ডা. শফিকুর রহমান
কূটনীতিকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কূটনৈতিক অঙ্গনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে তার সরকারি বাসভবনে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সাক্ষাতের সময় তিনি আগত অতিথিদের সঙ্গে আন্তরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উৎসবমুখর পরিবেশে কূটনীতিকদের সঙ্গে হাস্যরস ও খুনসুটিতেও মেতে উঠতে দেখা যায় বিরোধীদলীয় নেতাকে। পরে বাসভবন প্রাঙ্গণে একটি গাছ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও দেন তিনি।
এর আগে, সকালে রাজধানীর মিরপুরের ৬০ ফুট সড়ক-সংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাই স্কুল মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন শফিকুর রহমান।
৪ দিন আগে
কার্যকর সংসদ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান শফিকুর রহমানের
নবনির্বাচিত স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে দেশের স্বার্থে ন্যায্যতা, ন্যায়বিচার ও প্রাণবন্ত সংসদীয় পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শুরুতে ডা. শফিকুর রহমান মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন এবং তার নির্বাচনি এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, ‘আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ৪৭, ৫২, ৭১, ৭৫ এবং ৯০-এর শহিদদের। বিশেষ করে গত সাড়ে ১৫ বছর যারা আয়নাঘরে বন্দি ছিলেন, নির্যাতিত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং ২৪-এর জুলাইয়ে যারা অকাতরে জীবন দিয়ে আমাদের এই সংসদে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমি চিরঋণী।’
তিনি শহিদদের জান্নাত কামনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা প্রার্থনা করেন।
স্পিকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “স্বাধীনতার ৫৫ বছরে সংসদীয় রাজনীতি খুব কম সময় কার্যকর ছিল। বেশিরভাগ সময় দেশ ফ্যাসিবাদের কবলে ছিল এবং সংসদ ছিল কেবলই একটি ‘ডামি’ সংসদ। যারা অতীতে এই চেয়ারে বসেছেন, তারা গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের ওপর সুবিচার করতে পারেননি।
“আপনি একটি দল থেকে নির্বাচিত হয়ে আসলেও স্পিকার হওয়ার পর দলীয় পদ ত্যাগ করেছেন। তাই আমরা আশা করি, আপনার কাছে সরকারি দল ও বিরোধী দল আলাদা কিছু হবে না। আপনার কাছ থেকে আমরা ইনসাফ বা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি।”
সংসদকে কোনো ব্যক্তির চরিত্র হননের কেন্দ্র না বানানোর অনুরোধ জানিয়ে ড. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অতীতে আমরা দেখেছি জনগণের কল্যাণ নিয়ে আলোচনার চেয়ে মানুষের চরিত্র হননে বেশি সময় ব্যয় করা হয়েছে। আমি বিনীত অনুরোধ করব, এই সংসদ যেন কারো অপমানের কেন্দ্রে পরিণত না হয়। এটি যেন কেবল জনকল্যাণে পরিচালিত হয়।’
জুলাই বিপ্লবের মূল স্লোগান ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’-এর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে সংসদ সবচেয়ে প্রধান। সংসদ যখন সঠিকভাবে চলবে, বাকি দুটি অঙ্গও (নির্বাহী ও বিচার বিভাগ) সঠিকভাবে কাজ করবে। আপনার মাধ্যমে সমাজ থেকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সকল অসংগতি ও দুর্নীতির অবসান ঘটবে—এটাই ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশা।’
বক্তব্যের শেষে তিনি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানান এবং সংসদের সকল গঠনমূলক কাজে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন।
১৩ দিন আগে
নির্বাচনে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনে আমাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়নি। এই নির্বাচনের মধ্যমে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে, এটি আমাদের কাছে পরিষ্কার।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সিলেট জেলা জামায়াত আয়োজিত ‘শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষা শিবির’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ১০ থেকে ১২ হাজার পর্যন্ত ভোটের ব্যবধানে যাদের হারানো হয়েছে এটা ইচ্ছাকৃত। দুয়েক জায়গায় ঘোষণা দিয়েও তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিছু স্পর্শকাতর জায়গায় ইচ্ছাকৃতভাবে হারানো হয়েছে। যেখানেই যাচ্ছি লোকে আমাদের বলে, আপনারা হারেননি, আপনাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাসে সংসদীয় রাজনীতিতে এবারই সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আমাদের তিনটি লাভ হয়েছে। এক. এই প্রথম জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে একটা অর্থবহ ঐক্য হয়েছে। এর আগে, আমরা অন্যের নেতৃত্বে ঐক্য করেছিলাম। এবার আমাদের নেতৃত্বে হয়েছে। দুই. এই প্রথম আল্লাহ আমাদের প্রধান বিরোধী দলের দায়িত্ব প্রদান করেছেন। তৃতীয় লাভ হলো এবার আমরা ৬টা শক্তির বিরুদ্ধে সমান্তরালে লড়াই করেছি। আমি তাদের নাম বলছি না, আপনারা সকলেই তা জানেন। এই ছয় শক্তির সম্মিলিত শক্তি কতটুকু তা আমরা বুঝে গেছি।’
তিনি আরও বলেন, এই ছয় শক্তি নিয়ে তারা আমাদের সাথে পারত না, যদি অন্যকিছুর আশ্রয় না নিত। এই অন্য কিছুর আশ্রয়ের কথা এখন কেবল আমরা বলছি না, টিআইবি বলেছে, সুজনও এ কথা বলছে, আরও অনেকে বলতে শুরু করেছে। এই সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের আবার লড়তে হবে। এখন থেকেই আমাদের কৌশল নির্ধারণ করতে হবে।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ঢাকার বস্তিগুলোতে গিয়ে বড় বড় ওয়াদা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এসব বস্তিতে টাকা, ওয়াদা সন্ত্রাস কোনো কিছুই কাজ করেনি, ফলাফলে তা দেখা গেছে। এসবের মাধ্যমে বার্তা দিচ্ছে বাংলাদেশে, আগামীর বাংলাদেশ ইসলামীর বাংলাদেশ হবে, মুক্তি পাগল মানুষের বাংলাদেশ হবে।
তিনি বলেন, আমরা থামব না ইনশাআল্লাহ, কেউ আমাদের থামাতে পারবেও না।
দলীয় নেতা-কর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে এ সময় জামায়াত আমির বলেন, আমাদের প্রথম লড়াই ছিল জাতীয় নির্বাচন। আর দ্বিতীয় লড়াই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। এই লড়াইয়ে একটি জায়গাও যেন আমাদের খালি না থাকে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনে যারা জীবন বাজি রেখে আমাদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলো, সমাজের সে সমস্ত জায়গাগুলো থেকে ভালো লোকদের বের করে তাদের হাতে ওই জায়গাগুলোকে (স্থানীয় সরকারের) তুলে দিতে চাই। আমাদের এই জায়গায় অনেক কনসিডারেট (বিবেচনাশীল) ও সেক্রিফাইসিং (আত্মত্যাগী) হতে হবে।
২৬ দিন আগে
চূড়ান্ত ফল ঘোষণা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারার আহ্বান জামায়াত আমিরের
আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করতে দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ আহ্বান জানান।
জামায়াত আমির বলেন, পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত কেউ ভোটকেন্দ্র ছাড়বেন না।
তিনি আরও বলেন, মহান রাব্বুল ইজ্জত তাঁর একান্ত মেহেরবানীতে মজলুমদেরকে বিজয় দান করলে মিছিল নয়, স্লোগান নয়, উচ্ছ্বাসও নয়—আমরা সবাই সিজদায় পড়ব। মন ভরে আল্লাহ তাআলার শোকর আদায় করব এবং জাতির সেবার জন্য মহান রবের একান্ত সাহায্য কামনা করব।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গতকাল থেকেই আপনারা সকল গুজবকে পরাজিত করেছেন এবং ভোটকেন্দ্র দখলের অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রকে প্রতিরোধ করেছেন। আজ সকাল থেকেই আপনারা উৎসবের মতো করে ভোট দিয়েছেন, ইনসাফ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর হয়ে।
‘কিন্তু আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে লক্ষ করছি, দেশের বিভিন্ন জায়গায় জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় পোলিং এজেন্টদের ওপর হামলা করে জখম করা হচ্ছে। নারীদের হেনস্তা করা হচ্ছে। বেশ কিছু জায়গায় কেন্দ্র দখলের অপচেষ্টাও চালানো হচ্ছে।
‘আমরা দেশবাসীকে অনুরোধ করব, যেভাবে আপনারা এখন পর্যন্ত ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের অপচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেছেন, সেভাবেই ফলাফল আসার আগ পর্যন্ত আপনারা আপনাদের ভোটকে রক্ষা করুন। আপনার মূল্যবান ভোটটি যাতে কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে, সে জন্য আপনারা ভোটকেন্দ্রগুলোর পাহারাদার হয়ে যান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করুন।’
আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকৃত গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জাতীয় সংস্কারের জন্য শক্তিশালী জনমত পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সকাল সড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ৪২ হাজার ৬৫৯টি। এতে প্রায় ১০ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং আরও প্রায় ১০ লাখ কর্মকর্তা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করেন।
সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি সংবিধানের কয়েকটি সংশোধনী প্রস্তাবের বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে মতামত জানাতে গণভোটেও অংশ নেন ভোটাররা।
৪১ দিন আগে
একটি দল তাইরে নাইরে বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তাদের বড় নেতারাও তাতে সায় দেয়: জামায়াত আমির
নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল হ্যাক করে তাকে বিব্রত অবস্থায় ফেলে একটি দল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, একটি দল তাইরে নাইরে বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে। লজ্জাজনকভাবে তাদের চুনোপুঁটিসহ বড় বড় নেতারাও তাতে সায় দেয়। তবে সত্য কখনও ঢাকা থাকে না।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুড়িগ্রাম কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চার দিন আগে আমার এক্স (সাবেক টুইটার) আইডি হ্যাক করে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছিল। একটি দল তাইরে নাইরে বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে। লজ্জাজনকভাবে তাদের চুনোপুঁটিসহ বড় বড় নেতারাও তাতে সায় দেয়। তবে আমাদের সাইবার টিম দ্রুত অভিযুক্তকে শনাক্ত করেছে এবং পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। সত্য কখনো ঢাকা থাকে না।
তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী এই যুগে সবচেয়ে বড় দল হলেও আমরা কোনো দলীয় সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা পরিবারতন্ত্র বা গোষ্ঠীতন্ত্রও কায়েম করতে চাই না। এমনকি আমরা বাংলাদেশ ইসলামী কিংবা জামায়াতের বিজয়ও চাই না, আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়।
‘এই বিজয়ের সূচনা হয়েছে তিস্তাপাড় থেকে। সারা বাংলায় এখন মুক্তির গণজোয়ার শুরু হয়েছে। এ আন্দোলনে দেশের মেয়েরাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি যুগিয়েছে। মা-বোনদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আমাদের সবকিছুর বিনিময়ে আপনাদের চলাচলে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’
৪৯ দিন আগে
জামায়াতের নয়, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই: ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় সরকার কায়েম করতে চাই না। জামায়াতে ইসলামের বিজয়ও আমি চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে সে বিজয় আমাদের সবার।’
তিনি বলেছেন, ‘দল-গোষ্ঠী ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির বিজয় আমাদের কাছে নেই। এই ভোটে পুরোনো রাস্তায় যারা হাঁটতে চাইবে, অন্ধকার গলিতে তারা তাদের রাস্তায় তারা হাঁটুক। আমরা সদর রাস্তায়, আলোকিত রাস্তায় হাঁটব।’
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলার কটিয়াদি সরকারি কলেজ মাঠে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১২ তারিখ পর্যন্ত জনতার রায়কে আপনারা সম্মান করুন। সুষ্ঠু নির্বাচনে যিনি নির্বাচিত হয়ে আসবেন, আমরা তাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য প্রস্তুত। কিন্তু চোরাই পথে আর কোনো নির্বাচন হবে না এবং দেওয়া হতে যাবে না। সমস্ত চোরাই পথ বন্ধ করে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এ দেশকে নিয়ে তোমরা সামনের দিকে এগোবে। এখন শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। পেছন দিয়ে যারা কামড়াকামড়ি করে, তাদের আমরা কামড়াকামড়ি করতে দেব। ওরা কামড়াকামড়ি করুক, আমরা জাতিকে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব।
জামায়াত আমির বলেন, যারা আমাদের দেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা চুরি করে বিদেশে পালিয়ে গেছে, ওদের পেটে হাত ঢুকিয়ে সেই টাকা বের করে আনব। এই টাকাগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে। এ দিয়ে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের উন্নয়ন সাধন করা হবে।
জনসভায় কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে আমির অধ্যক্ষ রমজান আলীর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য মেজর আখতারুজ্জামান রঞ্জন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ জি এস সাঈদ বিন হাবিবসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
পরে তিনি কিশোরগঞ্জের পাঁচটি আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে মার্কা তুলে দিয়ে ভোট চান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আমির অধ্যাপক রমজান আলী। ভোর হওয়ার আগ থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করেন। জনসভায় ১১ দলীয় জোটের শরিক বিভিন্ন দলের জেলা ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।
৫০ দিন আগে
নারীদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যে জামায়াত আমিরের বিরুদ্ধে ঢাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে নারীদের নিয়ে করা ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের নিন্দা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে এই মিছিল শুরু হয়। ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে অপরাজেয় বাংলার সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
গতকাল (শনিবার) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করা হয়। নারীদের নিয়ে ওই পোস্টে ব্যবহৃত ভাষা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে নারীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় তারা ‘শফিক তুই জানিস নাকি, দেশের শক্তি অর্ধেক নারী’, ‘এমন হ্যাকার করলো হ্যাক, বেশ্যা ডেকে আইডি ব্যাক’, ‘শফিক তুই ক্ষমা চা, নারী নয় পতিতা’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।
৫২ দিন আগে
ঐক্যের সরকার গড়তে চায় জামায়াত, বিরোধীদেরও দেবে অংশগ্রহণের প্রস্তাব
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি; আগামীতে ঐক্যের সরকার গড়ব। আমরা সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করলে, যারা এখন আমাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদেরও প্রস্তাব দেব দেশ চালাতে ভূমিকা রাখার জন্য। তবে শর্ত হচ্ছে দুর্নীতি করতে পারবেন না, জুলাইকে বাস্তবায়ন করতে হবে।’
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাই স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় মজলুমের পক্ষে ছিল, আছে এবং থাকবে। আমরা জামায়াতে ইসলামীর আলাদা কোনো বিজয় চাই না; আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের সম্মিলিত বিজয়। যে আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রতীক থাকবে সেখানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যেতে হবে, যাতে ৩০০ আসনেই বিজয় নিশ্চিত হয়।
শফিকুর রহমান বলেন, যারা আমাদের মা-বোনদের গায়ে হাত দেয়, তাদের হাতে দেশের ৯ কোটি মা–বোন কখনোই নিরাপদ নয়। মা–বোনদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এ সময় বিএনপিকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, মজলুম কীভাবে জালিমে পরিণত হয়? আপনারাও তো একসময় মজলুম ছিলেন, এখন কেন জালিম হলেন?
এই রাজনীতিক বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজ একটি বাস্তব পরিবর্তন দেখতে চায়। ভোটের দিন ১২ তারিখের পর ১৩ তারিখে যে নতুন অধ্যায় শুরু হবে, তার ভরকেন্দ্রে থাকবে যুবসমাজ এবং দেশের মা-বোনেরা।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে শত অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেও আমরা দেশ ছাড়িনি। আমরা ছিলাম, আমরা আছি এবং আমরা থাকব ইনশাআল্লাহ। আমরা মজলুম ছিলাম, মজলুমে দুঃখ আমরা বুঝি। এজন্য আমরা কখনও জালিম হবো না।’
নারী ভোটারদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, মা-বোনেরা কোনো জুজুর ভয় পাবেন না। কোনো ভয়-ভীতিতে আপনারা ক্ষান্ত হবেন না। আপনারা ন্যায়ের পক্ষে ভোট দিন; চাঁদাবাজদের রুখে দিন। জামায়াত ক্ষমতায় এলেই মা-বোনেরা নিরাপদে থাকবেন। আপনারা সেই মা যারা আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ আর ওসমান হাদিদের জন্ম দিয়েছেন। যারা আপনাদের ভয় দেখায় আপনারা তাদের রুখে দিন। বলুন ভোট আমি দিতে যাব, ন্যায়-ইনসাফের পক্ষে দেব, পারলে ঠেকাও।
যুবকদের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, কোনো যুবকের হাতে বেকার ভাতা তুলে দেব না। যুবকদের দেশ গড়ার কারিগরে পরিণত করব। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে আমরা যুবকদের সম্মানের জায়গায় বসাতে চাই।
জামায়াতে ইসলামীর এ নির্বাচনি জনসভায় এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
৫৩ দিন আগে
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই: ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ১১ দলীয় জোটের প্রধান ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা জনগণের কাঙ্ক্ষিত বৈষম্যহীন বাংলাদেশ চাই। অতীতের বস্তাপঁচা, দুর্নীতিযুক্ত ফ্যাসিবাদী রাজনীতিকে লাল কার্ড দেখিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে ফেনী জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা চাই জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত করে রাজার ছেলে রাজা হবে, মন্ত্রীর ছেলে মন্ত্রী হবে— এই নীতির পরিবর্তন। যোগ্য ব্যক্তির যথাযথ মূল্যয়ন করে যোগ্যতা ও মেধা বিকাশের মাধ্যমে রিকশা চালকের ছেলেও যেন প্রধানমন্ত্রী হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘অতীতের বস্তাপঁচা রাজনীতি ফ্যাসিবাদ উপহার দিয়েছে এবং দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করেছে। ওই রাজনীতিকে আমরা লাল কার্ড দেখিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।’
এ সময় বিএনপির উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘মাথা গরম না করে মা-বোন ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মান করতে হবে। শহিদ হাদি, আবু সাঈদ, আবরার ফাহাদ আমাদের চেতনা। বীরেরা পালায় না, তারা সাহসিকতার সাথে বুক পেতে দেয়। আমরা বেকার ভাতা নয়, বেকারদের কর্মসংস্থানসহ মর্যাদা দিতে চাই। ঘরে ও কর্মস্থলে নারীদের সম্মান দিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আলেম-ওলামা ও কওমী মাদ্রাসার সম্মান-মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে। ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে মানুষের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়তে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের আমলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বিগত ১৬ বছরে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, জামায়াত-বিএনপি নেতা-কর্মীদের হত্যা, আলেম-ওলামা হত্যাসহ অপশাসন কায়েম করেছিল। চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে এই অপশাসনের হাত থেকে দেশবাসী মুক্তি পেয়েছে। ফেনীতে সংঘটিত স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় আমি এসেছিলাম দুর্গত মানুষকে সহযোগিতা করে মানবিক কাজে পাশে দাঁড়াতে। আবরার ফাহাদ ফেনী নদী নিয়ে দুটি কথা বলায় তাকে খুন করা হয়েছিল। তাই ফেনীবাসী তাকে আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ রাখতে হবে।’
জামায়াত আমির বলেন, ফেনীসহ ৩১টি জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ করা হবে এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু, ফেনী নদীর তীরে বাঁধ নির্মাণ, অত্যাধুনিক স্টেডিয়ামসহ নানা উন্নয়ন কাজ করা হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে ফেনীর তিনটি আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীদের মিলেমিশে একাকার হয়ে বিজয়ী করতে হবে।’
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাসুম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও ফেনী-২ সদর আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) সভাপতি রাশেদ প্রধান।
ফেনী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ফেনী-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ফেনী-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কবির আহমদ, ফেনী জেলা জামায়াতের সাবেক আমির এ কে এম সামছুদ্দিন, শহর জামায়াতের আমির প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের ফেনী শহর সভাপতি ওমর ফারুক ও জেলা সভাপতি আবু হানিফ হেলাল প্রমুখ।
প্রধান অতিথি জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও ফেনীর তিনটি আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন।
এ সময় জামায়াত-শিবির ও ১১ দলীয় জোটের জেলা পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও জুলাইযোদ্ধা এবং শহিদ পরিবারের লোকজনসহ দলটির হাজার হাজার নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
৫৪ দিন আগে
বেকারদের ভাতা দিলে বেকারত্ব বাড়বে, আমরা কর্মসংস্থান করব: ডা. শফিকুর
বেকারদের বেকারভাতা দিলে দেশে বেকারত্ব বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে বেকারদের সাবলম্বী করে তুলব।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে যশোরের ঐতিহাসিক ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।
জনসভায় শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটা দল সরকারে আসার আগে ১০ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়ার কথা বলছে। বলছে কৃষক কার্ড দেবে, দেবে বেকারভাতা। ওই সব ধোঁকা আর বাংলাদেশের জনগণ দেখতে চায় না। বেকারদের বেকারভাতা দিলে বেকারত্ব বেড়ে যাবে। আমরা নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে বেকারদের সাবলম্বী করে তুলব।’
তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তাআলা যদি আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন, আমরা এই যশোরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করব, ৫শ’ বেড হাসপাতাল, ভবদহ সমস্যার সমাধান করা হবে। যশোরবাসীর এসব ন্যায্য অধিকার।’
পরে তিনি যশোরের বিভিন্ন আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।
৫৭ দিন আগে