কাতার
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সিলেটের ৫ প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন
কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার পাঁচ প্রবাসীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ২টার দিকে স্থানীয় আকুনি মাদরাসা মাঠে হাজারও মানুষের উপস্থিতিতে সম্মিলিত জানাজা শেষে নিজ নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাদের সমাহিত করা হয়।
এর আগে, আজ (মঙ্গলবার) সকালে কফিনবন্দী পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
এ সময় সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মাওলানা আবুল হাসানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা জানান।
ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে নিহতদের দাফনের জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে আরও ৩ লাখ টাকা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
মরদেহগুলো অ্যাম্বুলেন্সযোগে নিজ গ্রামে পৌঁছালে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। প্রিয়জনদের হারিয়ে স্বজনদের বুকফাটা আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন— ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের আমরপুর গ্রামের জিবাল উদ্দিন, মাঝতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন, আগতালুক গ্রামের মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ এবং দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের নিজ গাছবাড়ী গ্রামের কাদির আহমদ।
গত ২১ জুন কাতারের শাহানিয়া এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় এই পাঁচ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা নিহত হন। এই দুর্ঘটনায় মোট ছয়জন প্রাণ হারিয়েছিলেন, যার মধ্যে পাঁচজনই ছিলেন কানাইঘাটের বাসিন্দা। রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন অকাল প্রয়াণে পুরো কানাইঘাট উপজেলাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
৯ দিন আগে
সিলেটে পৌঁছেছে কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ
কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ আজ সকালে সিলেটে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল পৌনে ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এ সময় প্রিয়জনদের হারিয়ে স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরী হয়।
নিহতরা হলেন— সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী গ্রামের আব্দুল কাদির, মাঝতালুক গ্রামের মুস্তাক আহমেদ আফনান, একই গ্রামের জুবায়ের আহমেদ, আগাতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমেদ।
বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো অ্যাম্বুলেন্সে করে নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। এ সময় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মাওলানা আবুল হাসানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, নিহতদের দাফন ও শেষকৃত্যের জন্য প্রাথমিকভাবে প্রতিটি পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরবর্তীতে বোর্ড থেকে আরও তিন লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পর কানাইঘাট উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের আকুনি মাদ্রাসা মাঠে নিহত পাঁচ প্রবাসীর সম্মিলিত জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাদের নিজ নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে।
এর আগে গত ২১ জুন সকালে কাতারের শাহানিয়া এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হন। ঘটনার দিন ওই পাঁচজন একটি পিকআপ ভ্যানে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। সে সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারালে ঘটনাস্থলেই ছয়জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিকও ছিলেন। পরে তাদের মরদেহ কাতারের একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।
শ্রম কল্যাণ উইং জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ গতকাল (সোমবার) কাতারের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৬ নম্বর ফ্লাইটে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়। ফ্লাইটটি মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, বাংলাদেশ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
১০ দিন আগে
কাতারের গ্যাস রপ্তানি টার্মিনালে বিস্ফোরণ, আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮
ইরানের হামলার পর পুনরায় কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা চলাকালে কাতারের প্রধান প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি টার্মিনালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫৪ জন আহত এবং আরও অন্তত ১৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
স্থানীয় সময় রবিবার (২১ জুন) রাতে কাতারের রাস লাফান শিল্পাঞ্চলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
কাতার বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ। এ বিস্ফোরণ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
এর আগে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণের কারণে ক্রেতাদের কাছে জ্বালানি পাঠানো সম্ভব না হওয়ায় উৎপাদন বন্ধ রেখেছিল কাতার।
যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যে ইরান প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করায় কাতার রপ্তানি টার্মিনাল পুনরায় চালুর কাজ শুরু করে। গতকাল রাতে সেই কাজ চলাকালে বারজান গ্যাস সরবরাহ স্থাপনায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি।
বিস্ফোরণের পর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। শুরুতে কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, অল্প কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে কয়েক ঘণ্টা পর কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনেক বেশি হতাহতের তথ্য প্রকাশ করে।
বারজান প্ল্যান্টের দৈনিক গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা ছিল প্রায় ১৪০ কোটি ঘনফুট। কাতার মূলত স্থানীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং আরব উপদ্বীপের মরু অঞ্চলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলো পরিচালনায় এই গ্যাস ব্যবহার করত।
প্ল্যান্টটির প্রায় পুরো মালিকানাই কাতারের, তবে এর একটি ছোট অংশের মালিক যুক্তরাষ্ট্রের তেল কোম্পানি এক্সনমোবিল। এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধ জানানো হলেও প্রতিষ্ঠানটি তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
গত মার্চে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র রাস লাফানে আঘাত হানলে সেখানে আগুন ধরে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ইরানি হামলার কারণে তার আগেই সেখানে উৎপাদন বন্ধ রেখেছিল কাতার।
১৮ দিন আগে
আঞ্চলিক দেশগুলো ইরানের শত্রু নয়, আলোচনায় ফেরার আহ্বান কাতারের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানকে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-খুলাইফি বলেছেন, আঞ্চলিক দেশগুলো ইরানের শত্রু না। এভাবে হামলা চলতে থাকলে কাতার ও ওমান আর মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে না।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহাম্মদ বিন আল-খুলাইফি বলেছেন, ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর যে হামলা চালাচ্ছে, তা কারও জন্যই কোনো উপকার বয়ে আনবে না।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো বোমা হামলার জবাবে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানিনির্ভর আঞ্চলিক অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
এ পরিস্থিতি নিয়ে কাতার অত্যন্ত উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন আল-খুলাইফি। তিনি বলেন, বিশেষ করে বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনাগুলো নিয়ে কাতারের মানুষ গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখন যে পরিস্থিতিতে দাড়িয়ে আছি, তা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা বিশ্বাস করি, একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের পথ হলো আবার আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা।’
দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কাতারের সার্বভৌমত্বকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে—এমন অযৌক্তিক ও উস্কানিমূলক হামলাকে দোহা কঠোর ভাষায় নিন্দা জানায়। এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের সুরক্ষার জন্য সবধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেবে কাতার।
আল-খুলাইফি বলেন, এই সংঘাতের একটি বৈশ্বিক সমাধান প্রয়োজন, যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে। কারণ চলমান সংঘাতের কারণে সেখানে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ইরান কাতার ও ওমানের মতো দেশগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে, যারা অতীতে আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। এছাড়া এই দেশগুলো পূর্বে ইরান ও পশ্চিমাদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্টা করেছে। তবে হামলা চলতে থাকলে কোনো দেশই আর চুপ করে বসে থাকবে না বলেও জানান তিনি।
আল-খুলাইফি জানান, কয়েক দিন আগে ইরানের সঙ্গে ফোনালাপে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল তানি তেহরানকে এই বিষয়গুলোই বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। সে সময় তিনি ইরানকে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে আল-খুলাইফি বলেন, ‘আঞ্চলিক দেশগুলো ইরানে শত্রু নয়। কিন্তু ইরান এই বিষয়টি বুঝতে পারছে না।’
তিনি আরও জানান, কাতার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে সহযোগী কূটনীতিকদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগের পথ সব সময় খোলা রয়েছে। আমরা সবসময় শান্তির পথকে উৎসাহিত করি এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংঘাত সমাধানের পক্ষে থাকি।’
সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি যে এই যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত দেশগুলো একটি সমাধানের পথ খুঁজে পাবে, সামরিক অভিযান বন্ধ করবে এবং তারা আবার আলোচনার টেবিলে ফিরে আসবে।’
১২০ দিন আগে
ইসরায়েলের হামলার মধ্যেই যুদ্ধবিরতির আলোচনা প্রত্যাখান ইরানের
ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রাখলে কোনো যুদ্ধবিরতির কথা বিবেচনা করবে না বলে আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী কাতার ও ওমানকে স্পষ্ট জানিয়েছে ইরান। চলামান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের এ অবস্থানে বড় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সময় রবিবার (১৫ জুন) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মধ্যস্থতার আলোচনা সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘কাতার ও ওমানকে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ‘তারা কেবল তখনই বাস্তবিক অর্থে আলোচনায় বসবে, যখন ইসরায়েলের চালানো হামলার জবাব সম্পূর্ণ হবে।’
সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ইরান বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এর আগে, শুক্রবার (১৪ জুন) ভোরে ইসরায়েল একটি আকস্মিক হামলা শুরু করে। ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং দেশটির পারমাণবিক অবকাঠামোরও কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইতোমধ্যে অভিযান আরও কঠিন হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরায়েল। এর জবাবে ইরানও কঠোর প্রতিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তেহরান বলেছে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তারা ‘নরকের দরজা খুলে দেবে’। এই পরিস্থিতিতে চলমান সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এদিকে, কিছু গণমাধ্যমে বলা হয়েছিল, পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য কাতার ও ওমানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে যুক্ত করতে বলেছে ইরান। এই সংবাদ সঠিক নয় বলে জানান নাম প্রকাশ না করা ওই কর্মকর্তা।
তবে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান, কাতার ও ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলি হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান ও দুই জেনারেল নিহত
সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে ওমান। যদিও ইসরায়েলের সর্বশেষ বিমান হামলার পর সর্বশেষ রাউন্ডের আলোচনা বাতিল হয়েছে। তাছাড়া, কাতারও উভয় পক্ষের মধ্যে সংলাপ সহজ করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে, এর মধ্যে ২০২৩ সালে একটি বন্দি বিনিময়ের মধ্যস্থতাও ছিল।
কাতার ও ওমান উভয়ই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলে। এরপর ইসরায়েলের সঙ্গেও সরাসরি যোগাযোগে যুক্ত হয় এই দেশ দুটি।
৩৮৯ দিন আগে
সরকারি সফরে কাতার গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে কাতারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
শনিবার (৩ মে) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সফরকালে কাতারের সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন সেনাপ্রধান। সেইসঙ্গে সামরিক বাহিনী সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার লক্ষ্যে মতবিনিময়ও করবেন তিনি।
সফর শেষে আগামী ৫ মে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল সরকারি সফরে রাশিয়া এবং পরবর্তীতে গত ১০ এপ্রিল ক্রোয়েশিয়া সফর করেছিলেন ওয়াকার-উজ-জামান।
সফরকালে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান, উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এছাড়া ক্রোয়েশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছিল তার।
৪৩৩ দিন আগে
পোপের শেষকৃত্যে যোগ দিতে ভ্যাটিকানের উদ্দেশে কাতার ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে যোগ দিতে এবং তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আজ (শুক্রবার) ভ্যাটিকানের উদ্দেশে কাতার ত্যাগ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ২৫ মিনিট) ভ্যাটিকান শহরের উদ্দেশে তিনি কাতার ত্যাগ করেন। কাতারের চিফ অব প্রটোকল ইব্রাহিম বিন ইউসিফ আবদুল্লাহ ফাখরু দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে বিদায় জানান।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ইউএনবিকে জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা দুপুর ২টা ১৫মিনিটে (ইতালি সময়) রোমে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে ইতালিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং ভ্যাটিকান সিটিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তাকে স্বাগত জানাবেন।
ইতালিতে পৌঁছানোর এক ঘণ্টা পর প্রধান উপদেষ্টা শুক্রবার বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে যাবেন এবং পোপ ফ্রান্সিসের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
ভ্যাটিকান সিটির ভিকার জেনারেল, পরম শ্রদ্ধেয় কার্ডিনাল মাউরো গাম্বেত্তি সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা জানাবেন।
শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান উপদেষ্টা সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেবেন।
রবিবার সকাল ৮টার দিকে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) তিনি রোমের লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি বিমানবন্দর থেকে রওনা হবেন এবং সোমবার ভোরে ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
৪৪০ দিন আগে
বাংলাদেশ থেকে ৭২৫ সেনা নেবে কাতার: শফিকুল আলম
বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশ থেকে ৭২৫ সেনা নেওয়ার কথা জানিয়েছে উপসাগরীয় দেশ কাতার। এমন এক সময় দেশটি এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যখন তেল ও গ্যাসসমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক বৈচিত্র্যকরণে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ।
কাতারের দোহায় ‘আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের’ ফাঁকে বার্তা সংস্থা ইউএনবির সঙ্গে আলাপে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘আগামী দুমাসের মধ্যে কাতারে এই সেনা পাঠাতে পারবে বাংলাদেশ। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।’
আরও পড়ুন: স্টারলিংক এলে আর কেউ ইন্টারনেট বন্ধ করতে পারবে না: শফিকুল আলম
আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বর্তমানে দোহা সফরে রয়েছে।
প্রেস সচিব বলেন, ‘কাতারের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা আরও বাড়াতে চাচ্ছে বাংলাদেশ। এমনকি যাদের গ্যাস দরকার পড়বে, এমন বিনিয়োগকারীদের সংখ্যাও বাড়াতে চাচ্ছে বাংলাদশে।’
কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এলএনজি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি একটি চুক্তি আছে জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘জ্বালানি খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত করতে আলোচনা করবে বাংলাদেশ।’
আরও পড়ুন: সয়াবিন তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে কাজ করছে সরকার: শফিকুল আলম
কাতারের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি জায়ান্ট কাতার এনার্জি এলএনজির পাওনা তিন হাজার ৭০০ কোটি ডলার আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই শোধ করা হবে বলেও জানান শফিকুল আলম। তিনি বলেন, আসছে দিনগুলোতে উপসগারীয় দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
২২ ও ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় এবারের আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘আমাদের উত্তরাধিকার গড়ে তোলা: স্থায়িত্ব, উদ্ভাবন ও ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান।’ চার দিনের এ সফর চলাকালে অধ্যাপক ইউনূস কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
৪৪৪ দিন আগে
কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
চারদিনের সরকারি সফরে কাতারের রাজধানী দোহার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: সোমবার চারদিনের সফরে কাতার যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
দোহায় ২২ ও ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘আমাদের উত্তরাধিকার গড়ে তোলা: স্থায়িত্ব, উদ্ভাবন ও ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান।’
এ সফর চলাকালে তিনি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
৪৪৪ দিন আগে
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে রবিবার: কাতার
আগামী রবিবার গ্রিনিচ মান সময় সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা একটি চুক্তি অনুমোদন করায় গাজায় যুদ্ধবিরতির পথ প্রশস্ত হয়। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হচ্ছে হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি সহজ করা। একইসঙ্গে দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে দুপক্ষের মধ্যে চলা প্রাঘাতী ও বিধ্বংসী এ যুদ্ধের অবসান।
ইসরায়েলের সীমিত নিরাপত্তা মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর পূর্ণ মন্ত্রিসভার বৈঠক করে সরকার যুদ্ধবিরতির সময় নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন: আইসিজে’র প্রেসিডেন্ট নওয়াফ সালাম লেবাননের নতুন প্রধানমন্ত্রী
সাধারণত জরুরি অবস্থা দেখা না দিলে সীমিত নিরাপত্তা মন্ত্রিসভায় ইসরায়েলি সরকারের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।
কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর গত বুধবার প্রাথমিকভাবে তা ঘোষণা করা হয়।
তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শেষ মুহূর্তের চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে হামাসের জটিলতাকে দায়ী করে এটি চূড়ান্ত করতে আরও নেন। এরপর শুক্রবার ইসরায়েলের সীমিত নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা চুক্তিটি অনুমোদনের সুপারিশ করে এটি এগিয়ে নেয়।
চুক্তির প্রথম ধাপের অংশ হিসেবে গাজায় আটক তিন ইসরায়েলি নারী ও ৯৫ ফিলিস্তিনি বন্দিকে ররিবার মুক্তি দেওয়া হবে।
চ্যানেল১২ এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে জানিয়েছেন যে, তার দায়িত্ব গ্রহণের পর ইসরাইলে ফের অস্ত্র সরবরাহ শুরু হবে।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমরা যদি চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছাতে না পারি, তবে যুদ্ধের জন্য আমাদের কাছে অতিরিক্ত সরঞ্জাম থাকবে না।’
আরও পড়ুন: গাজায় বিমান হামলার সময় ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল হুথি
এদিকে চুক্তি লঙ্ঘন না করতে ট্রাম্প ইসরায়েলকে পূর্ণ সমর্থন দিলেও দেশটির দুই উগ্র ডানপন্থী মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচ এই চুক্তির বিরোধিতা এবং চুক্তির প্রথম ধাপ সম্পন্ন হওয়ার পর গাজায় পুনরায় যুদ্ধ শুরু করার জন্য সরকারের প্রতিশ্রুতি দাবি করেছেন।
চুক্তি অনুযায়ী এ সময়ে হামাস প্রথম ধাপে ৩৩ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে। চুক্তির পূর্ণ শর্তাবলীর প্রতি তাদের অঙ্গীকার নিশ্চিত করার একদিন পর শুক্রবার হামাস এ কথা জানায়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় প্রায় ১২০০ মানুষ নিহত হন। যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক এবং প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করা হয়।
হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এরপর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৬ হাজার ৮৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণে গাজার ২৩ লাখ জনসংখ্যার বেশিরভাগই বাস্তুচ্যুত হয়েছে। মানুষ বিভিন্ন মৌলিক সহায়তা পেতে সংগ্রাম করছে। বিশেষ করে খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ ও নিরাপদ আশ্রয়ের তীব্র ঘাটতি রয়েছে।
ইসরায়েল বলছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর জিম্মি হওয়াদের মধ্যে ৯৪ জন এখনও হামাসের হাতে বন্দি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৪ জন বেঁচে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুদ্ধের আগে অপহৃত চার ইসরায়েলি রয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজন মারা গেছেন।
আরও পড়ুন: জিম্মিদের মুক্ত করতে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অনুমোদন ইসরায়েলের
৫৩৮ দিন আগে