খাদ্যে বিষক্রিয়া
ইরাকে যুবকের মৃত্যু, ভেঙে গেল পরিবারের দশ লাখ টাকার স্বপ্ন
ফেনী সদর উপজেলার মেহেদি হাসান নাহিদ (২১) নামের এক যুবকের ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের আরবিল শহরে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দু্জন মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় নাহিদ ৫ মাস আগে পাড়ি জমান ইরাক। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে তার পরিবার। ১০ লাখ টাকা ঋণ করে তার বাবার মাধ্যমে নাহিদকে প্রবাসে পাঠানো হয়েছিল।
বাগদাদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক শোকবার্তায় জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
নিহত নাহিদ উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের দেবীপুর বিসিক শিল্পনগরী-সংলগ্ন মৃধা বাড়ির মোহাম্মদ মাহবুবুল হকের ছেলে। বাবা-মায়ের দুই সন্তানের মধ্যে নাহিদ ছোট ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাহবুবুল হক ৮ বছর ধরে ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে কর্মরত। গত বছরের অক্টোবর মাসে বাবার হাত ধরে কাজের সন্ধানে সেখানে যান নাহিদ। গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইফতারের পরে নাহিদ ও তার সঙ্গে থাকা আরও দুই বাংলাদেশি একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেদিন রাতে নাহিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহাম্মদ তারেক (৪৫) ও তার ছেলে মো. সাব্বিরসহ (২২) তিনজন হাসপাতাল থেকে বাসায় গিয়ে সেহরি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন তাদের কোনো সাড়া না পেয়ে বাসায় গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাহিদের চাচা মনিরুজ্জামান বলেন, পরিবারের ভাগ্য ফেরাতে ১০ লাখ টাকা ঋণ করে তার বাবার মাধ্যমে নাহিদকে প্রবাসে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে সকলে শোকে স্তব্ধ। ছেলে হিসেবেও নাহিদ অনেক নম্র-ভদ্র ছিল। তার পরিবার আর্থিকভাবে খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে যদি তাদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অনেক বেশি উপকৃত হবে বলে জানান তিনি।
নাহিদের মা হোসনে আরা বলেন, শেষবারের মতো আমার সন্তানের মুখ দেখতে চাই। তাকে দেশে আনার বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি। অর্থনৈতিকভাবে আমার পরিবার একদম শেষ হয়ে গেছে। আমি সকলের সহযোগিতা চাই।
এ ব্যাপারে ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা নাসরিন কান্তা বলেন, মৃত্যুর বিষয়টি এখনও অবগত নই। পরিবারের পক্ষ থেকেও আমাদের জানানো হয়নি। অবগত হলে বিষয়টি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে বিধি অনুযায়ী সহায়তা করা হবে।
৮ দিন আগে
গাইবান্ধায় ‘খাদ্যে বিষক্রিয়ায়’ আক্রান্ত হয়ে ১৬ শিশু হাসপাতালে
গাইবান্ধা শহরের হাফিজিয়া মাদরাসার রান্না করা খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের ১৬ শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাহবুবর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: নাটোরে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় দুই বোনের মৃত্যুর অভিযোগ
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬ শিক্ষার্থী হলেন-মিনহাজ, মোজাহিদ, মোজাহিদ ২, মেহেদী, রাসেল, মারুফ, শফিকুল, তারেক, রশিদ, মিজান, হাসান, মাজুক, হোসাইন, মোহিনুল, সামিউল, নিরব ও জোবায়ের।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, সকালে গাইবান্ধার ফোরকানিয়া হাফিজিয়া মাদরাসার ১৬ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। ওই শিক্ষাথীরা সোমবার রাতের ভাত খেয়ে প্রতিদিনের মতো ঘুমিয়ে পড়ে। সকাল থেকে ১৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে বমি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ অসুস্থ শিশুদের গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
তিনি আরও বলেন, অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তাদের সবাইকে ভর্তি নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে (বিভাগে) তাদের চিকিৎসা চলছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় ২ বোনের মৃত্যু!
দিনাজপুরে ‘খাদ্যে বিষক্রিয়ায়’ শিশুর মৃত্যু
৮৩১ দিন আগে
নাটোরে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় দুই বোনের মৃত্যুর অভিযোগ
নাটোরের সিংড়ায় খাদ্যে বিষক্রিয়ায় ফিমা খাতুম ও ফারিয়া খাতুন নামে দুই বোনের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের মালকুড় গ্রামের প্রবাসী নাজিম উদ্দিনের ১৫ বছর বয়সী মেয়ে ফীমা ও ১০ বছরের ফারিয়া। ফীমা বাদুপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এবং ফারিয়া মালকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, তার ইউনিয়নের মালকুড় গ্রামের প্রবাসী নাজিম উদ্দিনের ১৫ বছর বয়সী মেয়ে ফীমা ও ১০ বছরের ফারিয়া বুধবার রাত ১১টার দিকে খাবার খাওয়ার পর উভয়ের পেটে ব্যাথা শুরু হয়। তাদেরকে পার্শ্ববর্তী বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: নাটোরে ঘরে আগুন লেগে নারীর মৃত্যু, শিশুসহ আহত ৩
তিনি আরও জানান, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফীমার মৃত্যু হয়। গুরুতর অবস্থায় ছোট বোন ফারিয়াকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টায় সেখানে তার মৃত্যু হয়।
মালয়েশিয়া প্রবাসী নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী আকলিনা বেগম মেয়েদের খাবার খেতে দিয়ে নামাজ পড়ছিলেন। মেয়েরা খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পর পেটে ব্যাথা ও বমি শুরু হয় বলে প্রতিবশিদের বরাত দিয়ে জানান ইউপি চেয়ারম্যন।
খবর পেয়ে সিংড়া থানা পুলিশ দুপুরে প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে তদন্ত শুরু করে বলে জানান পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: নাটোরে ট্রাকচাপায় ছাত্রলীগ নেতা নিহত
নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
৮৯৯ দিন আগে
গাজীপুরে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় ২ বোনের মৃত্যু!
গাজীপুর সদর উপজেলার সালনা এলাকায় খাদ্যে বিষক্রিয়ায় দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে আরেক শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
রবিবার বেলা ১১টার দিকে সালনার ইপসা গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া শিশুরা হলো-শেরপুরের বাসিন্দা আশরাফুলের মেয়ে আশামনি (৬) ও আলিফা (দেড় বছর)।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রমিক নিহত
আশরাফুল স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সালনার ইপসা গেট এলাকায় ভাড়াবাড়িতে বসবাস করতেন।
মৃত শিশুদের বাবা আশরাফুল বলেন, রবিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে তিনি দুই মেয়ে ও এক আত্মীয়ের ছেলেকে প্যাটিস ও কেক কিনে দিয়েছিলেন।
ওই কেক ও প্যাটিস খেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যে দুই মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। দ্রুত তাদের গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই সময় অন্য শিশু সিয়াম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মাহমুদা আক্তার বলেন, বিষক্রিয়ার কারণে শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে। আরেক শিশু সিয়াম চিকিৎসাধীন। শিশুটির অবস্থাও গুরুতর।
এছাড়া মৃত শিশু দুটির লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এহতেশাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে-বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও সিআইডি'র টিমসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত কাজ করছে।
এ ব্যাপারে মৃতদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন: ভারতে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় ১০ জনের মৃত্যু
দিনাজপুরে ‘খাদ্যে বিষক্রিয়ায়’ শিশুর মৃত্যু
১১৪০ দিন আগে
অজ্ঞানপার্টির খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় এক ব্যক্তির মৃত্যু
অজ্ঞানপার্টির খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় সদর উপজেলার বাবুলিয়ার শ্রীপুরে সোমবার রাতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
২২১৭ দিন আগে
দিনাজপুরে ‘খাদ্যে বিষক্রিয়ায়’ শিশুর মৃত্যু
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কাদিরাপাড়া গ্রামে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় মঙ্গলবার রাতে সুমাইয়া নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় তার বাবা-মাও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
২২৯৩ দিন আগে