ডা. শফিকুর রহমান
পোশাকশিল্প ধ্বংসে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ জামায়াত আমিরের
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা উসকে দিয়ে ষড়যন্ত্রকারী ও সুযোগসন্ধানীরা এ শিল্প ধ্বংসের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (২ নভেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ করেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারী ও ধান্দাবাজরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে পোশাকশিল্পকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে বলে মনে হয়। এ ব্যাপারে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, পোশাকশিল্পে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের মতো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে।
জামায়াত আমির বলেন, ‘কোনো মালিক কিংবা শ্রমিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। আমরা বিশ্বাস করি, কোনো শ্রমিক এ ধরনের কাজে জড়িত হবেন না।’
ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, পোশাকশিল্পের সম্ভাবনা ধ্বংসের জন্য গভীর কোনো ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
কারখানার মালিক, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তরিক ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
২ দিন আগে
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির
১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের রায় পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) খুলনার শিববাড়ী মোড়ে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত লংমার্চের সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
জামায়াত আমির বলেন, সাত দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত একের পর এক কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এ সময় প্রয়োজনে ডাক দেওয়া হলে গ্রাম-বাংলার মানুষকে ঢাকায় যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের দাবিগুলো কোনো দলীয় বা নির্বাচনি দাবি নয়; বরং দেশের প্রত্যেক নাগরিকের দাবি।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই গণহত্যাসহ গত সাড়ে ১৫ বছরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার, চাঁদাবাজি বন্ধ, অর্থপাচার রোধ ও কৃষকের সার নিশ্চিত করার দাবিতে আমরা মাঠে নেমেছি।’
সরকারের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর প্রশ্ন তোলেন, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এখন কেন গণভোটের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।
এ সময় গ্যাস ও বিদ্যুতের বিলের মাধ্যমে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ তৈরির অভিযোগ করেন তিনি।
খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশটি পরিচালনা করেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল।
এর আগে দিনের শুরুতে এক হাজারের বেশি যানবাহন নিয়ে ঢাকা থেকে খুলনা ও কুষ্টিয়ার উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হয়।
৪ দিন আগে
সমান সুযোগ নিশ্চিত হলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত: শফিকুর রহমান
সব প্রতিদ্বন্দ্বীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা অবশ্যই নির্বাচনের পথ পরিষ্কার করার চেষ্টা করব। আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানাব। যখন নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে, তখন আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কারও বলির পাঁঠা হতে চাই না; আমরা জনগণের অধিকার নিয়ে লড়তে চাই। আমরা চাই, জনগণ যাকে ভোট দিয়ে পছন্দ করবেন, তিনিই ক্ষমতায় যাবেন।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, এ নির্বাচন নিয়ে তিনি ইতিবাচক কোনো লক্ষণ দেখছেন না।
বিএনপির প্রার্থীরা যেসব এলাকায় জয়ী হতে পারবেন না, সেসব এলাকায় সরকার বরাদ্দ দেবে না—চিফ হুইপের এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের আগে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর শামিল।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি লজ্জাজনক। এর মাধ্যমে আগেভাগেই জনগণকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এ ধরনের ভয়ভীতি ও দলীয় প্রভাবের মধ্যে নির্বাচন হলে তা সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’
নির্বাচন কমিশনে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিএনপি কর্মীকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, দলীয় পরিচয়সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কেন এ প্রতিষ্ঠানে আনা হয়েছে, তা মানুষ জানতে চায়।
এছাড়া সরকারি কর্মকর্তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবি করলেও জননিরাপত্তায় দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ করেন শফিকুর রহমান। এ নিয়ে তিনি সরকারের সমালোচনাও করেন।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের আরও কয়েকজন দলীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজ জেলা মৌলভীবাজারে শফিকুর রহমানের এটিই ছিল প্রথম সফর।
১১ দিন আগে
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বিরোধীদলীয় নেতা
তুরস্ক সফর ও সৌদি আরবে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
এ সময় ফুলের তোড়া দিয়ে শফিকুর রহমানকে স্বাগত জানান জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এর আগে তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ স্টাডিজবিষয়ক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে ৭ অক্টোবর ঢাকা ছাড়েন শফিকুর রহমান। ৯ অক্টোবর সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তিনি।
তুরস্ক সফরকালে ৮ অক্টোবর দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার অধ্যাপক ড. নুমান কুরতুলমুসের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি।
পরে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব যান জামায়াতের আমির। সেখান থেকে ঢাকায় ফিরলেন তিনি।
২৪ দিন আগে
তুরস্কের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতার ঢাকা ত্যাগ
বাংলাদেশবিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তুরস্কের উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
এ সময় জামায়াত আমিরকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন।
তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে ডা. শফিকুর রহমানের।
‘বাংলাদেশ ২.০-এর সংস্কারের বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তুরস্ক-বাংলাদেশের সহযোগিতার নতুন দিগন্ত’ প্রতিপাদ্যে ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় ও সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ (সিপিএসআর) যৌথভাবে সম্মেলনটি আয়োজন করছে।
এ সম্মেলনে বাংলাদেশ, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, গবেষক এবং বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
তুরস্কে সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে বিরোধীদলীয় নেতা সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালন করবেন। এরপর আগামী ১১ অক্টোবর সকালে দেশে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
২৮ দিন আগে
জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত: তথ্য উপদেষ্টা
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরসহ আরও যাদের প্রচুর পরিচিতি ও ভাইরাল জনপ্রিয়তা রয়েছে, তারা ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার পর তোলা চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে উপদেষ্টা বলেন, সালমান মুক্তাদির প্রথমে বিএনপির লোকজন চাঁদা চেয়েছে বলে অভিযোগ করলেও পরে বলেছেন, তার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়নি। এ সময় তিনি প্রশ্ন রাখেন, এভাবে কোনো ব্যক্তি অপতথ্য ছড়ালে তা বন্ধে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে।
তিনি আরও বলেন, সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে সরকার সহানুভূতি রেখে কথা বলছে, কারণ তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং হামলার শিকার হয়েছেন। তবে ওই অবস্থায় তিনি যেভাবে বিষয়টি বলেছেন, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পরে সালমান মুক্তাদির নিজেই ওই বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন এবং স্বীকার করেছেন যে বিষয়টি আসলে সেভাবে ঘটেনি। শুধু সালমান মুক্তাদিরের স্থাপনা নয়, অন্যান্য স্থাপনাও ভাঙচুরের শিকার হয়েছে বলেও তিনি জানান।
ডা. জাহেদ বলেন, কোনো রকম ভায়োলেন্সের সাফাই সরকার গাইছে না। এটি হওয়া উচিত হয়নি, এটি আটকাতে পারা উচিত ছিল। এখন অন্তত সরকারের কাজ হবে দ্রুত এ ঘটনার বিচার নিশ্চিত করা। আপনারা দেখছেন, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসের প্রসঙ্গ তুলে তথ্য উপদেষ্টা জানান, সালমান মুক্তাদিরের ভিডিও দেখার পর তিনি চাঁদাবাজির বিষয়টি উল্লেখ করে সরকারকে দায়ী করে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ওই স্ট্যাটাস এখনও রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতার ফেসবুকে তো ওই স্ট্যাটাসটি এখনও রয়ে গেছে। শুধু তিনিই নন, এনসিপির অনেক সিগনেচার (বিশিষ্ট) নেতা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় শুধু বিএনপিকে না, বিএনপি ও এই সরকারের প্রধানকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন। কেউ কিন্তু সেগুলো সরায়নি।’
অপতথ্য ছড়ানোর বিষয়টি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসের প্রতিপাদ্যেও এখন অপতথ্যের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, সালমান মুক্তাদিরদের মতো মানুষ, যাদের প্রচুর রিচ আছে, ভাইরাল ট্র্যাকশন আছে, তারা দায়িত্বশীল হবেন।’
ভবিষ্যতে অপতথ্য মোকাবিলায় জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি আইনি পরিসরের মধ্যে বিষয়গুলো নিয়ে আসার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের কথা বলছি, জনগণকে সচেতন করা এবং এর সঙ্গে আইনি পরিমণ্ডলের মধ্যে এগুলো নিয়ে আসার সুযোগ (রয়েছে), আপনারা জানেন একটা আইন নিয়ে কাজ হচ্ছে, সাইবার সুরক্ষা আইন। সেই আইনটা আসলে আমরা আশা করি সেই আইনি পরিসীমার মধ্যে এগুলো নিয়ে কাজ করা যাবে।’
৩৬ দিন আগে
আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে: শফিকুর রহমান
আট দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চ শুরু হয়েছে। তবে দাবি না মানা হলে যেকোনো সময় তা এক দফায় পরিণত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে রংপুরের উদ্দেশে লং মার্চ শুরু হয়। লং মার্চটি গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস মোড়ে পথসভা করে। সেখানে জামায়াত আমির এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ‘১১ দলীয় ঐক্য’। এর আগে, গত ৫ সেপ্টেম্বর একই দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ‘লং মার্চ’ পালন করেছিল তারা।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে আমাদের দ্বিতীয় দফায় লং মার্চ; এর আগে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের লং মার্চ সফল হয়েছে। এটা দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে। সেটার লক্ষণ আমরা রাজধানীতে দেখতে পাচ্ছি। হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না।’
তিনি বলেন, আমাদের লং মার্চ জনগণের ঘরে ঘরে গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার দাবিতে; নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে, মানুষের দুঃখ দূর করার দাবিতে। রাস্তাঘাট, হাটবজার সর্বত্র চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে, দুর্নীতিতে ছেয়ে যাওয়া দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার দাবিতে আমাদের এই লং মার্চ।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের এই লং মার্চ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি হয়েছে, তা থেকে উত্তরণের দাবিতে।’
উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। কোন দলীয় দাবি নিয়ে নামি নাই। ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।
‘আপনারা গণভোটে “হ্যাঁ” বলেছিলেন। সরকার আপনাদের অপমানিত করেছে। সেই অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। জনগণের রায়ের বাস্তবায়ন ইনশাআল্লাহ এই বাংলার মাটিতে হবে। এই বিএনপিই করতে বাধ্য হবে।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘বিএনপি পানি খাবে কিন্তু ঘোলা করে খাবে। আজকে ৮ দফা দাবিতে নেমেছি। জনগণের প্রয়োজনে ৮ দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে। আপনারা পাশে থাকলে ইনশাল্লাহ দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
৪৬ দিন আগে
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: শফিকুর রহমান
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার জনগণের সঙ্গে ভাওতাবাজি ও প্রতারণা করছে। ওয়াদা দিয়ে তা লঙ্ঘন করছে। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এই রাস্তায় রক্ত ঢেলেছিলেন আপনাদের সঙ্গীরা। তাদের সেই দাবি পূরণ হয়নি। সেই দাবি পূরণ করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। ইনশাআল্লাহ, দাবি পূরণ করে ঘরে ফিরব।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের দাবি তুলে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নেমেছি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করার জন্য। রাস্তায় নেমেছি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করার জন্য। আমরা রাস্তায় নেমেছি আপনাদের ঘরে গ্যাস ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। রাস্তায় নেমেছি আপনাদের ঘরে বিদ্যুৎ ও বাতি জ্বালানোর ব্যবস্থা করার জন্য।’
‘আপনারা কি ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পান, গ্যাস পান? চাঁদাবাজি হয় কি না?’ দেশ মাদকে ছেয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
পথসভায় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরও বক্তব্য দেন। তিনি লংমার্চের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় কার্যকর করার আহ্বান জানান।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের এসব মৌলিক দাবি পূরণ না হলে সরকার গদিতে থাকতে পারবে না। গণভোটের রায় বাস্তবায়নেরও দাবি জানান তিনি।
এ সময় লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায় কার্যকর করতে হবে। এই রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত না হলে সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন এবং দেশকে সঠিক গন্তব্যে এগিয়ে নিতে সামনে আরও কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। লংমার্চের মধ্য দিয়ে চলমান আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ছয় দফা দাবিতে শনিবার সকালে রাজধানী থেকে ঢাকা–চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু হয়। নারায়ণগঞ্জের শিমরাইলসহ বিভিন্ন স্থানে পথসভা শেষে লংমার্চটি কুমিল্লায় পৌঁছে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে পথসভা করে। পরে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চটি যাত্রা করে।
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। সভা পরিচালনা করেন কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মো. মাহবুবর রহমান। এতে সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল ও কাউন্সিলর মোশাররফ হোসাইনও দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া পথসভায় বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব আলী হোসেন আকন্দ, আমার বাংলাদেশ পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মো. আবদুস সাত্তার, কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ জামায়াতের আমির মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবদুল মতিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভূঁইয়া এবং চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমির মো. বিল্লাল হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
৬০ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার ও বন্ধুত্বের: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার ও বন্ধুত্বের।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে রাজশাহী মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রোকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সারা বিশ্বই সফর করতে পারেন। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত সফর করতেও আমাদের কোনো অসুবিধা নেই। তবে সেই সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার, বন্ধুত্বের। এখন এই দেশের মানুষ আর কারও আধিপত্যবাদ মেনে নেবে না। এ দেশের মানুষ চায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হোক বন্ধুত্বের, সমমর্যাদার, সমতার ভিত্তিতে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইসঙ্গে সরকারপ্রধান ও দলীয় প্রধান। তিনি চাইলেই দেশে চলমান চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্যের টুঁটি চেপে ধরতে পারেন। তিনি চাইলেই এসব বন্ধ হবে। তিনি চাচ্ছেন কি না, এটাই বড় বিষয়।’
সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এই দেশের মানুষের কাছে একটি আদর্শিক সংগঠনের নাম। এই আস্থা অর্জন করতে এই সংগঠন দীর্ঘ সময় ধরে এ দেশের মানুষের মাঝে ইসলামের দাওয়াত ও আদর্শ সমাজ এবং রাষ্ট্র গঠনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।’
আগামী স্থানীয় নির্বাচনে নেতা-কর্মীদের জনমানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোট যেন কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে, সে ব্যাপারে আমাদের নেতা-কর্মীদের সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে।’
রাজশাহী মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডলের সঞ্চালনায় সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. মাওলানা কেরামত আলী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি।
সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলসহ মহানগরীর শূরা ও বিভিন্ন থানার নেতারা।
সম্মেলনে রাজশাহী মহানগরীর সহস্রাধিক (রোকন) সদস্য (নারী-পুরুষ) উপস্থিত ছিলেন।
৭৫ দিন আগে
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে জামায়াত আমিরের অভিনন্দন
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক অভিনন্দন বার্তায় শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজ ২০ আগস্ট ২০২৬ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এই নির্বাচনে জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি।’
আগামী দিনগুলোতে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার সর্বোচ্চ যোগ্যতা ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জামায়াত আমির নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
আজ দুপুর ২টা ১০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় যা চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন এই নির্বাচনের কর্তা সিইসি এ এমএম নাসির উদ্দিন।
ঘোষিত ফল অনুসারে, ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
সিইসির ঘোষণার পর টেবিল চাপড়ে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান সংসদ সদস্যরা। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ আসন থেকে উঠে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে করমর্দন করেন। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা।
এরপর নিজ আসন থেকে উঠে যান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান উঠে এসে তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন। একে একে অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও তার সঙ্গে করমর্দন ও আলিঙ্গন করেন।
এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন, এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।
৭৬ দিন আগে