রেল যোগাযোগ
রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা
দেশের আরও ১০ জেলা রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
ঢাকার পার্শ্ববর্তী এবং দেশের দক্ষিণাঞ্চলের দশ জেলায় রেলসেবা সম্প্রসারিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
রেলমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে এবং সভাপতিত্বে আজকে রেল মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ কার্যক্রম এবং সামগ্রিক কানেক্টিভিটি, সামগ্রিক সেবা কী পর্যায়ে আছে এবং উত্তরণের জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, কী কার্যক্রম চলমান আছে এবং আগামীতে কী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে—সে বিষয়ে একটা সভা ছিল। প্রধানমন্ত্রী সেটা জেনেছেন, দেখেছেন, বুঝেছেন এবং তার মতামতও যুক্ত করেছেন। সেই সামগ্রিক যোগাযোগ কানেক্টিভিটি এবং সেবার মান নিয়ে একটা পর্যালোচনাপূর্বক বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
তিনি বলেন, 'ইতোমধ্যেই আমরা বড় কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চলেছি, যেমন: আখাউড়া-সিলেট, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া সেটা তো আছেই, একই সময়ে আমাদের ধীরাশ্রমে একটা আইসিডি কন্টেইনারের প্রকল্প ইতোমধ্যে পাশ হয়েছে এবং ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার যে রাস্তা সেটায় কিছু মিটারগেজ-ব্রডগেজ হচ্ছে।
‘মিটারগেজ যেখানে আছে বিশেষ করে টঙ্গী থেকে আখাউড়া এবং লাকসাম থেকে সিলেট এতটুকু মিসিং লিংক আছে, সেটা ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন হবে। সেই ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা একটা কর্ড লাইন এটাও খুব জরুরি সে ব্যাপারেও নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করার তাগাদা এসেছে।’
বর্তমানে দেশের ৪৯টি জেলার সঙ্গে রেল যোগাযোগ রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে ছিল ৬৪ জেলাকেই আমরা রেল যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত করতে চাই। সেই লক্ষ্যে নতুন আরও ১০টি জেলাকে কীভাবে রেল সংযোগ বা রেল যোগাযোগ কিংবা রেল সেবা নিশ্চিত করা যায় সে ব্যাপারে রেল লাইন এবং তার সার্ভিস প্রসারিত করার জন্য প্রকল্প গ্রহণের তাগাদা এসেছে। সেটা বাস্তবায়ন করার জন্য আগামী দিনের সম্ভাব্য প্রেজেন্টেশন, সম্ভাব্য রেল লাইন, এটা আমরা উপস্থাপন করেছি। অর্থাৎ আমরা আরও ১০টা জেলা যুক্ত করতে চাইব।
শেখ রবিউল আলম বলেন, বর্তমান সরকার চাচ্ছে এবং চাইবে এবং তা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রকল্প গ্রহণ করবে। এইসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেগুলি আছে সেটা তো আছেই, যেখানে একেবারেই নেই, যেমন: মানিকগঞ্জ, ঢাকার কাছে নেই। তাই আমরা চাচ্ছি, যেহেতু কমিউটার ট্রেন চালুর একটা ব্যবস্থা আমাদের অঙ্গীকার আছে, যেমন: ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-টঙ্গী, জয়দেবপুর, ঢাকা-মানিকগঞ্জ, ঢাকা-নরসিংদী। মানিকগঞ্জ ট্রেন যোগাযোগ নেই , তাই আমরা ঢাকা-মানিকগঞ্জ এটা করার একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে কমিউটার ট্রেন চালু করব। যাতে ঢাকা থেকে মানুষ তার ব্যবসা, কর্ম সবকিছু ছেড়ে পাশের জেলাগুলিতে দ্রুততম সময় যেতে পারে এবং কাজ সেরে আসতে পারে। এই ধরনের একটা সংযোগ করার চিন্তা আছে।
১০ দিন আগে
চট্টগ্রামে ট্রাকে ট্রেনের ধাক্কা, দুই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক রেল যোগাযোগ
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে বালুভর্তি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কোনো হতাহত না হলেও ট্রাকটি দুমড়েমুচড়ে গিয়ে রেল লাইনের ওপর আটকা পড়েছে। ফলে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন চলাচল প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিক হয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) সকালে চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি মীরসরাইয়ের বড়তাকিয়া সোনাপাহাড় এলাকা অতিক্রমকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে ট্রেনটি বড়তাকিয়া এলাকায় পৌঁছালে রেললাইনের ওপর থাকা একটি বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে ইঞ্জিনের সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রেনটি ঘটনাস্থলে আটকা পড়ে এবং সাময়িকভাবে রেল চলাচল ব্যাহত হয়।
সংঘর্ষে ট্রেনের ইঞ্জিনে সামান্য ক্ষতি হলেও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। দ্রুত ট্রাকটি সরিয়ে নেওয়ার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনাও এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
রেলওয়ে সূত্র আরও জানায়, দুর্ঘটনার কারণে সকাল ৯ টা থেকে পৌনে ১১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল হাসান বলেন, দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। ট্রাকটি সরিয়ে নেওয়ার পর উভয় লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
১৯ দিন আগে
১৭ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
জ্বালানি তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ১৭ ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ থাকার পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত ও উদ্ধারকাজ শেষ হলে ধাপে ধাপে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
নোয়াপাড়া স্টেশন মাস্টার মো. মনির হোসেন জানান, ‘বেলা সোয়া ৩টার দিকে মেরামত ও উদ্ধার কাজ শেষ হয়েছে। তার কিছুক্ষণ পর থেকেই ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।’
গতকাল (বুধবার) রাতের এ দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস, ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেস ও সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের নির্ধারিত যাত্রা বাতিল করা হয়।
দীর্ঘ সময় রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক ট্রেন আটকা পড়ে এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পারাবত এক্সপ্রেস মাধবপুর উপজেলার হরষপুর স্টেশনে অবস্থান নেয়। একই সময়ের কাছাকাছি সিলেট থেকে ছেড়ে আসা কালনী এক্সপ্রেস শায়েস্তাগঞ্জ রেল জংশনে এবং সকাল সাড়ে ১০টার পাহাড়িকা এক্সপ্রেস শমসেরনগরে আটকা পড়ে বলে জানান শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন মাস্টার লিটন দাস।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, বুধবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে মাধবপুর উপজেলার মনতলা স্টেশন পার হয়ে সাহাপুর এলাকায় সিলেটগামী ৯৫১ নম্বর তেলবাহী ট্রেনের পাঁচটি ওয়াগন ও একটি গার্ডব্রেক লাইনচ্যুত হয়। প্রতিটি ওয়াগনে প্রায় ৪০ হাজার লিটার করে জ্বালানি তেল থাকায় মোট প্রায় ২ লাখ লিটার তেল পরিবহন করা হচ্ছিল বলে জানান ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান।
দুর্ঘটনার ফলে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এরপর বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত শেষে বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়া ট্রেনগুলো ছেড়ে দেওয়া শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনায় কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৮৫ দিন আগে
তিন ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ইটাখোলা স্টেশনের কাছে সিলেট থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এতে করে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
এ বিষয়ে নোয়াপাড়া স্টেশনের মাস্টার মো. মনির হোসেন জানান, সকাল সোয়া ১০টার দিকে সিলেট থেকে ঢাকাগামী ট্রেনটি নোয়াপড়া স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়। পরবর্তীতে ইটাখোলা স্টেশনের অদূরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এতে অন্য কোনো ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়নি।
আখাউড়া থেকে রিলিফ ইঞ্জিন এনে বেলা দেড়টার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয় বলে জানান তিনি।
২১১ দিন আগে
ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ দুই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক
পিএসসি সংস্কার ও প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অনশনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ করেন। অবরোধের কারণে দুই ঘণ্টা স্থগিত থাকার পর রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
রবিবার (২৭ এপ্রিল) রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জব্বারের মোড় এলাকায় রেলপথ অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। প্রায় দুই ঘণ্টা অবরোধের পর রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে তারা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: জাপানের এনইএফ বৃত্তি পেলেন বাকৃবির ১০ মেধাবী শিক্ষার্থী
এরপর রাত ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকা অভিমুখী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেন জব্বারের মোড় অতিক্রম করে, এতে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
অবরোধ তুলে নেওয়ার আগে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা কোনো মৌখিক ঘোষণা মানি না। আমাদের ৮ দফা দাবি লিখিতভাবে প্রজ্ঞাপন আকারে মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আগামীকাল থেকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আমরা জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে চাই না।’
৪২৫ দিন আগে
সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল চলাচল স্বাভাবিক
বগি লাইনচ্যুতের ঘটনার সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ। উদ্ধার হয়েছে তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের লাইনচ্যুত বগি।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১১ টার দিকে রাজশাহীর সঙ্গে ঢাকাসহ সারা দেশের রেল রেল যোগাযোগ চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক ময়েন উদ্দিন জানান, বেলা পৌনে ১১ টার দিকে ট্রেনটি নীলফামারীর চিলাহাটির উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে উদ্ধার কাজ শেষ হয়। পরে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত করা হয়। ফলে সাড়ে চার ঘণ্টা পর রাজশাহীর সঙ্গে সব রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আরও পড়ুন: বগি লাইনচ্যুত: রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ
তিনি আরও জানান, সোমবার ভোর ৬টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর ৬টা ৩৬ মিনিটে সরদহের কাছে একটি বগির দুটি চাকা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এটি রাজশাহী থেকে ছেড়ে যাওয়া দিনের প্রথম ট্রেন। সেটি আটকে থাকায় রাজশাহীর সঙ্গে দেশের অন্যান্য রুটের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, ‘সোমবার সকালে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ও বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস ছেড়ে যেতে পারেনি। এছাড়া মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন হরিয়ান স্টেশনে আটকে পড়ে। উদ্ধার কাজ শেষ হওয়ার পর তিন থেকে চার ঘণ্টা বিলম্বে সব ট্রেন চলাচল করে।
৫২৯ দিন আগে
১০ ঘণ্টা পর খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ চালু, লাইনচ্যুতির ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি
১০ ঘণ্টারও বেশি সময় পর সারাদেশের সঙ্গে খুলনার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টার দিকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আনসারবাড়িয়া স্টেশনের অদূরে খুলনাগামী মালবাহী ট্রেনের ৮টি তেলের ট্যাংকার লাইনচ্যুত হয়। সেসময়ই সারা দেশের সঙ্গে খুলনার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
পরে বুধবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার পর ট্যাংকারগুলো রেললাইন থেকে সরানো হলে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
রাত পৌনে ১টায় লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটলেও তাৎক্ষণিক উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়নি। পাবনা ঈশ্বরদী থেকে রিলিফ ট্রেন এনে সকাল ৭টা থেকে উদ্ধার কাজ শুরু হয়। খুলনা থেকে আরেকটি রিলিফ ট্রেন উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।
উথলী রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার মিন্টু রায় জানান, লাইনচ্যুত ট্যাংকার উদ্ধারে পাবনার ঈশ্বরদী থেকে আসা এবং খুলনা থেকে আসা উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ভোর থেকেই কাজ শুরু করে, যা বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ উদ্ধারকাজ শেষ হয়।
এদিকে, ১০ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় দেখা যায় শিডিউল বিপর্যয়। বিভিন্ন স্টেশনে ও ট্রেনে আটকে পড়েন যাত্রীরা। খুলনা থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যেসব ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল সেগুলোর ট্রিপ বাতিল করে রেল কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: ট্রেনের ৮ ট্যাংকার লাইনচ্যুত হয়ে খুলনার সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
স্টেশন মাস্টার মিন্টু রায় বলেন, ১০ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আটকে পড়া ট্রেনগুলো গন্তব্যে যাচ্ছে।
এদিকে রেলওয়ে (পশ্চিমাঞ্চল) পাকশী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনকে প্রধান করে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আনোয়ার হোসেন বলেন, চার ঘণ্টা ধরে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। ট্রেন চলাচল এখন স্বাভাবিক। লাইনচ্যুতির কারণ তদন্তে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি হয়েছে।
৬১১ দিন আগে
৬ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
দেশব্যাপী ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালনের সঙ্গে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে বাকৃবির জব্বারের মোড় সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দেওয়ানগঞ্জগামী ‘তিস্তা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি অবরোধ করেন তারা। পরে বিকাল সোয়া ৫টায় অবরোধ তুলে নিলে ওই রুটে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
আরও পড়ুন: বাকৃবিতে বাংলা ব্লকেড: তৃতীয় দিনের মতো রেলপথ অবরোধ
শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলাকালীন আরও চারটি ট্রেন- ‘মহুয়া কমিউটার’, ‘জামালপুর এক্সপ্রেস’, ‘মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস’ ও ‘অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস’ ময়মনসিংহে প্রবেশ করতে পারেনি। এছাড়া ঢাকা অভিমুখী ‘হাওর এক্সপ্রেস’ ও ‘বলাকা কমিউটার’ ট্রেন দুইটিও সিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ময়মনসিংহ ছেড়ে যেতে পারেনি। তবে ময়মনসিংহ থেকে জারিয়া, মোহনগঞ্জ ও জামালপুর অভিমুখী লোকাল ট্রেনগুলো চলাচল করেছে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট মো. নাজমুল হক খান বলেন, ‘বাকৃবিতে আন্দোলনের কারণে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দেওয়ানগঞ্জ অভিমুখী ‘তিস্তা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি অবরোধের মুখে পড়ে। ‘তিস্তা এক্সপ্রেস’সহ আরও চারটি ট্রেন ময়মনসিংহ প্রবেশ করতে পারেনি। এছাড়া আরও দুইটি ট্রেন ময়মনসিংহ ছেড়ে যেতে পারেনি। তবে ময়মনসিংহ থেকে তিনটি লোকাল রুটে লোকাল ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়ার পর ময়মনসিংহের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।’
এর আগে আপিল বিভাগের সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বহালে হাইকোর্টের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দেওয়ার প্রতিবাদে দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে অবরোধ করে রাখা ‘তিস্তা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের সামনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বাকৃবির শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: হাইকোর্টের রায়ের প্রতিবাদে বাকৃবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
'বাংলা ব্লকেড': ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ বাকৃবি শিক্ষার্থীদের
৭১৬ দিন আগে
কোটা সংস্কার: ৬ ঘণ্টা পর ঢাকাসহ সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা বুধবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় তাদের ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি তুলে নেওয়ার পর ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয় রেল যোগাযোগ।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার লেভেল ক্রসিং ও মহাখালী লেভেল ক্রসিংয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড দেওয়ায় ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এতে যাত্রীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
আরও পড়ুন: কোটা সংস্কারে ‘বাংলা ব্লকেড’, সারাদেশে পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত
সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে সারা দেশে ‘বাংলা ব্লকেড’র অংশ হিসেবে বুধবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা লগ বসিয়ে লেভেলক্রসিং অবরোধ করেন।
ঢাকা রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ বিশ্বাস জানান, বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা কারওয়ান বাজার সংলগ্ন লেভেল ক্রসিংয়ে ব্যারিকেড দিয়ে ট্রেন যোগাযোগ বিঘ্নিত করে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানিম আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহালে হাইকোর্টের আগের আদেশের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'কোটা পদ্ধতির সংস্কার করতে হবে এবং তা না করা পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
বিক্ষোভকারীরা শাহবাগ মোড়ে জড়ো হয়ে কোটা পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকলে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এ সময় কিছু শিক্ষার্থী কারওয়ানবাজার এফডিসি পয়েন্ট সড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
এদিকে মহাখালী, আমতলী, সায়েন্স ল্যাবরেটরি ও মেরুল বাড্ডায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দিতে দেখা গেছে।
রাজধানীর কোনো কোনো এলাকায় যাত্রীদের পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
কোটা সংস্কারকারের দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে 'বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচি পালনের সময় রেলওয়ে ও মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা।
আরও পড়ুন: বাংলা ব্লকেড: ঢাকাসহ সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
৭১৬ দিন আগে
রেল যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ঢাকা-দিল্লির মধ্যে ১০ চুক্তি সই
বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে তিনটি সমঝোতা স্মারক নবায়নসহ ১০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই করেছে ঢাকা ও নয়াদিল্লি।
এর মধ্যে রয়েছে ব্লু ইকোনমি, সমুদ্রবিজ্ঞান গবেষণা, মৎস্য, দুর্যোগ ও স্বাস্থ্য, মহাকাশ ও সামরিক শিক্ষা।
নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে দুটি অভিন্ন অংশিদারিত্ববিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গিসহ পাঁচটি নতুন সমঝোতা স্মারক সই এবং তিনটি পুরোনো সমঝোতা স্মারক নবায়ন করা হয়েছে।
নতুন সাতটির মধ্যে দুটি হলো- ভারত-বাংলাদেশ ডিজিটাল অংশীদারিত্বের দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় এবং টেকসই ভবিষ্যতের জন্য ভারত-বাংলাদেশ সবুজ অংশীদারিত্বের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি।
অন্য পাঁচটি নতুন চুক্তিগুলো হচ্ছে- বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগর অঞ্চলে ব্লু ইকোনমি এবং মেরিটাইম কো-অপারেশনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও ভারত সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক; ভারত মহাসাগরের সমুদ্রবিজ্ঞান বিষয়ে যৌথ গবেষণার জন্য বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ওআরআই) এবং ভারতের কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের (সিএসআইআর) মধ্যে সমঝোতা স্মারক; ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক; যৌথ উদ্যোগে ক্ষুদ্র উপগ্রহ প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য ভারতের ন্যাশনাল স্পেস প্রমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টার (ইন-স্পেস) ও বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক এবং প্রতিরক্ষা স্টাফ কলেজগুলোর মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা সম্পর্কিত সমঝোতাপত্র।
আরও পড়ুন: উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতার বিষয়ে একমত ঢাকা-দিল্লি: মোদির সঙ্গে বৈঠক শেষে শেখ হাসিনা
তিনটি নবায়ন করা সমঝোতা স্মারক হলো- মৎস্য খাতে সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সমঝোতা স্মারক এবং স্বাস্থ্য ও ওষুধ ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য সমঝোতাপত্র।
অভিন্ন অংশিদারিত্ববিষয়ক সামুদ্রিক সহযোগিতা ও ব্লু ইকোনমি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক, স্বাস্থ্য ও ওষুধ বিষয়ে নতুন সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কোয়াত্রা।
যৌথ কৃত্রিম উপগ্রহ প্রকল্প বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইও ড. শাহজাহান মাহমুদ এবং ভারতের মহাকাশ বিভাগের সচিব এস সোমনাথ।
এছাড়া রেলওয়ে যোগযোগ বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশের রেলওয়ে সচিব ড. হুমায়ুন কবির এবং ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারপারসন জয়া সিনহা।
এছাড়া সমুদ্রবিজ্ঞান খাতে সহযোগিতার জন্য দুটি সমঝোতা স্মারক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মৎস্য খাতে সহযোগিতার জন্য দুটি নতুন সমঝোতা স্মারকে সই করেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
কৌশলগত ও অপারেশনাল স্টাডিজের ক্ষেত্রে সামরিক শিক্ষা বিষয়ে সহযোগিতার জন্য ডিএসএসসি, ওয়েলিংটন ও ডিএসসিএসসি মিরপুরের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
আরও পড়ুন: হায়দরাবাদ হাউজে হাসিনা-মোদির বৈঠক শুরু
৭৩৪ দিন আগে