শিলাইদহ
শিলাইদহে রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে থৈ থৈ করছে পানি
পদ্মার তীর থেকে প্রায় ৮০০ মিটার পশ্চিমে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি। এখানে বসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন অসংখ্য গান, কবিতা, নাটক আর ছোটগল্প। যে গীতাঞ্জলি রচনার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন, তার অধিকাংশ কবিতাও এখানে বসেই লেখা। এক কথায়, বাংলা সাহিত্যের অনেক অমর সৃষ্টির জন্ম এই কুঠিবাড়িতে।
প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজারো রবীন্দ্রভক্ত ছুটে আসেন বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত এই রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি দেখতে। কিন্তু কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে সেই ঐতিহ্যের তীর্থভূমির চিত্রই যেন পাল্টে গেছে। কুঠিবাড়ির প্রধান প্রবেশপথ, মুক্তমঞ্চ, ম্যুরালের সামনে, জাদুঘরের আঙিনা, এমনকি ফুল ও ফলের বাগান—সবখানেই এখন থৈ থৈ করছে পানি। কুঠিবাড়িজুড়ে জলমগ্নতার এই চিত্র শুধু এ বছরই নয়, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলেই এমন চিত্র চোখে পড়ে।
১১ দিন আগে
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহ কুঠিবাড়ি যাওয়ার উপায় ও আনুষঙ্গিক খরচ
বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার পেছনে এক বিরাট অবদান রয়েছে দেশের কবি-সাহিত্যিকদের। সেই সূত্রে দেশীয় ও বিদেশি সাহিত্যপ্রেমী পর্যটকদের কাছে নিতান্ত ভালো লাগার স্থান হচ্ছে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। জায়গাটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনধারা এবং সাহিত্যকর্ম। রবীন্দ্র ভক্তসহ অন্যান্য ভ্রমণপ্রিয় মানুষগুলোও রোমাঞ্চিত হন বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলোর জন্মস্থানকে কাছে থেকে দেখার সময়।
চলুন, ঐতিহাসিক জায়গাটিতে ভ্রমণবিষয়ক অনুসন্ধানের পাশাপাশি এর বিশেষত্বের ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির অবস্থান
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা কুষ্টিয়ার একটি উপজেলা কুমারখালী। এর অন্তর্গত শিলাইদহ ইউনিয়নের পর্যটন গ্রাম হিসেবে স্বনামধন্য এলাকা শিলাইদহ গ্রাম। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রমত্তা পদ্মা নদী কুষ্টিয়া থেকে আলাদা করেছে নদীর পাবনা জেলাকে। কুষ্টিয়া জেলা শহর থেকে ১৫ দশমিক ৪১ কিলোমিটার দূরত্বে অবিস্থত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি।
আরও পড়ুন: ঢাকার পূর্বাচলে ১০টি মনোরম রিসোর্ট: সারাদিনের খরচ
৯৪৮ দিন আগে
সম্পূর্ণ কাঠ দিয়ে তৈরি পাঁচতলা বাড়ি
কুষ্টিয়ার শিলাইদহে অবস্থিত কাঠের তৈরি দৃষ্টিনন্দন পাঁচতলা বাড়িটি দেখার জন্য কৌতূহলী মানুষের আনাগোনা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
২০৯৩ দিন আগে