ভূমিধস
নেপালে নিখোঁজদের প্রতীকী শেষকৃত্য পালন করছেন স্বজনরা
নেপালে গত সপ্তাহের ভয়াবহ বন্যায় এখনও যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের আর জীবীত উদ্ধারের আশা পরিত্যাগ করেছেন স্বজনররা। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতীকী শেষকৃত্য পালন করছেন শোকাস্তব্ধ নেপালবাসী।
নেপালের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর একটি নুয়াকোটে নিখোঁজ স্বজনদের মৃত ধরে নিয়ে কয়েকটি পরিবার এ ধরনের প্রতীকী শেষকৃত্য পালন করেছে। হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে দাহ গুরুত্বপূর্ণ শেষকৃত্য। স্বজনের মরদেহ না পেলেও এই আনুষ্ঠানিকতা পালন কিছু পরিবারের জন্য আধ্যাত্মিক স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নুয়াকোটের মুকুন্দ রিজাল জানান, তার কয়েকজন চাচাতো ভাই ও তাদের মেয়েদের এখনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ কারণে পরিবার তাদের প্রতীকী শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছে।
ত্রিশূলী নদীর তীরে এক পুরোহিত নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের প্রতীক হিসেবে খড় দিয়ে তৈরি অবয়ব তৈরি করেন। পরে সেগুলো ছোট ছোট কাঠের স্তূপ দিয়ে ঢেকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রতীকী চিতাগুলোর চারপাশে হিন্দু দেবতাদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সামগ্রী রাখা হয় এবং স্বজনরা শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন।
নিখোঁজ পর্যটকদের কেউ কেউ যোগাযোগ করেছেন
এদিকে, আগে নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত কয়েকজন বিদেশি পর্যটক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
নেপাল পর্যটন বোর্ডের মুখপাত্র সুনীল শর্মা জানিয়েছেন, আগে নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত অন্তত আরও পাঁচ পর্যটক সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ই-মেইল বা ফোনে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
১২ দিন আগে
নেপাল দৃঢ়তার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
নেপালের উত্তরাঞ্চলে সাম্প্রতিক আকস্মিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে হতাহতের ঘটনায় শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নেপাল দূতাবাসে গিয়ে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন তিনি।
শোক বইয়ে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘আমরা যখন একসঙ্গে দাঁড়িয়েছি, তখন আমরা আত্মবিশ্বাসী যে নেপালের জনগণ দৃঢ়তা ও সাহসের সঙ্গে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা ও শক্তি রাখে।’
গত ২৬ আগস্ট নেপালের উত্তরাঞ্চলে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে পর্যটকসহ শত শত মানুষের মৃত্যু এবং ব্যাপক সম্পদ ও অবকাঠামোর ধ্বংসের ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে নেপাল সরকার ও দেশটির বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহানুভূতি জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
গভীর শোকের এই সময়ে ভয়াবহ এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি বাংলাদেশের আন্তরিক চিন্তা ও প্রার্থনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
১৪ দিন আগে
নেপাল-তিব্বতে বন্যায় নিহত ১০০০ ছাড়িয়েছে; জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে এখনও আটকে বহু শ্রমিক
নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় কাদায় চাপা পড়া জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে শত শত শ্রমিককে উদ্ধারে আজ মঙ্গলবারও জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। তবে নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে পরিবারগুলোর উদ্বেগ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি ক্রমেই আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, দেশটিতে এ পর্যন্ত ৯৮৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৩ হাজার ৯১৬ জন, যাদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিদেশি। অন্যদিকে, চীনা কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ রবিবারের হিসাবে, তিব্বতে ১৬ জনের মৃত্যু এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে ২৬১ জন বিদেশি।
দুই দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ জনে দাঁড়িয়েছে এবং নিখোঁজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪০০-এর বেশি।
নেপালের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত অন্তত ১১ হাজার ৮১৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বন্যা ও ভূমিধসে সড়ক ও সেতু ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া জনপদগুলোতে হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন উড়োজাহাজের মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
এদিকে, নেপালের বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী বেসরকারি খাতের একটি সংগঠন জানিয়েছে, দেশটির রাসুয়া ও নুওয়াকোট জেলায় আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে অন্তত ৯০০ শ্রমিকের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
এসব শ্রমিকের মধ্যে প্রায় ৫০০ জন সুড়ঙ্গে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এক বিশেষজ্ঞের মতে, তাদের কেউ কেউ সুড়ঙ্গের ভেতরে অক্সিজেন পাওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকতে পারেন। তবে অন্যরা বলছেন, জীবিত অবস্থায় তাদের উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্রমেই কমে আসছে। এর মধ্যেই নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কাদায় ভরা তিনটি সুড়ঙ্গ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গেল বুধবার দুর্যোগ শুরু হওয়ার সময় কয়েকজন শ্রমিক ফোন করে সাহায্য চেয়েছিলেন। পরে সেখান থেকে বের হতে সক্ষম হওয়া কয়েকজন শ্রমিক জানান, তাদের অনেক সহকর্মী তখনও সুড়ঙ্গের ভেতরে ছিলেন। ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন, নেপাল (আইপিপিএএন)-এর সভাপতি মোহন কুমার দাঙ্গি এ তথ্য জানিয়েছেন।
তবে শুরুতে সাহায্য চাওয়ার পর থেকে আটকা পড়া শ্রমিকদের সঙ্গে উদ্ধারকারীদের আর কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
দুর্যোগের ছয় দিন পর কিছু শ্রমিকের দমবন্ধ হয়ে মারা যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন দাঙ্গি।
পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে তৈরি বিশাল সুড়ঙ্গ
পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্মিত বিশাল সুড়ঙ্গগুলোতেই আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অস্ট্রিয়ার গ্রাৎস বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞানী জ্যাকব স্টেইনার বলেন, এসব সুড়ঙ্গ এতটাই বড় যে এর ভেতর দিয়ে ট্রাক চলাচল করতে পারে। তার ভাষ্য, ভেতরে আটকা পড়া কয়েকজন শ্রমিকের কাছে অক্সিজেন পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন এবং তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তবে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, কারণ শ্রমিকদের খাবার ও পানির প্রয়োজন।
১৪ দিন আগে
নেপালে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা, নিহত ৮০০ ছাড়িয়েছে
নেপাল ও তিব্বতে বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে। এই দুর্যোগে তিন হাজারের বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যেই নেপালের ভোতেকোশি নদীতে পানির স্তর আবার বাড়তে থাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় দুর্গত জেলাগুলোর বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের মোবাইল ফোনে বন্যার সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী ধর্ম রাজ উপ্রেতি জানান, উজানে পানির প্রবাহ বেড়েছে বলে চীনা কর্তৃপক্ষ নেপালকে অবহিত করেছে। এরপর সর্বশেষ নতুন করে বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়।
তবে বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, বুধবারের বিপর্যয়ের পর থেকে বারবার পাওয়া সতর্কবার্তায় তারা আতঙ্কের মধ্যে আছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা গোবিন্দ শ্রেষ্ঠা বলেন, ‘কখনো বলা হচ্ছে বন্যা আসছে, তখন আবার রাতেও উঁচু জায়গায় দৌড়ে যেতে হচ্ছে। আমার ৭২ বছর বয়সী বাবা ও ৭০ বছর বয়সী মা আছেন। আমাকে তাদের বহন করতে হয়। আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।’
ভয়াবহ ওই আকস্মিক বন্যার পঞ্চম দিনেও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সেই সঙ্গে রাজধানী কাঠমান্ডুর সঙ্গে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলো পরিষ্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, রবিবার দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন ২ হাজার ৫০২ জন।
১৬ দিন আগে
নেপালে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৩৫৩
হিমবাহ ধসে কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও কাদার স্রোতে নেপাল-চীন সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় নিহত বেড়ে ৩৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আরও ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট প্রবল পানি ও কাদার স্রোত কয়েকটি জনপদে আঘাত হানে। এতে নেপালের পাশাপাশি তিব্বতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
নেপাল পুলিশের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্যায় ৩৫৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া আরও অন্তত ৮২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। সেই সঙ্গে তিব্বতে আরও তিনজন নিহত হয়েছেন এবং সেখানে নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৫৫৮ জন।
ড্রোনের মাধ্যমে ধারণ করা ভিডিওতে নেপালের ধ্বংসযজ্ঞের ব্যাপকতা উঠে আসে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, প্রাণ বাঁচাতে পালানোর সময় বন্যার পানির স্রোতে মানুষ ভেসে যাচ্ছে এবং ভবন ও সেতু ধসে পড়ছে।
নুয়াকোট জেলার সোলি গ্রামের প্রায় ২৫টি বাড়ি নিয়ে গঠিত জনপদটি প্রায় পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন কাঠমান্ডুভিত্তিক সাংবাদিক নিরাজন পৌডিয়াল। তার বাবা-মা ও স্বজনরা ওই গ্রামে থাকেন। পরিবারের খোঁজ নিতে আজ বৃহস্পতিবার তিনি সেখানে গেছেন।
পৌডিয়াল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তাদের কোনো খবর নেই। আশঙ্কা করছি, আর কোনো খবর পাওয়া যাবে না।’
বৈশ্বিক উষ্ণায়নে হুমকিতে হিমালয় অঞ্চলের জনপদ
ভারত, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশজুড়ে বিস্তৃত হিমালয় পর্বতমালায় বিশ্বের অনেক উঁচু শৃঙ্গ ও হিমবাহ রয়েছে। পর্বতমালার খাড়া ঢাল ও নিচের সবুজ উপত্যকাগুলো বন্যা, ভূমিধস ও চরম আবহাওয়ার জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।
মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বাড়ায় হিমবাহ গলে যাওয়ার ঘটনাও বেড়েছে। কাঠমান্ডুর গবেষকেরা চলতি বছরের শুরুতে দেখতে পান, হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলের হিমবাহগুলো দ্রুত গলছে এবং ২০০০ সালের পর থেকে বরফ গলার হার দ্বিগুণ হয়েছে।
১৯ দিন আগে
নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নেপাল সরকার ক্ষয়ক্ষতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ধরন মূল্যায়ন করছে এবং আজ সন্ধ্যা বা শুক্রবারের মধ্যে বাংলাদেশকে তা জানাবে।
তিনি বলেন, ‘আজ সকালবেলা আমার সঙ্গে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা হয়েছে। তাকে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে, বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে নেপালে যে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটেছে, সে বিষয়ে সমবেদনা ও শোক জ্ঞাপন করেছি। আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা অফার করেছি।’
ড. খলিলুর রহমান বলেন, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারা এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, তা মূল্যায়ন করছেন। ‘এবং আজকে সন্ধ্যা কিংবা কালকের ভেতরে তিনি নিশ্চিতভাবে আমাদের জানাবেন। আমরা তৈরি আছি।’
নেপালে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, এখন পর্যন্ত তা জানা যায়নি বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তার কথায়, ‘আমি তাকে বলেছি যে, আমরা তো এখনও পর্যন্ত জানতে পারিনি যে কোনো বাংলাদেশি এতে অ্যাফেক্টেড হয়েছেন কিনা। যদি হয়, তাহলে পরে আমাদের যেন জানান এবং আমরা তাদের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সহযোগিতা করব।’
বাংলাদেশি কোনো নাগরিকের খোঁজ পাওয়া গেলে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
নেপালে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ কোনো ফ্লাইট প্রস্তুত করেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ড. খলিলুর রহমান বলেন, নেপাল সরকারের চাহিদা জানার পর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‘উনারা যখন বলবেন তখন, আগের থেকে তো করা যাবে না। কিন্তু আমরা প্রস্তুত আছি।’
তিনি বলেন, নেপালে বেশ কয়েকজন বিদেশি পর্যটক মানসলু পর্বতের দিকে যাচ্ছিলেন, সে সময় দুর্যোগটি ঘটে। এ দুর্ঘটনায় জীবিত বা মৃত অবস্থায় বাংলাদেশি কারও খোঁজ পাওয়া গেলে আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।
এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও একই ধরনের মনোভাব ব্যক্ত করেছেন বলে জানান ড. খলিলুর রহমান।
১৯ দিন আগে
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোন দিয়ে শোক জানিয়েছেন ড. খলিলুর রহমান
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত শোকবার্তা নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার সময় তিনি এ শোকবার্তা পৌঁছে দেন।
বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
ভয়াবহ এই বন্যা ও ভূমিধসকে ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের প্রতি বাংলাদেশের গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, প্রিয়জন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি বাংলাদেশের মানুষের চিন্তা ও প্রার্থনা রয়েছে।
ড. খালিলুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের হতাহতের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ সরকারকে জানানোর জন্য নেপাল সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন তিনি।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেপালের এই কঠিন সময়ে দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছেন বলেও নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান ড. খালিলুর রহমান। পাশাপাশি নেপালের প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সহায়তা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
এ সময় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কঠিন এই সময়ে বাংলাদেশের সংহতি ও সহমর্মিতার উষ্ণ বার্তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের পর নেপালের কোনো সহায়তার প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট চাহিদার কথা বাংলাদেশকে জানানো হবে বলে তিনি জানান।
এ সময় দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্যোগের পর চলমান অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা নিয়েও আলোচনা করেন।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী ভোতেকোশি নদীতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৭৩ জন নিহত হাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আরও ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজদের মধ্যে কয়েকশ’ বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে বাংলাদেশি কেউ নেই বলে জানিয়েছে নেপালে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় কম্পন শনাক্ত হওয়ার তিন মিনিট পর, সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যা শুরু হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে প্রবল পানি, কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষ নদী উপত্যকার জনবসতি, সড়ক, সেতু, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা এবং জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
রাসুয়ার টিমুরে, স্যাফ্রুবেশি ও রাসুওয়াগাধি এবং নুওয়াকোটের বেত্রাবতী, ত্রিশূলী ও দেবীঘাট এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রাথমিক স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে সীমান্তের কাছে বরফ ও পাথরের বিশাল ভূমিধসের কারণে নদীতে বিপুল পরিমাণ পানি ও ধ্বংসাবশেষ নেমে আসায় এ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৌসুমি ভারী বৃষ্টিপাতও পানির প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। তবে কম্পনের সঙ্গে বন্যার সম্পর্ক ছিল কি না, তা এখনও তদন্ত করছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।
১৯ দিন আগে
শ্রীলঙ্কায় বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৫
টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে শ্রীলঙ্কার পাহাড়ি অঞ্চলে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। এই দুর্যোগে আরও অন্তত ৩ জন আহত এবং ২ জন নিখোঁজ হয়েছেন। এছাড়া প্রায় ২ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় চা-বাগানসমৃদ্ধ পাহাড়ি অঞ্চলের কিছু স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
গত দুদিনের ভারী বর্ষণে শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে বাড়িঘর, কৃষিজমি ও সড়ক প্লাবিত হয়েছে।
শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, এই বৈরী আবহাওয়ায় দেশটির মধ্যাঞ্চলের চা-বাগানসমৃদ্ধ পাহাড়ি এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র প্রদীপ কোডিপ্পিলি জানান, মধ্যাঞ্চলে দুটি বাড়ির ওপর ভূমিধসে মাটিচাপা পড়ে ৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছেন এবং আরও ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
তিনি জানান, বৃষ্টি ও বন্যায় ১২৯টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ২ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে পানিতে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে নৌ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল হিরু টিভির সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, বন্যায় বাড়িতে আটকে পড়া ও কাদার স্রোতে চাপা পড়ার ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে সেনাসদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলো জানিয়েছে, মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন প্রধান সড়কে বড় বড় পাথর, ভূমিধসের মাটি ও উপড়ে পড়া বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে থাকায় অনেক স্থানে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।
এর আগে, গত নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিতওয়া’র তাণ্ডবে দেশটিতে প্রায় ৬৪০ জন নিহত হন। ওই দুর্যোগে প্রায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং আনুমানিক ৪১০ কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়। সর্বশেষ এই দুর্যোগের সময়ও এখনও শ্রীলঙ্কা সরকার ডিতওয়ার ফলে সৃষ্ট সেই ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।
ডিতওয়া ঘূর্ণিঝড়েও শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই অঞ্চলের সড়ক, রেলপথ ও বাড়িঘর পুনর্নির্মাণে এখনও কাজ করে যাচ্ছে দেশটির সরকার।
শ্রীলঙ্কায় প্রতি বছর বন্যা ও ভূমিধস ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম। বর্ষা মৌসুমের ভারী বৃষ্টিতে মূলত সেখানে মধ্যাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস হয়। একই সঙ্গে দেশটিতে নিচু এলাকাগুলোতে বন্যা হয়। ফলে প্রতিবছর হাজারো মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।
৪২ দিন আগে
চীনে ভূমিধসে অন্তত ৮ জন নিহত, নিখোঁজ ৩৪
দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিং শহরে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত আটজন নিহত এবং ৩৪ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ওই অঞ্চলে এখনও টানা বৃষ্টি হচ্ছে। তবে, তার মধ্যেই উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে চংকিং পৌরসভার পেংশুই কাউন্টির উপকণ্ঠে পাহাড়ের ঢাল থেকে বিপুল পরিমাণ পাথর ও মাটি ধসে পড়ে। এতে ১০টির বেশি আবাসিক ভবন মাটিচাপা পড়ে বলে জানায় দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ দুর্ঘটনায় ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে এক হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
পেংশুই কাউন্টি চংকিংয়ের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং হুবেই ও গুইঝৌ প্রদেশের সীমানা ঘেঁষে অবস্থিত।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, খাড়া পাহাড়ি এলাকায় ধ্বংসস্তূপ ছড়িয়ে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবনের ওপরের অংশ সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে এবং আরেকটি ভবনের পাশে একটি গাড়ি অর্ধেক মাটিচাপা অবস্থায় রয়েছে। ধসে পড়া একটি পাথরের আকার ছিল বহুতল ভবনের চেয়েও বড়।
পেংশুই কাউন্টির পরিকল্পনা ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগের প্রধান ওয়াং চুয়ানজুন শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ভূমিধসে প্রায় ১৮ হাজার ঘনমিটার পাথর ও ধ্বংসাবশেষ নেমে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় একটি পাথরের আয়তন প্রায় তিন হাজার ঘনমিটার।
৫৯ দিন আগে
ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে শিশুসহ নিহত ৪
ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পার্নামবুকো অঙ্গরাজ্যে ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
পার্নামবুকোর প্রতিরক্ষা সংস্থা জানায়, এ ঘটনায় আরও ৫ জন আহত হয়েছেন। দুর্গত আরও অন্তত দেড় হাজার মানুষকে নিরাপদ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অঙ্গরাজ্যের রাজধানী রেসিফেতে চিকিৎসা কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, দইস উনিদোস এলাকায় পাহাড়ধসে এক নারী ও তার ছয় বছর বয়সী ছেলে নিহত হয়েছেন।
এছাড়া পার্নামবুকোর কাছের শহর ওলিনদায় আরও ২ জন নিহত হয়েছেন। সেখানে আলতো দা বন্দাদে এলাকায় ভূমিধসে ২০ বছর বয়সী এক নারী ও তার ছয় মাস বয়সী ছেলে মাটিচাপা পড়ে মারা যান। ওই স্থান থেকে আরও ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ।
ভারী বৃষ্টির কারণে রেসিফে মহানগর এলাকা ও বিভিন্ন পৌর এলাকায়ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে পার্নামবুকোতে জন্ম নেওয়া ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মাঠপর্যায়ে স্থায়ী হাসপাতাল স্থাপন করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ফেডারেল সরকার আর্থিক সহায়তা পাঠাবে।
এদিকে, ঝড়বৃষ্টির কারণে রেসিফের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় বন্ধ ছিল।
পার্নামবুকোর পানি ও জলবায়ু সংস্থা জানিয়েছে, এ ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পার্নামবুকোর অভ্যন্তরীণ শহর গোইয়ানা। সেখানে বাস্তুচ্যুত মানুষদের সরকারি স্কুলগুলোতে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।
১৩৫ দিন আগে