সফর
শনিবার ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন। সফরে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন তিনি। এছাড়া, ত্রিশালে একটি খালের পুনর্খনন কাজেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে নজরুল বইমেলা এবং গ্রামীণ মেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, আগামীকাল (শনিবার) প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যসূচি অনুযায়ী, তিনি শনিবার সকাল ৯টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে ত্রিশাল রওনা হবেন।
দুপুর ১২টার দিকে তিনি বালর ইউনিয়নে ‘ধরার খাল’ পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন করবেন।
ত্রিশাল ডাকবাংলোতে জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর প্রধানমন্ত্রী দুপুর ৩টায় ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।
পরবর্তীতে বিকেল ৫টায় তিনি ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপি শাখার এক সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন।
তারেক রহমান সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে ত্রিশাল ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
৫ দিন আগে
আগামীকাল চাঁদপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
আগামীকাল (শনিবার) চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে খাল পুনর্খনন ও ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন তিনি।
শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।
তিনি জানান, সড়কপথে এসে প্রধানমন্ত্রী দুপুরে জেলার শাহরাস্তি উপজেলার খোদ্দাখাল পুনর্খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এরপর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ঘোষেরহাট গ্রামে বিশ্বখাল পুনর্খনন কাজেরও উদ্বোধন করবেন তিনি। বিকেলে চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সদর উপজেলার মেঘনা পাড়ের দুর্গম চর রাজরাজেশ্বরের ৬ শতাধিক মানুষের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
এমপি মানিক বলেন, ‘আমাদের দাবি হচ্ছে চাঁদপুর-হাইমচরের সার্বিক উন্নয়ন। এর মধ্যে চাঁদপুরে একটি ইপিজেড স্থাপন এবং একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা যাতে চাঁদপুর সদর, হাইমচর, লক্ষ্মীপুর ও শরীয়তপুরের শতসহস্র নদীসিকস্তি এলাকার বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইপিজেডের জন্য ২০০ থেকে ২৫০ একর জমির প্রয়োজন। এটি বাস্তবায়িত হলে কমপক্ষে দেড় লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী এটি করে দেবেন।’
ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, চাঁদপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল ইতোমধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। তবে ফ্যাসিবাদী কিছু লোক এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের আরেকটি দাবি হচ্ছে, মতলব উত্তরের ষাটনল থেকে চাঁদপুর সদর হয়ে হাইমচর উপজেলার জালিয়ারচর পর্যন্ত মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার এলাকায় নদীপাড়ের অব্যাহত ভাঙন রোধে স্থায়ী নদীতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। বাঁধ নির্মাণ হলে নদীভাঙনে আর কেউ গৃহহারা হবে না, সহস্র গৃহহীন মানুষের বুকফাটা কান্না থেমে যাবে।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নদীবন্দর চাঁদপুরে এটিই তারেক রহমানের প্রথম সফর। চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনই বিএনপির দখলে রয়েছে।
এমপি মানিক বলেন, ইতোমধ্যে এ সফরকে কেন্দ্র করে জেগে উঠেছে চাঁদপুর সদর ও শাহরাস্তির সর্বস্তরের জনগণ। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ সময় চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আ মান্নান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সলিম উল্লাহ সেলিম, প্রেসক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী এবং জেলা বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন ।
১২ দিন আগে
১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ১৬ মে চাঁদপুর এবং ২৫ মে ফেনী জেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৬ মে) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, খাল-খনন কর্মসূচি চলমান রয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে চাঁদপুর ও ফেনীতে খাল-খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আগামী ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে যাচ্ছেন। সেখানে অনেকগুলো কর্মসূচি রয়েছে। তিনি সেখানে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। সারা বাংলাদেশে ইতোমধ্যে যেসব জেলায় তিনি যাচ্ছেন, খাল খনন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আপনারা জানেন যে আমরা আগামী পাঁচ বছরব্যাপী সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। সে অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় গিয়ে খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন। আমাদের মন্ত্রী-এমপিরা সবাই যার যার এলাকায় এই কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি বলেন, যেহেতু বর্ষাকাল প্রায় চলে এসেছে, আমরা হয়তো এই মে মাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি কন্টিনিউ (চলমান) রাখতে পারব। বর্ষা শেষে আবার আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর-জানুয়ারির দিকে আমরা এই কর্মসূচি চালু কর।
মন্ত্রী বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগে মে মাসে প্রধানমন্ত্রী দুইটি জেলায় যাচ্ছেন সেটা হলো চাঁদপুর এবং ফেনী। ফেনীতে যাবেন ২৫ মে এবং চাঁদপুর যাচ্ছেন ১৬ মে।
পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রায় এক ঘণ্টার এ বৈঠকটি সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভ্যবতা জরিপ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে, সরকার শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান পানি সম্পদ মন্ত্রী।
২১ দিন আগে
পাবনা সফর শেষে আগামীকাল ঢাকায় ফিরবেন রাষ্ট্রপতি
চার দিনের সরকারি সফর শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার নিজ জেলা পাবনা থেকে ঢাকায় ফিরবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টায় পাবনা ক্যাডেট কলেজ থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার।
সফরকালে রাষ্ট্রপতি গতকাল (রবিবার) সকাল ১১টা ১০ মিনিটে আরিফপুর সদর কবরস্থানে গিয়ে তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। পরে সন্ধ্যা ৭টায় তিনি পাবনা প্রেসক্লাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
এছাড়া আজ তিনি ভবানীপুর মসজিদ পরিদর্শন করেন এবং সন্ধ্যায় জুবিলী ট্যাংক এলাকায় নিজের বাসভবনে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তার।
গত ২৮ মার্চ চার দিনের সফরে পাবনা যান রাষ্ট্রপতি। সেদিন দুপুরে বঙ্গভবন থেকে হেলিকপ্টারে রওনা হয়ে পাবনার শহিদ অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন স্টেডিয়ামে অবতরণ করেন তিনি। সেখানে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
এ সময় পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশিদ, রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. শাহজাহান, পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আঁখিনূর ইসলাম রেমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্টেডিয়াম থেকে পাবনা সার্কিট হাউসে গিয়ে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি।
৫৮ দিন আগে
রাশিয়া-ক্রোয়েশিয়া সফর: দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছয়দিনের সফর শেষে শনিবার (১২ এপ্রিল) দেশের মাটিতে পা রাখেন তিনি।
সফরকালে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান, ডেপুটি ডিফেন্স মিনিস্টারসহ উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ক্রোয়েশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে তার।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এমন তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ৭ এপ্রিল রাশিয়ার ডেপুটি ডিফেন্স মিনিস্টার জেনারেল এ ফোমিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান।
এ সময়ে তারা দুই দেশের সেনাবাহিনীর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, প্রশিক্ষণ সহায়তা, দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন ও পারস্পরিক আস্থা সৃষ্টি, রাশিয়াতে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি, উচ্চশিক্ষা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে সহযোগিতা এবং যৌথ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন।
রাশিয়ান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওলেগ সালিইউকভের সঙ্গে তিনি দেখা করেন ৮ এপ্রিল। দুদেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি, প্রশিক্ষণ সহায়তা, বিশেষ করে সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষনার্থী বিনিময় এবং যৌথ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়াদিসহ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
আরও পড়ুন: সরকারি সফরে রাশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
এছাড়াও রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থা রোসাটামের মহাপরিচালকের সাথে রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের ভৌত সুরক্ষা ব্যবস্থার কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ব্যবস্থাকরণের ব্যাপারে আলোচনা করেন তারা।
গত ১০ এপ্রিল ক্রোয়েশিয়া সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান ক্রোয়েশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল তোহিমির কুন্দিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা শিল্প স্থাপনের সম্ভাব্য সুযোগ, যৌথ সামরিক মহড়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
গত ৬ এপ্রিল সরকারি সফরে রাশিয়া এবং পরবর্তীতে গত ১০ এপ্রিল ক্রোয়েশিয়া গমন করেছিলেন ওয়াকার-উজ-জামান।
৪১০ দিন আগে
‘অত্যন্ত সফল’ চীন সফর শেষে রাতে দেশে ফিরছেন প্রধান উপদেষ্টা
চীনে চার দিনের সরকারি সফরকে ‘মাইলফলক’ ও ‘অত্যন্ত সফল’ আখ্যায়িত করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের আজ (শনিবার) রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
শনিবার (২৯ মার্চ) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ইউএনবিকে জানান, বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ড. ইউনূসকে বিদায় জানান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের চিফ প্রটোকল অফিসার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী হং লেই।
আরও পড়ুন: বিমসটেক ইয়াং জেন ফোরামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ড. ইউনূস
এর আগে, চার দিনের সফরে ২৬ মার্চ চীন পৌঁছান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার (বিএফএ) মহাসচিবের আমন্ত্রণে ২৬ ও ২৭ মার্চ দেশটির হাইনান প্রদেশে অনুষ্ঠিত বিএফএ বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫-এ যোগ দেন তিনি। সম্মেলনের সাইডলাইনে ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চীনের স্টেট কাউন্সিলের ভাইস প্রিমিয়ার ডিং জুয়েশিয়াং।
তারপর চীন সরকারের আমন্ত্রণে ২৭ থেকে ২৯ মার্চ বেইজিং সফর করেন প্রধান উপদেষ্টা। এর মধ্যে গতকাল (শুক্রবার) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন অধ্যাপক ইউনূস। সেখানে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের।
বৈঠককালে উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যুতে মতবিনিময় করে উভয় পক্ষ। আলোচনাগুলোতে দুপক্ষ ব্যাপকভাবে ঐকমত্যেও পৌঁছায়।
আজ (শনিবার) সকালে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ড. ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশে বক্তৃতা দেন প্রধান উপদেষ্টা।
আরও পড়ুন: স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকুন: ড. ইউনূস
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট, বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের চেয়ারম্যান হে গুয়াংচাইসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট, পরিষদ চেয়ারম্যান ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের একটি ছোট্ট দল তাকে স্বাগত জানান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বৈঠকও করেন মুহাম্মদ ইউনূস।
৪২৪ দিন আগে
ড. ইউনূসকে আলজেরিয়া সফরের আমন্ত্রণ
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে দেশটি সফরের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলুয়াহাব সাইদানী এই আমন্ত্রণ জানান।
আলজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রীকেও বাংলাদেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান প্রধান উপদেষ্টা। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক গভীর করার লক্ষ্যে আলজেরিয়ার ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল ঢাকায় পাঠানোর অনুরোধ জানান ড. ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বলেন, তার দেশ বাংলাদেশকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে এবং আগামী মার্চে তাদের জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা সফর করবেন।
তিনি বলেন, টেক্সটাইল, পাট, ওষুধ, খাদ্য ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যসহ বাংলাদেশ থেকে আরও পণ্য আমদানির পরিকল্পনা করছে আলজেরিয়া।
প্রধান উপদেষ্টা কাউন্সিল অব ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও), জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল (ইউএনএইচআরসি) এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচনে বাংলাদেশের পক্ষে আলজেরিয়ার সমর্থন কামনা করেন।
২০২৬-২০২৭ মেয়াদে 'সি' ক্যাটাগরিতে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) কাউন্সিলের নির্বাচন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও আরও কর্মী নিতে আমিরাতের প্রতি ড. ইউনূসের আহ্বান
জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের (ইউএনএইচআরসি) ২০২৮-২০৩০ মেয়াদের জন্য নির্বাচন ২০২৭ সালে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ ২০৩১-২০৩২ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী পদের জন্যও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। নির্বাচনটি নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে।
এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক বি এম জামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
৪৫৭ দিন আগে
বিমসটেক মহাসচিবের শ্রীলঙ্কা সফর: আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
আঞ্চলিক সংস্থা বিমসটেকের মহাসচিব ও এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইন্দ্র মণি পান্ডে শ্রীলঙ্কায় সরকারি সফর করে আঞ্চলিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সাম্প্রতিক সফরকালে তিনি শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ড. হরিনি আমারাসুরিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় বিমসটেকের প্রতি শ্রীলঙ্কার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন ড. হরিনি। একই সঙ্গে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেন তিনি।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমসটেক ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় এসব খাতে আঞ্চলিক সহযোগিতার নেতৃত্ব দিচ্ছে শ্রীলঙ্কা।
আরও পড়ুন: ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে বিদেশ সফর শুরু হবে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের
মহাসচিব পান্ডে শ্রীলঙ্কা সরকারের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, শ্রীলঙ্কা কেবল তাদের নেতৃত্বাধীন খাতগুলোতেই নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও আঞ্চলিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।’
সফরকালে তিনি শ্রীলঙ্কার বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও কর্মকর্তার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।
আরও পড়ুন: নয়াদিল্লিতে বিমসটেক রিট্রিটে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান
বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাতটি দেশ বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড নিয়ে বিমসটেক গঠিত।
এটি সাতটি বিস্তৃত খাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা দিয়ে থাকে। খাতগুলো হলো— কৃষি এবং খাদ্য সুরক্ষা, কানেক্টিভিটি, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন, নিরাপত্তা এবং বাণিজ্য-বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন।
সুনীল অর্থনীতি, পাহাড় কেন্দ্রিক অর্থনীতি, জ্বালানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ আটটি উপখাতে সহযোগিতাকে অন্তর্ভুক্ত করে।
আরও পড়ুন: ১৬-১৯ জুলাই ঢাকায় বিমসটেকের ৫ম বৈঠক
৪৭০ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফরশেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফরশেষে শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সফরকালে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তিরক্ষা মিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাপ্রধানসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং কানাডার উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
গত ১৭ অক্টোবর সেনাবাহিনী প্রধান নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনস বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জি পিয়েরে ল্যাক্রইক্স, ডিপার্টমেন্ট অব অপারেশনাল সাপোর্ট বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অতুল খের, জাতিসংঘের মানবাধিকার-সংক্রান্ত হাইকমিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ইলজে ব্র্যান্ডস কেহরিস, আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল, ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্যাল ও পিস বিল্ডিং অ্যাফেয়ার্সের পক্ষে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ খালেদ খিয়ারি এবং ডাইরেক্টর অব অফিস ফর পিস কিপিং স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপ জেনালের জেই মেননের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এসব বৈঠকে সেনাপ্রধান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং নীতি নির্ধারণী/ফোর্স কমান্ড পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে গুরুত্বারোপ করেন।
পাশাপাশি, সেনাবাহিনী প্রধান র্যাব ফোর্সেসে প্রেষণে নিয়োজিত থাকাকালীন সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের শান্তিরক্ষা মিশনে নির্বাচিত না করার বিষয় সবাইকে জানান। এছাড়াও, তিনি বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতিতে অন্তবর্তীকালীন সরকারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চলমান কর্মকাণ্ডের উপর আলোকপাত করেন। সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সরকার এবং সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে আর্থ-সামাজিক ও শান্তি শৃঙ্খলার উন্নয়নে গৃহীত নানামুখি ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। তিনি বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী কন্টিনজেন্টসমূহ কর্তৃক স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনার বিষয়ও তাদের জানান। মিশনে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের মধ্যে শান্তিরক্ষাবিষয়ক প্রশিক্ষণ বিনিময়, আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ মিশন সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়াদি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। সেনাবাহিনী প্রধান জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের জোরালো ভূমিকা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, সেনাপ্রধান নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন পরিদর্শন করেন এবং স্থায়ী প্রতিনিধির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। গত ২২ অক্টোবর সেনাপ্রধান ওয়াশিংটন ডিসির পেন্টাগনে যুক্তরাষ্ট্রের চিফ অব স্টাফ অব দি আর্মি জেনারেল র্যান্ডি এ জর্জের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনায় অংশ নেন। সাক্ষাৎকালে তারা দুই দেশের সেনাবাহিনীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন, প্রশিক্ষণ সহায়তা, দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারস্পরিক আস্থা সৃষ্টি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা, দুর্যোগ পরবর্তী মানবিক সহায়তা, যৌথ প্রশিক্ষণ-সংক্রান্ত বিষয়াদি আলোচনা করেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র সেনাপ্রধানের বৈদেশিক নীতিবিষয়ক উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, সেনাবাহিনী প্রধান যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব ডিফেন্স অফিসের ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তাবিষয়ক সহকারী সামরিক সচিব ড. এলি রাটনারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময়ে ইন্দো-প্যাসিফিক দেশসমূহ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ সহকারী এবং দক্ষিণ এশিয়া-সংক্রান্ত জ্যেষ্ঠ পরিচালক লিন্ডসি ডব্লিউ ফোর্ডসহ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের দক্ষিণ এশিয়া-সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের সহকারী সচিব ডোনাল্ড লুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
আরও পড়ুন: সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা গেলেন সেনাপ্রধান
সাক্ষাৎকালে সেনাপ্রধান দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সরকারের সমর্থনে সেনাবাহিনীর বিবিধ কার্যকলাপ সম্পর্কে জানান। কানাডা সফরকালে সেনাপ্রধান ভাইস চিফ অব কানাডিয়ান ডিফেন্স স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্টিফেন আর কেলসির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তিনি বাংলাদেশী শিক্ষার্থী, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সহজতর করার জন্য কথা বলেন। তিনি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করা বিশেষ করে সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষণার্থী বিনিময়ের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও, কানাডিয়ান পার্লামেন্টের নাগরিকত্ব ও ইমিগ্রেশন বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সংসদ সালমা জাহিদ সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তারা দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। সেনাপ্রধান বিশেষ করে ছাত্রদের এবং কর্মরত/অবসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজতর করা, শিক্ষা বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ পরিচর্যাকারী পাঠানোর মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও, বাংলাদেশে মনোনীত কানাডার হাইকমিশনার এইচ ই অজিত সিং এবং কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাহিদা সোবহান সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
গত ১৫ অক্টোবর সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা যান সেনাপ্রধান।আরও পড়ুন: কানাডার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বৈঠকে ভিসা সহজীকরণ ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় গুরুত্ব
৫৭৯ দিন আগে
জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস
বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে একাধিক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের ফলপ্রসূ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
অধ্যাপক ইউনূস ও তার প্রতিনিধি দল কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে শনিবার(২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টা ৩২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
অধ্যাপক ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম ইউএনবিকে জানান, নিউইয়র্কে চার দিন অবস্থানকালে অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ৪০টিরও বেশি বড় ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন।
আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ২৬ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ ১৬টি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ অন্তত ১২ জন বিশ্ব নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
সবার জন্য স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে 'নতুন বাংলাদেশ' সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশনে দেওয়া ইউনূসের ভাষণে এই আহ্বান জানানো হয়।
আরও পড়ুন: রবিবার রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে অধ্যাপক ইউনূসের
বাংলায় দেওয়া ভাষণে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বাংলাদেশের তরুণরা দেখিয়েছে যে, ভেদাভেদ ও মর্যাদা নির্বিশেষে মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অধিকার সমুন্নত রাখা শুধু উচ্চাকাঙ্ক্ষী হতে পারে না। 'এটা সবার প্রাপ্য।'
অধ্যাপক ইউনূস গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সমতা ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ততা গভীর করার জন্য বিশ্বের সকল দেশকে আমন্ত্রণ জানান।
'এটি একটি যুগান্তকারী বক্তব্য' উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, ভাষণে বাংলাদেশের সমস্যা ছাড়াও বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নানা বিষয়ও উঠে এসেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকসহ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করতে এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২৩ সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে নিউইয়র্ক পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস।
আরও পড়ুন: তরুণ নাগরিকদের পেছনে বিনিয়োগ করতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি অধ্যাপক ইউনূসের আহ্বান
৬০৫ দিন আগে