ধস
১০ বছর আগে ধসেছে সংযোগ সড়ক, এখনও সেতুতে উঠতে বাঁশের সাঁকোই ভরসা
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ৫ নম্বর বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপিডাঙ্গা মৌলভি বাজার এলাকায় প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে নড়বড়ে ও জরাজীর্ণ একটি পাকা সেতু। একসময় এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ছিল এই সেতু। তবে বন্যার পানিতে সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ধসে যাওয়ার পর প্রায় ১০ বছর ধরে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন ১০ গ্রামের অন্তত অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে জনদুর্ভোগ চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাউনিয়া উপজেলার ৫ নম্বর বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপিডাঙ্গা মৌলভি বাজার এলাকার একমাত্র পাকা সেতুটির অবস্থাও এখন নাজুক। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সেতুটির একটি অংশ একপাশে মারাত্মকভাবে হেলে পড়েছে। যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। জরাজীর্ণ এই সেতুটি এখন হাজারো মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
নড়বড়ে এই সেতুর ওপর কাঠ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি সাঁকো বসিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় সেতুটি ধসে পড়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে তৎকালীন সরকারের অর্থায়নে ও এলজিইডির বাস্তবায়নে ৩৭ লাখ ২৪ হাজার ১৮৩ টাকা ব্যয়ে পাকা সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ওই বছরের জুন মাসে সেতুটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম মায়া।
সেতুটি নির্মাণের কয়েক বছর পর বন্যায় তিস্তার পানির তোড়ে এর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। এরপর দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরও সেতুর সংযোগ সড়ক মেরামত না করায় পথচারী ও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে অস্থায়ীভাবে কাঠ ও বাঁশের সমন্বয়ে পাটাতন বসিয়ে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় নিজেরাই সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছে এলাকাবাসী।
মৌলভি বাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়ি চলাচল করে। এছাড়া কৃষিপণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ হওয়ায় বাধ্য হয়েই আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ব্যবহার করছে এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটির এমন বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। রাতের বেলায় সেতুটি দিয়ে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। সেতুর সংযোগস্থল মাটি ভরাট করে পাকাকরণ এবং সেতুর সংস্কারের দাবি জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেছে এলাকাবাসী। তবে সবাই শুধু আশ্বাস দিয়েই বছরের পর বছর পার করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী বলেন, এমন ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে ১০ গ্রামের মানুষ চলাচল করছে। এত এত দুর্ভোগ, কষ্ট, অথচ এলাকার এমপি দেখেন না; কোনো উদ্যোগও গ্রহণ করেন না।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাফিজার রহমান বলেন, ওই ১০ গ্রামে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ বসবাস করে। সমস্যাটি সমাধানে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনেকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বড় সেতু তৈরির টাকা না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
ইউপি চেয়ারম্যান আনছার আলী জানান, নড়বড়ে পাকা সেতুটি ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য প্রকৌশল দপ্তরে ৪ থেকে ৫ বার আবেদন করেও তেমন কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তারপরও চেষ্টা অব্যাহত আছে।
এ বিষয়ে কাউনিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, মৌলভি বাজার এলাকায় নতুন করে একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনও হয়েছে। এ ছাড়াও ফিজিবিলিটি স্টাডি সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি ডিজাইন পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই টেন্ডার অনুমোদন হবে এবং এরপরই নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
১৩ দিন আগে
চীনে অবৈধ খনিতে ধস, নিহত ৫
চীনে একটি অবৈধ খনিতে ধস নেমে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
রবিবার (৩১ মে) দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ইউননান প্রদেশের হুইজে কাউন্টিতে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ দুর্ঘনা ঘটে বলে জানিয়েছে চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।
তবে খনিটি কিসের, তা খবরে উল্লেখ করা হয়নি।
উদ্ধারকারীরা বাইউ গ্রামের ওই স্থানে আটকে পড়া ৬ জনকে বের করে হাসপাতালে পাঠান, কিন্তু তাদের মধ্যে গুরুতর আহত পাঁচজন মারা যান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তির অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
কর্তৃপক্ষ এই দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করছে।
মাত্র এক সপ্তাহ আগে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ কয়লা খনি বিস্ফোরণের শিকার হয় চীন। ওই দুর্ঘটনায় উত্তরাঞ্চলীয় শানসি প্রদেশে কমপক্ষে ৮২ জন নিহত হয়েছিলেন।
সে সময় স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ওই খনির পরিচালকের পক্ষ থেকে গুরুতর আইনের লঙ্ঘন হয়েছিল।
৬৭ দিন আগে
কচুয়ায় উদ্বোধনের আগেই সেতুর সংযোগ সড়কে ধস, জনমনে ক্ষোভ
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি গার্ডার সেতুর উদ্বোধন হওয়ার আগেই এর সংযোগ সড়কে (অ্যাপ্রোচ রোড) ধস দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে সড়কের মাটি ও প্রতিরক্ষা দেওয়াল (গার্ডওয়াল) সরে গিয়ে সেতুর মূল কাঠামো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। নিম্নমানের কাজের অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে ‘প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস’ প্রকল্পের আওতায় এই কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের মাঝিগাছা-নিন্দপুর রঙের বাজার সংযোগ সড়কের হরিপুর গ্রামে প্রায় ১২ মিটার দীর্ঘ এই আরসিসি গার্ডার সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হারুন অ্যান্ড সন্স। প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ ৭১ হাজার ১১৬ টাকা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশের গার্ডওয়ালের নিচের মাটি সরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিশাল ফাটল দেখা দিয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই মাটি ধুয়ে কার্পেটিং নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে সেতুটি চলাচলের জন্য পুরোপুরি উপযোগী হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলী ও জিলানী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সেতুর কাজ এখনো শেষ হয়নি, এর মধ্যেই যদি রাস্তা ভেঙে পড়ে, তাহলে বর্ষাকালে কী হবে? কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে এমন নিম্নমানের কাজ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।
এ বিষয়ে ঠিকাদার মো. হারুনুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে সেতুর সংযোগ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা বর্তমানে মেরামত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে সেটিও সংস্কার করে দেওয়া হবে।
কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলীম লিটন বলেন, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টির কারণে সেতুর কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। তদন্তে কোনো গাফিলতি বা অনিয়ম পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ঠিকাদারকে এখনও চূড়ান্ত বিল দেওয়া হয়নি। কাজের গুণগত মান যাচাই করার পর বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৮৭ দিন আগে
পাকিস্তানে ঈদের ভাতা নিতে গিয়ে ছাদ ধসে ৮ নারী নিহত
পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলের একটি গ্রামে সরকারি কল্যাণ ভাতা নিতে জড়ো হওয়া নারীদের ভিড়ের মধ্যে একটি দোকানের ছাদ ধসে অন্তত আটজন নারী নিহত এবং ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) এ ঘটনা ঘটেছে। উদ্ধারকারী কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।
উদ্ধারকর্মী আশিক মাহমুদ জানান, শতাধিক নারী ভাতা নিতে সেখানে জড়ো হলে দোকানদার কিছু নারীকে ছাদের ওপর উঠতে বলেন এবং অন্যরা দোকানের ভেতরে অবস্থান করেন। তবে অতিরিক্ত ভিড়ের চাপ সহ্য করতে না পেরে ছাদটি ধসে পড়ে।
পাঞ্জাব প্রদেশের রহিম ইয়ার খান জেলায় এসব নারী ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আর্থিক সহায়তা নিতে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।
২০০৭ সালে বন্দুক ও বোমা হামলায় নিহত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর নামে চালু করা বেনজির ইনকাম সাপোর্ট প্রোগ্রামের আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে লাখো নিম্নআয়ের পরিবারের নারী নগদ সহায়তা পেয়ে থাকেন। এ কর্মসূচির আওতায় যোগ্য পরিবারগুলো প্রতি তিন মাসে ১৩ হাজার রুপি (প্রায় ৪৫ ডলার) করে পায়।
রমজান মাসে দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য ও নগদ সহায়তা বিতরণের সময় পাকিস্তানে প্রায়ই ভিড় ও পদদলনের ঘটনা ঘটে। ২০২৩ সালে করাচিতে একটি কারখানার বাইরে রমজানের খাদ্য ও নগদ সহায়তা নিতে গিয়ে শত শত মানুষ ভিড় করলে পদদলনে অন্তত ১১ জন নারী ও শিশু নিহত হয়েছিল।
১৪৩ দিন আগে
ধস কাটিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে বড় উত্থান
ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার আতঙ্কে বড় ধসের পর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজার, বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৯৯ পয়েন্ট, যা গতদিনের তুলনায় ২ শতাংশ বেশি। বাকি দুই সূচক শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস বেড়েছে ২৬ পয়েন্ট এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ শেয়ার ডিএস-৩০ বেড়েছে ২৭ পয়েন্ট।
একদিনের লেনদেনে ডিএসইএসের উত্থান হয়েছে ২.৫০ শতাংশ এবং ডিএস-৩০ এর উত্থান ১.৫০ শতাংশ।
ঢাকার বাজারে লেনদেন হওয়া ৩৯৪ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৭৭ কোম্পানির এবং দাম কমেছে ১০ কোম্পানির। ৭ কোম্পানির শেয়ারের দামে আসেনি কোনো পরিবর্তন।
ক্যাটাগরির হিসাবে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘জেড’— তিন ক্যাটাগরিতেই শেয়ারের দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। এছাড়া লেনদেন হওয়া ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে সবকটির।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ২৮ কোম্পানির ১২ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। মিডল্যান্ড ব্যাংক এবং লাভেলো সর্বোচ্চ ১ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
আরও পড়ুন: বড় পতনের পর উত্থান দিয়ে শুরু শেষ কার্যদিবসের লেনদেন
সারাদিনে ৩৬৬ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৫১৬ কোটি টাকা। মূলত শেয়ার বিক্রির চাপ কমায় লেনদেন কমেছে বলে জানিয়েছে ব্রোকারেজ হাউজ সংশ্লিষ্টরা।
ঢাকার বাজারে ৯.৮৬ শতাংশ দাম বেড়ে শীর্ষে আছে এনআরবিসি ব্যাংকের শেয়ার এবং ৫.৯১ শতাংশ দাম কমে তলানিতে মেঘনা কনডেন্স মিল্ক লিমিটেড।
চট্টগ্রামেও বড় উত্থান
ঢাকার মতোই ভালো উত্থান হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), সার্বিক সূচক বেড়েছে ১১৩ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ১৮৯ কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৯, কমেছে ৪৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ১৫ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ২১ কোটি টাকার ওপরে শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে চট্টগ্রামের বাজারে শেষ কার্যদিবসের শীর্ষ শেয়ার দেশবন্ধু পলিমার, ক্রাউন সিমেন্ট এবং এনআরবিসি ব্যাংক। অন্যদিকে ১০ শতাংশ দর হারিয়ে তলানিতে ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।
৪৫৫ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে সীমানাপ্রাচীর ধসে ২ শ্রমিক নিহত
সিরাজগঞ্জে ড্রেন নির্মাণের সময় বাড়ির সীমানাপ্রাচীর ধসে চাপা পড়ে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
শনিবার (১৫ মার্চ) সকালে পৌর এলাকার ইমরুলের বাড়ির সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে ড্রেনের খনন কাজ করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী মধ্যেপাড়া গ্রামের কমল দাস ও কামারখন্দ উপজেলার চৌদুয়ার গ্রামের রাজা শেখ।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ৩
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, শনিবার ইমরুলের বাড়ির পুরোনো সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে ড্রেনের খনন কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। এ সময় প্রাচীরটি ধসে দুই শ্রমিক ঘটনাস্থলেই নিহত হন ও তিন শ্রমিক আহত হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ওসি বলেন, এই ঘটনায় স্থানীয়দের দাবি, ঠিকাদারের গাফলতির কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে তদন্ত চলছে, শেষ হলে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
৫০৮ দিন আগে
রাশিয়ায় ভবন ধসে নিহত ৪
রাশিয়ার নিঝনি তাগিল শহরে একটি আবাসিক ভবনের আংশিক ধসে পড়ে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার(১ আগস্ট) রাশিয়ার সভেরদলভস্ক ওব্লাস্টের নিঝনি তাগিল শহরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার(২ আগস্ট) দেশটির জরুরি পরিস্থিতি মন্ত্রণালয় (ইএমইআরকম) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার একটি পাঁচতলা ভবনে গ্যাস-বায়ু মিশ্রণের বিস্ফোরণে দুটি প্রবেশদ্বার ধসে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বিস্ফোরণ, নিহত ৪
এতে বলা হয়, ধ্বংসস্তূপ থেকে সাত শিশুসহ মোট ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
নিঝনি তাগিলের জেরঝিনস্কিতে এ ঘটনার পর জেলায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে না, এমন পরিষেবা বা কাজের বিষয়ে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে।
আরও পড়ুন: ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫১
৭৩৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের গার্ডার ধস মামলার রায় ১০ জুলাই
চট্টগ্রামে বহদ্দারহাটে ফ্লাইওভারের গার্ডার ধসে ১৩ জনের মৃত্যুর মামলায় রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ১০ জুলাই। এই মামলার আট আসামির সবাই ঠিকাদার মীর আখতার-পারিসার (জেভি) তৎকালীন কর্মী।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞা এ আদেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহকারি ওমর ফুয়াদ।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু
আসামিরা হলেন- প্রকল্প ব্যবস্থাপক গিয়াস উদ্দিন, মনজুরুল ইসলাম, প্রকৌশলী আবদুল জলিল, আমিনুর রহমান, আবদুল হাই, মোশাররফ হোসেন, মান নিয়ন্ত্রণ প্রকৌশলী শাহজাহান আলী ও রফিকুল ইসলাম।
এদের মধ্যে রফিকুল ইসলামের নাম মামলার এজাহারে ছিল না। তদন্ত শেষে পুলিশ তার নাম অভিযোগপত্রে যুক্ত করেন।
ওমর ফুয়াদ বলেন, ‘মোট ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষের ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাতজন আসামি সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাত কর্মদিবসে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এরপর আদালত ১০ জুলাই রায়ের দিন ধার্য করেছেন।’
২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের তিনটি গার্ডার ভেঙে ১৩ জন নিহত হন। আহত হন অর্ধশতাধিক।
ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ করছিল চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। তখন সিডিএর চেয়ারম্যান ছিলেন বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুস ছালাম।
এ ঘটনার পর ২৬ নভেম্বর নগরীর চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলা করেছিলেন চান্দগাঁও থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ।
মামলায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়।
এরা হলেন- প্রকল্প পরিচালক সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী তানজিব হোসেন ও উপসহকারী প্রকৌশলী সালাহ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।
এছাড়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মীর আক্তার অ্যান্ড পারিশা ট্রেড সিস্টেমসের (জেভি) ১০ জন এবং বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএআরএম অ্যাসোসিয়েটস অ্যান্ড ডিপিএমের ১২ জনকে আসামি করা হয়।
তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর চান্দগাঁও থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম শহীদুল ইসলাম আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এতে সিডিএর তিন কর্মকর্তা, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিনজন এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মতিনসহ ১২ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
শরীয়তপুরে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
৭৭১ দিন আগে
মাগুরায় বিদ্যালয়ের দেয়াল ধসে ৮ শিক্ষার্থী আহত
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার শ্রীপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাদের নিচের কংক্রিটের বিম ভেঙে চাপা পড়ে ৮ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। শনিবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলো- রিথি বেগম (১৩), আম্বিয়া আক্তার (১৪), রিয়া আক্তার (১৩), আশরাদা জান্নাত (১৩), নূপুর খাতুন (১৪), নাদিয়া বেগম (১২), মিতু (১৩) ও মমি আক্তার (১৩)।
এদের মধ্যে- মমি আক্তারকে সদরের ডিজিটাল প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডান হাতের হাড় ভেঙে রিয়া ও দুই হাতের আঙুল ভেঙে নুপুর খাতুনকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ সময় লাইব্রেরিয়ান কায়কোবাদ বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: পার্বতীপুরে ট্যাংকলরি বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২
তিনি জানান, বিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলার ৪০১ নম্বর কক্ষে সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন পরীক্ষা চলছিল। দুপুর পৌনে ১টার দিকে ওই কক্ষের মাঝখানে বাঁশ দিয়ে ঠেকিয়ে রাখা অর্ধেক দেয়ালের অংশ ধসে পড়ে আট শিক্ষার্থী আহত হয়। এদিকে ঘটনার সময় অন্য কোনো শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।
নাসিরুল ইসলাম নামে এক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেয়াল পুরোটা না ভেঙে শুধু বাঁশ দিয়ে ঠেস দিয়ে রাখাটা কোনোভাবেই বিবেচনা প্রসূত কাজ হয়নি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার অধিকারী বলেন, ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। তবে আমি এখন বাইরে আছি।
এ বিষয়ে মাগুরা জেলা প্রশাসক মোহম্মদ আবু নাসের বেগ বলেন, শ্রীপুরে একটি বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালে কংক্রিটের বিম ভেঙে আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। শ্রীপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
খবর পেয়ে শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গৌতম ঠাকুর বলেন, পার্টিশন পুরোটা না ভেঙে বিমের নিচের খানিকটা ওয়াল বাঁশ দিয়ে ঠেস দিয়ে রেখে দেওয়া হয়েছিল। যা মোটেও ঠিক হয়নি। এতে অনেক বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারত।
আরও পড়ুন: ঢাকার কদমতলীতে স্টিল মিলের আগুনে দগ্ধ হয়ে নিহত ১, আহত ৩
সুনামগঞ্জে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
৯৯১ দিন আগে
টেকনাফে মাটির দেয়াল ধসে একই পরিবারের ৪ জন নিহত
কক্সবাজারের টেকনাফ হ্নীলা মৌলভীবাজার এলাকায় মাটির দেয়াল ধসে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১৬ নভেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলা হ্নীলা মৌলভীবাজার মরিচ্যা ঘোনার পানিরছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দেয়াল ধসে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে পাহাড় ও দেয়াল ধসে প্রাণ গেল চারজনের
নিহতরা হলেন, আনোয়ারা বেগম (৫০), ছেলে শাহিদুল মোস্তফা (২০), মেয়ে নিলুফা ইয়াছমিন (১৫) ও সাদিয়া (১১)।
ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেন,বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। মৌলভীবাজার মরিচ্যা ঘোনা এলাকার আনোয়ারা বেগম তার ছেলে-মেয়েদের নিয়ে রাতের খাবার শেষে তাদের মাটির তৈরি ঘরে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুমাতে যান। রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ঘরের মাটির দেয়াল ধসে তাদের ওপর পড়ে। ঘটনাস্থলেই ৪ জনের মৃত্যু হয়। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওসমান গণি বলেন, পুলিশ টিম ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে।
আরও পড়ুন: বাঁশখালীতে অতি বৃষ্টিতে ঘরের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু
৯৯৩ দিন আগে