ধর্ম
বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার দেশ।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আয়োজনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে। তাই ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল সব মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম। সেই চেতনা ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।
মন্ত্রী বলেন, একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।
সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সব ধর্মাবলম্বীর জানমাল ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্গাপূজা, রথযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, যাতে কোনো দুর্বৃত্ত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে।
সনাতন সম্প্রদায়ের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, নিজেদের সমস্যা ও দাবি সংগঠিতভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে। সরকার আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে যৌক্তিক দাবিগুলোর ইতিবাচক সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতে হবে। একইসঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মত্যাগের ইতিহাসও স্মরণ রাখতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সমঅধিকারের ভিত্তিতেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা।
১৪ দিন আগে
ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না: তথ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন এমপি।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম বিশ্বাস, ধর্ম চর্চাকে পূঁজি করে কোনো মহল কাউকে পকেটে নেওয়ার চেষ্টা করলে সাধারণ মানুষ তাদের চিহ্নিত করবে। বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব কোনো ধর্মাবলম্বীকে যদি কেউ ব্যবহার করতে চায়, রাষ্ট্রকে কোনো ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করবে, এ ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম বিরোধী।
তিনি আরও বলেন, যখনই ধর্ম বিশ্বাসকে, চর্চাকে কোনো মহল একটি সাম্প্রদায়িক পকেটে পরিণত করার চেষ্টা করবে, সঙ্গে সঙ্গে ধর্মপ্রাণ মানুষ ওই ধর্ম ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করবেন।
স্বপন বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের সমস্ত বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তা কল্যাণকর মনে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষখ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দেসহ পূজা উদযাপন কমিটির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মানিক লাল মূখার্জী।
১৪ দিন আগে
সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
সকল ধর্মের মানুষ যাতে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে এবং সমান অধিকার ভোগ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) গৌতম বুদ্ধের জন্ম তিথি ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’ উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রতিনিধিরা সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি তাদের এ প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই সকল ক্ষেত্রে সমানভাবে অধিকার ভোগ করবে, এটাই বর্তমান সরকারের নীতি।
তিনি বলেন, তার সরকার ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না, বরং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সকল ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না। ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না, অতীতেও আমরা তা করিনি। আমাদের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গ হচ্ছে, যা একটু আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমিও জোর দিয়ে আবারও একই কথা বলতে চাই, ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।’
প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট এবং গৌতম বুদ্ধের মূর্তি তুলে দেন প্রতিনিধি দলের নেতারা।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘বর্তমান সরকারের একটি রাজনৈতিক দর্শন হল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। বাংলাদেশে এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে, একমাত্র বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই দেশের সকল বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে।
‘সুতরাং, আপনারা কেউ নিজেদের কখনোই সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমার, আপনার, আমাদের সবার পরিচয়। আমরা প্রত্যেকে, প্রত্যেক নাগরিক, সকলে আমরা বাংলাদেশি।’
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি পৃথিবীতে অনেকগুলো ধর্ম আছে। প্রতি ধর্মেরই অসংখ্য অনুসারী রয়েছেন। প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করে। প্রতিটি ধর্মেরই কিছু বিধিবদ্ধ নিয়মনীতি রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক যার যার ধর্মীয় নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করলে আমরা সকলে মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র এবং সমাজ নির্মাণ করতে পারব। সুতরাং, প্রতিটি নাগরিক যাতে তার ধর্মীয় রীতি নীতি ও অধিকার বিনা বাধায় স্বাধীনভাবে অনুসরণ-অনুকরণ ও ভোগ করতে পারে, এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব ও অঙ্গীকার।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী প্রত্যেকের জন্যই একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।
‘মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এই দেশটা আমরা স্বাধীন করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের অনুসারী, কে বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী এটি কারো জিজ্ঞাসা ছিল না। তাই, এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার, আমার—আমাদের সকলের।’
বুদ্ধ পূর্ণিমার এই বিশেষ দিনটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ‘আনন্দময় ও তাৎপর্যপূর্ণ’ হয়ে উঠুক–সেই কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
১০৬ দিন আগে
ধর্ম নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে নয়, দেশ পরিচালিত হবে যোগ্যতার ভিত্তিতে। যৌক্তিক সংস্কার শেষে এ দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার দেশ পরিচালনা করবে।’
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকালে জয়পুরহাট সার্কিট হাউস মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাচন প্রসঙ্গে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গত জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশকে তারা নরকে পরিণত করেছিল। ক্ষমতার শেষ দিন পর্যন্ত তারা মানুষ খুন করেছে। এসব গণহত্যার বিচার আমরা চাই। এদেশে প্রত্যেকটি গণহত্যার বিচার হতে হবে। আমরা সরকারকে বলি—অগ্রাধিকার-ভিত্তিতে গণহত্যার বিচার করুন, শহিদদের আত্মা শান্তি পাবে, আহতরা একটু শান্তি খুঁজে পাবে, ১৮ কোটি মজলুম মানুষ খুশি হবে।
আরও পড়ুন: ৭ খাতে সংস্কার ছাড়া নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: জামায়াত সেক্রেটারি
তিনি বলেন, ‘তারা এক মাসের ভেতরে দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ খুন করল। যেনতেনভাবে আমাদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য তারা জীবন দেয় নাই। তারা জীবন দিয়েছে একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে। তারা একটা মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চায়, একটা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চায়। বাংলাদেশে আবার দুঃশাসন না যেন আসে—তা তারা দেখতে চায়। এ জন্য অবশ্যই একটা অর্থবহ নির্বাচনের দিকে যেতে হবে জাতিকে।’
সেই নির্বাচন করতে হলে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করতে হবে জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘সেজন্য জামায়াতে ইসলামী এই (অন্তর্বর্তী) সরকারকে ৫ তারিখেই বলে দিয়েছে—প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধনের জন্য আমরা যৌক্তিক সময় দিতে চাই, তাড়াহুড়ো করে আমরা ক্ষমতায় যেতে চাই না, আবার কেউ তাড়াহুড়ো করে ক্ষমতায় যাক তা-ও আমরা চাই না। আমরা চাই একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আল্লাহ তা’আলা যাদের সুযোগ দেবেন, জনগণ যাদের ভালবাসবে ও সমর্থন দেবে, তারা যেন বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়।’
জয়পুরহাট জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. ফজলুর রহমান সাঈদের সভাপতিত্বে কর্মী সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সরকারি সেক্রেটারি জেনারেল ও বগুড়া অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে সুরার সদস্য অধ্যাপক মাওলানা আব্দুর রহিম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: ‘বৈষম্যহীন, দুঃশাসনমুক্ত বাংলাদেশ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত জামায়াত থামবে না’
অন্যান্যের মধ্যে বগুড়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক, সিরাজগঞ্জ জেলা আমির শাহিনুর আলম, দিনাজপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক,জয়পুরহাট জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া মন্ডল, সহকারী সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটন, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, প্রকৌশলী আব্দুল বাতেনসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
৫৬১ দিন আগে
শ্রীমঙ্গলে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতির র্যালি ও মানববন্ধন
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বৈষম্যহীন,অহিংস ও শান্তি সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে শ্রীমঙ্গলে র্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় রুপান্তর আস্থা প্রকল্পের যুব ফোরামের সদস্যরা র্যালি ও মানববন্ধনের আয়োজন করে।
আরও পড়ুন: পেনশন স্কিম: বাকৃবিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের মানববন্ধন
র্যালিতে অংশগ্রহণ করে যুব ফোরামের সদস্য চা শ্রমিক, কলেজের শিক্ষার্থী, উন্নয়নকর্মী, ধর্মীয়নেতাসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। র্যালিটি শ্রীমঙ্গল চৌমোহনা থেকে শুরু করে কলেজ রোডে শেষ হয়।
জেলা নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সদস্য পরিমল সিং বাড়াইক বলেন, ‘শ্রীমঙ্গলে নানা জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মের মানুষের বসবাস। এরা সবাই এক হয়ে মিলেমিশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন।’
ইমাম মো. ফুরকান মিয়া বলেন, ‘শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে সব ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করতে হবে। দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
কলেজ শিক্ষার্থী মো. আরিফ বকস বলেন, ‘সব জাতি গোষ্ঠী, ধর্ম বর্ণের মানুষেরা একই রক্তে মাংসে গড়া। সকলে একটি বৈষম্যহীন, অহিংস বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন।’
জেলার নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সদস্য পরিমল সিং বাড়াইক, যুব ফোরামের আহ্বায়ক মো. আফজাল হোসেন, কলেজ শিক্ষার্থী মো. আরিফ বকস, মসজিদের ইমাম মো. ফুরকান মিয়া ও সদর উপজেলার যুব ফোরামের আহ্বায়ক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মৌলভী বাজার জেলার নেতা শিপন দেবসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় নরসিংদীতে মানববন্ধন
৭২৪ দিন আগে
পারস্পরিক সহমর্মিতা-বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: মোমেন
পারস্পরিক সহমর্মিতা ও বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেন, সব মানুষ এক মহান সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত পুরোহিত ও সেবাইত সম্মেলন ২০২৩- এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মোমেন।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মন্ত্রী বলেন, মানবতাকে আমাদের সবকিছুর উপরে স্থান দিতে হবে।
এক ধর্ম সম্পর্কে অন্য ধর্মের অনুসারীদের জানা ও বোঝার চেষ্টা বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করে মোমেন বলেন, এই দেশ সবার। আমরা সবাইকে নিয়েই বঙ্গবন্ধুর উন্নত সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়তে চাই।
ধর্মীয় ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুরোহিত ও সেবাইতদের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক শিখা চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) হোসাইন মো. আল-জুনায়েদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ দাশ, হিন্দু কল্যাণ বোর্ডের ট্রাস্টি অশোক মাধব রায় ও ইঞ্জিনিয়ার পি. কে. চৌধুরী এবং হিন্দু কল্যাণ বোর্ডের সচিব ড. কৃষ্ণেন্দু কুমার পাল।
আরও পড়ুন: যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, পেছানো হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংসতা বন্ধে সব দলকে আন্তরিক হতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৯৯৩ দিন আগে
বাংলাদেশে সব ধর্মের নাগরিকের অধিকার সমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের নাগরিকের অধিকার সমান। সব সম্প্রদায়ের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে লড়াই করে আমরা বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছি। সবাই একসঙ্গে থাকলে আমরা সব ক্ষেত্রে অবশ্যই সফল হব।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে কামাল আতাতুর্ক পার্কে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন ড. মোমেন।
আরও পড়ুন: আমরা এগুলোকে গুরুত্ব দিই না: বিএনপির কর্মসূচি সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আনন্দিত এজন্য যে সমাজের দুষ্ট লোকগুলোকে পরাজিত করেছি। শুধু পূজার সময় না, সারা বছরই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যাতে এই দুষ্ট লোকগুলোর আর কখনো উত্থান না হয়।
এসময় ড. মোমেন সকলের সহযোগিতায় বাংলাদেশে একটি অসাম্প্রদায়িক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বিদেশিদের ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্রটি দেখা উচিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১০২৫ দিন আগে
ধর্মের নামে নিরাপরাধ মানুষ হত্যার অনুমতি দেয় না ইসলাম: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের আলেম-উলামাদের ধর্মীয় কুসংস্কার, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে তার সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কেউ ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে শিশুদের বিপথগামী করতে না পারে।
তিনি বলেন, ‘ধর্ম, কুসংস্কার, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে আপনাদের সহযোগিতা চাই। আমরা বিশেষ করে আপনাকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করছি যাতে আমাদের বাচ্চারা ভুল পথ অনুসরণ না করে।’
আরও পড়ুন: পাবনার ৯০ বছর বয়সী বৃদ্ধাকে বাড়ি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
রবিবার (১৩ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আয়োজিত জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ২০২৩ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি শান্তির ধর্ম ইসলামের মর্যাদা রক্ষার জন্য দেশের ইসলামিক স্কলারদের প্রতি আহ্বান জানান।
সন্তানরা কোথায় যায় এবং কার সঙ্গে মেলামেশা করে তা দেখার জন্য মা-বাবা ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বের গুটিকয়েক মানুষের সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতার কারণে শান্তির ধর্ম ইসলামের বদনাম হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘এই সন্ত্রাসীরা ইসলামের নামে পরিচিত হবে এটা আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, মুষ্টিমেয় কিছু লোক আমাদের ধর্মকে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে ব্যবহার করে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি জানেন না যে তাদের কে শিখিয়েছে কেউ মানুষকে হত্যা করলে সে স্বর্গে যেতে পারে।
তিনি বলেন, ‘এটা কোরানের কোথাও লেখা নেই এবং নবী (সা.)ও বলেননি। বিদায়ী হজের ভাষণে তিনি মুসলমানদের সব ধর্মের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শনের আহ্বান জানান। এটি ইসলামের মর্মকথা।’
তিনি বলেন, বিচার দিবসে একমাত্র আল্লাহই সর্বোচ্চ বিচারক হবেন।
আরও পড়ুন: বিএনপি-জামায়াতের পেছনে কোনো বৈশ্বিক শক্তি নেই: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আল্লাহ কাউকে চূড়ান্ত বিচারের দায়িত্ব দেননি। রাসুল (সা.) কাউকে বলেননি। তাহলে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে বেহেশতে যাবে কীভাবে? বলা হয়, আপনি যদি নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেন তবে আপনি নরকে যাবেন।’
তিনি বলেন, ইসলামে আত্মহত্যা করা মহাপাপ। ইসলামে বলা হয়, যদি তুমি আত্মহত্যা কর তাহলে বেহেস্তে যেতে পারবে না।
তরুণ শিশু-কিশোরদের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘তারা বিশ্বাস করে আত্মঘাতী হামলায় মানুষ হত্যা করে তারা স্বর্গে যাচ্ছে। তাদের অবশ্যই এই পথ থেকে বাধা দিতে হবে।’
ধর্মের নামে সন্ত্রাসের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা সব ধর্মের লেবাস ব্যবহার করে। ‘সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসী। তাদের কোনো ধর্ম নেই, দেশ নেই। সন্ত্রাসবাদই তাদের ধর্ম।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, ধর্মবিষয়ক সচিব মো. এ হামিদ জমাদ্দার প্রমুখ, পিএইচপি গ্রুপের চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা বোর্ডের মহাপরিচালক মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী এবং চট্টগ্রামের মাওলানা সালাহউদ্দিন নানোপুরী প্রমুখ।
সবাইকে ধন্যবাদ দেন দ্বিনি সেবা ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এম আবুল কালাম আজাদ। এর আগে প্রধানমন্ত্রী প্রতিযোগিতায় বিজয়ী পাঁচজনের মধ্যে পাঁচটি পুরস্কার বিতরণ করেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আল-কায়েদার হাতে অপহৃত জাতিসংঘের বাংলাদেশি কর্মকর্তার সাক্ষাৎ
১০৯৭ দিন আগে
দেশে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে বসবাস করে: পার্বত্যমন্ত্রী
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে বসবাস করে।
তিনি বলেন, ‘খারাপ মানুষ কোনো দল বা ধর্মের নয়। সমাজে যারা অপরাধী ও সন্ত্রাসী তাদের কোনোভাবেই রেহাই দেওয়া হবে না। সরকার কোনোভাবেই এ ধরনের খারাপ লোকদের বরদাস্ত করবে না।’
বৃহস্পতিবার পিআইডির এক প্রেস নোটে জানানো হয়েছে, বান্দরবান সদরের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক পূজা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে থাকবে এটাই বঙ্গবন্ধুর নীতি, লক্ষ্য ও আদর্শ।
মারমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান সাংগ্রাই উদযাপনের জন্য উশৈসিং সেখানে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নেন। মিছিলটি বান্দরবান রাজার মাঠ থেকে শুরু হয়ে বান্দরবান শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
সাংগ্রাই হলো বাংলাদেশি মারমা এবং রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের নাম, যা প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পালিত হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রী নতুন বছরকে (বাংলা বছর) স্বাগত জানিয়ে বিগত বছরকে বিদায় জানিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
এ সময় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নেতারা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১২১৯ দিন আগে
দেশের সব ধর্মের অধিকার সমুন্নত রেখেছে আ.লীগ সরকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সব ধর্মের অনুসারীদের অধিকার নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগ সব সময় কাজ করে যাচ্ছে।
বুধবার বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা তার সরকারি বাসভবন গণভবনে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন।
আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করে তখনই সব ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করে।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
শেখ হাসিনা পুনর্ব্যক্ত করেন যে ধর্ম ব্যক্তির কিন্তু উৎসব সবার।
তিনি প্রতিনিধি দলকে বলেন, তার সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাস গুপ্তের নেতৃত্বে নেতারা বলেন, বর্তমানে দেশে চাকরি, নিয়োগ, পদোন্নতির মতো সব ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর হয়েছে।
তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান কারণ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জি উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ইরান-বাংলাদেশ বাণিজ্য প্রসারে একত্রে কাজ করার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর
ডা. জাফরুল্লাহ অত্যন্ত স্পষ্টবাদী, দুঃশাসন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন: বিএনপি
১২২০ দিন আগে