উপহার
জুলাই যোদ্ধাদের অটোরিকশা ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া দুই যোদ্ধার আত্মকর্মসংস্থান ও জীবিকা নির্বাহে সহায়তার লক্ষ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও দুটি প্যাডেলচালিত রিকশা উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৮ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এসব উপহার তুলে দেন সরকারপ্রধান।
এ সময় তিনি প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থা, পরিবার ও জীবিকা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
সিএনজিচালিত অটোরিকশা পেয়েছেন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বাসিন্দা এবং মিরপুর বাংলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আজিজ শেখ। তিনি অটোরিকশা চালিয়ে নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের ভরণপোষণ করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মিরপুর-১০ এলাকায় অংশ নিয়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার শরীরে ৩৬টি গুলির স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তাকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেন।
কুষ্টিয়ার মো. গফফারকে দুটি প্যাডেলচালিত রিকশা উপহার দেওয়া হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি রাজধানীর মহাখালী এলাকায় আন্দোলনকারীদের নিয়মিত পানি সরবরাহ করেছেন এবং নিজের রিকশায় আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি জানান, উপহার পাওয়া রিকশা ঢাকাতেই চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করবেন। আরেকটি রিকশা ভাড়া দেবেন।
এছাড়া বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সী আসাদুল হক বিশুকে দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মসংস্থানের অভাবে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছিলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে উপহার পাওয়া বাহনগুলো কীভাবে পরিচালনা করা হবে তা প্রত্যক্ষ করেন। পাশাপাশি তারা কীভাবে নিরাপদে এসব বাহন নিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাবেন, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
এ সময় বিএনপির সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে
আহত জুলাই যোদ্ধা সুজনের নবজাতক মেয়ের জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় আহত জুলাই যোদ্ধা মো. সুজনের নবজাতক শিশুকন্যা সাইফা নুর সুবহার জন্য উপহার পাঠিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের পরিকল্পনায় আমরা বিএনপি পরিবারের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকার কেরানীগঞ্জে সুজনের বাসায় যান।
আমরা বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা ও নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটিতে ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী এবং আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন।
দলটি মো. সুজনের নবজাতক কন্যা সন্তানের খোঁজখবর নেয় এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে উপহার প্রদান করে। এছাড়া তারা জুলাই যোদ্ধা সুজনের শারীরিক অবস্থা এবং পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মোস্তাকিম বিল্লাহ, ফরহাদ আলী সজিব, রুবেল আমিন, শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ, বনানী থানা বিএনপি নেতা সাইয়াম সিকান্দার পাপ্পু, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান ও আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
১৭ দিন আগে
ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সেই নিরাপত্তাকর্মীকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর ব্যস্ত সড়কের পাশে একটি ব্যাংকের এটিএম বুথ। প্রতিদিনের মতো সেখানেই দায়িত্ব পালন করেন এক সাধারণ সিকিউরিটি গার্ড আব্দুস সালাম। কিন্তু দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তার আরেকটি নীরব অভ্যাস ছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় হাতে ধানের শীষ নিয়ে সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। সেই দৃশ্য নীরবে লক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সেই আব্দুস সালামকে উপহার পাঠিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন রাজধানীর রমনা এলাকায় গিয়ে সেই আব্দুস সালামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার হাতে কিছু উপহারও তুলে দেন। এ সময় আব্দুস সালামের শারীরিক অবস্থা ও তার পরিবারের খোঁজখবরও নেন তিনি।
আব্দুস সালামের বাড়ি পাবনার নগরবাড়ি ঘাট এলাকায়। অর্থাভাবে গত ৮ মাস ধরে রাজধানীর সাবেক রমনা থানার সামনের একটি বেসরকারি ব্যাংকের বুথে সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করছেন।
এর আগে, আব্দুস সালাম পেশায় একজন গাড়িচালক ছিলেন। স্ট্রোক করার পর তিনি আর গাড়ি চালাতে পারেন না। তারপর থেকেই গাড়ির স্টিয়ারিং ছেড়ে এই সিকিউরিটি গার্ডের কাজ নেন তিনি। অসুস্থ শরীর নিয়েই বিরতিহীনভাবে প্রতিদিন সকাল ৮ থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা কাজ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তার সচিবালয়ের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় প্রতিদিন আব্দুস সালাম রমনা পুরাতন থানার কাছে বুথের সামনে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। তার এই নীরব শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার প্রকাশ একসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরও দৃষ্টিগোচর হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে ওই ব্যক্তির খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য উপহার দিয়ে পাঠান।
প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আব্দুস সালাম। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হবে আর প্রধানমন্ত্রী আমার জন্য উপহার পাঠাবেন, এটা আমি কখনও কল্পনাও করিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবাকে ভালোবাসি, মাকে ভালোবাসি, প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি, প্রধানমন্ত্রী আমার জানের টুকরা। তিনি যখন এই পথ দিয়ে যান, আমি সব দিনই প্রধানমন্ত্রীকে সালাম দেই, তিনিও আমাকে গাড়ির ভেতর থেকে সবদিনই হেসে সালাম দেন; হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীর হাসি দেখলে আমার পরাণ জুড়িয়ে যায়। আজ আমার জীবনের সেরা দিন; সবচেয়ে আনন্দের দিন। প্রধানমন্ত্রী আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষকে উপহার পাঠিয়েছেন, এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে!’
একজন সাধারণ মানুষের নীরব ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক সাড়া স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশংসার জন্ম দিয়েছে। তারা বলছেন, দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একজন সাধারণ মানুষের আন্তরিক অনুভূতির এমন মূল্যায়ন নিঃসন্দেহে একটি ব্যতিক্রমী মানবিক দৃষ্টান্ত।
৩৭ দিন আগে
খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ নামে একটি গরু উপহার দিয়ে আলোচনায় আসা মো. সোহাগ মৃধাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মারামারি, হত্যাচেষ্টা, নারী নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (১৪ জুন) গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার সোহাগ মৃধা উপজেলার ৩ নম্বর আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের উত্তর ঝাটিবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সারমিন সুলতানা, তার স্বামী শাহরিয়ার আহম্মেদ এবং ননদ মাহিনুর বেগম তাদের বাড়ির বৈঠকখানায় বসে পারিবারিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় পূর্ব বিরোধের জেরে সোহাগ মৃধাসহ কয়েকজন অভিযুক্ত সংঘবদ্ধভাবে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালান।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, হামলাকারীরা শাহরিয়ার আহম্মেদকে টেনে-হিঁচড়ে উঠানে নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে সোহাগ মৃধা হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি সরে যাওয়ায় কোপটি তার বাঁ চোখের ভ্রুর ওপর লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
এ সময় শাহরিয়ার আহম্মেদকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে সারমিন সুলতানা ও মাহিনুর বেগমও হামলার শিকার হন। হামলার সময় মাহিনুর বেগমের গলায় থাকা প্রায় এক ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া সে সময় দুই নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ভুক্তভোগীদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। সে সময় অভিযুক্তরা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় মির্জাগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করছেন উপপরিদশর্ক (এসআই) অনুপ দাস।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর সোহাগ মৃধার পিসিপিআর যাচাই করে তার বিরুদ্ধে মারামারি, পর্নোগ্রাফি, নারী ও শিশু নির্যাতন, চাঁদাবাজি, মাদক ও চুরিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া মির্জাগঞ্জ থানার একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত)-এর বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ রয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোহিদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার সোহাগ মৃধাকে আজ (রবিবার) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২০২৫ সালে প্রয়াত সাবেক প্রধান মন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কালা মানিক নামের একটি গরু ঈদে উপহার দিয়েছিলেন সোহাগ মৃধা। ট্রাকে করে সাজিয়ে ঢাকা নেওয়ার পর খালেদা জিয়া গরুটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন। পরে এলাকার নেতাকর্মীদের নিয়ে ঈদ করার জন্য গরুটি সোহাগকে ফেরত দেওয়া হয়। তবে এ বছর পরে কালা মানিক গরুটি ঢাকায় নিয়ে ২১ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন সোহাগ।
৬১ দিন আগে
মোদিকে আলোকচিত্র উপহার দিলেন ড. ইউনূস
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটি আলোকচিত্র উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের সাংরিলা হোটেলে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন শেষে স্থানীয় সময় শুক্রবার (৪ এপ্রিল) মধ্যাহ্নের পর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই উপহার দেন তিনি।
২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি মুম্বাইয়ে ১০২তম ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে ড. ইউনূসকে একটি স্বর্ণপদক দেন নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবিটিই মোদিকে উপহার দেন প্রধান উপদেষ্টা।
বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণসহ দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এমন তথ্য দিয়েছেন।
দুই নেতার বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বৈঠকে দুদেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট যতগুলো ইস্যু ছিল, সবগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। আমাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যতগুলো বিষয় ছিল, সবগুলো বিষয়ই প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন। যেমন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে কথা হয়েছে। শেখ হাসিনা যে ওখানে (ভারতে) বসে ইনসিন্ডিয়ারে (হিংসাত্মক) কথা বলছেন, সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে, নতুন করে সেটা করা নিয়ে কথা হচ্ছে। তিস্তা পানি চুক্তি নিয়েও কথা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: মোদি-ইউনূস বৈঠক: হাসিনাকে প্রত্যর্পণসহ সীমান্ত হত্যা নিয়ে আলোচনা
বৈঠকটি অনেক গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন শফিকুল আলম।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপ্রতিনিধি খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও পররাষ্ট্রসচিব মো. জসিম উদ্দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়েছে।
৪৯৭ দিন আগে
যশোরেশ্বরী মন্দিরে নরেন্দ্র মোদির উপহারের স্বর্ণের মুকুটের সন্ধান মেলেনি এখনও
চুরি হওয়া যশোরেশ্বরী কালী মন্দিরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপহারের স্বর্ণের মুকুটটির সন্ধান শুক্রবার (১২ অক্টোবর) পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এছাড়াও চুরির ঘটনায় জড়িত যুবককেও শনাক্ত করা যায়নি।
পুলিশ মুকুট চুরির ঘটনায় মন্দিরের প্রধান পুরোহিত দিলীপ ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী রেখাসহ ৭ জনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার অজ্ঞাত এক যুবক মন্দিরে গিয়ে দেবীর কালীর মাথা থেকে স্বর্ণের মুকুট খুলে নিয়ে যায়।
ঐ যুবক স্থানীয় নয়। শ্যামনগরের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ সীমান্ত এলাকায় তার ছবি ছড়িয়ে দিলেও কোনোভাবে তাকে কেউ শনাক্ত করা যায়নি।
আরও পড়ুন: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা বিনিময়
স্থানীয়দের মতে, সিসি ক্যামেরায় প্যান্ট ও সাদা টিশার্ট পরা এক যুবকের ছবি ধরা পড়লেও চুরির ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত। এছাড়া পরিচ্ছন্নতাকর্মী রেখা মন্দিরের মূল ফটক খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই ঘটনা ঘটে।
সাধারণত শনিবার ও মঙ্গলবার পূজার জন্য মুকুটটি মন্দিরে আনা হয়। মুকুটটি বৃহস্পতিবার চুরি হয়। মঙ্গলবার পূজার পর কেন মুকুট বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
মহারাজা প্রতাপাদিত্য স্মৃতিরক্ষা পরিষদের সভাপতি জয়দেব বিশ্বাস বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান সম্পদ হওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ ন্যূনতম দায়িত্ববোধের পরিচয় দিতে পারেনি। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য যাচাইয়ের পর মনে হয়েছে, চুরির সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের আহ্বায়ক বিষ্ণুপদ মণ্ডল বলেন, ‘আমার কাছে স্বর্ণের মুকুট চুরিটাকে সম্পূর্ণ স্যাবোটাজ মনে হয়েছে। পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে চুরিটি হতে পারে।’
মন্দির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বরতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, পুলিশ কাউকে আটক করেনি। তবে যুবকের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, মন্দিরের পুরোহিত ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। মন্দিরের পুরোহিত একেক সময় একেক কথা বলছেন।
মন্দির কমিটির নেতারা ঢাকায় রয়েছেন জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা থেকে শ্যামনগর ফিরে তারা চুরির ঘটনায় মামলা করবেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের মার্চে শ্রীশ্রী যশোরেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ওই মুকুট দেবী কালির মাথায় পরিয়ে দেন।
আরও পড়ুন: এক উঠানে মসজিদ-মন্দির, ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল নিদর্শন
৬৭১ দিন আগে
স্বল্প বাজেটে ভ্যালেন্টাইন’স ডে উপহার: অনুপম নিবেদনে প্রিয়জনের মুগ্ধতা
ভালো লাগার বিমূর্ত অভিজ্ঞতাগুলোর আকর্ষণ গুরুতর আর্থিক সংকটেও যেন উপেক্ষিত হওয়ার নয়। বিশেষ করে প্রিয়জনের হাসিমুখের কাছে আর সবকিছু যেন গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে!
নিয়ত জীবিকার পেছনে ছুটতে গিয়ে হতাশাগ্রস্ত মনে প্রায় ভর করে বিতৃষ্ণা। সেখানে একটু ভিন্নভাবে কাটানো দিনগুলো শুধু প্রিয় কতক স্মৃতির জন্ম দেয় না। বরং বারবার মনে করিয়ে দেয় জীবনের প্রতিটি দিন কতটা মূল্যবান। এর মধ্যে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে কাটানো আগামী দিনগুলো কতটা ভালবাসাপূর্ণ হতে পারে তার একটা ছোট্ট মহড়ার নাম ভ্যালেন্টাইন’স ডে।
বস্তুগত দিক থেকে উপহারটি ছোট-বড় যেমনি হোক না কেন, তার পেছনে সময় ও শ্রম দেওয়ার স্বতঃস্ফূর্ততা গড়ে দেয় সম্পর্কের মাপকাঠি। সেই সূত্রে চলুন, সাধ্যের মধ্যেই কিছু ভ্যালেন্টাইন’স ডে উপহার দেখে নেওয়া যাক।
প্রিয়জনের জন্য কম খরচে ১০টি ভ্যালেন্টাইন’স ডে উপহার
ঘর সাজানোর গাছ
শুধু শোভা বাড়াতেই নয়, একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্যও অনেকে ঘর সবুজায়নের ব্যবস্থা করেন। অনেকেই তাদের কাজের টেবিল ও তার আশেপাশে জানালাকে সাজিয়ে তুলতে পছন্দ করেন ছোট ছোট গাছের টব দিয়ে। বিশেষ করে ঘৃতকুমারি বা অ্যালোভেরা, স্নেক পাম, মাদার্স-ইন-লস টাঙ, রাবার গাছের মতো ইন্ডোর প্ল্যান্টগুলো মানসিক স্বাস্থ্যকেও উন্নত করে। শুধু চারার দিক থেকে এগুলোর দাম খুব বেশি নয়। মূল্যের তারতাম্যটা মূলত বিভিন্ন ধরনের টবের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। সেগুলোর মধ্যে বেশ সাশ্রয়ী হয় প্লাস্টিকের টবগুলো। গাছপ্রেমীদের জন্য অনায়াসেই এটি একটি সেরা উপহার।
আরও পড়ুন: বিয়ের শাড়ি, লেহেঙ্গা ঢাকার যেখানে পাবেন: বধূ সাজের সেরা গন্তব্য
চকলেট বা ক্যান্ডি
বিশেষ দিনগুলো উদযাপনের ক্ষেত্রে অনেক আগে থেকেই প্রিয় খাবারের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে চকলেট। বিধায় বাজারগুলোতেও নানা উৎসবে বিভিন্ন রঙের আকর্ষণীয় মোড়কে পরিবেশন করা হয় চকলেট ও ক্যান্ডিকে। মোড়ক বা চকলেট বক্স নির্বাচন করা যায় প্রিয়জনের প্রিয় রঙের ভিত্তিতে।
৯২০ দিন আগে
বিশ্বের কাছে যোগ হলো ভারতের উপহার: প্রণয় ভার্মা
ভারতীয় হাইকমিশন বুধবার (২১ জুন) ঢাকার মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের যোগব্যায়ামপ্রেমীদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করেছে।
উক্ত আয়োজনে বিশাল জনসমাগম ঘটে, যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের অংশগ্রহণকারীগণ ভারতে উদ্ভূত যোগের প্রাচীন এই বিজ্ঞান উদযাপন করতে একত্রিত হয়েছিলেন।
হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা তার বক্তব্যে বিশ্বের কাছে ভারতের উপহার হিসেবে যোগের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: করোনা: উদ্বেগ দূর আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে পারে যোগব্যায়াম
১১৫০ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টকে পদ্মা সেতুর চিত্রকর্ম উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাসকে পদ্মা বহুমুখী সেতুর একটি চিত্রকর্ম উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার বিশ্বব্যাংক সদর দপ্তরের শিহাতা সম্মেলন কক্ষে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় শেষে তিনি চিত্রকর্মটি হস্তান্তর করেন।
বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের অংশীদারিত্বের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট এ উপলক্ষে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীরও উদ্বোধন করেন।
আরও পড়ুন: বিশ্বব্যাংকের কাছে বাংলাদেশ একটি মডেল দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
২০১২ সালে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বাংলাদেশি কর্মকর্তা, কানাডার একটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ও কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ১২০ কোটি ডলারের ঋণ বাতিল করে বিশ্বব্যাংক।
কিন্তু বিশ্বব্যাংক তাদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি এবং কানাডার আদালত ২০১৭ সালে পদ্মা সেতুতে ঘুষের ষড়যন্ত্রের কোনো প্রমাণ পায়নি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার এই অভিযোগ মিথ্যা বলে এসেছেন এবং স্ব-অর্থায়নে গত বছরের ২৫ জুন সেতুটি উদ্বোধন করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংক ৫ প্রকল্পে সমন্বিত ২.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ চুক্তি সই
১২০১ দিন আগে
খাগড়াছড়ির ভূমিহীনরা প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে খুশি
আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় নতুন করে খাগড়াছড়িতে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছেন এক হাজার ৪৬৬ পরিবার। এরমধ্যে জেলার সবচেয়ে বেশি ঘর দেয়া হচ্ছে দীঘিনালা উপজেলায়। সেখানে ৩৫০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, খাগড়াছড়ির সদর উপজেলায় ১৩৬টি, দীঘিনালায় ৩৫০টি, মহালছড়িতে ৮০টি, রামগড়ে ১৩৩টি, পানছড়িতে ১২৭টি, গুইমারায় ৭৫টি, মাটিরাঙ্গায় ১৫০টি, মানিকছড়িতে ২২৫টি ও লক্ষীছড়িতে ১৯০টি হস্তান্তর করা হবে।
আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে পুকুরে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
সারাদেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়ালী উদ্বোধনের পর বুধবার সকালে দীঘিনালা উপজেলা অডিটরিয়ামে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ঘরের চাবি ও জমির কাগজ হস্তান্তর করেন প্রধান অতিথি হিসেবে শরনার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।
এসময় খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. নাইমূল হক, দীঘিনালা উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী মো. কাশেম, জেলা পরিষদ সদস্য শতরূপা চাকমা, দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরাফাতুল আলম সহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া জেলার ৯টি উপজেলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপহার আধা পাকা ঘর পেয়ে খুশি সুবিধাভোগীরা।
আরও পড়ুন: দেশের ৯ জেলার ২১১টি উপজেলা সম্পূর্ণরূপে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
এদেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
১২৪১ দিন আগে