সাজেক ভ্যালি
পর্যটকদের জন্য বৃহস্পতিবার থেকে খুলছে সাজেক ভ্যালি
আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় পর্যটকদের জন্য রাঙ্গামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিসহ জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার থেকে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই পর্যটনকেন্দ্র পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে চলতি মৌসুমে ভ্রমণের সময় সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন এবং জেলা প্রশাসনের জারি করা নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৮ দিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার থেকে এগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও আবহাওয়া পরিস্থিতির পূর্বাভাসের কারণে গত ৭ জুলাই সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় পর্যটক ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সাজেক রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মন ও দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, সাজেক পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। এখানের ব্যবসা-বাণিজ্য পর্যটননির্ভর। সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
১০ দিন আগে
সাজেকে পাহাড়ি ঢলে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ; আটকা তিনশরও বেশি পর্যটক
টানা বৃষ্টিপাতে পাহাড়ি ঢল নেমে সাজেক-খাগড়াছড়ি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাজেক ভ্যালিতে প্রায় তিন শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) মধ্যরাত থেকে অতিবৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলের পানিতে বাঘাইহাট বাজারে সড়ক এবং বেইলি ব্রিজ তলিয়ে যায়। এতে সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে পাহাড়ি ঢলে সড়ক ডুবে গেলে বাঘাইহাট থেকে কোনো গাড়ি সাজেকের উদ্দেশে যেতে পারেনি এবং সাজেক থেকেও কোনো পর্যটকবাহী গাড়ি আসতে পারেনি।
আরও পড়ুন: বর্ষা-বন্যায় বসতবাড়িতে সাপের উপদ্রব মোকাবিলা করবেন যেভাবে
সাজেক জীপ সমিতির লাইনম্যান ইয়াসিন আরাফাত বলেন, অতিবৃষ্টিতে সোমবার মধ্যরাত থেকে বাঘাইহাট বাজার এবং মাচালং বাজারে ঢলের পানি বাড়তে শুরু করে। বাঘাইহাট বাজারে কোমড়পানি উঠে যায়। তাই সাজেক সড়কে কোনো যানবাহন চালানো যায়নি। গতকাল যে পর্যটকরা সাজেকে এসেছিলেন তারা ফিরতে পারছেন না। খাগড়াছড়ি থেকেও কোনো গাড়ি সাজেকের উদ্দেশে ছেড়ে আসেনি।
সাজেক মেঘপুঞ্জি রিসোর্টের ব্যবস্থাপক পুষ্প চাকমা বলেন, কয়েকদিন ধরে সাজেকে বৃষ্টির কারণে পর্যটকের সংখ্যা কম। বৃষ্টিতে তিনশরও বেশি পর্যটক সাজেকে আটকা পড়েছেন। বৃষ্টির কারণে বাইরে বেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না বলে রিসোর্টের কটেজেই অবস্থান করছেন সবাই।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তার বলেন, টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সড়ক ও বাঘাইছড়ির বাঘাইহাট বাজার পানিতে ডুবে যাওয়ায় তিন শতাধিক পর্যটক সাজেকে আটকা পড়েছে। এছাড়াও বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় উপজেলায় ৫৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বন্যার্তদের সাহায্য করতে উপজেলা প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার বিকালের মধ্যে পানি কমে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটে ফের দেখা দিয়েছে বন্যা
৭৫৩ দিন আগে
সাজেক ভ্রমণ: ঘুরে আসুন মেঘে ঢাকা স্বর্গে
শরতের সাদা মেঘ দিয়ে আকাশ ক্যানভাসে আঁকিবুকি করার কোন দিন, অথবা শীতের কোন রৌদ্রস্নানের দিন! দীঘিনালা ছাড়িয়ে রাঙামাটির ছাদের খোঁজে কেউ এলে, রুইলুই ও কংলাক পাড়ার লুসাই, ত্রিপুরা বা পাংখোয়ারা এখন আর অবাক হয়না। যে কোন বইপোকার কাছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়নটি হয়ত শুধুই একটি স্থানের নাম। কিন্তু ভারতের মিজোরাম সীমান্ত ঘেষা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮০০ ফুট উচু সাজেক ভ্যালির মেঘ ছোঁয়ার জন্য কোন পর্বতপ্রেমীর ছেলেমানুষী কোন কিছু দিয়েই তুলনা করা যাবে না। সেই পর্বতপ্রেমীদের জন্যই সাজেক ভ্যালির এই ভ্রমণ গাইড।
সাজেক ভ্যালির প্রাকৃতিক নৈসর্গ
লুসাই পাহাড় থেকে কর্ণফুলী স্রোতকে অনুসরণ করে এগোলে দেখা মিলবে সাজেক নদীর। আর সেই সাথে হৃদয়ঙ্গম হবে নৈসর্গিক এই উপত্যকার নামকরণের সার্থকতা। চান্দের গাড়ি চড়ে পাহাড়ী রাস্তা ধরে এগোনোর সময় আদিবাসী শিশুদের সঙ্গে স্বাগতম জানাবে পাহাড়ের ঢালের সবুজ বন। প্রবেশদ্বারের রুইলুইপাড়া থেকে সাজেকের শেষ প্রান্ত কংলাকপাড়ার মাঝে চোখ জুড়াবে উপত্যকা গ্রাম, হাজাছড়া ঝর্ণা, কমলক ঝর্ণা, দীঘিনালা ঝুলন্ত ব্রিজ ও বনবিহার আর দুরের নিস্তব্ধ নীলিমা। বিজিবি ক্যাম্পের হেলিপ্যাড থেকে মেঘের সমুদ্রে প্লাবিত সূর্যোদয়ের দৃশ্য যে কোন সতর্ক দৃষ্টিকে ভুলিয়ে দিবে যে সে দাড়িয়ে আছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিজিবি ক্যাম্পে। সূর্যাস্তের সময় আবার সেই রাজকীয় অগ্নিকুণ্ডের আত্মবিসর্জনে পুরো সাজেককে মনে হবে এক অপার্থিব তোরণ। রাতের আকাশে কোটি তারার লন্ঠন ছায়াপথ জুড়ে জমিয়ে রাখা মহাজাগতিক চলচ্চিত্রের বায়োস্কোপ দেখাবে।
মধ্য আগস্টের সকাল থেকে শুরু করে প্রথম নভেম্বরের প্রথম কুয়াশা; যে কোন দিন হতে পারে পর্বতপ্রেমীদের জন্য এমন স্বপ্নের দিন।
আরও পড়ুন: নাজমুন নাহার: পৃথিবীর ১৫০তম দেশ ভ্রমণ করে ইতিহাস সৃষ্টিকারী বাংলাদেশি পরিব্রাজক
১৭১৯ দিন আগে
পার্বত্যাঞ্চলের শান্তিতেও তারা খুশি নয়: তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ ডিসেম্বর (ইউএনবি)- তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সোমবার বলেছেন, দেশের শান্তি ও উন্নয়নে যারা খুশি নয়, পার্বত্যাঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিতেও তারা খুশি নয়।
২০৩৫ দিন আগে