ঈদুল আজহা
ঈদযাত্রায় প্রতিদিন গড়ে ঝরেছে ২২ প্রাণ
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত ১৩ দিনে দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত এবং ৮৩৭ জন আহত হয়েছেন। অর্থাৎ, এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী ও ৪৮ জন শিশু। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১২৪ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট প্রাণহানির ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। এছাড়া ৩৭ জন পথচারী এবং ৩৩ জন চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি এ সময়ে ১৩টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে এসব দুর্ঘটনায় ২৪টি কোরবানির গরু মারা গেছে। অন্যদিকে, ২২টি রেল দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কগুলোতে। মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে, ৩৩ দশমিক ২১ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ গ্রামীণ সড়কে এবং ১২ দশমিক ৬৭ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে শহরের সড়কে।
দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১২৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে, যা মোট দুর্ঘটনার ৪৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এছাড়া ৭৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩৮টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া এবং ৪২টি থেমে থাকা বা চলন্ত যানবাহনের পেছনে আঘাত করার ঘটনা ঘটেছে।
যানবাহনভিত্তিক প্রাণহানির হিসাবে মোটরসাইকেল আরোহীদের পরেই সবচেয়ে বেশি প্রাণ গেছে থ্রি-হুইলার যাত্রীদের। এ শ্রেণির যানবাহনে ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ ও ট্রলির যাত্রী ৩২ জন, বাসযাত্রী ২১ জন এবং প্রাইভেটকার ও অ্যাম্বুলেন্সের ১১ জন আরোহী নিহত হয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এখানে ৯৫টি দুর্ঘটনায় ১০১ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে, যেখানে ৯টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭ জনের। জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে ফরিদপুরে। জেলাটিতে ১৯টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন।
ঈদযাত্রা নিয়ে পর্যালোচনায় রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলেছে, এবার রাজধানী ঢাকা থেকে এক কোটির বেশি মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যে যাত্রা করেছেন এবং সারা দেশে প্রায় ৪ কোটি মানুষ যাতায়াত করেছেন। ট্রেন ছাড়া সড়ক ও নৌপথে তুলনামূলক কম ভোগান্তি হলেও উত্তরবঙ্গগামী সড়কে যানজট ছিল। বিভিন্ন পরিবহনমাধ্যমে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৫ সালের ঈদুল আজহার আগে-পরে ১২ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩১২ জন নিহত হয়েছিলেন। সে সময় প্রতিদিন গড়ে প্রাণহানি ছিল ২৬ জন। সে তুলনায় এবার প্রাণহানি ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমেছে। তবে পরিবহন খাতে ব্যবস্থাপনাগত কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় এই হ্রাসকে ইতিবাচক অগ্রগতির সূচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যান চলাচল, তরুণদের ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক ও ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা গ্রহণ, রেল ও নৌ-পরিবহন সম্প্রসারণ, বিআরটিসির সক্ষমতা বৃদ্ধি, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন অপসারণ, দক্ষ চালক তৈরি এবং সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
১৫ দিন আগে
ঈদ ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান উন্নতি এনেছে সরকারের ১০ উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সরকারের নেওয়া ১০টি জনমুখী উদ্যোগ ঈদ ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে এবং জবাবদিহিতামূলক ও জনকল্যাণমুখী প্রশাসনের প্রতিফলন ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ কথা জানান।
মাহদী আমিন বলেন, এবারের ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সরকারের কার্যক্রমে ১০টি গণমুখী বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ঈদ উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিতকরণ, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ, দেশীয় পশুর বাজার সুরক্ষা, দ্রুত বর্জ্য অপসারণ, গণপরিবহণে শৃঙ্খলা, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট দমন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চামড়া খাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা ছিল প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম নির্দেশনা।
এসব উদ্যোগের সমন্বিত বাস্তবায়ন ঈদ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় সেবাকে আরও জনসম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টার প্রতিফলন ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের মাত্র তিন মাস পূর্ণ হয়েছে। এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই আমরা রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনকল্যাণ এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসই একটি সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী ১৬ বছরের প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় ও ধ্বংসস্তূপ মাত্র তিন মাসে সম্পূর্ণরূপে দূর করা সম্ভব নয়, এই কঠিন বাস্তবতা দেশবাসী অনুধাবন করে। তবু দীর্ঘদিনের দুঃশাসনে ক্লান্ত জনগণ এবারের ঈদে উপলব্ধি করেছে যে, রাষ্ট্র তাদের প্রতি সংবেদনশীল এবং প্রশাসন কেবল ক্ষমতার কেন্দ্র নয়, বরং জনসেবার কার্যকর ও দায়িত্বশীল মাধ্যম।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অনুষ্ঠিত প্রথম ঈদুল আজহা উদযাপনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকারের সব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্যসহ সব মহলে আন্তরিকতা ও দায়বদ্ধতা ছিল সর্বোচ্চ। তবু কোথাও কোনো প্রশাসনিক ঘাটতি বা সমন্বয়হীনতা পরিলক্ষিত হলে তা চিহ্নিত করে দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিরসনে সরকার কাজ চালিয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
ঈদযাত্রা ও ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে সরকারি ছুটি এক সপ্তাহ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। ফলে সরকারি উদ্যোগেই পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে আমরা এবার ছুটিতে কিছুটা বেশি সময় থাকতে পেরেছি। ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও বিশেষ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়েছে। যে কারণে ঈদের আগের দিনগুলোতে মহাসড়কে একযোগে যানবাহনের চাপ অনেকটাই কমে এসেছে।
তিনি বলেন, প্রতিবছরের চেনা ছবি, কিলোমিটারের পর কিলোমিটার যানজট এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তি, এবারের ঈদযাত্রায় তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে ছিল। তারপরও যতটুকু হয়েছে, সরকার সচেষ্ট থাকবে আগামীতে সেটারও সমাধানের জন্য।
তিনি আরও বলেন, এবার সামগ্রিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা যথেষ্ট উন্নতি এবং অতীতের তুলনায় সড়ক দুর্ঘটনা কম হলেও, এর আড়ালে কিছু পরিবারের ঈদ আনন্দ রূপ নিয়েছে আজীবনের কান্নায়। প্রশাসনের নজরদারি সত্ত্বেও মহাসড়কে বেপরোয়া গতি আর অসচেতনতার জেরে এবারও বেশ কিছু মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, কেড়ে নিয়েছে তাজা প্রাণ। ঘটনাগুলো আমাদেরকে প্রচণ্ডভাবে ব্যথিত করেছে। ভবিষ্যতের যেকোনো উৎসবে যেকোনো মূল্যে জনসচেতনতা বাড়িয়ে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই হবে বলে এ সময় মন্তব্য করেন তিনি।
পোশাক খাতের শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধের বিষয়ে তিনি বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের ঈদের আগে বকেয়া বেতন ও বোনাস নিশ্চিত করতে সরকারের উদ্যোগে সকল ব্যাংক এবং অংশীজনদের সঙ্গে কথা বলে কারখানার শ্রমিক, মালিক ও বিভিন্ন সংগঠনকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন কৌশল ও পরিকল্পনায় একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও আনন্দঘন পরিবেশে শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের ঈদ আনন্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, এর ফলে ঈদের ঠিক আগে বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ বা শিল্পাঞ্চলে সেই রকম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়নি, যা ছিল বিগত সময়ের নিয়মিত ঘটনা। প্রায় সকল কারখানায় সময়মতো শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ সম্ভব হয়েছে, নিশ্চিত করা হয়েছে উৎসবমুখর ঈদের পরিবেশ। এর ফলে দেশের শিল্পাঞ্চলজুড়ে বিরাজ করেছে শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও উৎসবমুখর পরিবেশ।
১৭ দিন আগে
সাভারের বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়
ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিনোদনপ্রেমী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সাভারের বিনোদনকেন্দ্রগুলো। ঈদের আনন্দকে আরও রাঙিয়ে তুলতে বর্ণাঢ্য সাজে সেজেছে এসব বিনোদনকেন্দ্র । বিশেষ করে থিম পার্কগুলোতে স্বল্পমূল্যের বিভিন্ন অফার প্যাকেজ থাকায় বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।
রবিবার (৩১ মে) ঈদের চতুর্থ দিন সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ায় অবস্থিত দেশের সবচেয়ে বড় থিমপার্ক ফ্যান্টাসি কিংডমে গিয়ে চোখে পড়ে হাজারো দর্শনার্থীদের সমাগম। বিশ্বমানের আদলে গড়ে ওঠা বেশ কিছু রাইড নিয়ে সাজানো পার্কটি বিনোদনপ্রেমী সব বয়সী মানুষের জন্য আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
পার্কটিতে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের কেউ চড়ছেন রোমাঞ্চকর রোলার কোস্টারে, কেউ ম্যাজিক কার্পেটে কিংবা উড়ন্ত দোলায়। বাচ্চারা চালাচ্ছে রেসিং কার। অনেকে আবার ট্রেনে চড়ে পার্ক ঘুরে দেখছে।
কিশোর মতরুণদের মূল আকর্ষণ ওয়াটার কিংডম। সেখানে তারা ডিজে গানের তালে নীল জলের কৃত্রিম ঢেউয়ের সঙ্গে আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছে। কৃত্রিম পাহাড়ের ঝরনায় পানিতে নেমে আনন্দ উপভোগ করছে তরুণ-তরুণীরাও।
এ সময় প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি আর স্মৃতির মুহূর্তগুলো মুঠোফোনে ধারণ করতে দেখা যায় শত শত দর্শনার্থীকে।। এ সময় সবাই পরিবারের সদস্য প্রিয়জনদের নিয়ে আনন্দ উপভোগ করতে ব্যস্ত ছিলেন।
পার্কে ঘুরতে ঘুরতে ক্ষুধা লাগলে খাওয়ার জন্য রয়েছে ছোট ছোট ফুড কোর্টসহ তিন তারকা মানের ক্যাফে আশুলিয়া, লিয়া রেস্তোরাঁ ও ওয়াটার ক্যাফে।
১৯ দিন আগে
ঈদের দিন সুদানের গ্রামে চালানো হামলায় নিহত ২৭
সুদানের উত্তর কর্ডোফান অঞ্চলে একটি গ্রামে ঈদুল আজহার সময় চালানো হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে দেশটির চিকিৎসকদের সংগঠন সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক । এ হামলার জন্য আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) বাহিনীকে দায়ী করেছে সংগঠনটি।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৯ মে) সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক অভিযোগ করে, আধাসামরিক আরএসএফ বাহিনী বৃহস্পতিবার নর্থ কর্ডোফানের বারাহ শহরের পশ্চিমে অবস্থিত আল-মুররাহ এলাকার কয়েকটি গ্রামে হামলা চারিয়েছে। মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে হামলা চালানো হয় ।
সংগঠনটি জানায়, সামপ্রতিক যুদ্ধের কারণে সুদানে সাধারণ মানুষ যে ভয়াবহ মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এই হামলা চলমান পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
সুদানে সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত চলে আসছিল। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে এই দুই বাহিনীর মধ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর থেকে কর্ডোফান অঞ্চল সংঘাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে ওঠে। বিভিন্ন ফ্রন্টে তাদের মধ্যে লড়াই আরও তীব্র হয়ে উঠছে।
আরএসএফ ও তাদের মিত্ররা বর্তমানে পশ্চিম দারফুর অঞ্চল এবং দক্ষিণ সুদানের সীমান্তঘেঁষা কর্ডোফান অঞ্চলের কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। এই দুই অঞ্চলই তেলক্ষেত্র ও স্বর্ণখনিতে সমৃদ্ধ। এছাড়া বারাহ শহর নিয়েও আরএসএফের সঙ্গে সেনাবাহিনীর একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে।
সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক তাদের বিবৃতিতে জানায়, গ্রাম ও বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্য করে হামলা এবং এভাবে নাগরিকদের হত্যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে দক্ষিণ সুদানের সাউথ কর্ডোফানে বিদ্রোহী গোষ্ঠী সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট নর্থ বাহিনী এবং ওতোরো গোত্রের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষে ৬১ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৯ টি শিশুও ছিল।
এছাড়া গত সপ্তাহে মধ্য দেশটির একটি ব্যস্ত বাজারে ড্রোন হামলায় ২৮ জন নিহত হন এবং আহত হন আরও কয়েক ডজন মানুষ।
সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে দীর্ঘদিনের এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, সেই সঙ্গে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ।
যুদ্ধের ফলে দেশটির বহু এলাকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। বর্তমানে সুদানে ৩ কোটিরও বেশি মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
২০ দিন আগে
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ডিএসসিসির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদার
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন এলাকায় কোরবানির পশু ও অস্থায়ী হাটের বর্জ্য দ্রুত অপসারণে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে করপোরেশন।
নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ উপহার দিতে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (২৯ মে) সকালে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি চলমান বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত কাজ শেষ করার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণের প্রতিশ্রুতি
পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ঈদুল আজহার প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও কোরবানির পশুর বর্জ্য এবং অস্থায়ী হাটের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম অত্যন্ত জোরদারভাবে পরিচালিত হচ্ছে। নগরবাসীর স্বস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব বর্জ্য অপসারণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
তিনি জানান, ঈদের দ্বিতীয় দিনে বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৭৭৬ টন। পরিচ্ছন্নতাকর্মী, পরিবহন কর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
ডিএসসিসির তথ্যমতে, ঈদের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ৮১৪ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে ডাম্প করা হয়েছে।
অবৈধ হাট পরিচালনায় কঠোর ব্যবস্থা
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট নির্ধারিত স্থানের বাইরে সম্প্রসারণ কিংবা অবৈধভাবে রাস্তা দখল করে পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে তাদের জরিমানা আরোপসহ কালোতালিকাভুক্ত করা হবে।’
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান
ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নগরবাসীকে নির্ধারিত স্থানে কোরবানি সম্পন্ন করা, পশুর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আন্তরিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বর্জ্য দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে অতিরিক্ত জনবল, যানবাহন, কনটেইনার ও পরিচ্ছন্নতা সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো কার্যক্রম তদারকিতে একটি বিশেষ মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
২১ দিন আগে
অধিকাংশ চরাঞ্চলে নেই ঈদের আনন্দ, হয়নি পশু কোরবানি
উত্তরের নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে এবার ঈদুল আজহা এসেছে নিঃশব্দ বেদনা হয়ে। তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার নদীর বুকে ছড়িয়ে থাকা শত শত চরে নেই উৎসবের রঙ, কোরবানির আনন্দ। কোথাও ঈদের দিনেও হাঁড়িতে ওঠেনি মাংস, কোথাও আবার নদীভাঙনের আতঙ্কে মানুষ রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে বসতভিটা।
রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলা—লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও গাইবান্ধায় প্রায় ৭০০টি চর রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর কুড়িগ্রামে, প্রায় ৪৫০টি। প্রতিটি চরে বসবাস করে ১৫০ থেকে ৫০০ পরিবার। এসব চরবাসীর প্রধান জীবিকা কৃষিকাজ। কিন্তু এবার আলু, ধান, ভুট্টাসহ প্রায় সব ফসলেই লোকসানের কারণে ঈদের আনন্দ যেন হারিয়ে গেছে। অধিকাংশ চরেই হয়নি পশু কোরবানি।
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধান এলাকার কৃষক মকবুল হোসেনের বয়স এখন ৬৮। জীবনের বেশিরভাগ সময় কেটেছে মাঠে-ঘাটে। কিন্তু এবারের ঈদ তার কাছে উৎসব নয়, বরং দীর্ঘশ্বাসের আরেকটি দিন। উঠানে ধান শুকালেও ঘরে নেই ঈদের আনন্দ, শিশুদের নতুন জামার হাসিও নেই।
১১ বিঘা জমিতে আলুচাষ করে ৩ লাখ টাকার বেশি লোকসান গুনেছেন তিনি। এখনও তার মাথায় আড়াই লাখ টাকার ঋণ। ভেবেছিলেন বোরো ধান হয়তো কিছুটা স্বস্তি দেবে। কিন্তু ভালো ফলন হলেও বাজারদর তাকে আরও হতাশ করেছে।
মকবুল হোসেন বলেন, ‘প্রতি মণ ধান উৎপাদনে খরচ পড়েছে প্রায় ৯৫০ টাকা। অথচ বিক্রি করতে হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। ধান, আলু, ভুট্টা—সবখানেই লোকসান। কয়েক দফা কালবৈশাখীতে সবজিও নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষিকাজে এবার শুধু ক্ষতি আর ক্ষতি। মনে কোনো শান্তি নেই। ঈদের আনন্দও নেই।’
লালমনিরহাট সদর উপজেলার ধরলা নদীর বুকে দ্বীপচর ফলিমারীতে প্রায় ৩০০ পরিবারের বসবাস। গত কয়েকদিন ধরে নদীভাঙন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো চরে। ঈদের দিনেও নদীর তীরে চলেছে ভাঙন। ফলে উৎসবের বদলে উৎকণ্ঠাই এখন সঙ্গী। গত বছর এই চরে দুটি গরু ও তিনটি ছাগল কোরবানি হলেও এবার কোনো পশু কোরবানি হয়নি।
২১ দিন আগে
নিজ গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় করলেন ‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে নিজ এলাকায় পরিবারের সকলের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন ‘কাটার মাস্টার’ খ্যাত বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টায় তেঁতুলিয়া পূর্ব পাড়া ঈদগাহ ময়দানে তিনি ঈদের নামাজ আদায় করেন।
নামাজে তার সঙ্গে তার বাবা ও ভাইসহ এলাকার অন্যান্য মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।
নামাজে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিরা পরিবারের মৃত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে দোয়ায় অংশ নেন। নামাজ ও দোয়া শেষে মোস্তাফিজের পরিবারের পক্ষ থেকে পশু কুরবানি করা হয়।
২২ দিন আগে
ঈদের দিন দিনাজপুরে ট্রাকের ধাক্কায় ঝরল দুই শিশুর প্রাণ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থাকা দুই শিশু নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন শিশু দুটির মা ফরিদা বেগম (২৫) ও দুলালী বেগম (২০)। অটোরিকশাচালকও এ ঘটনায় সামান্য আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহার দিন ভোর সোয়া ৪টার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহত আব্দুল্লাহ (৪) জয়পুরহাটের পাঁচবিবির রশিদপুর গ্রামের মোহাম্মদ শামসুল হকের ছেলে। নিহত আরেক শিশু আরিফা (৪) দিনাজপুরের হাকিমপুরের বারো আরিয়া মাটিকাটা গ্রামের আল আমিনের মেয়ে ছিল সে।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে বিকল্প কোচে চড়ে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা ভাদুরিয়ান এলাকায় আত্মীয়ের বাড়ি যাচ্ছিল দুই পরিবারের দুই শিশুসহ দুই নারী। গোবিন্দগঞ্জে কোচ থেকে নেমে অটোরিকশায় চড়ে গন্তব্যে যাবার সময় ঘোড়াঘাটের কানাগাড়ী বাজার হাইওয়ে এলাকায় ভোর সোয়া ৪টার দিকে বৃষ্টির কারণে ধীরগতিতে চলা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজিটি উল্টে যায়। এরপর তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে শিশুদুটিকে মৃত ঘোষণা করেন জরুরি বিভাগের চিকিৎক।
এছাড়া ওই দুই নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
২২ দিন আগে
গোর-এ-শহিদ বড় ময়দানে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত
উৎসাহ, উদ্দীপনা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কঠোর নিরপত্তায় দেশের মধ্যে বৃহত্তম দিনাজপুরের গোর-এ-শহিদ বড় ময়দানে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন প্রায় মুসল্লি।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় আয়োজিত নামাজে অংশ নিতে আশপাশেরসহ দূর-দূরান্তের মুস়ল্লিরা শরিক হন।
নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা মতিউর রহমান কাসেমি। নামাজে উপস্থিত ছিলেন এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ নানান শ্রেণি-পেশার মানুষ।
নামাজ শেষে সামাজিক অপরাধ নির্মুলে হেদায়েত কামনাসহ মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে মোনাজাতে অংশ নেন তারা।
বেশি সওয়াবের আশায় বড় ঈদ জামাতে নামাজ আদায় করতে পেরে খুশি দূর-দূরান্তের মুসল্লিরা।
২২ দিন আগে
ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এবার আমরা ঈদ উদযাপন করছি: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এবার এমন এক পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ঈদুল আজহা উদযাপন করছি যখন বিশ্বের নানা জায়গাতে সংকট চলছে। দেশে নবনির্বাচিত সরকার একটি বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে আমাদের কাজে নিয়োগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য দেশবাসীর কাছে আমরা ঈদের দিন দোয়া কামনা করি।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার সরিকল স্কুল ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এ উৎসবের মধ্য দিয়ে ত্যাগের মহিমাকে সামনে তুলে ধরা হয়। সর্বশক্তিমানের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ করতে কীভাবে প্রস্তুত থাকতে হয়, প্রতি বছর ঈদুল আজহার মধ্য দিয়ে সেই মূল্যবোধকেই জাগ্রত করা হয়।
পরে তিনি সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় ঈদগাহ মাঠে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
২২ দিন আগে