মৌলিক অধিকার
স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার: জুবাইদা রহমান
স্বাস্থসেবা কোনো সুবিধা নয়, বরং এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার হয়েছে। তবে সরকার এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যাতে কোনো নাগরিক প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যসেবার সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ এর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন’ স্লোগানে শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিনের অবহেলার শিকার। কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা বস্তিবাসীর জন্য সাধ্যমতো সর্বাত্মক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে আজকে আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি।
তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মুখে। স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরুসাহিত ও অসমভাবে বঞ্চিত। মানসম্মত সেবায় প্রবেশাধিকার প্রতিদিন লাখও মানুষের কাছে এক অসময় লড়াই। স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭২ শতাংশ সরাসরি জনগণ বহন করে। ফলে অসুস্থতা এখন দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।
প্রধানমন্ত্রী সহধর্মিণী বলেন, বাংলাদেশ একটি সুস্থ, বেশি উৎপাদনশীল, আত্মনির্ভর ও সার্বভৌম দেশ। আর কোনোদিন কড়াইল-ভাসানটেক ও সাততলার জনগণ চিকিৎসাসেবা থেকে যেন বঞ্চিত না হয়; নবজাতক শিশু থেকে শুরু করে বয়োজেষ্ঠ্য সবাই যেন সুচিকিৎসা পায়; অন্তঃসত্ত্বা মা-বোনেরা জটিল সমস্যার সমাধান এবং তারা যেন দ্রুত ও সহজে চিকিৎসা পায়, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
তিনি বলেন, এই এলাকায় মূলত যাদের বসবাস, তারা এই শহরের জীবনযাত্রা চলমান রেখেছে। পোশাকশিল্পকে উজ্জ্বল করেছে। তাদের অসাধারণ শ্রম প্রতিটি কর্মক্ষেত্রকে সচল রেখেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে ৪২ দশমিক ৬ শতাংশ এলাকাবাসী প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির শরণাপন্ন হন। তারা আসলে যেকোনো মূল্যে সুস্থ হতে চান, যেন অসুস্থতার জন্য চাকরি বা ব্যবসায় থেকে ছুটি না নিতে হয়। বিষয়টি সত্যিই অভাবনীয়!
ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম সবাইকে অবহিত করবেন। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।
এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসা সেবার মান সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন। রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতে চিকিৎসকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বিএনপির ঢাকা-১৭ নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য (ডা. জুবাইদা রহমান) যিনি আজকে আপনাদের সামনে এসেছেন। এটা দায়বদ্ধাতার প্রতিফলন। এই আসাটা জনগণের মধ্যে আশার আলো সৃষ্টি করবে। বুঝতে হবে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশে একটা দায়বদ্ধতার রাজনীতির মেরুকরণ নতুনভাবে সৃষ্টি করতে চান।
সবার জন্য সুস্বাস্থ্য, এটা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই মতবিনিময়, এটাকে রাজনৈতিক নতুন মেরুকরণের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা দিচ্ছেন।
বর্তমান সরকারের আমলে বাংলাদেশে চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে গুনগত পরিবর্তন আসবে, এমন আশা প্রকাশ করে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের এই আমলে চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে দ্রুত একটা গুণগত পরিবর্তন আসবে। সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে তা প্রমাণ করেছেন।
তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে জানি, আমাদের শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সরকারের সময়ে কৃষি ও সেচব্যবস্থার উন্নতির ফলে খাদ্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিল। এখন আমরা চিকিৎসা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে যদি এরকম দ্রুত সময়ের মধ্যে একটা পরিবর্তন আনতে পারি, সেটাই হবে বড় সফলতা।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান জানান, নতুন আইসিইউ ইউনিটে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষিত জনবল এবং সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে গুরুতর রোগীরা দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা পাবেন।
৫ দিন আগে
ইন্টারনেট পরিষেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতির প্রশংসা করল বিএমসিএ
সাইবার সিকিউরিটি অর্ডিন্যান্স ২০২৪-এর ২(৫) ধারায় মৌলিক অধিকার হিসেবে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবহারের অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশের ভোক্তাদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বিজয় হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে।
ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা শীর্ষস্থানীয় সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএমসিএ) এটিকে দেশের ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক অর্জন হিসাবে বিবেচনা করে।
এক বিবৃতিতে বিএমসিএ সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাকে মৌলিক অধিকার হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছি। আমরা সাংবিধানিক সংস্কার কমিশনে প্রস্তাব জমা দিয়েছি, সেমিনার করেছি এবং নাগরিকদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা এবং তথ্য সুরক্ষার অধিকার সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবির প্রতি ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। যা আমরা নতুন বাংলাদেশে ভোক্তাদের জন্য আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিজয় হিসাবে বিবেচনা করি। তাদের সহায়তার জন্য আমরা প্রধান উপদেষ্টা, আইটি উপদেষ্টা এবং আইসিটি পলিসি অ্যাডভাইজারকে ধন্যবাদ জানাই।’
বিএমসিএ সভাপতিও আশা প্রকাশ করেন, এই অধিকারটি শেষ পর্যন্ত সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে। ‘আমরা বিশ্বাস করি, সবার জন্য ইন্টারনেটে সমান ব্যবহারের অধিকারটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে সবার অধিকার নিশ্চিত করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই পদক্ষেপ নিরবচ্ছিন্ন, উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাকে সবার মৌলিক অধিকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন করবে।’
তাদের দাবিগুলোর প্রতি সংহতির পাশাপাশি দাবিগুলো প্রাপ্য গুরুত্বের সঙ্গে কভার করা এবং সমর্থন করার জন্য মিডিয়া এবং ভোক্তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএমসিএ।
৫০১ দিন আগে
বাংলাদেশে আইনের শাসন ও মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দেখতে চায় ইইউ
সুশাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের 'শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক' উত্তরণের অঙ্গীকারকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, 'আইনের শাসন সমুন্নত রাখার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন এবং যথাযথ প্রক্রিয়া ও মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, 'আপনারা কী ভালো করছেন এবং যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন তা জানানো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।’
ইইউ ও বাংলাদেশের মধ্যে ইতোমধ্যেই বিস্তৃত সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মিলার দুই দেশের সম্পর্ক আরও বাড়ানোর জোরালো সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। ‘এটি আমাদের সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে এবং একটি নতুন বিস্তৃত অংশীদারিত্ব এবং সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করার মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, ইইউ তাদের চলমান সংলাপ ও সহযোগিতাকে অত্যন্ত মূল্যায়ন করে।
তিনি বলেন, উত্তাল গ্রীষ্মকালে সরকার পরিবর্তনের পর সুদূরপ্রসারী সংস্কারের উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ একটি রূপান্তরের পথে যাত্রা শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় 'কক্সবাজার' নীতির পরামর্শ ইইউ দূতের
রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, ‘পেছনের দিকে তাকালে, আমরা হস্তান্তরের সূচনার সঙ্গে সঙ্গে প্রাণহানির জন্য সমবেদনা জানাই। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ইইউ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে আমাদের সাধ্যমতো সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচনের প্রস্তুতির সময় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য ইইউ'র সমর্থন ও অঙ্গীকারের নিদর্শন হিসেবে তারা এসব ইস্যুতে সম্পৃক্ত হচ্ছেন।
তিনি বলেন, 'আমরা জোর দিয়ে বলছি যে, ইইউ বাংলাদেশের সঙ্গে মানবাধিকারের বিষয়ে সকল পর্যায়ে এবং সব ফোরামে সংলাপ চালিয়ে যেতে চায়।’
সংস্কারের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা সংস্কার কমিশনগুলোর কাজ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং এটাও পরিষ্কার করতে চাই যে, তারা তহবিল, সহায়তা ও বিশেষজ্ঞ সংগ্রহসহ প্রাসঙ্গিক সুপারিশগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর বা তারও আগে বাস্তবায়নে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
মিলার বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়া হিসাবে দেখছি।’
তিনি বলেন, তারা সুনির্দিষ্ট, অগ্রাধিকারমূলক সংস্কারের উত্থানের দিকেও নজর দিচ্ছেন, যার চারপাশে বিস্তৃত রাজনৈতিক ঐকমত্য রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ইইউ সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে ইইউ খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, ‘এটি একটি 'টিম ইউরোপ' পদ্ধতি গ্রহণ, হস্তক্ষেপের সমন্বয় এবং তারা সময়োপযোগী এবং প্রভাবশালী তা নিশ্চিত করা হিসাবে পরিচিত। আমাদের অনেক আহ্বান আছে, কিন্তু কেবল একটি বার্তা আছে।’
এ সময় পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রদূতরা হলেন-
বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার, বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি মাসদুপুই, বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রস্টার, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্তিয়াগা ওচোয়া ডি চিনচেত্রু, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ ডেলিগেশনের প্রধান ও রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, ঢাকাস্থ নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সিডিএ এআই আন্দ্রে কার্সটেন্স।
নয়াদিল্লিতে ইইউ মিশনের প্রধান/প্রতিনিধি:
বাংলাদেশে নিযুক্ত বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূত দিদিয়ের ভ্যান্ডারহাসেল্ট, বাংলাদেশে নিযুক্ত বুলগেরিয়ার রাষ্ট্রদূত নিকোলাই ইয়ানকভ, বাংলাদেশে নিযুক্ত এস্তোনিয়ার রাষ্ট্রদূত মারজে লুপ, বাংলাদেশে নিযুক্ত লুক্সেমবার্গের রাষ্ট্রদূত পেগি ফ্রান্টজেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রদূত রোবার্ট ম্যাক্সিয়ান, বাংলাদেশে নিযুক্ত সাইপ্রাসের মনোনীত হাইকমিশনার এভাগোরাস ভ্রিওনাইডস, নয়া দিল্লিতে হাঙ্গেরি দূতাবাসের ঢাকা অফিসের প্রথম সচিব গ্যাবর জুকস, নয়া দিল্লিতে পোল্যান্ড দূতাবাসের কাউন্সেলর জারোস্লাভ জেরজি গ্রোবেরেক, নয়া দিল্লিতে পর্তুগাল দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন সোফিয়া বাতালহা, নয়া দিল্লিতে স্লোভেনিয়া দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ইরমা সিনকোভেক, নয়া দিল্লিতে রোমানিয়া দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব রুক্সান্দ্রা সিওকানেলিয়া।
আরও পড়ুন: জর্জিয়ায় ইইউ আলোচনা স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ, আহত ৪৪
৫১৭ দিন আগে
ন্যায়বিচার পাওয়া প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার: প্রধান বিচারপতি
ন্যায়বিচার পাওয়া প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
তিনি বলেন, সবাই ন্যায়বিচার পাবেন। বিচার প্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার।
আরও পড়ুন: বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও হুইপ ইকবালুর রহিমের মায়ের ইন্তেকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে ন্যায়কুঞ্জ বিশ্রামাগার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের দ্রুত বিচার পাওয়া সাংবিধানিক অধিকার। দ্রুত বিচার পাওয়ার যেমন সাংবিধানিক অধিকার, তেমনি দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা বিচারপতিদের নৈতিক দায়িত্ব।
এই আদালতে বিচার প্রার্থীদের বসার জন্য তেমন স্থান নেই। তাই প্রতিটি আদালতে এই রকম ন্যায়কুঞ্জ বিশ্রামাগার নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্রামাগারে বিচার প্রার্থীরা ছাড়াও অন্যরাও বসতে পারবেন।
ওই সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের অর্থায়নে সাড়ে ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে বিচারপ্রার্থী-বিশ্রামাগার ন্যায়কুঞ্জ স্থাপন নির্মাণের উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি।
আরও পড়ুন: শপথ নিলেন আপিল বিভাগের ৩ বিচারপতি
আপিল বিভাগে ৩ বিচারপতি নিয়োগ
৭২২ দিন আগে
সহিংসতা ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: জাতিসংঘ
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুইন লুইস এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘সহিংসতা ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য সবার মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত ও সুরক্ষিত করতে হবে।’
যুক্তরাষ্ট্র সহিংসতার যেকোনো প্রতিবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে এবং সহিংসতায় যুক্ত অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে বাংলাদেশ সরকারকে উৎসাহিত করেছে।
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘নির্বাচন শেষ হবার মাত্র ২০ মিনিট আগে যা ঘটল তা অনাকাঙ্ক্ষিত, আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক নির্বাচনে এ ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো স্থান নেই: হিরো আলমের ওপর হামলা প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর
তিনি আরও বলেন, ‘যারা মারামারি করল, তারা আর যাই হোক নৌকার শুভাকাঙ্ক্ষী হতে পারে না। নির্বাচনকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’
তিনি দোষীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে বনানীতে ভোটকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময় শারীরিকভাবে ‘লাঞ্ছিত’ করা হয়।
বিকালে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল ভোটকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময় হিরো আলমের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন তিনি।
আরও পড়ুন: হিরো আলমের ওপর হামলা গণতন্ত্রের নামে আ. লীগের তামাশা: ফখরুল
হিরো আলমের ওপর হামলাকারীরা ঢাকা-১৭ উপনির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চেয়েছিল: আ.লীগ প্রার্থী আরাফাত
১০২৭ দিন আগে
সংসদ সদস্যকে নিজ এলাকা ছাড়তে বলা মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ: তথ্যমন্ত্রী
কোনো সংসদ সদস্যকে নিজ নির্বাচনী এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা তার মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
মঙ্গলবার রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত আমার প্রশ্ন হচ্ছে যিনি ওই এলাকার সংসদ সদস্য, ওই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা যিনি ওই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে ভোটার, তাকে নির্বাচন কমিশন এলাকা ছাড়ার কথা বলতে পারে কি না। এটি কি তার মৌলিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ নয়? তাহলে তো ঢাকা শহরে যখন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হবে তখন ঢাকা থেকে নির্বাচিত সব সংসদ সদস্য, মন্ত্রীদেরকেও ঢাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে।’
‘এভাবে তাকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে তার মৌলিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ করা হয়েছে বলে আমি মনে করি’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘তিনি যাতে কোনো নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা বা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ না করেন, সেটির নির্দেশনা অবশ্যই থাকবে, থাকা বাঞ্ছনীয়। এবং সেটি করলে অন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হতে পারে, কিন্তু যিনি ওখানে ভোটার ওই এলাকার সংসদ সদস্য তাকে নিজের ভিটে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলা কি সমীচীন হয়েছে, সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন?’
মন্ত্রী বলেন, ‘এলাকা ছেড়ে যেতে হবে এটি দুনিয়ার কোথাও নাই। সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না-এটি ভারতে নাই, পাকিস্তানে নাই, ইংল্যান্ডে নাই, কন্টিনেন্টাল ইউরোপে নাই, অস্ট্রেলিয়া, জাপানে নাই, কোথাও নাই। সেই আইনটাও কিন্তু বৈষম্যমূলক।’
পড়ুন: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি নিয়ে আমাদের কোনো মন্তব্য নেই: সিইসি
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আজকে অনেক কাগজে দেখলাম এটি নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। এখানে নির্বাচন কমিশন কি ভুল করেছে আগে সেটি আলোচনা হওয়া প্রয়োজন রয়েছে। এলাকা ছাড়ার নির্দেশনা কখনো কোথাও দেয়া হয়নি। আমার বাড়ি চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সময় আমি মন্ত্রী এবং আমি চট্টগ্রাম শহরে ছিলাম, কোনো নির্বাচনী প্রচারণায় আমি অংশগ্রহণ করিনি, বাড়ি থেকে দু’ একবার বের হয়েছি প্রটোকল ছাড়া।’
এর আগে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান রক্তদান ও জনহিতকর কর্মসূচির জন্য কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯৭২ সালের ১০ জুন দেশে প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি শুরু হয়। বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত চিকিৎসক পরে জাতীয় অধ্যাপক প্রয়াত অধ্যাপক ডা. নূরুল ইসলাম নিজে রক্ত দিয়ে কর্মসূচি শুরু করেন।
আমরা শুধুমাত্র অবকাঠামোগত দিক দিয়ে বা বস্তুগত উন্নয়নের মাধ্যমেই উন্নত রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশকে আমরা একটি মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে চাই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য হচ্ছে একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের পাশাপাশি একটি সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্র, একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। আর মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে মানবিকতার বিকাশ প্রয়োজন। যারা মানবিকতা প্রদর্শন করে, মানবিক কাজ করে তাদের প্রশংসা করা উচিত।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ডা. নিজামউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোটিভেশন এম. রেজাউল হাসান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
পড়ুন: আমাদেরও সময় আসবে, ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’: এমপি বাহার প্রসঙ্গে ইসি রাশেদা
১৪২৬ দিন আগে
বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যক্তির চলাফেরায় বাধা দেয়া যাবে: আপিল বিভাগ
সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার হিসেবে কোনো ব্যক্তির চলাফেরার যে স্বাধীনতা দেয়া আছে তা একচ্ছত্র নয় (নন-অ্যাবসলুট) বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
আপিল বিভাগ বলেছেন, একজনের দেশত্যাগের অধিকারকে কখনোই একচ্ছত্র অধিকার হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। বিশেষ পরিস্থিতিতে এই অধিকার স্থগিত করা যেতে পারে। ৩৬ অনুচ্ছেদ ব্যক্তির চলাফেরায় বাধা দেয়াকে অনুমতি দেয় তবে তা অবশ্যই আইন অনুযায়ী এবং জনস্বার্থে হতে হবে। তবে, আইনের সমর্থনে আরোপিত বিধি নিষেধ ছাড়া কোন নির্বাহী আদেশে কারও চলাফেরার স্বাধীনতা খর্ব করা অসাংবিধানিক। বুধবার দুর্নীতি মামলার আসামি বা সন্দেহভাজন কোনো ব্যক্তির বিদেশ যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে দুদকের আবেদন নিষ্পত্তির পূর্ণাঙ্গ রায়ে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এক রায়ে এ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। ১৮ পৃষ্ঠার রায়টি বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে।
আপিল বিভাগ রায়ে বলেন, ৩৬ অনুচ্ছেদে যে স্বাধীনতা দেয়া আছে তার মূল উদ্দেশ্য সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা করা। তাই ফৌজদারি অপরাধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে, পাসপোর্ট জব্দ ও বিদেশ যাত্রা আটকানো যাবে। তারপরও যদি কেউ আইনকে পাশ কাটিয়ে বিদেশ যাত্রার চেষ্টা করে, তাহলে আটকানোর পর, তিন কার্যদিবসের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে। কিন্তু, ফৌজদারি অপরাধে কারও নাম এলেই তার বিদেশযাত্রা রোধ করা যাবে না।
আরও পড়ুন: সপ্তাহে ৩ দিন চলবে ভার্চুয়াল আপিল বিভাগ
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর সুনির্দিষ্ট বিধি বা আইন প্রণয়ন না করা পর্যন্ত দুর্নীতি মামলার আসামি বা সন্দেহভাজন কোনো ব্যক্তির বিদেশ যাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে মর্মে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করেন আপিল বিভাগ। দেশ ত্যাগে দুদকের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি রিটে হাইকোর্ট তিনটি রায় ও দুটি আদেশ দেন। ওইসব আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এ পাঁচ রিটের মধ্যে একটি হলো, নরসিংদীর আতাউর রহমানের মামলা। বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নরসিংদীর আতাউর রহমান ওরফে সুইডেন আতাউর রহমানের করা এক রিট আবেদনে জারি করা রুলের ওপর ১৬ মার্চ রায় দেন হাইকোর্ট।
দুদকের দেয়া নিষেধাজ্ঞার চিঠি অবৈধ ঘোষণা করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ অভিমতে বলেন, সুনির্দিষ্ট বিধি বা আইন প্রণয়ন না করা পর্যন্ত দুর্নীতি মামলার আসামি বা সন্দেহভাজন কোনো ব্যক্তির বিদেশ যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার বিষয়ে দুদক নয়, সিদ্ধান্ত নেবেন বিশেষ জজ আদালত। হাইকোর্ট রায়ে বলেছিলেন, বিদেশ যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার বিষয়ে দুদকের সুনির্দিষ্ট আইন বা বিধি নেই। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে দ্রুত সুনির্দিষ্ট আইন বা বিধিমালা করা প্রয়োজন। তাই আশা করছি, এ বিষয়ে দুদক বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আইন বা বিধি করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
আরও পড়ুন: যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর সাজা: আপিল বিভাগ
আপিল বিভাগের নতুন দুই বিচারপতির শপথ গ্রহণ
১৬২১ দিন আগে
মৌলিক অধিকার বঞ্চিত সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ
সরকারের অবহেলার কারণে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দারা মৌলিক অধিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ দ্বীপটিতে বসবাসকারী বাসিন্দাদের।
১৯৯৩ দিন আগে