আন্দোলনকারী
প্রাথমিকের আন্দোলনকারীদের ঘরে ফেরার আহ্বান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্ধারিত বিধিবিধান অনুসরণ করে স্বাভাবিক গতিতেই চলমান রয়েছে। তিনি আন্দোলনকারীদের ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে আন্দোলন স্থগিত করে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে নিয়োগপত্রের দাবিতে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী আন্দোলনরত শিক্ষকদের ৭ জনের একটি প্রতিনিধিদল প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এমপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাত সদস্যের এই প্রতিনিধ দল তাদের নিয়োগের বিষয়টি দ্রুত সম্পন্ন এবং বিদ্যমান পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্ধারিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে স্বাভাবিক গতিতেই চলমান রয়েছে। প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
তিনি আন্দোলনকারীদের ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে চলমান প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রেখে অযথা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে আন্দোলন স্থগিত করে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
ববি হাজ্জাজ আরও উল্লেখ করেন, মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
৮ দিন আগে
পুলিশ-আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকা
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) অংশগ্রহণ করা সব প্রার্থীকে সনদ প্রদানের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।
রবিবার (২২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এর ফলে ওই এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে, সকাল ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা প্রেসক্লাবের সামনে থেকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ বারবার সরে যেতে বললেও স্লোগান দিতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। পরে সাড়ে ১১টার দিকে তাদের ওপর জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ এবং প্রেসক্লাব ফাঁড়িতে বসেই তাদের কথা হবে।
৩১৬ দিন আগে
হবিগঞ্জে পুলিশ-আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ, নিহত ৬
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত অর্ধশতাধিক।
সোমবার (৫ আগস্ট) স্থানীয় এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সামনে ঘটনাটি ঘটে।
আরও পড়ুন: ঢাকায় বঙ্গবন্ধু জাদুঘর-আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা, আগুন
নিহতরা হলেন- যাত্রাপাশা গ্রামের ছানু মিয়ার ছেলে হাসান (১২), মাইজের মহল্লা গ্রামের নূর মিয়ার ছেলে আশরাফুল (১৭), পাড়াগাঁয়ের শমশের মিয়ার ছেলে মোজাক্কির (৪০), কামালকানি গ্রামের নয়ন (১৮), জাতকর্ন পাড়ার আবদুর রউফের ছেলে তোফাজ্জল (১৮), পূর্বঘর গ্রামের ছাদিকুর (৩০)।
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বেলা ১১টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীসহ জনগণ স্থানীয় এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়।
পরে মিছিল নিয়ে বানিয়াচং থানার কাছে এলে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে ছয়জন নিহত হয়। গুলিতে আহত হন প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র-জনতা।
সেনাবাহিনীকে নিয়ে জেলা প্রশাসক জিলুফা সুলতানা বানিয়াচং থানা পরিদর্শনে যান।
জেলা প্রশাসকের সঙ্গে থাকা কর্মকর্তারা বলেন, সেখানে বিক্ষোভকারীরা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যাওয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিরুল ইসলামকে আহত করেন। এছাড়া বানিয়াচং থানার পুলিশকে বেশ কিছু সময় ঘেরাও করে রাখে জনতা।
বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শামীমা আক্তার ৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে।’
আরও পড়ুন: এটিএন বাংলার কার্যালয়ে তাণ্ডব, এটিএন নিউজের সম্প্রচার বন্ধ
রাজশাহীতে বিক্ষোভকারী-আওয়ামী লীগ কর্মীদের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩৫
৬৩৭ দিন আগে
হবিগঞ্জে আন্দোলনকারী-পুলিশের সংঘর্ষে নিহত ৩
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে তিনজন যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক।
সোমবার (৫ আগস্ট) স্থানীয় এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঘটনাটি ঘটে।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে বিক্ষোভকারী-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১০
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বেলা ১১টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীসহ জনগণ স্থানীয় এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়।
পরে মিছিল নিয়ে বানিয়াচং থানার কাছে এলে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে তিনজন নিহত হয়। নিহতের পরিচয় প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।
হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নুরুল হক গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘এদের দুইজনের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্য এবং অপরজন মধ্য বয়সি।
আরও পড়ুন: জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন
চাঁদপুরে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা, জেলা আ. লীগ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ
৬৩৭ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় কারফিউ ভেঙে রাজপথ দখল আন্দোলনকারীদের, সংঘর্ষ-গুলিতে আহত অর্ধশতাধিক
অনির্দিষ্টকালের জন্য ঘোষণা করা কারফিউ ভঙ্গ করে কুষ্টিয়ার কয়েকটি সড়ক দখলে রেখেছে আন্দোলনকারীরা। পুলিশের দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি।
সোমবার (৫ আগস্ট) সকাল থেকেই শহরের একাধিক স্থানে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা।
আরও পড়ুন: বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে দেশ ছাড়লেন শেখ হাসিনা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল ১০টার দিকে আন্দোলনকারীরা কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলীর বাড়িতে হামলা চালায় ও ভাঙচুর করে। এরপর শহরের ছয় রাস্তার মোড়, পাঁচ রাস্তার মোড়, মজমপুর এলাকাসহ কয়েকটি সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে দখল করে নেয় আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে।
এ সময় আন্দোলনকারীরা মসজিদের মাইক থেকে সবাইকে কুষ্টিয়া মডেল থানা দখল করার আহ্বান জানায়। দুপুর ১টার দিকে আন্দোলনকারীরা কুষ্টিয়া পৌরসভায় হামলা চালায় ও ভাঙচুর করে। পাঁচ রাস্তার মোড়ে অবস্থান নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে আগুন ধরিয়ে দেয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলছিল। তবে এ সময় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের কোন নেতাকর্মীকে কুষ্টিয়ার রাজপথে দেখা যায়নি।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার জানান, দুপুর পর্যন্ত অন্তত ৫ থেকে ৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আরও পড়ুন: দেশ পরিচালনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে: সেনাপ্রধান
কারফিউ অমান্য করে শাহবাগ অভিমুখে হাজারো মানুষের মিছিল
৬৩৭ দিন আগে
আন্দোলনে গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ
আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে আন্দোলন দমনে পুলিশকে পিআরবি (পুলিশ রেগুলেশনস অব বাংলাদেশ) অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (৪ আগস্ট) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদেশের পর রিটকারীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার অনিক আর হক বলেন, রিট আবেদনটি খারিজ করেছে ঠিকই, তবে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। সেটা হচ্ছে-এদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। এদেশের জনগণের সাংবিধানিক অধিকার আছে। সংবিধান অনুযায়ী ফ্রিডম অব অ্যাসোসিয়েশন করার অধিকার, প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে।
আরও পড়ুন: সিলেটে পুলিশ-আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১
পিআরবিতে যেসব নির্দশনা আছে, পুলিশ সেটা অবশ্যই ফলো করবে। পুলিশ রেগুলেশনে বলা আছে, এভাবে নির্বীচারে গুলি করা যাবে না। রিট খারিজ করা হলেও আমাদের যে চাওয়া ছিল, হাইকোর্টের আদেশে তা পূরণ হয়েছে।
কখন গুলি করা যাবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আইনে বলা আছে, কখনো কোথাও আগুন দিলে, আক্রমণ করলে, ডাকাতি করলে-এসব ক্ষেত্রে গুলি চালাতে পারবে।
কিন্তু শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গুলি চালানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হাঙ্গামা দমন করতে হলে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট না পাওয়া গেলে, সেখানে উপস্থিত সর্বোচ্চ কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। তারপরও গুলি চালাতে হলে মাইকিং করে জানাতে হবে। আর গুলি চালাতে হলেও এমনভাবে গুলি করতে হবে যাতে সর্বনিম্ন ক্ষতি হয়, যাতে প্রাণঘাতি আক্রমণ না হয়।
আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্ট রুলস অনুযায়ী এই রিট করতে পারে না। সেজন্য আদালত রিট খারিজ করে দিয়েছেন। তবে কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। আদালত বলেছেন, যে কেউ শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ করতে পারবে। তবে প্রয়োজন হলে পিআরবি মেনে পুলিশ পদক্ষেপ নিতে পারবে।
এর আগে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ব্যবহার না করার নির্দেশনা চাওয়ার রিট আবেদনটি আদেশের জন্য সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় তোলা হয়। রিট আবেদনটি আজকের কার্যতালিকার ১০ নম্বর ক্রমিকে ছিল। উভয়পক্ষের শুনানি গ্রহণ শেষে হাইকোর্ট রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন।
এর আগে গত ২৯ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। একইসঙ্গে রিট আবেদনে কোটা আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে ডিবি হেফাজত থেকে মুক্তির নির্দেশনা চাওয়া হয়। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানজুর আল মতিন প্রীতম ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি এ রিট করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, সেনাবাহিনী প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।
গত ২৯ ও ৩০ জুলাই রিটটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আজ রবিবার ফের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, ব্যারিস্টার অনীক আর হক, অ্যাডভোকেট মানজুর আল মতিন প্রীতম প্রমুখ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. মোরসেদ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মেহেদী হাছান চৌধুরী।
আরও পড়ুন: ঢাকাসহ অন্যান্য জেলায় চলছে সহিংসতা, ঢামেকে ভর্তি ২০
বিএসএমএমইউর সামনে আন্দোলনকারী-আ. লীগ সংঘর্ষ, কয়েকটি গাড়িতে আগুন
৬৩৮ দিন আগে
‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের গ্রেনেড-টিয়ারশেল নিক্ষেপ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুর ১টায় নগরীর সুবিধবাজারে এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ঘরের মধ্যে ৪ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করতে নির্দেশনা চেয়ে রিট
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার বেলা ১১টা থেকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রধান ফটকে অবস্থান নিতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। সেখানে তারা আসার আগেই অবস্থান নেওয়া পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পরে আরও শিক্ষার্থীরা এতে যোগ দিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। তখন পুলিশ ক্যাম্পাসের ভেতরে চলে যায়। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শত শত শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে নগরীর কোর্ট পয়েন্টের দিকে অগ্রসর হয়। এছাড়া আন্দোলনকারীরা সুবিদবাজারের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
৬৪২ দিন আগে
আন্দোলনকারী ববি শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ, আহত ১৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। হামলায় অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
সোমবার (২৯ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় এই ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: কোটা সংস্কার আন্দোলন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলে আগুন
এদিকে, নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীদের মহাসড়কে নামতে বাধা দেয় পুলিশ। এছাড়া বিএম কলেজের ভেতরে জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীদেরও রাস্তায় বের হতে দেয়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের ববি সমন্বয়ক সুজয় শুভ বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনে আমাদের পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে ২০-৩০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসানিক ভবনের নিচতলায় মিটিং করছিলাম। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা একে আরাফাতের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের ২০-৩০ জন নেতাকর্মী লাঠি, রড ও পাইপ নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে থেকে ছাত্রলীগের মাহমুদুল হাসান তমাল, আল সামাদ শান্ত, খালেদ হাসান, শাহরিয়ার সান, সাব্বির, জাইফ, সাইফ, শরিফুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলামকে আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, ‘হামলার পর আমরা ক্যাম্পাস থেকে চলে যাওয়ার সময় দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়।’
‘এতে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আমাদের মিটিংকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব ক্যাম্পাসের সামনে অবস্থান নেয়। তাদের সামনেই আমাদের মারধর করে ছাত্রলীগ।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ববি ছাত্রলীগ নেতা একে আরাফাতের মোবাইল নম্বরে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এর আগে, রবিবার (২৮ জুলাই) কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে গ্রাফিতি আঁকতে গেলেও হামলার উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
বরিশাল নগর পুলিশের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহমান মুকুল বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনের মিটিং শেষ দিকে ছিল। তখন কোটা সংস্কার নিয়ে সরকারের প্রজ্ঞাপনকে সমর্থন জানানো কিছু শিক্ষার্থী গেট দিয়ে প্রবেশ করে। এরপর কোটা সংস্কার আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও অন্য গ্রুপের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তারা ছাত্রলীগ কি না তা বলতে পারব না, তবে তারাও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।’
আরও পড়ুন: পুলিশি হয়রানি বন্ধ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি ববি শিক্ষার্থীদের
কোটা সংস্কার আন্দোলন: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
৬৪৪ দিন আগে
আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি না করতে এবং ডিবি হেফাজত থেকে ৬ সমন্বয়কের মুক্তির নির্দেশনা চেয়ে রিট
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি না করতে এবং গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজত থেকে ছয় কোটা সমন্বয়কারীকে মুক্তির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানজুর আল মতিন প্রীতম ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি জনস্বার্থে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: নিরীহ শিক্ষার্থীদের হয়রানি না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি ঢাবির আহ্বান
এই বেঞ্চের রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তা সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আনিচ উল মাওয়া এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, সেনাবাহিনী প্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
সোমবার ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট পরবর্তী শুনানি ও পরে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।
শুনানিতে আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার অনিক আর হক প্রমুখ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান চৌধুরী ও শেখ মোহাম্মদ মোর্শেদ।
রবিবার রাতে ডিবি হেফাজতে থাকা অবস্থায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় তাদের আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
এই ঘোষণার পরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা আন্দোলনের অন্যান্য সমন্বয়ক বিবৃতি দিয়ে তাদের নয় দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেছে রাবি শিক্ষার্থীরা
মিরপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করেছে পুলিশ
৬৪৪ দিন আগে
কোটা সংস্কার: সারা দেশে পুলিশ-ছাত্রলীগের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে নিহত ৬
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে শিক্ষার্থী, পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে ছয়জন নিহত ও শত শত আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সংঘর্ষে চট্টগ্রামে তিনজন, ঢাকায় দুইজন ও রংপুরে একজন নিহত হয়েছেন।
চট্টগ্রামের ষোলশহর থেকে মুরাদপুর এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র আকরাম (২৪) ও পথচারী ফারুক (৩৫) নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার সাইফুল ইসলাম। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত একজনের পরিচয় জানা যায়নি।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের ছাত্র আবু সাঈদ (২২) বিকালে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে নিহত হন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের মধ্যে ঢাকা কলেজের সামনে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের (আনুমানিক ২৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আকাশ ও মামুন নামে দুই পথচারী ঢাকা কলেজ এলাকা থেকে লাশ নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন।
এছাড়া ঢাকার সায়েন্সল্যাব এলাকায় আহত এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলন: চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনজন নিহত
৬৫৭ দিন আগে