শেষ হওয়ার পর মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলোতে পোশাক বিতরণ করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক শিক্ষার্থী প্রতি শ্রেণিতে এক সেট করে পোশাক পাবে। পরবর্তীতে আমাদের সক্ষমতা বাড়লে আমরা আরও বেশি দিতে পারি কি না, তা বিবেচনা করা হবে। তবে প্রথমে এক সেট করে ড্রেস, জুতা ও ব্যাগ দেওয়া হবে।
পোশাকের ধরন সম্পর্কে তিনি বলেন, সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পোশাক একই রকম হবে। ছেলেদের পোশাক এক ধরনের, মেয়েদের আরেক ধরনের হবে। ইবতেদায়ী মাদরাসার পোশাক কিছুটা ভিন্ন হবে। কেমন রঙের হবে, সেটাও আমরা ঠিক করেছি। শিগগিরই তা জানানো হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের কাজটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় করবে। তবে এতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় যুক্ত থাকবে। সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব এবং শিক্ষাকে এগিয়ে নেব।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মসহ বিজিএমইএ ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
১১৮ দিন আগে
জুলাইয়ে দেশের অর্থনীতির গতি বেড়েছে, পিএমআই ৮.৪ পয়েন্ট
চলতি বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রকাশিত দেশের ক্রয় ব্যবস্থাপক সূচকে (পিএমআই) উঠে এসেছে।
এতে দেখা যায়, জুন মাসের তুলনায় পিএমআই ৮ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬১ দশমিক ৫ এ পৌঁছেছে। এটি মূলত অর্থনৈতিক কার্যকলাপে একটি শক্তিশালী সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ (পিইবি) যৌথভাবে জুলাই পিএমআই প্রকাশ করেছে। যাতে দেশের অর্থনৈতিক দৃশ্যপটের প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন উঠে এসেছে।
যুক্তরাজ্য সরকারের সহায়তা ও সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব পারচেজিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস ম্যানেজমেন্ট (এসআইপিএমএম) এর কারিগরি সহায়তায় প্রস্তুত করা বাংলাদেশ পিএমআই একটি অগ্রণী উদ্যোগ। এটি ব্যবসা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য সময়োপযোগী, নির্ভরযোগ্য অবস্থা তুলে ধরতে উদ্যোগটির নকশা করা হয়েছে।
পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক আলোচনার শর্তবলি প্রকাশযোগ্য নয়: অর্থ উপদেষ্টা
প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ পিএমআই সূচক মূলত উৎপাদন ও পরিষেবা খাতে দ্রুত সম্প্রসারণের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
নির্মাণ খাতও প্রবৃদ্ধিতে ফিরে এসেছে। অন্যদিকে কৃষি খাত যদিও এখনও সম্প্রসারিত হলেও মৌসুমী কারণ ও বন্যার প্রভাবে ধীরগতি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
উৎপাদন খাতে টানা ১১ মাস বৃদ্ধির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে—যেখানে নতুন কার্যাদেশ, কারখানার উৎপাদন, উপকরণ ক্রয়, সমাপ্ত পণ্য, আমদানি এবং সরবরাহকারী সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে বৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে, কর্মসংস্থান এবং নতুন রপ্তানির সূচকগুলো সংকোচন দেখিয়েছে।
পরিষেবা খাতে, জুলাই মাসে টানা দশম মাসের মতো বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। যেখানে সমস্ত প্রধান সূচক—নতুন ব্যবসা, ব্যবসায়িক কার্যকলাপ, কর্মসংস্থান, উপকরণ খরচ এবং অর্ডার ব্যাকলগ—দ্রুত হারে প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়েছে।
জুন মাসে প্রথমবারের মতো সংকোচনের পর নির্মাণ খাত জুলাই মাসে পুনরুদ্ধার করেছে। মাসটিতে নতুন ব্যবসা, নির্মাণ কার্যকলাপ, উপকরণ খরচ এবং অর্ডার ব্যাকলগের সম্প্রসারণ হয়েছে—যদিও কর্মসংস্থান হ্রাস অব্যাহত রয়েছে।
ইতোমধ্যে, কৃষিখাত তার দশম মাসের বৃদ্ধির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, তবে তা ধীর গতিতে। নতুন ব্যবসা এবং উপকরণ খরচসহ বেশিরভাগ উপসূচক, ধীর প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত করেছে এবং কর্মসংস্থান আরও সংকুচিত হয়েছে।
পড়ুন: বাংলাদেশের জন্য শুল্ক ২০ শতাংশ করা স্বস্তির: বিজিএমইএ সভাপতি
ভবিষ্যতের ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি কৃষি, উৎপাদন ও পরিষেবাগুলোতে ধীর বৃদ্ধি হয়েছে। এতে নির্মাণ খাত আশাব্যঞ্জক উত্থান নথিভুক্ত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সর্বশেষ পিএমআই সূচক ইঙ্গিত দেয় যে, জুলাই মাসে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতি সম্প্রসারিত হয়েছে মূলত পরিষেবা ও উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধির কারণে। এর ফলে রপ্তানি সর্বকালের সর্বোচ্চ ৪৭৭ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।’
তবে, কৃষি খাত জুলাই মাসে ধীরগতিতে সম্প্রসারিত হয়েছে, যা দুর্বল সময়কাল এবং বর্ষার ব্যাঘাতকে প্রতিফলিত করে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
৩৮২ দিন আগে
জুলাই মাসের কর্মসূচি থেকে ‘ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট’ বাদ দেওয়া হয়েছে: উপদেষ্টা ফারুকী
সরকার আসন্ন জুলাই মাস উপলক্ষে নেওয়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে পূর্বে ঘোষিত প্রতীকী ‘এক মিনিট ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট’ কর্মসূচি বাতিল করেছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে ফারুকী এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন। বলেন, এই নির্দিষ্ট উদ্যোগটি নিয়ে শুরু থেকেই অভ্যন্তরীণ বিতর্ক ছিল।
তিনি লিখেছেন, ‘জুলাই স্মরণে অনুষ্ঠানের একটা কর্মসূচি নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা পর্যায় থেকেই দ্বিধা ছিল। একটা মাত্র কর্মসূচিই আমরা কয়েকবার কেটেছি, আবার যুক্ত হয়েছে। আমরা অনেকেই একমত ছিলাম ‘এক মিনিট ইন্টারনেট ব্ল্যাক আউট’ গ্রেট আইডিয়া না সম্ভবত।’
তিনি আরও বলেন, পরে আবার নানা আলোচনায় এটা ঢুকে পড়ে কর্মসূচিতে। অনেক বড় কর্মসূচি এবং বড় একটা দল কাজ করলে এরকম দুয়েকটা ভুল চোখের আড়ালে থেকে যায়।
ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ধারণার বিষয়ে জনসাধারণের প্রতিক্রিয়ার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন উপদেষ্টা।
জনগণ কর্মসূচি নিয়ে মতামত দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা কৃতজ্ঞ আপনাদের কাছে, সেই কর্মসূচি নিয়ে আপনাদের মতামত জানানোর জন্য।’
তিনি আরও বলেন, আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি, আমরা নিজেদের মধ্যে দ্রুত সভা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি- এক মিনিট প্রতীকী ইন্টারনেট ব্ল্যাক আউট কর্মসূচি থাকছে না। সংশোধিত স্লাইড শেয়ার করে হচ্ছে।
ফারুকী লিখেছেন, ‘অন্যান্য সমস্ত কর্মসূচি অপরিবর্তিত থাকবে। আসুন পুনরায় সংযোগ স্থাপন করি, পুনর্গঠন করি এবং জুলাইয়ের আসল চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করি।’
পড়ুন: আমাকে প্রশ্ন করায় সাংবাদিকদের চাকরি গেছে, এটি হাস্যকর: ফারুকী
৪১৮ দিন আগে
জুলাইয়ে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে
জুলাই মাসেও জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকছে। রবিবার (২৯ জুন) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় ঘোষিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, জুন মাসের মতো জুলাইয়েও প্রতি লিটার ডিজেলের মূল্য ১০২ টাকা, কেরোসিনের মূল্য ১১৪ টাকা, পেট্রোলের মূল্য ১১৮ টাকা ও অকটেনের মূল্য ১২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এনবিআরের চাকরি অত্যাবশ্যকীয় সেবা, কর্মস্থলে না ফিরলে কঠোর পদক্ষেপ: বিবৃতি
এর আগে, জুন মাসে প্রতি লিটার ডিজেলের মূল্য ১০৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১০২ টাকা, পেট্রোলের দাম ১২১ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৮ টাকা ও অকটেনের দাম ১২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১২২ টাকা করা হয়। তবে কেরোসিনের দাম ১০ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। জুলাই মাসের জন্য কেরোসিনে তেলের দামও অপরিবর্তিত থাকবে।
৪২২ দিন আগে
জুলাই থেকে কলেজ শিক্ষকদের বদলি অনলাইনে: শিক্ষা উপদেষ্টা
আগামী জুলাই মাস থেকে কলেজ শিক্ষকদের বদলি সম্পূর্ণ অনলাইনে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।
বুধবার (৪ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে শিক্ষা উপদেষ্টা এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, 'বদলি, পদোন্নতি এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের মতো কাজে যেন শিক্ষকরা হয়রানির শিকার না হন, এই প্রক্রিয়াগুলো আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা হচ্ছে। আগামী জুলাই থেকে কলেজে অনলাইন বদলি ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। এরই মধ্যে যার ডামি প্রেজেন্টেশন এখানে হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের সেখানে রাখা হয়েছিল।'
উপদেষ্টা বলেন, 'আমরা মনে করি এতে শিক্ষকদের বদলির অনেক সমস্যা দূর করা যাবে। এখানে সাবজেক্টিভ এলিমেন্ট প্রশাসকরা যাতে তাদের ইচ্ছামত না করে নিয়ম-নীতির মধ্যে... একেবারেই শক্ত একটা ব্যবস্থা আমরা চালু করতে পারব ১ জুলাই থেকে। একইভাবে আমরা স্কুল পর্যায়ে শিক্ষকদের বদলির সেই ব্যবস্থা আমরা কয়েক মাসের মধ্যে চালু করব।'
'শিক্ষকদের বদলি ট্রান্সপারেন্ট এবং অ্যাকাউন্টেবল করা যথেষ্ট সম্ভব। সেই ব্যবস্থাটা নেওয়া হচ্ছে।'
আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষায় বাধা দূর করতে পদ্ধতিগত পরিবর্তনের উদ্যোগ নেব: শিক্ষা উপদেষ্টা
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, 'বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তি শিক্ষকরা। তারা শুধু পাঠদানের জন্য নন, তারাই হলেন নেতৃত্ব, মূল্যবোধ ও নতুন প্রজন্ম গঠনের কারিগর। এই বিশ্বাস থেকে আমরা শিক্ষকদের রূপান্তরের কেন্দ্রে রাখতে চাই। আমরা চাই এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে, যেখানে শিক্ষকরা স্বীকৃতি মর্যাদা ও পেশাগত স্বাধীনতা পাবেন।'
তিনি বলেন, 'শিক্ষকরা যাতে নীতি নির্ধারণী ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রেও নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পান—সেই ব্যবস্থা করতে আমরা চেষ্টা করব।'
অভিযোগ আছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসে শিক্ষকরা অসম্মানিত হন—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, 'কাউকে অসম্মান করার বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স।'
৪৪৬ দিন আগে
জুলাইয়ের মধ্যে জাতীয় সনদ তৈরি করা সম্ভব: আলী রীয়াজ
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনার মাধ্যমে জুলাই মাসের মধ্যেই একটি জাতীয় সনদ তৈরি করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
সোমবার (২৬ মে) ঢাকায় সংসদ ভবনের এল. ডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্য অগ্রগতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে অধ্যাপক আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন।
এ সময় কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে অধ্যাপক আলী রীয়াজ কমিশনের কাজের অগ্রগতি বিষয়ক প্রতিবেদন পাঠ করেন৷
এতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন থেকে সংস্কার প্রস্তাব সম্পর্কিত ছয়টি কমিশনের প্রতিবেদনের অনুলিপি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক দলগুলোকে পাঠানো হয়। গত ৫ মার্চ কমিশনের চুড়ান্ত প্রতিবেদন থেকে গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশমালা রাজনৈতিক দল এবং জোটের কাছে মতামত প্রদানের জন্য পাঠানো হয়৷ যার মধ্যে সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত সুপারিশ ছিল ৭০টি, নির্বাচন ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিষয়ে ২৭টি, বিচার বিভাগ সংক্রান্ত ২৩টি, জনপ্রশাসন সংক্রান্ত ২৬টি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সুপারিশ ২০টি৷ পুলিশ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ প্রশাসনিক স্বিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাস্তবায়ন সম্ভব বলে এই কমিশনের সুপারিশ স্প্রেডশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
আরও পড়ুন: দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় সনদ তৈরির আশ্বাস আলী রীয়াজের
কমিশনের প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, দলগুলোর মতামত পাওয়ার পাশাপাশি গত ২০ মার্চ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের আলোচনা শুরু করে কমিশন এবং ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে গত ১৯ মে পর্যন্ত ঐকমত্য কমিশন মোট ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে ৪৫টি অধিবেশন করে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের আলোচনায় অনেক বিষয়ে যেমন ঐকমত্য হয়েছে এবং বেশকিছু বিষয়ে মতভিন্নতাও রয়েছে। প্রধান বিচারপতি নিয়োগ, স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, নারীদের জন্য ১০০ আসন, বিদ্যমান পাবলিক সার্ভিস কমিশন পুনর্গঠন করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট তিনটি পাবলিক সার্ভিস গঠনসহ অনেকগুলো বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে কমিশনের প্রতিবেদনে জানানো হয়৷ দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা শেষে মতপার্থক্যের বিষয়গুলো সম্পর্কে রাজনৈতিক দলগুলোর চুড়ান্ত অবস্থান জানাতে পারবে বলে আশা করে কমিশন৷
মতবিনিময়কালে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা শুরু করতে চায় কমিশন এবং এই আলোচনা হবে বিষয়ভিত্তিক। তিনি বলেন, সকল বিষয়ে ঐকমত্য হবে না, কিন্তু যেসব মৌলিক বিষয়ে এখনো মতভিন্নতা রয়েছে সেসব বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার জন্যই দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনা করবে কমিশন৷
উল্লেখ্য গত ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। আগামী ১৫ আগস্ট এই কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে৷
৪৫৬ দিন আগে
জুলাই থেকে ইন্টারনেটের দাম ২০ শতাংশ কমবে
চলতি বছরের জুলাই থেকে আইএসপি (ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী) এবং আইআইজি (আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে) স্তরে ইন্টারনেটের দাম ২০ শতাংশ কমবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তাইয়্যেব।
বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সমাজ দিবস উদযাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার(১৫ মে) আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ফয়েজ তাইয়্যেব এই ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ১ জুলাই থেকে আইএসপি এবং আইআইজি স্তরে ইন্টারনেটের দাম ২০ শতাংশ কমানো হবে। পরবর্তীতে ভোক্তা পর্যায়েও দাম কমানো হবে।
তাইয়্যেব মোবাইল অপারেটরদের এই উদ্যোগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার আহ্বান জানান। ‘আমাদের লক্ষ্য নাগরিকদের সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়া।’
আরও পড়ুন: দেশে ৩ স্তরে কমছে ইন্টারনেটের দাম
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. জহুরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ-উল-বারী উপস্থিত ছিলেন।
৪৬৬ দিন আগে
শাবিপ্রবির প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু জুলাইয়ে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাস আগামী জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হবে। শনিবার ( ১০ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: ভারতে মুসলিমদের ওপর সহিংসতার প্রতিবাদে শাবিপ্রবিতে বিক্ষোভ
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে দ্বিতীয় অপেক্ষমাণ তালিকা থেকেই সব আসন পূরণ হয়েছে।
ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা পহেলা জুলাই থেকে নতুন শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। ইতোমধ্যে আমাদের সব আসনে ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি কিছু আসনে ভর্তি বাতিল হচ্ছে। এজন্য ১৫ দিনের মত সময় নিয়ে খালি আসনের বিপরীতে আরেকবার ভর্তির জন্য ডাকা হবে।
৪৭১ দিন আগে