লেবানন
লেবাননে বিতর্কিত সাদা ফসফরাস ব্যবহার করে ইসরায়েলের হামলার অভিযোগ
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননের একটি গ্রামে বিতর্কিত অগ্নিসংযোগকারী রাসায়নিক ‘সাদা ফসফরাস’ ব্যবহার করে অবৈধভাবে গোলাবর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইট ওয়াচ।
সোমবার (৯ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ অভিযোগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
লেবাননের সাতটি ছবির ভৌগলিক অবস্থান যাচাইয়ের মাধ্যমে হিউম্যান রাইট ওয়াচ জানিয়েছে, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের ইয়োহমোর গ্রামে কামানের মাধ্যমে সাদা ফসফরাস নিক্ষেপ করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সতর্কবার্তা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরপরই ঘটনাটি ঘটায়।
মানবাধিকার সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ঘটনার সময় এলাকায় কোনো বাসিন্দা ছিলেন কি না বা কেউ হতাহত হয়েছে কি না, তা তারা ভালোভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। তবে এর আগে তারা বলেছিল, সাদা ফসফরাস তারা ধোঁয়ার আড়াল তৈরির জন্য ব্যবহার করেছে; সাধারণ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার লক্ষ্যে নয়।
মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাদা ফসফরাস ব্যবহার করা আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ। এই রাসায়নিক পদার্থটি অত্যন্ত উত্তপ্ত অবস্থায় নিক্ষেপ করা হলে ভবনে আগুন লাগাতে পারে এবং মানুষের শরীর দগ্ধ হয়ে হাড় পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। এমনকি পোড়া ক্ষত সামান্য থাকলেও বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা সংক্রমণ, বিকলাঙ্গ হওয়া বা শ্বাসযন্ত্রের জটিলতার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
হিউম্যান রাইট ওয়াচের লেবানন-বিষয়ক গবেষক রামজি কাইস বলেন, ‘আবাসিক এলাকার ওপর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অবৈধভাবে সাদা ফসফরাস ব্যবহার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।’
হিউম্যান রাইট ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর মতো সংস্থাগুলো জানিয়েছে, এক বছরেরও বেশি আগে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে শেষ যুদ্ধে দক্ষিণ লেবাননে অনেক সাধারণ মানুষ উপস্থিত থাকা অবস্থায়ও একাধিকবার এই ধরনের গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়েছিল।
৮ দিন আগে
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আরও ১২ জন নিহত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমশই অবনতির দিকে যাচ্ছে। এরই মধ্যে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আরও ১২ জন নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় রবিবার (৮ মার্চ) ভোরে দেশটির রাজধানী বৈরুতে ও দক্ষিণ লেবাননে আবারও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েল জানিয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের লেবানন শাখার কমান্ডারদের লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধের পরবর্তী ধাপের জন্য অনেক চমক দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
এদিকে, একঝাঁক মিসাইল ও ড্রোন কুয়েতে আঘাত হানলে দেশটির দুই সীমান্তরক্ষী নিহত হয়েছেন।
শনিবার তেহরানে একটি তেল শোধনাগারেও হামলা চালায় ইসরায়েল। এক ভিডিওতে দেখা যায়, রাতের আকাশে আগুনের লেলিহান শিখা উড়ছে। এটিই প্রথম কোনো বেসামরিক শিল্প প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইরানে কমপক্ষে ১ হাজার ২৩০ জন, লেবাননে ৩০০ জনেরও বেশি এবং ইসরায়েলে প্রায় ১০-১২ জন মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরানের এফ-১৪ যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে হামলা
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী রবিবার জানিয়েছে, তারা প্রাক-বিপ্লবী যুগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা ইরানের একঝাঁক যুদ্ধবিমানের ওপর হামলা চালিয়েছে। তেহরানের দক্ষিণে ইসফাহান বিমানবন্দরে থাকা এফ-১৪ বিমানগুলো ছিল ইরানি বিমান বাহিনীর প্রধান স্তম্ভ। তবে বিমানগুলো ধ্বংস হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেনি ইসরায়েল। এছাড়া তারা রাডার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় হামলার দাবিও করেছে।
বাহরাইনে হামলায় আহত ৩, পানি শোধন প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত
বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রবিবার সকালে বাহরাইনের মুহারাগ শহরের একটি বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের ওপর ইরানের মিসাইল হামলায় ৩ জন আহত হয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি ড্রোন হামলায় তাদের একটি লবণাক্ত পানি শোধন প্ল্যান্টও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৯ দিন আগে
আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান তেহরানের, লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৩১
লেবানন ও ইরানজুড়ে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে পারমাণবিক আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নতুন করে আলোচনা শুরু করার দাবিকে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবে না। কারণ, তাদের সশস্ত্র বাহিনী এই সংঘাত শুরু করেনি, বরং দেশটি এখন আত্মরক্ষার কাজ করছে।
মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি) জানায়, রবিবার (১ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান যে ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, দেশটি দুইবার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার চেষ্টা করেছিল; প্রথমবার ২০২৫ সালের স্থগিত আলোচনার সময় এবং দ্বিতীয়বার পুনরায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার সময়।
এদিকে, ইরানের পাল্টা হামলায় তেল আবিব, জেরুজালেম ও বেইত শেমেশে আঘাত হানে। এতে মধ্য ইসরায়েলে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন।
হিজবুল্লাহবিরোধী অভিযান ঘোষণা ইসরায়েলের
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার পর এক বৈঠকে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির বলেন, আমরা হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে একটি আক্রমণাত্মক অভিযান শুরু করেছি।
লেবানন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৩১ জন নিহত এবং ১৪৯ জন আহত হয়েছেন।
লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানায়, বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহর ও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় রাজধানীর উপশহরে ২০ জন নিহত ও ৯১ জন আহত হয়েছেন এবং দক্ষিণাঞ্চলে ১১ জন নিহত ও ৫৮ জন আহত হয়েছেন।
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার ফলে সৃষ্ট সংঘাতের রেশ ধরে হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে রকেট ছুড়লে ইসরায়েল এই হামলা শুরু করে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের হুমকির কারণে ইতোমধ্যে দক্ষিণ লেবাননের লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।
ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটনের সব লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকবে। তিন মার্কিন সেনার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
এদিকে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে বাহরাইনে একজন নিহত হয়েছেন। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং প্রায় ৪০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার পর ইরাক ও কুয়েতেও ইরানের হামলার খবর পাওয়া গেছে।
কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসের সতর্কতা
কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, দেশটির ওপর ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার হুমকি রয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন দূতাবাস কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে আহ্বান জানিয়েছে। হামলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনার এবং সতর্ক থাকার আহ্বানও জানাচ্ছে। দূতাবাসের কর্মীরাও বর্তমানে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন।
ইরানের সানান্দাজে হামলায় নিহত ২
ইরানের সংবাদ সংস্থা ফারস জানিয়েছে, সানান্দাজ শহরে শত্রু পক্ষের হামলায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে পুলিশ স্টেশনের কাছে কয়েকটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়েছে।
এছাড়া তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী জনবহুল এলাকাগুলোসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
আল জাজিরার যাচাইকৃত ফুটেজে একটি হামলার সময় আকাশে আগুন এবং বিশাল ধোঁয়ার মেঘ দেখা গেছে।
‘আমেরিকা ফার্স্ট’ থেকে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’
আলি লারিজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন, ট্রাম্প তার ভ্রান্ত কল্পনার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে ঠেলে দিয়েছেন এবং এখন আরও মার্কিন হতাহতের ভয় পাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ট্রাম্প তার নিজের তৈরি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ স্লোগানকে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-এ রূপান্তর করেছেন এবং ইসরায়েলের উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য আমেরিকান সেনাদের বলি দিয়েছেন।
মার্কিন সেনা ও তাদের পরিবারকে এর মূল্য দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
১৫ দিন আগে
লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর ৩ কমান্ডার নিহত
লেবাননে ইসরায়েলের একাধিক বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর ৩ কমান্ডারসহ আরও ৮ জন নিহত এবং ৩৫ জন আহত হয়েন বলে জানিয়েছে লেবাননের নিরাপত্তা সূত্র।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) লেবাননের সরকারি ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) প্রাথমিক হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করে জানায়, পূর্ব লেবাননের রিয়াক এলাকায় একটি ভবনে চালানো বিমান হামলায় ১০ জনের বেশি নিহত এবং ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছে।
পরে জানা যায়, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৩৫ জন। এছাড়া নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি কার্যক্রম চলছে।
নিহতদের মধ্যে হিজবুল্লাহর ৩ কমান্ডার ছিলেন। তারা হলেন— হুসেইন মোহাম্মদ ইয়াঘি, আলি জেইদ আল-মুসাওয়ি এবং মোহাম্মদ ইব্রাহিম আল-মুসাওয়ি।
কমান্ডার হুসেইন মোহাম্মদ ইয়াঘির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানায়, তিনি লেবানন ও এর জনগণের প্রতিরক্ষায় শহিদ হয়েছেন।
লেবাননের নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হিজবুল্লাহর অবস্থানসহ পূর্ব লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৬ টি বিমান হামলা চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর রয়েছে। তবে, তা সত্ত্বেও ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মাঝেমধ্যেই লেবাননে হামলা চালিয়ে আসছে।
২৪ দিন আগে
লেবাননে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিল জাতিসংঘ
আগামী বছরের শেষ নাগাদ লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদ। বাহিনীটি মোতায়নের প্রায় পাঁচ দশক পর যুক্তরাষ্ট্র ও তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলের চাপে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বসম্মতভাবে এ প্রস্তাব গৃহীত হয়।
সিএনএন জানিয়েছে, প্রথমে ছয় মাসের মধ্যে লেবানন থেকে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানায় যুক্তরাষ্ট্র। পরে এক বছরের চূড়ান্ত সময়সীমার প্রস্তাব দেয় ওয়াশিংটন। সবশেষ ১৬ মাস মেয়াদি একটি চূড়ান্ত প্রস্তাবে সম্মতি দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাবে শান্তিরক্ষী বাহিনী।
১৯৭৮ সালে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলার পর সেখানে জাতিসংঘ অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী (ইউএনআইএফআইএল) মোতায়ন করে। এরপর ২০০৬ সালের ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের এই বাহিনীর মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়। ফলে দশক ধরে ইউএনআইএফআইএল দক্ষিণ লেবাননের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।
আরও পড়ুন: জোরপূর্বক ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ যুদ্ধাপরাধের শামিল: জাতিসংঘ
গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে এক বছরের মধ্যে ইউএনআইএফআইএল তাদের ১০ হাজার ৮০০ সামরিক ও বেসামরিক সদস্য এবং সব জাতিসংঘ সরঞ্জাম প্রত্যাহার করবে। এ সময়ে সীমিত কিছু কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি থাকবে বাহিনীটির।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের জাতিসংঘ-চিহ্নিত সীমান্তরেখা ‘ব্লু লাইন’-এর উত্তরে নিরাপত্তা প্রদানের একমাত্র দায়িত্ব পালন করবে লেবানন সরকার। পাশাপাশি ইসরায়েলকে ওই রেখার উত্তরের এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত বছর ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধের সময় এ বাহিনী উভয়পক্ষের সমালোচনার মুখে পড়ে। মার্কিন কংগ্রেসের অনেক সদস্যও ইউএনআইএফআইএলের তীব্র সমালোচনা করেন সে সময়।
ওয়াশিংটনের দাবি, এ বাহিনী কেবল অর্থের অপচয় করছে এবং হিজবুল্লাহর প্রভাব নির্মূল ও লেবাননের সেনাবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে দীর্ঘায়িত করছে। এরই মধ্যে ইউএনআইএফআইএলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে বড় ধরনের কাটছাঁট করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
তবে লেবাননের সেনাবাহিনী এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেনি বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার।
গৃহীত ওই প্রস্তাবে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীকে সরঞ্জাম, উপকরণ ও আর্থিক সহায়তা জোরদার করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
এদিকে, ইউরোপের অনেক দেশ, বিশেষত ফ্রান্স ও ইতালি এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। তাদের ভাষ্যে, লেবানিজ সেনাবাহিনী সীমান্ত এলাকায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আগে শান্তিরক্ষী বাহিনী চলে গেলে সেখানে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হবে। এই সুযোগ হিজবুল্লাহ সহজেই কাজে লাগাতে পারবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দেশগুলো।
২০০ দিন আগে
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের হামলা
লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকাকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল এসব হামলা চালায় বলে দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এনএনএর বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে পূর্ব লেবাননের পূর্বাঞ্চলীয় পর্বতমালার উচ্চতায় এবং পূর্ব লেবাননের বালবেক জেলার একটি এলাকায় একাধিক হামলা চালিয়েছে।
বিমান হামলার আগে, ইসরায়েলি বিমানগুলো পূর্ব লেবাননের হারমেল শহর এবং উত্তর বেকা শহরের উপর দিয়ে অনেক বেশি ও কম উচ্চতায় উড়ছিল। বৈরুত ও এর নিকটবর্তী শহরগুলোতেও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও এই হামলার ঘটনা ঘটলো। যুদ্ধবিরতি ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর কার্যকর হয়। এই যুদ্ধবিরতির চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল গাজায় যুদ্ধ শুরুর কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা আন্তঃসীমান্ত সংঘর্ষের অবসান ঘটানো।
আরও পড়ুন: ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৭
চুক্তিতে বলা হয়েছিল যে ইসরায়েল ৬০ দিনের মধ্যে লেবাননের অঞ্চল থেকে সরে আসবে। একই সঙ্গে লেবানন-ইসরায়েলি সীমান্ত এবং দক্ষিণাঞ্চলে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। এটি নিশ্চিত করে যে লিটানি নদীর দক্ষিণে কোনো অস্ত্র বা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য থাকবে না।
তবে লেবাননের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২৭ জানুয়ারি ঘোষণা করেছিল যে, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ছাড়াই প্রাথমিক ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরে তারা ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননে মাঝেমধ্যে হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং দাবি করেছে যে তাদের লক্ষ্য হিজবুল্লাহর সৃষ্ট ‘হুমকি’ নির্মূল করা।
৪০৩ দিন আগে
লেবানন থেকে ফিরলেন আরও ৪৭ বাংলাদেশি
যুদ্ধবিধস্ত লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ৪৭ প্রবাসী।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
ফেরত আসা এসবনাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: লেবানন থেকে ফিরলেন আরও ১০৫ বাংলাদেশি
আইওএমের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা পকেটমানি, কিছু খাদ্য সামগ্রী ও প্রাথমিক মেডিকেল চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
বিমানবন্দরে ফিরে আসা বাংলাদেশিদের খোঁজ নেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এখন পর্যন্ত একজন বাংলাদেশি বোমা হামলায় নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত ১৯ ফ্লাইটে সর্বমোট ১ হাজার ২৪৬ জন বাংলাদেশিকে লেবানন থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: লেবানন থেকে দেশে ফিরলেন আরও ৮২ প্রবাসী বাংলাদেশি
৪২৩ দিন আগে
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হাসপাতালের পরিচালকসহ নিহত ৬
ইসরায়েলি বিমান হামলায় উত্তর-পূর্ব লেবাননে নিজ বাড়িতে হাসপাতালের একজন পরিচালকসহ আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে শুক্রবার দেশের দক্ষিণে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে পাঁচ প্যারামেডিক নিহত হয়েছেন।
গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলায় নয়জন চিকিৎসা কর্মী আহত হয়েছেন এবং জেনারেটর ও অক্সিজেন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক। তবে ওই এলাকায় কোনো হামলার কথা অস্বীকার করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে শুক্রবার ইসরায়েলি সেনা ও হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের খবর দিয়েছে জাতিসংঘ। হিজবুল্লাহর ছোড়া একটি রকেট তাদের ঘাঁটিতে আঘাত হানলে ইতালির চার শান্তিরক্ষী সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
আরও পড়ুন: লেবাননের পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৪৭
প্রায় এক বছর ধরে চলমান নিম্ন মাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর সেপ্টেম্বরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়। শুক্রবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লেবাননে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৬৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৫ হাজার ৩৫০ জন। নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান ও স্থল আগ্রাসনের শিকার।
গাজা উপত্যকায় ৪৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সংস্থাটি বেসামরিক ও যোদ্ধাদের আলাদাভাবে শনাক্ত না করে বলেছে, নিহতদের অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরেইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের অভিযানে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষকে নিহত হয়। যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। এসময় হামাস সদস্যরা আরও ২৫০ জন ইসরায়েলিকে অপহরণ করে গাজায় নিয়ে যায়। প্রায় ১০০ জিম্মি এখনও গাজার অভ্যন্তরে জিম্মি অবস্থায় রয়েছে, যাদের অন্তত এক তৃতীয়াংশ মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৫০ ফিলিস্তিনি নিহত
৪৭৯ দিন আগে
লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ১১
লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।
স্থানীয় সময় শনিবার এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)।
এনএনএ জানায়, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন। পূর্বাঞ্চলীয় বালবেক-হারমেল গভর্নরেটের খ্রাইবেহ গ্রামের একটি বাড়িতে ওই হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এ সময় আরও ১১ জন আহত হন।
এছাড়া নাবাতিয়েহ পৌরসভার একটি গুদামে ইসরায়েলি অভিযানে পাঁচ কর্মী নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে ১২ জন উদ্ধারকর্মী এবং সিরিয়ায় ১৫ জন নিহত
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামরিক সূত্রগুলো জানায়, শনিবার লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের গ্রাম ও শহরগুলোতে প্রায় ৯০টি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন। একই সঙ্গে প্রায় ১৬টি গ্রাম ও শহরে ৭৫টি শেলসহ বোমা বর্ষণ করেছে ইসরায়েলি কামান।
এদিকে শনিবার পৃথক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানায়, তারা দক্ষিণ লেবাননের চামা গ্রামে একটি গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরায়েলি মারকাভা ট্যাংক ধ্বংস করেছে। এতে ক্রুরা হতাহত হয়েছেন।
গোষ্ঠীটি আরও জানায়, তারা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে ইসরায়েলি সেনাদের সমাবেশ এবং দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকার শহরগুলোতে অনুপ্রবেশকারী যানবাহন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
এছাড়া ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের আকরে, হাইফা, সাফেদ ও কিরিয়াত শমোনা শহরসহ বেশ কয়েকটি ইসরায়েলি স্থাপনায় রকেট হামলা চালানো হয়।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাত বাড়িয়ে লেবাননে বিমান হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। অক্টোবরের শুরুতে ইসরায়েল তার উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত পেরিয়ে লেবাননের ভূখণ্ডে অভিযান শুরু করে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৫২ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১৪ হাজার ৬৬৪ জন।
আরও পড়ুন: গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৬, লেবাননে ৩৩ জন নিহত
৪৮৫ দিন আগে
লেবানন থেকে ফিরলেন আরও ১৮৩ বাংলাদেশি
যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে আরও ১৮৩ বাংলাদেশি দেশে ফিরে এসেছেন।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দিনগত রাত ১টার দিকে ১৫১ জন প্রবাসী বাংলাদেশে পৌঁছান বলে জানানো হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
এদিকে এর আগে রাত ১১টার দিকে আরেকটি ফ্লাইটে আরও ৩২ জন ফিরে আসেন।
এ নিয়ে নয়টি ফ্লাইটে সর্বমোট ৫২১ জন বাংলাদশি নিরাপদে দেশে ফিরলেন লেবানন থেকে।
আরও পড়ুন: যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন ৭০ বাংলাদেশি
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, লেবাননের বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাদের ফিরিয়ে আনা হয়।
ফিরে আসা নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খোন্দকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা। আইওএমের পক্ষ থেকে লেবানন থেকে আসা প্রত্যেককে ৫০০০ টাকা পকেটমানি, কিছু খাদ্য সামগ্রী ও প্রাথমিক মেডিক্যাল চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
বিমানবন্দরে ফিরে আসা বাংলাদেশিদের সঙ্গে তারা যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে কথা বলেন ও তাদের খোঁজ খবর নেন। এ পর্যন্ত একজন বাংলাদেশি বোমা হামলায় নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
লেবাননে চলমান সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থায় যারা ফিরে আসতে চান, সরকার নিজ খরচে তাদের দেশে ফেরত আনবে বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত
৪৯৬ দিন আগে