সৈকত
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে সৈকতে ভেসে এল রহস্যময় বস্তু
অস্ট্রেলিয়ার উত্তর কুইন্সল্যান্ডের সৈকতে রহস্যজনকভাবে ভেসে এসেছে ৬টি বড় আকৃতির গোলাকার বস্তু। প্রাথমিকভাবে এগুলোকে মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ বা ‘স্পেস বল’ বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এগুলো রকেটের জ্বালানি ব্যবস্থার অংশ হতে পারে এবং এর ভেতরে অত্যন্ত বিষাক্ত রকেট জ্বালানি অবশিষ্টাংশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এ নিয়ে স্থানীয় জনগণের জন্য কোনো ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সি স্থানীয় সময় রবিবার (৫ জুলাই) জানিয়েছে, রহস্যময় এসব বস্তু কোথা থেকে এসেছে, তা শনাক্তে তারা কাজ করছে। এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, বস্তুগুলোতে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, টাউনসভিলের ফরেস্ট বিচ এলাকায় সৈকতে ভেসে আসা বস্তুগুলো দেখতে বড় আকৃতির ধাতব গোলকের মতো।
রবিবার কুইন্সল্যান্ড ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, সৈকত থেকে মোট ৬টি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি নিরাপদে ড্রামের মধ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছে। আর ষষ্ঠ বস্তুটিকে নিরাপদে রাখার কাজ চলছে।
অন্যদিকে, ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলেরও কমতি নেই। ‘ফরেস্ট বিচ টেকঅ্যাওয়ে’ নামে একটি স্থানীয় খাবারের দোকান ‘স্পেস জাঙ্ক স্ন্যাক বক্স’ নামে নতুন একটি খাবার বিক্রি শুরু করেছে। দোকানের সামনে থাকা একটি বোর্ডে মজার ছলে লেখা হয়েছে, ‘এই খাবার সৈকতে ভেসে আসা রহস্যময় বস্তু না, তাই নিশ্চিন্তে চিনে খেতে পারবেন।’
এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, সৈকতে রহস্যময় এসব বস্তু নিয়ে স্থানীয় জনগণের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই। এ বিষয়ে পুলিশও কোনো তদন্ত করছে না।
ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে উত্তর কুইন্সল্যান্ডে এমন আরও ধ্বংসাবশেষ ভেসে আসতে পারে। তবে এতে সেখানের জনসাধারণের জন্য কোনো ঝুঁকি নেই। তারপরও স্থানীয়দের অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সির পরামর্শ ও তথ্য অনুসরণ করা উচিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলোর প্রকৃতি ও উৎস এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ এবং ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির সঙ্গে কাজ করা অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বস্তুগুলোকে প্রাথমিকভাবে মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ বলেই মনে করা হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংস্থাটি উত্তর কুইন্সল্যান্ডের ফরেস্ট বিচে পাওয়া সন্দেহভাজন মহাকাশের ধ্বংসাবশেষের বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে তারা এসব বস্তুর প্রকৃতি ও উৎস শনাক্তে কাজ করছে।
এ বিষয়ে ফ্লিন্ডার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশ প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং মহাকাশের আবর্জনা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক অ্যালিস গোরম্যান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও পর্যালোচনা বলেন, ‘বস্তুগুলোতে আগুনে পোড়া বা দগ্ধ হওয়ার কোনো চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘এতে ধারণা করা যায়, এগুলো কোনো রকেট উৎক্ষেপণের প্রথম বা দ্বিতীয় ধাপের অংশ হতে পারে, যা পৃথিবীতে ফিরে এসেছে। রকেটের বাকি অংশ পেলোড বহন করে মহাকাশে চলে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘বস্তুগুলো রকেটের জ্বালানি ব্যবস্থার অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। এগুলো টাইটানিয়াম সংকর ধাতু দিয়ে তৈরি চাপযুক্ত জ্বালানি সংরক্ষণ পাত্র, যার গলনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি।’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের বস্তুকে আসলে ‘স্পেস বল’ বলা হয় এবং উৎক্ষেপণের বহু বছর পরও এগুলো খুঁজে পাওয়া যায়। সম্ভবত এর আগে এ ধরনের বস্তু সমুদ্রপৃষ্ঠে পড়ে থাকার দৃশ্য কেউ দেখেনি।’
তবে গোরম্যান সংশয় প্রকাশ করে বলেন, ‘বস্তুগুলো মহাকাশ শিল্পের অংশ নাও হতে পারে। এগুলো সামুদ্রিক কোনো উৎস থেকেও আসতে পারে।’
তবে তিনি জানান, ‘যদি এগুলো সত্যিই ‘স্পেস বল’ হয়, তাহলে এর ভেতরে অত্যন্ত বিষাক্ত রকেট জ্বালানি হাইড্রাজিনের কিছু অবশিষ্টাংশ থাকতে পারে।
তিনি ধারণা করে বলেন, ‘এগুলো রাশিয়ার ফ্রেগাট রকেটের অংশও হতে পারে। কারণ ওইসব রকেটের জ্বালানিতেও একই ধরনের চাপযুক্ত জ্বালানি পাত্র ব্যবহার করা হয়।’
গোরম্যান বলেন, ‘১৯৮০ এর দশকের মার্কিন বিজ্ঞানভিত্তিক কৌতুক চলচ্চিত্র ‘স্পেসবলস’এর সঙ্গে এই বস্তুগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। ‘স্পেস বল’ হলো মহাকাশে রকেট নিক্ষেপের পর সবচেয়ে বেশি পাওয়া ধ্বংসাবশেষগুলোর একটি। এর আগেও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এগুলো পাওয়া গেছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে পৃথিবীর কক্ষপথে সচল উপগ্রহ, অচল যন্ত্রাংশ ও রকেট উৎক্ষেপণের পরিত্যক্ত র ৩০ হাজারেরও বেশি মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ ঘুরে বেড়াচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘মহাকাশের আবর্জনা বেশিরভাগ সময় সমুদ্রের ওপর দিয়েই পৃথিবীতে ফিরে আসে। তবে অস্ট্রেলিয়া বিশাল স্থলভাগ হওয়ায় এখানে প্রায়ই মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মহাকাশে উৎক্ষেপণের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় উপজাত হিসেবে মহাকাশের আবর্জনার সমস্যাও বাড়ছে।’
তিনি বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে মহাকাশে যে পরিমাণ উৎক্ষেপণ হয়েছে, তা মানব ইতিহাসের আগের সব উৎক্ষেপণের মোট সংখ্যার চেয়েও বেশি। ফলে এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসছে।’
৭ দিন আগে
কক্সবাজার সৈকতে গোসল করতে নেমে যুবক নিখোঁজ
কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে স্থানীয় এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। শুক্রবার (১১ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে এই ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ ওই যুবকের নাম শাহেদুল ইসলাম (২২)। তিনি কক্সবাজার সদরের পশ্চিম লারপাড়া এলাকার আজিম আলীর ছেলে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বন্যার পানিতে নিখোঁজের ৩২ ঘণ্টা পর যুবকের লাশ উদ্ধার
বিষয়টি নিশ্চিত করেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের পর্যটক সেলের ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা মুনা।
তিনি জানান, বিকালে সুগন্ধা পয়েন্টে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে আসেন শাহেদুল। গোসল করার একপর্যায়ে পানির স্রোতের টানে ভেসে যান তিনি।
সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সি লাইফ গার্ড কর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি।
এখনও উদ্ধার কার্যক্রম চলছে বলেও জানান মাহবুবা মুনা।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে নিখোঁজের একদিন পর ডোবা থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার
পেকুয়ায় পানিতে ভেসে যাওয়া নিখোঁজ ৩ শিশুর লাশ উদ্ধার
১০৬৬ দিন আগে
কক্সবাজার সৈকতে পর্যটক নিখোঁজ
কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে এক পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) বিকাল ৩ টার দিকে সমুদ্র সৈকতে তিনি নিখোঁজ হন।
নিখোঁজ মো. অনিক (৩২) নরসিংদী সদর থানার পূর্ব দত্ত পাড়ার সাজ্জাদের ছেলে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে শঙ্খ নদীতে নৌকা ডুবে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের উপপরিদর্শক (এসআই) ফরমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের কাছে খবর আসে সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে এক পর্যটক ভেসে গেছে।
তিনি আরও জানান, আমরা উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত থেকে নিখোঁজ ২ শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার
সীতাকুণ্ডে সমুদ্রে নেমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিখোঁজ
১০৮৩ দিন আগে
বরগুনায় সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
বরগুনার তালতলীর শুভ সন্ধ্যা সমুদ্রসৈকতে একটি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টার দিকে সৈকতের লঞ্চঘাট থেকে মৃত ডলফিনটি উদ্ধার করা হয়।
আসাদুল নামে স্থানীয় এক জেলে জানান, প্রায় ৬ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ২ ফুট চওড়া মৃত ডলফিনটির লেজ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সাগরে জেলেদের জালে আটকে এটির মৃত্যু হয়েছে।
তালতলী উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা টিম পাঠিয়েছি। ডলফিনটিকে নিরাপদ স্থানে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।
তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হালিমা সর্দার বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মৃত ডলফিনটি ইরাবতী প্রজাতির। এটি জেলেদের জালে আটকা পড়ে মারা যেতে পারে।
আরও পড়ুন: কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো অর্ধগলিত জোড়া ডলফিন
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো অর্ধগলিত ডলফিন
কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এলো ২টি মৃত ইরাবতী ডলফিন
১০৯৫ দিন আগে
ফ্লোরিডায় সমুদ্র সৈকতের কাছে গুলি, আহত ৯
ফ্লোরিডার হলিউডে একটি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ এলাকায় বন্দুকধারীর গুলিতে ৯জন আহত হয়েছেন।যেখানে স্মৃতি দিবসে জনাকীর্ণ সৈকতে লোকজন উন্মত্তভাবে ছুটে যায়।
সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এই বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশের মুখপাত্র ডিয়ানা বেটিনেচি বলেছেন, আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে একটি শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মেমোরিয়াল হেলথকেয়ার সিস্টেমের মুখপাত্র ইয়ানেট ওবারিও সানচেজের মতে, আহত ৯জনের মধ্যে ছয়জন প্রাপ্তবয়স্ক এবং তিনজন শিশু রয়েছে। তিনি বলেন, আহতদের সবার অবস্থা স্থিতিশীল।
বেটিনেচি বলেন, এক থেকে ১৭ বছর বয়সী চারটি শিশু এবং ২৫ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক আক্রান্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, গত সোমবার একজনের অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল এবং অন্যরা স্থিতিশীল ছিল। হাসপাতালটি একজন ১৭ বছর বয়সীকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসাবে গণনা করছে কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট ছিল না।
বেটিনেচি জানান, সন্ধ্যা ৭টার কিছুক্ষণ আগে গুলি চালানো হয়। মারামারি শুরু হয়, অন্তত একটি বন্দুক টানা হয় এবং গুলি চালানো হয়। অন্তত একজনকে হেফাজতে রাখা হয়েছে, তবে পুলিশ আরও সন্দেহভাজনকে খুঁজছে।
পুলিশ প্রধান ক্রিস ও'ব্রায়েন বলেন, হাজার হাজার লোক ওই এলাকায় ছিল এবং কয়েক ডজন পুলিশ কর্মকর্তা এগিয়ে এসেছিল, যাদের মধ্যে কয়েকজন কাছাকাছি ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘এটি দুর্ভাগ্যজনক যে আমাদের আইন মেনে চলা নাগরিকরা আছে যারা আমাদের সমুদ্র সৈকতে আসে এবং এটি একদল অপরাধীর দ্বারা বাধাগ্রস্ত হয়।’
হলিউড ওশানফ্রন্ট ব্রডওয়াকে একটি কনভেনিয়েন্স স্টোর, একটি বেন অ্যান্ড জেরির আইসক্রিম স্টোর এবং একটি সাবওয়ে স্যান্ডউইচের দোকানের কাছে গুলির ঘটনাটি ঘটে।
আরও পড়ুন: মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটিতে বন্দুক হামলায় নিহত ৩
আলভি কার্লটন স্কট-৩ বলেছিলেন যে তিনি সৈকতে ছিলেন যখন তিনি হঠাৎ অসংখ্য গুলির শব্দ শুনতে পান। তিনি বলেছিলেন যে তিনি একটি গাছের আড়ালে লুকিয়েছিলেন এবং তারপর একজন পুলিশ অফিসার লোকদের সরে যেতে বলার পরে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।
জেমি ওয়ার্ড, যিনি ব্রডওয়াকেও ছিলেন, বলেছিলেন যে বেশ কয়েকজন যুবক দোকানের সামনে লড়াই করছিল যখন একজন বন্দুক টেনে গুলি চালালেনা শুরু করে।
সোমবার সন্ধ্যায় টুইটারে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গেছে জরুরি চিকিৎসা কর্মীরা এগিয়ে আসছেন দিচ্ছেন এবং একাধিক আহত ব্যক্তিকে সহায়তা দিচ্ছেন।
পুলিশ বলেছে তদন্ত অব্যাহত থাকায় অফিসারদের ব্যাপক উপস্থিতি থাকবে। আধিকারিকরা পরিবারের সদস্যদের পুনর্মিলনের জন্য একটি এলাকাও সেট করেছেন।
হলিউডের মেয়র জোশ লেভি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আজকের গুলির শিকারদের সাহায্য করার জন্য তাদের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার জন্য ভাল সামারিটান, প্যারামেডিক, পুলিশ এবং জরুরি কক্ষের ডাক্তার এবং নার্সদের ধন্যবাদ।’
হলিউড বিচ হলো একটি জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত গন্তব্যস্থল ফোর্ট লডারডেলের প্রায় ১১ মাইল (১৭ কিলোমিটার) দক্ষিণে এবং মিয়ামি থেকে ২০ মাইল (৩২ কিলোমিটার) উত্তরে। স্মৃতি দিবসের ছুটির কারণে সমুদ্র সৈকতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি দর্শনার্থী দেখার আশা করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: কলাম্বাইন থেকে ন্যাশভিল: যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে গণবন্দুক হামলায় নিহত ১৭৫
১১৪০ দিন আগে
অস্ট্রেলিয়ায় সমুদ্র সৈকতে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে নিহত ৪
অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে একটি পর্যটন স্পটে সোমবার বিকালে দুটি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে চার যাত্রী নিহত এবং তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
কুইন্সল্যান্ড রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক গ্যারি ওয়ারেল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দুর্ঘটনার ফুটেজে দেখা গেছে গোল্ড কোস্টের উত্তরাঞ্চলীয় সমুদ্র সৈকতের মেইন বিচে সি ওয়ার্ল্ড থিম পার্কের কাছে সংঘর্ষের সময় একটি হেলিকপ্টার উড্ডয়ন করছে এবং অন্যটি অবতরণ করছে বলে মনে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, একটি হেলিকপ্টার বালির ওপর নিরাপদে অবতরণ করেছে, তবে অন্যটির ধ্বংসাবশেষ এমন একটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে পুলিশের পৌঁছানো কঠিন। নিহত ও আহত ব্যক্তিরা বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারের যাত্রী।
ওয়ারেল বলেন, ‘স্থানীয়রা ও পুলিশ সদস্যরা দুর্ঘটনা কবলিতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।
দুর্ঘটনায় উইন্ডস্ক্রিন হারিয়ে যাওয়া অন্য হেলিকপ্টারের যাত্রীরাও চিকিৎসা সহায়তা পাচ্ছেন।
জন নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী মেলবোর্ন রেডিও স্টেশন থ্রিএডব্লিউকে বলেছেন যে সি ওয়ার্ল্ডের পৃষ্ঠপোষকরা দুর্ঘটনার শব্দ শুনেছেন।
আরও পড়ুন: মেক্সিকান সীমান্ত কারাগারে হামলায় নিহত ১৪
তিনি বলেন, থিম পার্কের কর্মীরা দ্রুতগতিতে দুর্ঘটনার নিকটবর্তী এলাকাগুলো বন্ধ করতে যায়।
কুইন্সল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনাস্তাসিয়া প্যালাসজুক বলেছেন, দুর্ঘটনাটি একটি ‘অভাবনীয় ট্র্যাজেডি’।
তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেকের এবং তাদের পরিবারের প্রতি আমার গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করছি।’
অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরোর প্রধান কমিশনার অ্যাঙ্গাস মিচেল বলেছেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
কুইন্সল্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস আগেই বলেছিল যে আহত ১৩ জনকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।
গোল্ড কোস্ট অঞ্চলটি জানুয়ারিতে সবচেয়ে ব্যস্ত থাকে, কেননা এই অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে দীর্ঘ গ্রীষ্ম থাকে।
আরও পড়ুন: ড্রোন নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই ফের ৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উ. কোরিয়ার
সিরিয়ায় হামলায় নিহত ১০, কুর্দি বাহিনীর হাতে ৫২ জঙ্গি গ্রেপ্তার
১২৮৭ দিন আগে
সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যকে বিদায় জানালেন লাখো পর্যটক
বছরের শেষ সূর্যাস্তকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করতে ৩১ ডিসেম্বর লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিখ হয় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।
শীতের হিমেল হাওয়ায় চারপাশ কুয়াশাচ্ছন্ন। সামনে ঢেউয়ের গর্জন। এরই মাঝে ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে যায় ২০২২ সালের শেষ সূর্য।
অনেক প্রাপ্তি, হতাশা, ক্লান্তি ও নানা ঘটনা আর অঘটনকে ছাপিয়ে শেষ হলো আরও একটি বছর।
সমুদ্রের পানিতে অস্তমিত সূর্যের অপরূপ রোমাঞ্চকর মুহূর্ত উপভোগ করেছেন পর্যটকরা।
আরও পড়ুন: টানা তিনদিনের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল
উচ্ছ্বসিত পর্যটক সহ স্থানীয় মানুষ ২০২২ সালকে সূর্যাস্তের মাধ্যমে বিদায় জানিয়েছেন। আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, প্রিয় মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সমুদ্র সৈকতে ভিড় করেন। পড়ন্ত বিকালে বছরের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে সৈকতের লাবনী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না।
কক্সবাজারের সূর্যাস্তের দৃশ্য ছবির ফ্রেমে আটকে রেখেছে পরিবার পরিজন প্রিয় জনকে সঙ্গে নিয়ে। এছাড়া কক্সবাজারের সৈকতে উপস্থিত পর্যটকরা হাত নেড়ে বিদায় বছরের শেষ সূর্যকে।
নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা পর্যটক দম্পতি মাসুদ চৌধুরী ও সামান্তা রহমান জানান, ২০২২ সালে জীবনের কত স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ২০২২ সালের সূর্যাস্তের সঙ্গে হতাশা, দুঃখ ও না পাওয়ার বেদনাকে বিসর্জন দিতে এবং আনন্দ উল্লাসে ২০২৩ সালকে বরণ করবো কক্সবাজারে ভ্রমনের মাধ্যমে।
নরসিংদী থেকে আগত পর্যটক নেওয়াজ আলী বলেন, তিন বন্ধু মিলে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছেন।
প্রাকৃতির সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই কক্সবাজার। এখানকার বৈচিত্র্যময় সমুদ্রের বিশালতা ও প্রশান্তি মন টানে বার বার।
তা এই শীত মৌসুমে এখানে তেমন বেশি শীত নেই। তাই এখানে ভ্রমনের মজাটাই আলাদা।
শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়াতে পযর্টন নগরী কক্সবাজারে বেশ কয়েকদিন ধরেই পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত ছিলো।
সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে গোধূলি বেলার সূর্যাস্ত দেখে বিমোহিত পর্যটকরা।
দর্শনীয় স্থানসহ পর্যটনমুখী ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চোখে পরছে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়।
সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি শহরের বার্মিজ মার্কেট, হিমছড়ি, ইনানী, পাটুয়াটেক সহ অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলোতে রয়েছে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়।
হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ২ জানুয়ারি পর্যন্ত হোটেলের ৯০ ভাগ রুম বুকিং রয়েছে। এছাড়া পর্যটকদের আতিথেয়তায় ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা, বীচ কর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের আগমনে কক্সবাজার যেন পরিণত হয়েছে উৎসবের নগরীতে।
জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ জানান, বিজয় দিবস, বড়দিন, ইংরেজি নববর্ষের ছুটির আনন্দ উপভোগ করতে দেশি-বিদেশি প্রকৃতি আর সমুদ্রপ্রেমী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত।
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ইংরেজি ২০২২ সালকে স্মৃতিময় করে রাখতে আর ২০২৩ সালকে স্বগত জানাতে কক্সবাজার সৈকতে জড়ো হয়েছে লাখো পর্যটক।
তাদের সেবায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান জানান, কক্সবাজারের প্রত্যেক পর্যটন জোনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়া ভ্রাম্যমান পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে কক্সবাজারে পর্যটকদের ভিড়
কক্সবাজারের মিষ্টি পান যাচ্ছে বিদেশেও
১২৮৯ দিন আগে
কক্সবাজার সৈকতে মাছ কুড়ানোর উৎসব!
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ। পর্যটক ও স্থানীয়রা মাছ কুড়ানোর উৎসবে মেতে উঠে।
বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ৭ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছ কক্সবাজার সৈকতের শৈবাল পয়েন্ট, লাবণী পয়েন্ট, কবিতা চত্বর পয়েন্টে ভাসতে দেখা যায়।
স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকরাও কুড়িয়ে নেয় এসব মাছ।
জেলা প্রশাসনের বীচ কর্মী মো. বেলাল জানান, সকালে হঠাৎ করে সাগর থেকে মাছ ভেসে আসে। প্রায় দেড় কিলোমিটার সৈকত মাছে মাছে ভরে যায়। অনেক মাছ সমুদ্রে ভাসমান রয়েছে। সৈকতে ঘুরতে আসা পর্যটকরা মাছ কুড়িয়ে নেয়। অন্যদিকে খবর পেয়ে স্থানীয়রা বস্তা সহ নানা পাত্র নিয়ে এসে মাছ কুড়িয়ে নেয়। সৈকতে মাছ কুড়ানো উৎসবে পরিণত হয়।
নরসিংদী থেকে আসা পর্যটক ইকবাল হোসেন তার বন্ধু মিরাজ উদ্দিন জানান, সৈকতে হাজার হাজার মাছ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এসব মাছ কুড়িয়ে নিতে মজা লেগেছে। প্রায় ৩০ কেজির মতো মাছ কুড়িয়েছি। কুড়ানোর পর এসব মাছ স্থানীয়দের দিয়ে দিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন: নারী পর্যটকের জন্য কক্সবাজার সৈকতে বিশেষ জোন
কি কারণে এসব মাছ সাগর থেকে ভেসে এসেছে তা জানিয়ে মাছের ট্রলারে থাকা রহিম মিয়া নামের এক জেলে জানান, সমুদ্রে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত মাছ জেলেদের টানা জালে আটকা পড়ে। পরে এসব মাছ ট্রলারে টেনে তোলার চেষ্টা করলে তা ট্রলারে তোলা সম্ভব হয়নি। এক সময় মাছসহ জাল ট্রলার থেকে ছিটকে যায়। তখন এসব মাছ ছড়িয়ে ছিটিয়ে সৈকতে ভেসে আসে।
তিনি আরও জানান, জালে প্রায় ছয়টি ট্রলারের সমান মাছ ধরা পড়ে। প্রায় তিন শ’ টনের মতো মাছ হবে।
১৩৩৩ দিন আগে
কক্সবাজার সৈকতে প্রতিদিন ভেসে আসছে অসংখ্য জেলিফিশ
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে অসংখ্য মরা জেলিফিশ ভেসে আসছে।
স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার থেকে জোয়ারের পানিতে মরা জেলিফিশ ভেসে আসছে। রবিবার সকালে সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত জেলিফিশ বালিয়াড়িতে দেখা যায়। এর মধ্যে কিছু জেলিফিশ পানিতে ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়।
সৈকতের দরিয়ানগর, হিমছড়ি, শাহপরীর দ্বীপ, বাহারছড়া সৈকতে শত শত জেলিফিশ ভেসে আসছে।
হিমছড়ি এলাকার জেলে আব্দুর শুক্কুর জানান, ২-৩টা জেলিফিশ নিয়মিত ভেসে আসে এটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে একসাথে ৩০-৪০টি কখনো আসেনি। সৈকতে এত বেশি জেলিফিশ তাই সাবধানে পা ফেলতে হচ্ছে। কারণ জেলিফিশ গায়ে লাগলে ক্ষত সৃষ্টি হয়।
কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, কিছু জেলিফিশ কুকুর খেয়ে ফেলছে, কিছু বালুর নিচে চাপা পড়ছে। অনেক জেলিফিশ বালুচরে পড়ে আছে। সাগরে কোন সংকট সৃষ্টি হয়েছে কি না তা জানা দরকার। হঠাৎ এত বিপুলসংখ্যক জেলিফিশ ভেসে আসার কারণ অনুসন্ধান জরুরি।
শুক্রবার সৈকত থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে কক্সবাজার সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠানের বায়োলজিক্যাল ওশানোগ্রাফিক ডিভিশনের প্রধান আবু সাঈদ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, ৬৫ দিন মাছ আহরণ বন্ধ থাকার পর গত ২৩ জুলাই থেকে মাছ ধরার সব ট্রলার সাগরে নেমেছে। অন্যান্য মাছের মতো বঙ্গোপসাগরে জেলিফিশেরও প্রজনন বেড়েছে। তাই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জেলিফিশগুলো জেলেদের জালে আটকে পড়ে মারা গেছে।
তিনি বলেন, এখন জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, তবে বিপুলসংখ্যক জেলিফিশ মৃত্যুর পেছনে সমুদ্রদূষণ কিংবা অন্য কোনো কারণ আছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রাণঘাতী না হলেও সমুদ্রসৈকতে পড়ে থাকা মরা জেলিফিশের সংস্পর্শে গেলে মানুষের শরীরে চুলকানিসহ নানা সমস্যা হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ শরীফ।
নির্দিষ্ট সময়ের পর এসব জেলিফিশ জোয়ার-ভাটায় মিলিয়ে যায় বলেও জানান তিনি।
কক্সবাজার ফিশিংবোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, কোনো ট্রলারের জালে জেলিফিশ ধরা পড়ার খবর পাওয়া যায়নি।
পড়ুন: অবৈধ স্থাপনা: কক্সবাজারের ডিসিকে হাইকোর্টে তলব
কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এলো জীবিত ডলফিন
১৪০৭ দিন আগে
সৈকতে ভেসে এলো বেলিন প্রজাতির মৃত তিমি!
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে ভেসে এসেছে বেলিন প্রজাতির বিশালাকৃতির একটি মৃত তিমি। এটির দৈর্ঘ্য ৩০ ফুট ও প্রস্থ ৬ ফুট। শনিবার সকাল ৯টার দিকে জোয়ারের পানিতে সৈকতের ঝাউ বাগান পয়েন্টে তিমিটি ভেসে আসে।
তিমিটি অর্ধগলিত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে সৈকত এলাকায় পঁচা দুর্ঘন্ধ ছড়াচ্ছে।
আরও পড়ুন: আবারও কক্সবাজারের সৈকতে বিশাল মৃত তিমি
ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, এটি দেখতে অনেকটা দৈত্যাকৃতির। এর আগে ২০১৮ সালে সৈকতে বড় আরও একটি তিমি ভেসে এসেছিল। তবে ঠিক কি কারণে এসব তিমি মারা যাচ্ছে সেটা বলা যাচ্ছে না।
এছাড়া সৈকতে ভেসে আসা মৃত তিমি ও ডলফিনের মৃত্যু রহস্য উন্মোচনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, ঘটনাস্থলে বনকর্মীদের পাঠানো হয়েছে। এটির নমুনা সংগ্রহ করে মাটিচাপা দেয়া হবে।
আরও পড়ুন: একদিনের ব্যবধানে ভেসে এলো আরও একটি মৃত তিমি
হিমছড়ি সমুদ্র সৈকতে ভেসে উঠেছে বিশালাকৃতির মৃত নীল তিমি
১৪০৮ দিন আগে