খুন
বংশালে কথা কাটাকাটির জেরে স্বামীকে খুনের অভিযোগ
রাজধানীর বংশাল থানার নাজিমুদ্দিন সড়ক এলাকায় কথা কাটাকাটির জেরে মো. সুমন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় নাসিমা আক্তার (৩২) নামের ওই নারীকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সুমনের বাড়ি হবিগঞ্জের কমলগঞ্জ থানার ডালু গাছ বাজার এলাকায়। তার বাবার নাম নবী মিয়া। তিনি বংশালের নাজিমুদ্দিন সড়কের একটি বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন তিনি।
নিহত সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা জানান, ‘আমার স্বামী ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটে ডেইলি বেসিক কর্মচারী এবং আমিও বার্ন ইউনিটে ডেইলি বেসিক কর্মচারী হিসেবে চাকরি করি। আমার স্বামী ইয়াবা ও গাজা সেবন করতেন। গত রাতে তিনি বাথরুমে বসে ইয়াবা-গাজা সেবন করেন, এ কারণে গন্ধে ঘরে থাকতে পারি না।’
তিনি আরও বলেন, যে বাসায় থাকি, সেটার ভাড়া ৩ হাজার টাকা। বাসার ভাড়া দেওয়ার জন্য আমার কাছে ১ হাজার ৫০০ টাকা ছিল। সকালে যখন ওয়ারড্রোব খুলে ওই টাকা দিতে যাই, তখন দেখি সেখানে টাকাগুলো নেই। তখন আমি সুমনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি প্রথম অস্বীকার যান। তবে পরে তিনি বলেন, ‘আমি ওই টাকাগুলো নিয়েছি, পরে ফেরত দিয়ে দেব।’ এই নিয়ে আমাদের দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। এরপর তিনি আমাকে থাপ্পড় মারতে থাকেন। এ ছাড়াও, হাতে থাকা কলম জাতীয় একটি জিনিস দিয়ে আমার বাঁ হাতে তিনি আঘাত করেন এবং পিঠে কামড় বসিয়ে দেন। ধস্তাধস্তির এক একপর্যায়ে দেখতে পাই, তার বুকের বাঁ পাশ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে।
পরে আমি আশপাশের লোকজনকে ডেকে এনে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি এবং চিৎকার করতে থাকি। পরে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সুমন আর বেঁচে নেই।
নাসিমা আরও জানান, আমি তার সঙ্গে যেভাবে সংসার করছি, এভাবে কোনো মানুষ সংসার করতে পারে না। তিনি আমাকে প্রায়ই মারতেন। ধস্তাধস্তির কোনো একসময় ঘটনাটি ঘটেছে নাকি তিনি নিজেই কলমের মতো বস্তুটি নিজের বুকে ঢুকিয়ে দিয়েছেন, তা দেখতে পাইনি।
তিনি বলেন, আমি যদি হত্যা করতাম, তাহলে আমি আমার ২১ মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যেতাম; তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসতাম না। আমি সুমনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর তার প্রথম স্ত্রীর লোকজন আমাকে মারধর করেন। আমার তো আর কিছুই রইল না!
অপরদিকে ঢামেক হাসপাতালে নিহতের প্রথম স্ত্রী ডলি আক্তার জানান, সুমন মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকসেবন ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে সুমন ও নাসিমার মধ্যে কলহ চলছিল। তাই সুমনকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন ডলি আক্তার।
ডলি আক্তারও একই এলাকার অন্য একটি বাসায় ভাড়া থাকেন।
বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজান জানান, আমরা খবর পেয়ে ঢামেক হাসপাতালে এসেছি। নিহত সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমাকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মহিলা পুলিশ এলে নাসিমাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হবে।
২ দিন আগে
গাইবান্ধায় ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র খুন
গাইবান্ধা সদরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে জেরে ছুরিকাঘাতে প্রতিপক্ষের ছোট ভাই রুমন (১৮) নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। আহত বড় ভাই রুহিতের অবস্থাও (২০) আশঙ্কাজনক।
রবিবার (৭ জুন) রাত ৯টার দিকে সদরের বোয়ালী ইউনিয়নের পূর্ব পিয়ারাপুরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুমন ওই এলাকার মৃত ফারুকের ছোট ছেলে। তিনি গাইবান্ধা সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পূর্ব পিয়ারাপুর গ্রামের ছানা হাজীর ছেলে রাকিবের সঙ্গে মৃত ফারুকের বড় ছেলে রুহিতের দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা প্রাচীর নিয়ে বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে গতকাল (রবিবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উভয়ের মধ্য বাগবিতণ্ডা শুরু হলে রাকিব ধারালো ছুরি দিয়ে রুহিতকে আঘাত করে। এ সময় রুহিতের ছোট ভাই রুমন এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে রাকিব। পরে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় রুহিত ও রুমনকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুমনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রুহিত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আজ (সোমবার) সকালে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খুনের ঘটনার পর পুলিশ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাকিবের মা বেবি বেগম ও তার স্ত্রী ইতি বেগমকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৩১ দিন আগে
নরসিংদীতে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, হত্যাকারীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ
নরসিংদীর পলাশে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রকাশ্যে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দুই যুবক। হত্যার ঘটনায় নিহতের স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ে হত্যাকারীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন।
শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে পলাশ উপজেলার মাঝেরচর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত আশিক ভূঁইয়া (২০) উপজেলার মাঝেরচর গ্রামের মনির হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে ছিলেন। এ সময় একই এলাকার বকুল ভূঁইয়ার ছেলে রুহুল আমিন (২০) ও মান্নান ফকিরের ছেলে ইলিয়াস আহত হন। তাদের মধ্যে রুহুল আমিনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শনিবার (২৩ মে) সকালে হত্যার ঘটনায় নিহতের স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ে হত্যাকারীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারুলিয়া গ্রামের সাগরের (২২) ছোট ভাই সোহাগের (২০) সঙ্গে প্রতিবেশী রুহুল আমিনের গত বৃহস্পতিবার কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার মীমাংসা করার জন্য গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে পারুলিয়া ভূইয়া বাড়ির পাশে স্থান ও সময় নির্ধারণ করে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। গতকাল বিকেলে উভয়পক্ষের লোকজন নির্ধারিত স্থানে বিচারকদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এমন সময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সাগর ও সোহাগসহ প্রায় ১০/১৫ জন লোক আশিকের ওপর হামলায় চালায়। এ সময় তাদের হাতে থাকা ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে আশিককে। তাকে বাঁচাতে রুহুল আমিন ও ইলিয়াস এগিয়ে গেলে তারাও ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশিককে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রুহুল আমিন ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে এবং ইলিয়াস প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন।
অভিযুক্ত সাগর ও সোহাগ ওই উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
আজ (শনিবার) সকালে আশিকের মৃত্যুর খবরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা সাগর-সোহাগদের বাড়িতে হামলা চালান এবং একপর্যায়ে আগুন লাগিয়ে দেন। আগুনের খবর পেয়ে পলাশ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শী রোমান ভূইয়া জানান, সালিশের নির্ধারিত স্থানে স্থানীয় লোকজন উপস্থিত হতে থাকে। এ সময় সকলেই যারা সালিশ করবেন তাদের জন্য অপেক্ষা করতে ছিল। কেউ কিছু বুঝে উঠার আগেই সাগর ও তার ভাই সোহাগ আশিকের ওপর হামলা চালিয়ে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। তাকে বাঁচাতে গেলে রুহুল আমিন ও ইলিয়াসও গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। আশিকের মৃত্যুর খবরে সকালে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও তাদের স্বজনরা সাগর-সোহাগদের বাড়িঘর আগুন দেন।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, আশিকের মৃত্যুর খবরে ক্ষুব্ধ হয়ে এলাকাবাসী অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালান এবং আগুন দেন। তবে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।
৪৭ দিন আগে
স্বামীকে খুন করে মরদেহ টুকরো করে লুকানোর চেষ্টা, স্ত্রী আটক
শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আসমা বেগম (আসমা আক্তার) নামে এক নারীকে আটক করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ।
ঘটনাটি গত বুধবারের (১৩ মে)। ওই দিন দিবাগত রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে চন্দ্রপুর বাজার এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে আজ (শুক্রবার) বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার স্বামী জিয়া সরদারের সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে আসমা বেগমের তীব্র ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি লোহার রড দিয়ে স্বামীকে একাধিক আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর হত্যাকাণ্ড গোপন করতে আসমা বেগম মরদেহ চাকু দিয়ে টুকরো টুকরো করেন। মরদেহের দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। দেহের অন্যান্য অংশ শরীয়তপুর সদর উপজেলার আটং বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুরপাড়ে রেখে আসা হয়। এমনকি মরদেহের কিছু অংশ বস্তায় ভরে ফ্রিজে লুকিয়ে রাখারও চেষ্টা করা হয়।
বাসা থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়া এবং অভিযুক্ত নারীর অস্বাভাবিক আচরণে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে শুক্রবার (১৫ মে) রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসমা আক্তারকে আটক করে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ‘অভিযুক্ত নারী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে তীব্র উদ্বেগ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
৫৪ দিন আগে
নরসিংদীতে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন, আটক ২
নরসিংদীতে আল আমিন (৩০) নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেছে তারই ছোট ভাই হাসান (২৬)।
শনিবার (২ মে) সকালে শহরের সাটিরপাড়া এলাকার পেট্রোল পাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বড় ভাই আল আমিন ও ঘাতক হাসান নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের আতশআলি বাজারের বাসিন্দা নুর ইসলামের ছেলে। তারা শহরের চৌয়ালা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
নিহতের স্বজনরা জানান, হাসান ও আল আমিনরা ৫ ভাই ও ২ বোন। তারা নরসিংদী শহরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।
দীর্ঘদিন যাবৎ চৌয়ালার বাসিন্দা হাবিবের ছেলে নাইম তাদের বোন দুই সন্তানের মা তাসলিমা বেগমকে প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিল। কিন্তু নাইমের প্রেমের প্রস্তাবে তাসলিমা রাজি হচ্ছিলেন না। এই নিয়ে দীর্ঘদিন নাইমের সঙ্গে বিরোধ চলছিল তার ভাইদের। এই বিরোধে নাইমের ভয়ে সম্প্রতি তারা গ্রামের বাড়ি চলে গিয়েছিল। তারপর ৩ দিন আগে আল-আমিন স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় নাইমের সঙ্গে এ ঘটনা মীমাংসা করে চৌয়ালার একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন, কিন্তু তার ছোট ভাই হাসান এটা মেনে নিতে পারেননি।
আজ সকালে আল আমিন বাজার করতে বের হলে সাটিরপাড়া এলাকায় আজাদ ফিলিং স্টেশনের সামনে ছোট ভাই হাসান তাকে কেঁচি দিয়ে পেটে একাধিক আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী শিল্পী বেগম বলেন, ছোট দেবরের সঙ্গে নাইমের অনেক দিন ধরে দ্বন্দ্ব ছিল। পরে আমরা সবাই মিলে বিষয়টি মীমাংসা করি। কিন্তু নাইম আমার ননদ তাসলিমার ফোন নম্বর সংগ্রহ করে তাকে বারবার ফোন দিয়ে বিরক্ত করতে শুরু করে। একপর্যায়ে বিয়ে না করলে আমার দেবরকে হত্যা করার হুমকি দেন। এ ঘটনার পর আমাদের নরসিংদী থেকে গ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তিন দিন আগে মীমাংসা করে আবার নরসিংদীতে আসি। কিন্তু আমার দেবর মীমাংসার পক্ষে ছিল না। এতে আমার স্বামী একাই মীমাংসা করে শহরে চলে আসেন। আর মীমাংসার পক্ষে না থাকায় হাসান শহরে আসতে পারবে না—এমন চিন্তা করে ক্ষোভে আমার স্বামীকে হত্যা করেছে সে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার আগের রাতে হাসান আমার স্বামীকে ফোন করে হুমকি দিয়ে বলেছিল, ‘তোর রক্ত দিয়ে আমি গোসল করব। তুই যখন প্যাঁচ ভেঙে গেছিস, আমাদের চিন্তা করিস না। তোর মতো ভাইয়ের দরকার নাই। আমি যদি নুরুর সন্তান হয়ে থাকি, তাহলে তোর রক্ত দিয়ে গোসল করব।’ পরদিন সকালে আল আমিন বাজারে গেলে হাসান তাকে হত্যা করে।
শিল্পী বেগম বলেন, আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।
নিহতের বোন তাসলিমা বেগম বলেন, নাইম আমাকে প্রতিনিয়ত ফোন দিয়ে বিরক্ত করত। আমি কথা না বললে আমার ভাইদের মেরে ফেলার হুমকি দিত। কিছুদিন আগে লোকজন নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলাও করে সে। এরপর ভয়ে আমরা গ্রামের বাড়িতে চলে যাই। পরে নাইমের সঙ্গে মীমাংসা করে আমরা আবার শহরে আসি। আর এই শহরে আসাই আমার ভাইয়ের জন্য কাল হলো। এক ভাই অন্য ভাইকে খুন করল।
নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ফরিদা গুলশানারা কবির বলেন, সকালে আল আমিন নামে একজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় আনা হলে আমরা তাকে মৃত অবস্থায় পাই। তার পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল মামুন জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঘাতক ছোট ভাই হাসান ও নাইমকে আটক করা হয়েছে। মামলা পর তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে। নাইমের নামে বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি।
৬৮ দিন আগে
টেকনাফের পাহাড় থেকে ৩ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ের গহীন বনাঞ্চল থেকে ৩ যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে বাহারছড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর শীলখালী এলাকার পাহাড় থেকে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন— শীলখালী এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম রবি (১৯), মৃত নুরুল কবিরের ছেলে মুজিবুর রহমান (৩৮) এবং মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে নুর বশর (২০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে ওই এলাকার কয়েকজন শ্রমিক পাহাড়ের পূর্ব পাশে কাজ করতে গেলে মরদেহগুলো পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাদের চিৎকারে গ্রামবাসী জড়ো হয়ে পুলিশে খবর দেন।
নিহত রবির বাবা রুহুল আমিন জানান, সকালে স্থানীয় শ্রমিকরা পাহাড়ে কাজ করতে গিয়ে তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজের ছেলেকে শনাক্ত করেন।
টেকনাফ শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুর্জয় সরকার জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
কক্সবাজার পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, নিহত তিন যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারগুলোতে চলছে শোকের মাতম।
৭৯ দিন আগে
রংপুরে মাকে বাঁচাতে গিয়ে ছেলে খুন: গ্রেপ্তার ২
রংপুরের মিঠাপুকুরে মাকে বাঁচাতে গিয়ে ছেলে নিহতের ঘটনায় হওয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাব।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৩-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী। ঢাকার মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
গ্রেপ্তাররা হলেন— মিঠাপুকুর উপজেলার শালমারা লফিতপুর এলাকার মহুবার রহমানের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম এবং ইকবালপুর এলাকার আবুল কালামের ছেলে মোহন মিয়া।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মিঠাপুকুরের আবুল কাশেমর সঙ্গে প্রতিবেশী মো. জাহাঙ্গীর আলমের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে আসামিরা গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী লাঠি, লোহার রড ও ছুরি নিয়ে আবুল কাশেমের স্ত্রীর পথরোধ করে তাকে শ্লীলতাহানি করেন। ভুক্তভোগী ওই নারীর চুল ধরে মুখমণ্ডলে চড়-থাপ্পড় দেন তারা। ওই সময় তাকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়।
খবর পেয়ে মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ছেলে নুরুজ্জামান। এরপর জাহাঙ্গীর আলমের লোকজন তাকেও এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। তারা নুরুজ্জামানের অণ্ডকোষে সজোরে লাথি মারেন, সেইসঙ্গে তাকে গুরুতর জখম করে তারা চলে যান। পরে এলাকাবাসী ও আত্মীয়স্বজন তাকে উদ্ধার করে রংপুর মিঠাপুকুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান। কয়েক ঘণ্টা পর কতর্ব্যরত চিকিৎসক নুরুজ্জামানকে (৩১) মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে মিঠাপকুর থানায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাবও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। একপর্যায়ে গত ৩১ মার্চ রাতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম ও অপর আসামী মোহন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ও র্যাব।
র্যাব কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৯৯ দিন আগে
মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় বাবাকে খুন করল ছেলে
বারবার তাগিদ দেওয়া সত্ত্বেও মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় জয়পুরহাটে ছেলের হাতে খুন হয়েছেন তারই বাবা কৃষক আক্কাস আলী (৫৭)। সে সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্কাস আলীর স্ত্রী ও মেয়েও গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের বফলগাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ছেলে গোলাপ হোসেনকে (২৯) আটক করে পুলিশ।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জেলার সহকারী পুলিশ সুপার তুহিন রেজা শনিবার রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, জমির আলু বিক্রির পর গোলাপ হোসেন তার বাবা আক্কাস আলীকে ওই আলু বিক্রির টাকা দিয়ে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরে আসছিলেন। কিন্তু কিছুতেই তার বাবা তাকে মোটরসাইকেল কিনে দিতে রাজি হচ্ছিলেন না। এ নিয়ে গতকাল (শনিবার) ইফতারের আগে তাদের দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে গোলাপ ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবাকে বাঁশ, চাকু ও দা দিয়ে পেটাতে ও কোপাতে শুরু করেন।
সে সময় তাকে বাধা দিতে গেলে সে তার মা ও বোনের ওপরও চড়াও হন তিনি। এতে তারাও গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে বগুড়ার শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে আক্কাস আলীর মৃত্যু হয়। আর তার স্ত্রী ও মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে মা আবেদা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাবাকে হত্যার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে ছেলে গোলাপ হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১১৬ দিন আগে
পরকীয়া নিয়ে বিরোধের জেরে ফেনীতে তাঁতিদল নেতা খুন
ফেনীর সোনাগাজীতে পরকীয়াকে কেন্দ্র করে পূর্বশত্রুতার জেরে আইয়ুব নবী তারেক (২৬) নামে এক তাঁতিদল নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের গুণক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আইয়ুব নবী তারেক বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতিদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গুণক গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে।
নিহতের পিতা কামাল উদ্দিন অভিযোগ করেন, একই বাড়ির ওহিদুর রহমানের স্ত্রী নারু (নাহার) আগের একটি বিরোধ নিষ্পত্তির কথা বলে তারেককে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওহিদুর রহমানের ছেলে নাহিদ, সাঈদ, নিলয় ও স্ত্রী নারু দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে তারেকের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পাই আমার ছেলে মারা যাওয়ার পরও ওহিদুর রহমান তাকে ডাকাত বলে আখ্যা দিয়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। আমি হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত তারেক ও ওহিদুর রহমানের ছেলে নাহিদের স্ত্রীর মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্কের অভিযোগ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এলাকাবাসীর ধারণা, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে।
একই বাড়ির আবদুল গফুর জানান, কিছুদিন আগে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল হক চৌধুরীর কাছে নাহিদ অভিযোগ করেছিলেন, তার স্ত্রীর সঙ্গে তারেকের পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তারেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বলেছিলেন নাহিদ।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, নিহত তারেকের বিরুদ্ধে একটি পরোয়ানা ছিল। তবে এটি কোন রাজনৈতিক হত্যা নয়। পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্তরা ঘটনার পর আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
১৩৩ দিন আগে
যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মাদরাসা শিক্ষার্থী খুন
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মাহিম মিয়া (১৫) নামে এক মাদরাসা ছাত্র নিহত হয়েছে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে কাজলা স্কুল গলিতে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মাহিম কিশোরগঞ্জ সদরের দিন ইসলামের ছেলে। সে যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় থাকত। স্থানীয় একটি মাদরাসায় হেফজ বিভাগে সে পড়ত বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
নিহতের ভগ্নিপতি মো. রাফি জানান, রবিবার রাতে স্কুল গলিতে কয়েকজন কিশোর মাহিমকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। পরে স্বজনরা খবর পেয়ে তাকে করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, সেই বিষয়ে কিছু জানতে পারেননি তারা।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
১৪৩ দিন আগে