মির্জা আব্বাস
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া গেলেন মির্জা আব্বাস
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আবারও মালয়েশিয়া গেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে তিনি বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন।
মির্জা আব্বাসের একান্ত সহকারী মিজানুর রহমান সোহেল ইউএনবিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোহেল বলেন, মির্জা আব্বাস নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তার সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস এবং ছেলে মির্জা ইয়াসীর আব্বাস সঙ্গে রয়েছেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, মির্জা আব্বাস মালয়েশিয়ায় প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে শারীরিক পরীক্ষা করাবেন। ইতোমধ্যে চিকিৎসকসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
দেশবাসীর কাছে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টার পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে বলে জানান সোহেল।
এর আগে, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস। সেবার প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর তিনি দেশে ফিরেছিলেন।
৮ দিন আগে
চিকিৎসা শেষে বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস
দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান রবিবার (৩০ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আগামী বুধবার রাত ৯টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে মির্জা আব্বাসের ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে।
শায়রুল কবির খান বলেন, দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়ার পর আল্লাহর রহমতে মির্জা আব্বাস এখন অনেকটা সুস্থ। তিনি মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরছেন।
২৫ দিন আগে
মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজ নিলেন আলাল
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা–৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
শনিবার (৪ জুলাই) মালয়েশিয়ায় আলাল ও তার সহধর্মিণী মির্জা আব্বাসের সঙ্গে দেখা করেন।
সাক্ষাৎ শেষে আলাল বলেন, মির্জা আব্বাস বর্তমানে আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ আছেন এবং তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
মির্জা আব্বাস তার দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য দলের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
৮২ দিন আগে
মির্জা আব্বাসকে কেবিনে স্থানান্তর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নিউরোসার্জিক্যাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ১৯ দিন চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পর কেবিনে স্থানান্তর করা হয় তাকে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে। আজ সকালে আমি ভাবির (মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস) সঙ্গে কথা বলেছি। ধীরে ধীরে উনার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। আজই তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কেবিনেই চিকিৎসকরা উনাকে উন্নত ফিজিওথেরাপি দেবেন। যেহেতু ব্রেইনের জটিল অস্ত্রোপচার হয়েছে, সেজন্য চিকিৎকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে উনার চিকিৎসা চলছে, চালিয়ে যেতে হবে। পুরোপুরি সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন মির্জা আব্বাসের পরিবারের সদস্যরা।
গত ১৫ মার্চ ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে, ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে মির্জা আব্বাসকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসার জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় নিউরোলজিস্টদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তখন তার মস্তিষ্কে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য অস্ত্রোপচারের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গত ১৫ মার্চ তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
১৭৪ দিন আগে
উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে।
মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সহকারী মিজানুর রহমান সোহেল জানান, একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রবিবার (১৫ মার্চ) তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। এটি আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর পৌঁছাতে প্রায় চার ঘণ্টা লাগতে পারে।
সোহেল আরও জানান, চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।
এদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটের দিকে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় পৌঁছায়। মির্জা আব্বাসকে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে বিমানবন্দরে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে স্থানান্তর করা হয়।
যাত্রাপথে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, ছেলে ইয়াসির আব্বাস এবং এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক জাফর ইকবাল।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রায় চার ঘণ্টার অস্ত্রোপচার শেষে রাতে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
গত বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতাকে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার চিকিৎসার জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় নিউরোলজিস্টদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।
১৯৩ দিন আগে
মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত মেডিকেল বোর্ডের
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, সব রিপোর্ট পর্যালোচনার পর মেডিকেল বোর্ড মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড বিএনপি নেতার সংকটাপন্ন অবস্থা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডা. রফিকুল আরও জানান, সকালে আব্বাসের সিটি স্ক্যান করা হয় এবং রিপোর্টে তার অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করা যায়। তিনি বলেন, রিপোর্ট পাওয়ার পর মেডিকেল বোর্ডের একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে তার পরিবারের সদস্যদেরও সম্মতি নেওয়া হয়েছে।
ডা. রফিকুল ইসলামের তথ্যমতে, এ মেডিকেল বোর্ডে দেশের শীর্ষস্থানীয় নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক আলী উজ্জামান জোয়ার্দার, কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, শাহাবুদ্দিন তালুকদার, রাজিউল হক, সৈয়দ সাঈদ আহমেদ, কাদের শেখ এবং অধ্যাপক শফিকুল ইসলামসহ এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা রয়েছেন।
এর আগে, আজ (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। সেখানে মেডিকেল বোর্ডের কাছ থেকে মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি।
ডা. রফিকুল মির্জা আব্বাসের দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
গত বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে।
১৯৫ দিন আগে
এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে দেখতে গিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, তারেক রহমান মির্জা আব্বাসের শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত সিঙ্গাপুরে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ সময় হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস গত বুধবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
১৯৫ দিন আগে
মির্জা আব্বাসের স্বাস্থ্যের নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, উনাকে (মির্জা আব্বাস) হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে নিউরো আইসিইউতে রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিচ্ছেন।
তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে জ্যেষ্ঠ নিউরোলজিস্টদের সমন্বয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ড ইতিমধ্যে তার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনার জন্য একটি বৈঠকও করেছে।
ডা. জাহিদ বলেন, প্রয়োজন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার সব প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মেডিকেল বোর্ডের ওপর নির্ভর করবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন এ সময় মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনায় সবার কাছে দোয়া চান।
উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ইতোমধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান হাসপাতালে তাকে দেখতে যান এবং মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের সঙ্গে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন।
ডা. জাহিদ জানান, এই মেডিকেল বোর্ডে অধ্যাপক আলী উজ্জামান, অধ্যাপক শেখ আব্দুল কাদের, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ, অধ্যাপক সাইদ আহমেদ এবং অধ্যাপক জাফর ইকবালসহ আরও অনেকে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং সেখানে ভর্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে রেখেছি। এমনকি একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
১৯৫ দিন আগে
নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে দুটি দল: মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা আব্বাস দাবি করেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে (কারসাজি) ক্ষমতায় যেতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এ বিষয়ে তিনি নিজ দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই অভিযোগ করেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দেশ এখন ক্রান্তিলগ্নে। আশঙ্কা করছি, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কিছু আসনে জয়লাভ করবে তারা। দুটি রাজনৈতিক দল—একটি বড়, আরেকটি তাদের বাচ্চা। বিএনপিকে হারিয়ে এই দুটি দল যেন ক্ষমতায় আসতে পারে, এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চপর্যায়ের লোকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে তারা।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে কিছু কিছু ছেলে-পেলে খুব আজেবাজে কথা বলছে। তারা নিজেরা চাঁদাবাজি করে বিএনপির নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে, অথচ সরকার তাদের। তাই এখন পর্যন্ত একজন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করেনি। আরেকটি দল বলছে, আমাদের একবার দেখেন। আমরা বলব, একাত্তরে তোমাদের দেখেছি কত মানুষকে কচুকাটা করেছ।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি বাচ্চা দল নিজেদের জুলাই যোদ্ধা দাবি করেছে। তারা আমাদের বিরুদ্ধে নানা কথা বলছে। তোরা যা কিছু কর, আমি কিছু কমু না। আমার গলায় সাইনবোর্ড নিয়ে চলতে হবে না যে আমার বাড়ি শাহজাহানপুর, কিন্তু তাদের সারাক্ষণ নিজেদের পরিচয় জাহির করতে হয়। আমরা কোনো ধান্দাবাজ ও কসাইয়ের কাছে দেশ তুলে দেব না।’
‘জিয়ার জন্ম না হলে আধুনিক বাংলাদেশ হতো না ও দেশ স্বাধীনতা পেত না’ উল্লেখ করে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘যে যাই বলুক, আমরা আমাদের কথা বলেই যাব। অনেক সেক্টর কমান্ডার ভারত থেকে যুদ্ধ করেছেন। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সিলেটে থেকে যুদ্ধ করেছেন। বাংলাদেশের ক্রান্তিলগ্নে জিয়া ও খালেদা জিয়ার আবির্ভাব ঘটেছে। বর্তমানেও ক্রান্তিলগ্ন চলছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে তা অতিক্রম করব।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
২৪৭ দিন আগে
জেলে থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করা হয়: মির্জা আব্বাস
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা স্বাভাবিক নয় দাবি করে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ তুলেছেন, জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জনিং’ করা হয়েছিল।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজিত রূপসী বাংলা আলোকচিত্রী প্রদর্শনী ও প্রতিযোগীতা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, জাতির প্রতি অনুরোধ করব, প্রতিটি বাড়িতে প্রতিটি মানুষ যেন খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করেন। তার ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, তা আমি দেখেছি। জেলে থাকাকালে তিনি স্লো পয়জনিংয়ের শিকার হয়েছেন। তার বর্তমান অসুস্থতা স্বাভাবিক নয়।
খালেদা জিয়া আগের তুলনায় কিছুটা উন্নতির দিকে থাকলেও এখনো সংকট কাটেনি উল্লেখ করে ‘জনগণের প্রিয়’ এই নেত্রীর সুস্থতার কামনায় তিনি সবাইকে দোয়া করার আহ্বান জানান।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) বিএনপি চেয়ারপারসনের সংকটাপন্ন অবস্থার খবর শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনিও বেগম জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনও।
মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত ২৩ নভেম্বর রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে খালেদা জিয়ার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আগে থেকেই থাকা হৃদরোগের সঙ্গে এই সংক্রমণ ফুসফুস পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ায় তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। বর্তমানে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।
২৯৯ দিন আগে