মানুষ
পাশববৃত্তিকে দমন করতে না পারলে মানুষ পশুতে পরিণত হয়: ধর্ম উপদেষ্টা
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ‘সিয়াম সাধনায় উজ্জ্বীবিত হয়ে পাশববৃত্তিকে দমন করতে হবে। অন্যথায় মানুষ তার মর্যাদা হারিয়ে পশুতে পরিণত হয়ে যাবে। অন্তরকে পরিশুদ্ধ করতে পারলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিশুদ্ধ হবে।’
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন , ‘নারীরা হচ্ছেন মায়ের জাতি। তাদের প্রতি যারা অসম্মান ও অমর্যাদাপূর্ণ আচরণ করে, তারা হায়েনা ও নরাধম।’
ড. খালিদ হোসেন বলেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করার ধারাবাহিক যে নীলনকশা, ধর্ষণের ঘটনা তার বাস্তবায়ন মাত্র। সামনে ষড়যন্ত্রের কুশীলবরা নতুন এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নামবে।’
আরও পড়ুন: জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইমামদের ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে: ধর্ম উপদেষ্টা
এ সময় তিনি জনগণকে সতর্ক থাকার আহবান জানান।
বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর ড. মুহাম্মদ ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে ১৩৫, ১৩৬ ও ১৩৭তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের প্রশিক্ষণার্থী অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন।
১৬ দিন আগে
তিস্তা বাঁচানোর পদযাত্রায় মানুষের ঢল
তিস্তা রক্ষা আন্দোলন কমিটির উদ্যোগে তিস্তার ন্যায্য হিস্যা আদায় ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে মানুষের ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় তিস্তা ব্রিজের লালমনিরহাট সীমান্ত থেকে রংপুরের কাউনিয়া পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার সড়কে এ পদযাত্রা হয়।
‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগানে পদযাত্রায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীসহ তিস্তাপাড়ের মানুষেরা অংশ নিয়েছেন। পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেন তিস্তা রক্ষা আন্দোলন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু।
আরও পড়ুন: তিস্তা ব্যারাজে হঠাৎ বেড়েছে পানি, ফসলহানির আশঙ্কা
প্রথম দিনের মতো সমাপনীর দিনও সকাল থেকেই তিস্তা নদীবেষ্টিত রংপুর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, নীলফামারী ও কুড়িগ্রামের ১১টি পয়েন্টে সমাবেশ, পদযাত্রা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করেছে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটি।
৩৭ দিন আগে
তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা মানুষকে অতিষ্ঠ করছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের নামে লোকজনকে অতিষ্ঠ করে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, ‘দিনের পর দিন কিন্তু তাদের এ দাবি-দাওয়া বেড়েই চলছে।’
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত সভা শেষে এস কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, এটার পেছনে কারা জড়িত সেটাও কিন্তু আপনারা জানেন, এটা কিন্তু আপনারা প্রচার করেন।
কারা জড়িত এমন প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি কেন বলব, আপনারা জানেন না? যেটা আপনারা জানেন, সেটা কেন আমি বলব?’
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছে। এক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করণীয় কি জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আপনারা বলেন, ‘এই অবস্থায় আমার কি করা উচিত?’ ‘এটা শুধু আমার একার দায়িত্ব নয়, এটা সবার দায়িত্ব। সচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব) যা বলেছেন, সেটা আপনারা ভালোভাবে প্রকাশ করেন, জনগণই তাদেরকে (তিতুমীরের শিক্ষার্থী) রেললাইন থেকে উঠিয়ে দেবে।’
আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
৫২ দিন আগে
উলিপুরে ৫ বছরেও পুনঃনির্মাণ হয়নি দুই সেতু, ভোগান্তিতে ২০ গ্রামের মানুষ
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বন্যায় ভেঙে যাওয়া দু্টি সেতু ৫ বছরেও পুনঃনির্মাণ করা হয়নি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ৩টি ইউনিয়নের ২০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। সেতুর অভাবে এখন পাকা সড়কটি দিয়ে যানবাহন তো দূরের কথা পায়ে হেঁটেও চলাচল করতে পারছে না এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে বিড়ম্বনায় পড়েছেন ওই এলাকার শিক্ষার্থী ও অসুস্থ রোগীরা।
ফলে সড়ক থাকলেও সেতুর অভাবে ব্রহ্মপুত্র নদী বেষ্টিত পূর্ব পাড়ের মানুষ দুই উপজেলা থেকে কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তবকপুর, ধামশ্রেণী ও চিলমারী উপজেলার থানাহাট, বানীগঞ্জ ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদ বেষ্টিত পূর্ব অঞ্চলের মানুষের দুই উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধার জন্য কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কের চুনিয়ার পাড় হতে উলিপুর আজমের মোড় পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার সড়ক ও দুটি সেতু ২০১৫ সালে ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। ২০১৯ সালের বন্যায় তবকপুর ইউনিয়নের আমতলী সেতু ও চুনিয়ার পাড় সেতুটি দেবে যায় এবং সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সেই তখন থেকে সেতুর অভাবে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
আরও পড়ুন: নীলফামারীর ডোমারে স্বাধীনতার পর থেকে নেই সেতু, ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোয় পারাপার
এলাকাবাসী জানান, সড়কটি পাকা করায় দুই উপজেলার সঙ্গে এ এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা হয়েছিল। কিন্তু বন্যায় সেতু দুটি দেবে যাওয়ায় আবারও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এলাকাটি। চুনিয়ার পাড়ের দেবে যাওয়া সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোনো রকমে চলাচল করা গেলেও আমতলীর দেবে যাওয়া সেতু দিয়ে কোন কিছুরই চলাচল সম্ভব নয়। গ্রামবাসী বাধ্য হয়ে চলাচলের জন্য স্বেচ্ছাশ্রমে দেবে যাওয়া সেতুর পাশ দিয়ে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে কোনো রকমে মানুষ ও বাইসাইকেল পারাপারের ব্যবস্থা করেছিল। কিছুদিন চলাচলের পর সে সাঁকোটিও ভেঙেচুরে শেষ হয়ে যায়। শুকনো মৌসুমে মানুষজন হেঁটে জমি দিয়ে চলাচল করলেও পানি হলে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু রিকশা, ভ্যান, অটোরিকশা বা চার চাকার গাড়ি চলাচল বন্ধ বয়েছে। কেউ অসুস্থ হলে জরুরি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। এলাকার শিক্ষার্থীরা পড়েছে বিপাকে। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য উপজেলার বাজারে নিয়ে যেতে পাচ্ছে না।
বিষ্ণু বল্লভ গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান, সড়কটি হওয়ার পর রিকশা, অটোরিকশা জেএসএ, সিএনজিসহ ছোট বড় যান চলাচল করত। ফলে আমাদের খুব সুবিধা হয়েছিল। এখন সব বন্ধ, তাই পায়ে হেঁটে কষ্ট করে যাতায়াত করতে হয়।
ট্রাক ড্রাইভার বকুল মিয়া জানান, ডিউটি শেষ করে ট্রাক মালিকের ঘরে রেখে রাত বিরাতে অটোতে চড়ে বাড়ি আসতাম। এখন হেঁটে বাড়িতে আসতে হয়।
উলিপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম জানান, আমাদের এলাকায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা কলেজ নেই। সড়কটি নির্মাণের পর আমরা এই এলাকার মেয়েরা স্কুল ও কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু সেতু দেবে যাওয়ায় আমাদের কলেজে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: ১৪ বছরেও হয়নি সেতু, ভেলায় চড়েই স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা
অটোচালক আব্দুল খালেক জানান, সড়কটি পাকা হলে অটো চালিয়ে সংসার চলাতাম। এখন সে রোজগারে ভাটা পড়েছে।
আমতলী বাজারের ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, সড়ক নির্মাণের পর গ্রামীণ বাজারটি জমজমাট হয়েছিল। কিন্তু সেতু দেবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বাজারে এখন আর আগের মতো লোকজন আসে না, ব্যবসায় মন্দা চলছে।
৫৫ দিন আগে
মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে স্বৈরাচারের কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না: তারেক রহমান
পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থেকে নানা ষড়যন্ত্র করলেও মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে তা সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার এ দেশ থেকে পালিয়ে গেলেও তাদের প্রেতাত্মারা দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে আছে। তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে তাদের কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না।’
২০১৩ সালে র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানীর পরিবারকে নর্ব-নির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) আমরা বিএনপি পরিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাচুর্য়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, হাসিনা সরকার পালিয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহ আগেও প্রায় ২ হাজার মানুষকে হত্যা ও ৩০ হাজারের মতো মানুষকে জখম করেছে। তারা বিভিন্নভাবে বহু মানুষকে নির্যাতনও করেছে বলে জানান তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, নীলফামারীর এই গোলাম রব্বানী মানুষের অধিকারের কথা বলেছিল বলেই স্বৈরাচারেরা তাকে হত্যা করছে।
তিনি আরও বলেন, গোলাম রব্বানীর মতো বহু মানুষকে তাদের মতের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে স্বৈরাচার হাসিনা সরকার হত্যা করেছে।
এছাড়া যারা ক্ষতিগ্রস্ত ও নির্যাতিত হয়েছে এবং যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছে তাদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারেরা দেশকে ধ্বংস করে গিয়েছে। তাই তাদের পতন হয়েছে। তাদের জন্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের এখনও নানা ধরণের সমস্যা রয়েছে। এই সব সমস্যাগুলো দূর করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সমস্যার সমাধান করতে হলে কাউকে থাকতে হবে। যারা আপনাদের সমস্যার কথাগুলো তুলে ধরতে পারবেন। এছাড়া সমস্যার কথাগুলো যেখানে পৌঁছার দরকার ঠিক সে পযর্ন্ত পৌঁছাতে পারে এই ব্যবস্থাটাই নিশ্চিত করতে চাওয়ায় স্বৈরাচারীরা তাদের হত্যা করেছে।
তিনি বলেন, আমরা এমন একটা বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই- যেখানে কৃষক, মজুর থেকে শুরু করে সব শ্রেণির মানুষ কথা বলতে পারে। যাদের হত্যা করা হয়েছে তারা সেটাই করতে চেয়েছিল। তাদের কথা বলতে দেওয়া হয়নি। তাদের কথা শুনতে চায়নি। এই কারণে তারা হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে। আজ সময় এসেছে। পরিবর্তিত হয়েছে অবস্থা।
তারেক বলেন, বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। আমরা সেই মতামতগুলো আলোচনা করব। দিন শেষে যে মতামতের ওপর সবচেয়ে বেশি সমর্থন থাকবে সেই মতামতের ভিক্তিতে আমরা দেশকে গড়ে তুলব।
তিনি আরও বলেন, আমরা সকলে এসঙ্গে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। আমাদের বিভিন্ন দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্ত আমাদের সজাগ থাকতে হবে, সেই মতপার্থক্য যাতে এমন পর্যায় না পৌঁছায় যেখানে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
দেশ সামনে এগিয়ে যাওয়া বাধাগ্রস্ত হবে এমন কোনো পরিস্থিতির উদ্ভব যাতে না হয় এ ব্যাপারে আমাদের সর্তক থাকতে হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সুযোগ পেলে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করবে বিএনপি: তারেক
তিনি বলেন বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সরকার একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। সেই প্রক্রিয়াটি হলো গণতান্তিক উপায় নির্বাচন প্রক্রিয়া। বাংলাদেশকে যদি এগিয়ে নিয়ে যেতে হয় তাহলে অবশ্যই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে ফিরিয়ে আনতে হবে। এতে করে যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি হবে। প্রকৃত অর্থে জনগণের ভোটে যারা বেরিয়ে আসবে, সেই মানুষগুলো কাজ করবে।
বিএনপি নেতা বলেন, এখন সময় হচ্ছে দেশ গড়ার। দেশকে যদি গড়তে হয়, দলমত নির্বিশেষে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি তাহলে দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।
এ সময় বক্তব্য দেন বিএনপির রংপুর বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দীন বকুল, জেলা বিএনপির সভাপতি আলমগীর সরকার, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।
৮৭ দিন আগে
গোয়াইনঘাটের সালুটিকর-কচুয়ারপার সড়কে অন্তহীন দুর্ভোগে মানুষ
শত বছরের পুরনো সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাওঁ ও তোয়াকুল ইউনিয়নের হাওরাঞ্চল। এই হাওরাঞ্চলে রয়েছে উপজেলার নন্দিরগাওঁ ও তোয়াকুল ইউনিয়নের ছোট বড় প্রায় ১৮টি গ্রাম। দেশ স্বাধীনের ৫৩ বছর অতিবাহিত হলেও এসব গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি, নির্মাণ করা হয়নি পাকা সড়ক।
সরেজমিনে দেখা যায়, সালুটিকর বাজার থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরেই নন্দিরগাওঁ ইউনিয়নের কচুয়ারপার, দারিকান্দি ও দারিরপার গ্রাম। দারিকান্দি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে চৌধুরী কান্দি, বাইমারপার, চলিতাবাড়ি ও শিয়ালা হাওর গ্রাম। শিয়ালা হাওর থেকে দুই কিলোমিটার দূরে জলুরমুখ গ্রাম এবং জলুরমুখ থেকে লক্ষীনগর, মেউয়ারকান্দি, চদিবদি হাওর, পূর্ব পেকেরখাল, জামলাকান্দি গ্রামগুলোর দূরত্ব আরও দুই কিলোমিটার। মাত্র ১০ কিলোমিটার পাকা সড়কের অভাবে এ যুগেও নন্দিরগাওঁ ও তোয়াকুল ইউনিয়নের এসব গ্রামের উপাধি হাওরাঞ্চল হিসেবে। এসব গ্রাম থেকে থেকে সালুটিকর বাজার, গোয়াইনঘাট উপজেলা সদর কিংবা জেলা শহরে যাওয়ার রাস্তা মাত্র একটি। এই একমাত্র রাস্তায়ও দৃষ্টি পড়েনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের। হাওর এলাকায় দৃষ্টি দিলে দেখা মেলে 'বর্ষায় নাও আর হেমন্তে পাও' প্রবাদের বাস্তব চিত্র।
স্থানীয়রা জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিকের গন্ডি পেরিয়েই পড়াশোনার ইতি টানছে।
চলিতাবাড়ি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা কাশেম আলী বলেন, নন্দিরগাওঁ ও তোয়াকুল ইউনিয়নের হাওরাঞ্চলের গ্রামে জনবসতি শত বছরের পুরোনো। এখনে ১৫ হাজার মানুষের বাস। গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, সব রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিরাই শুধু ভোটের সময় গ্রামে আসেন। নির্বাচন শেষ হলে তারা উধাও। একটি রাস্তার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরেও ফল মেলেনি।
আরও পড়ুন: সিলেটের সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক সংস্কারে 'রাস্তার পেট কেটে' মাটি ভরাটের অভিযোগ
কৃষি, নদী, গবাদি পশু লালন পালন ও বর্ষায় মাছ ধরার মধ্যেই এ সকল গ্রামের মানুষের জীবিকা সীমাবদ্ধ। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকার কারণেই তারা এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
নন্দিরগাওঁ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইউনুস আলী ও একই ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা রমযান আলী বলেন, 'আমাদের গ্রামে স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ৬ থেকে ৭ বছর আগে বিদ্যুতের আলো পৌঁছালেও রাস্তায় মাটির কাজ ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন জনপ্রতিনিধিরা করেননি।
নন্দিরগাওঁ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল হক জিয়া বলেন, '১৫ বছর যাবৎ সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমদ হাওরাঞ্চলে কুড়ি বার মাটির রাস্তা পরিদর্শন করে পাকাকরণের আশ্বাসও দিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি।
আমাদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নেই। অসুস্থ হলে স্বাস্থ্যসেবা পাই না। রাস্তাঘাট নেই। ভোটের সময় এলে অনেকে অনেক প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ভোটের পর তাদের আর দেখা যায় না। গত ১৫ বছর শুধু রাস্তা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিই শুনে গেলাম। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়ন হয়নি।
নন্দিরগাওঁ ইউনিয়নের আরেক বিএনপি নেতা আব্দুল মতিন লেবু বলেন, রাস্তার অভাবে গ্রামের লোকজন অসুস্থ হলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা সেবা মেলে না। মুমূর্ষু রোগীদের পলো অথবা গরুর গাড়িতে করে নিয়ে যেতে হয় চিকিৎসকের কাছে। এমনকি যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বিনা চিকিৎসায় মারা যায় অনেকে। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তায় চলতে পারি না। এখন তো হেঁটে আমরা সালুটিকর বাজারে যেতে পাড়ি। কিন্তু জ্যৈষ্ঠ মাসে সবাইকে হাঁটুর উপরে কাপড় তুলে দুই কিলোমিটার রাস্তা যাতায়াত করতে হয়।
এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন সালুটিকর-গোয়াইনঘাট রাস্তা থেকে গোয়াইনঘাট উপজেলা সদর পর্যন্ত গাংকিনারী রাস্তা নামে এলজিইডিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে গোয়াইনঘাট উপজেলা সদর থেকে গাংকিনারী রাস্তায় দুই কিলোমিটার আরসিসি ঢালাই করে পাকা করা হয়েছে। অপর দিকে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কের কচুয়ারপার গ্রাম পর্যন্ত পাকাকরণের লক্ষে গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলীকে ডাটাবেইজ সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৬ মাস ধরে বেতন বন্ধ সিলেট সরকারি ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ শিক্ষকদের
১১৩ দিন আগে
ঝুঁকিতে কাঠের সেতু, ৫ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ৭ নম্বর পাইকপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাওয়াল গ্রামসহ আশপাশের ৪-৫ গ্রামের শত শত লোকের চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে একমাত্র কাঠের সেতুটি। মেরামত না করায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দুই বছর আগে উপজেলা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অফিসে আবেদন করে সেতু কিংবা কালভার্ট নির্মাণে আজও কোনো বরাদ্দ মেলেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়রা জানান, কাঠের সেতুটি একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। হেঁটে চলাও বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ। মাসখানেক আগে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। ওই সময় সেতুর দুই পাশ ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল নিয়ে পার হতে গিয়ে স্থানীয়রা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
পূর্ব ভাওয়ালের দুলাল তালুকদার বলেন, ‘৫ গ্রামের মানুষসহ স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করে। তাই এখানে একটি সেতু কিংবা কালভার্ট নির্মাণ করা খুবই জরুরি।’
আরও পড়ুন: দুই প্রতিষ্ঠানের বিরোধে ভোগান্তির শিকার স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্সের ৬ লক্ষাধিক আবেদনকারী
এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের বহুবার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শামীম বলেন, ‘প্রায় ২ বছর আগে এখানে ছোট একটি সেতু করে দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছিলাম। বছরের শুরুতে একবার পিআইওসহ অন্যান্য লোকজন সরেজমিনে পরিদর্শন করেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বরাদ্দ আসেনি।’
ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা শামীম ইউএনবিকে বলেন, ‘আমি ৮ মাস আগে এই ইউনিয়নে যোগদান করেছি। এই কাঠের সেতু সম্পর্কে কিছুই জানি না। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব।’
ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মিল্টন দস্তিদার ইউএনবিকে বলেন, ‘স্থানীয়দের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সেতু নির্মাণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এলাকাবাসীর দবি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’
আরও পড়ুন: ব্যাংকে তারল্য সংকট: টাকা উত্তোলনে ভোগান্তিতে ৬ ব্যাংকের গ্রাহক
১২৩ দিন আগে
মানুষকে ভোটাধিকার ছাড়া রাখলে পরিণতি ভালো হবে না: বঙ্গবীর
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র চায়, ভোটাধিকার চায়। তাই মানুষকে দীর্ঘদিন ভোটাধিকার ছাড়া রাখলে বর্তমান সরকারের পরিণতি খুব ভালো হবে না।
তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার এই রকম ন্যক্কারজনক পতনের প্রধান কারণ, তিনি মানুষের ভোটাধিকারকে সম্মান করেননি। পরপর কয়েকবার মানুষকে সঠিকভাবে ভোট দিতে দেননি। এর ফলে এটা হয়েছে। দীর্ঘ সময় মানুষকে ভোটাধিকার ছাড়া রাখলে এখন যারা আছে, তাদের পরিণতিও খুব ভালো হবে না। এটা আমার বিশ্বাস।’
আরও পড়ুন: ভিসা নীতি আমাদের জন্য লজ্জার, অসম্মানের: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী
রবিবার (১৭ নভেম্বর) টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের কাছে এ দেশের মানুষের খুব আশা ছিল, কিন্তু এই তিন মাসে সেই আশার ফল তারা পায়নি। সাধারণ মানুষের যে উপার্জন, তারা বাজারে যেতে পারছে না, স্ত্রী-সন্তান ও পরিবার নিয়ে ভালোভাবে খেতে পারছে না।’
তিনি বলেন, ‘যারা সরকার চালাচ্ছে তাদের আমি অনুরোধ করব, তারা যেন দেশের মানুষের কথা বিবেচনা করেন। ক্ষমতা কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়। যারা ছিলেন তাদের জন্য যেমন চিরস্থায়ী ছিল না, তেমনি আজকে যারা এসেছেন তাদের জন্যও চিরস্থায়ী নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘অতি সম্প্রতি বাংলাদেশের একটা মারাত্মক পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু অতীতকে বর্জন করে এই পরিবর্তন যদি কেউ করতে চায়, তাহলে আহাম্মকের স্বর্গেই বাস করছে। দুদিন পরে তাদেরও এরকম হতে হবে।’
এ সময় সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীবসহ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: বঙ্গবীর ওসমানীর জন্মশতবার্ষিকী আজ
১৩০ দিন আগে
মানুষের আশা-প্রত্যাশা বিগত ৩ মাসে খুব একটা পূরণ হয়নি: দুদু
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিগত তিন মাসে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
তিনি বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিপরিষদ, এমপি, প্রধান বিচারপতি, বায়তুল মোকাররমের প্রধান খতিব পালিয়ে যাওয়ায় দেশে যে শূন্যতা তৈরি হয় তার প্রেক্ষিতে ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
আরও পড়ুন: বিএনপির আরেক ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু আটক
বিএনপি নেতা বলেন, মানুষের প্রত্যাশা, স্বপ্ন ও আশা ছিল; তার ভেতর সবচেয়ে বড় হচ্ছে দেশের মানুষ দুমুঠো খেয়েপরে বেঁচে থাকবে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগের সময় যে সিন্ডিকেট হয়েছিল সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দ্রব্যমূল্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে। কিন্তু এই ৩ মাসে সেটি খুব একটা পূরণ হয়নি।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকালে চুয়াডাঙ্গা শহরে নিজ বাসভবনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, বাংলাদেশের মানুষ মনে করেছিল যে তারা ভোটাধিকার ফিরে পাবে। তারা নিজেদের অধিকারের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে। কিন্তু সেই নির্বাচন এখনও পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি।
বিএনপি দাবি করেছিল রোডম্যাপ এবং যৌক্তিক একটি সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের। সেটিও সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত সরকার উদ্যোগী হয়েছে ও নির্বাচন দেবে বলেছে, কিন্তু সুনির্দিষ্ট তারিখ-মাস ঘোষণা করেনি।
তিনি বলেন, সেটি ঘোষণা করলে আগামী দিনে দেশের মানুষ আরও উৎফুল্ল হবে, আরও সফল হবে। যতক্ষণ ঘোষণা না করছে ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষ একটু উদগ্রীব বা হতাশই থাকবে।
এসময় জেলা বিএনপির সদস্য আইনজীবী ওয়াহেদুজ্জামান বুলাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সরকার পদত্যাগের আগে কোনো সংলাপ নয়: শামসুজ্জামান দুদু
১৩৯ দিন আগে
এক বছরে যক্ষ্মায় আক্রান্ত ৮০ লাখ মানুষ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাব অনুযায়ী গত বছর ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছে, যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
মঙ্গলবার ডব্লিউএইচওর নতুন প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত বছর প্রায় ১.২৫ মিলিয়ন মানুষ যক্ষ্মা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।
করোনা মহামারী চলাকালে কোভিড -১৯ বিশ্বের শীর্ষ সংক্রামক ঘাতক রোগের তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিলেও যক্ষ্মা আবারও তালিকার শীর্ষস্থানে ফিরে এসেছে।
আরও পড়ুন: দেশে আরও ৩ জনের করোনা শনাক্ত
২০২৩ সালে এইচআইভি আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ এই মৃত্যু।
ডব্লিউএইচও জানায়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষের যক্ষ্মা আক্রান্ত হওয়া সংখ্যা বেশি। বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি আক্রান্তের সংখ্যা ভারত, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ফিলিপাইন ও পাকিস্তানে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস এক বিবৃতিতে বলেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থাকার পরও যক্ষ্মা এখনও অনেক মানুষের মৃত্যু ও অসুস্থতার কারণ।
তবে বিশ্বজুড়ে যক্ষ্মায় মৃত্যুর সংখ্যা কমছে এবং নতুন করে আক্রান্ত হওয়া মানুষের সংখ্যাও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, প্রায় চার লাখেরও বেশি মানুষ গত বছর ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছিল। এর মধ্যে অর্ধেকের কম মানুষের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা হয়েছিল।
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষের যক্ষ্মা রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৫-১০ শতাংশ মানুষের যক্ষ্মার লক্ষণগুলো প্রকাশ হয়।
ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসসহ অ্যাডভোকেসি গ্রুপগুলো দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন কোম্পানি সেফিডকে বিশ্বজুড়ে যক্ষ্মা পরীক্ষা সহজলভ্য করার আহ্বান জানিয়ে আসছে। এ মাসের শুরুর দিকেও ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স ও আরও ১৫০টি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিয়ে কর্মরত সংস্থা সেফিডকে খোলা চিঠির মাধ্যমে এ বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: এলএনজি-সার, সয়াবিন তেল, চিনি ও ছোলা আমদানির অনুমোদন
১৪৮ দিন আগে