সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
সমৃদ্ধ ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবসায়ী, তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষকসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সমৃদ্ধ ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভো থিয়েটারে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ পরিচালনায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। আসুন আমরা সবাই মিলে এ রকম একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে কাজ করি, যাতে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত সেই রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারি।
উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও গবেষকদের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সব সময় সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা নিয়ে তাদের পাশে থাকবে।
এ সময় সরকার, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, গবেষক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তাদের দেওয়া বক্তব্য ও উপস্থাপনাগুলো আগামী দিনের জন্য দেশের করণীয়র একটি সামগ্রিক রূপরেখা তুলে ধরেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী বক্তারা, বিশেষ করে ড. আনিসুজ্জামানের উপস্থাপনা ও বক্তব্যে আগামী দিনের কর্মপন্থা মোটামুটিভাবে নির্ধারিত হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যদি এসব কর্মপন্থা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করতে পারি, তবেই আমরা আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হব।
দেশের সার্বিক অগ্রগতিতে উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান রাষ্ট্র ও সরকারের প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমি আপনাদের সবার সহযোগিতা চাইছি। রাষ্ট্রের জন্য আপনাদের সহযোগিতা অপরিহার্য।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আনিসুজ্জামান তালুকদার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ অন্যরা।
স্থানীয় উদ্ভাবনকে নীতিগত সহায়তা, শিল্প, বিনিয়োগ ও বাজারের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গবেষক ও উন্নয়ন সহযোগীরা একত্রিত হয়েছেন। স্থানীয় উদ্ভাবক ও উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোর সঙ্গে টেকসই অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠাই এর লক্ষ্য।
সরকারি ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা মেলায় অংশ নিচ্ছেন।
মেলায় প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের এক হাজারের বেশি উদ্ভাবন প্রদর্শন করা হচ্ছে।
আয়োজকদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ে অনেক সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ও ধারণা তৈরি হলেও নীতিগত সহায়তা, প্রাথমিক অর্থায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অভাবে সেগুলো বাজারে পৌঁছাতে পারে না। এ ধরনের প্রশাসনিক ও আর্থিক বাধা দূর করা, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করা মেলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
এদিকে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ উদ্বোধনের পর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখার সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বিকাশেরর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কামাল কাদীর তুলে ধরেন, কীভাবে মোবাইলভিত্তিক আর্থিক সেবা (এমএফএস) সাধারণ নাগরিকদের জন্য আর্থিক সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে সহজ ও উন্মুক্ত করেছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও প্রত্যক্ষ করেন, কীভাবে এমএফএস অ্যাপের জামানতহীন ডিজিটাল ঋণ ও বিভিন্ন ব্যাংকের সঞ্চয় সেবা প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করেছে।
মেলার দ্বিতীয় দিনে স্বাস্থ্যসেবায় উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) এবং ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) এ মেলার কৌশলগত অংশীদার। আর জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এর কারিগরি অংশীদার।
১৬ দিন আগে
বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বজুড়ে শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে: ইইউ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জানিয়েছে, ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বজুড়ে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
‘এই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবসে আমরা সংঘাত শেষ করতে এবং জীবন বাঁচাতে তাদের কাজের প্রতি আমাদের স্বীকৃতি জানাচ্ছি,’ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ঢাকা অবস্থিত ইইউ দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।
ইইউ দূতাবাস আরও জানিয়েছে, ‘ইইউ জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক নিয়ম-ভিত্তিক ব্যবস্থার দৃঢ় সমর্থক, যা আমাদের নিরাপদ রাখে এবং বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করতে সহায়ক।’
জাতিসংঘ জানিয়েছে, ১৯৪৮ সালে মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে দুই মিলিয়ন (২০ লাখ) পুরুষ ও নারী জাতিসংঘ পতাকার অধীনে ৭১টি শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করেছেন।
আরও পড়ুন: সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকার প্রশংসা ইইউর
বর্তমানে ১১টি শান্তিরক্ষা মিশনে ১১৯টি দেশের এক লাখেরও বেশি সেনা, পুলিশ ও বেসামরিক কর্মী শান্তিপূর্ণ প্রচেষ্টা সমর্থন করছে এবং নাগরিকদের সুরক্ষা দিচ্ছে।
এই বছরের প্রতিবাদ ‘শান্তিরক্ষা ভবিষ্যৎ’ শান্তিরক্ষা অভিযানের বিকাশমান প্রকৃতিকে প্রতিফলিত করে, যা একটি জটিল এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।
জাতিসংঘ সক্রিয়ভাবে মিশনগুলোকে আধুনিকীকরণ এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জের জন্য অভিযোজন করতে কাজ করছে।
৪৮৭ দিন আগে
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে অধ্যাপক ইউনূসকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস এরদোয়ানের
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। একই সঙ্গে ব্যাপক সংস্কার ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার অভিযাত্রায় বাংলাদেশকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।
অধ্যাপক ইউনূস মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) কপ-২৯ ভেন্যুতে বিশ্ব নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
অধ্যাপক ইউনূস তাদেরকেও শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
আরও পড়ুন: কপ২৯: আজারবাইজান পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস
আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস একটি ব্যস্ত দিন কাটিয়েছেন।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন নেতা ও ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী বিশ্বের কয়েকটি দেশের অন্তত ২০ জন নেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি জুলাই মাসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করার জন্য কারাবন্দী ৫৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে মুক্তি দেওয়ার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান।
আরও পড়ুন: বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যানে তরুণদের আত্মবিশ্বাসের ওপর জোর দেন ড. ইউনূস
অধ্যাপক ইউনূস পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এছাড়া মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, এবং নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
অধ্যাপক ইউনূস দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের জন্য শীর্ষ প্লাটফর্ম হিসেবে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। এর আগে তিনি বলেছিলেন, সার্কের পুনরুজ্জীবন হবে তার পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি।
তিনি অন্যদের মধ্যে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী, ঘানার প্রেসিডেন্ট, বসনিয়া হার্জেগোভিনার প্রধানমন্ত্রী, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট, আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী, মন্টেনিগ্রোর প্রেসিডেন্ট, বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী, ব্রাজিল ও ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ফিফার প্রেসিডেন্ট এবং আইওএম মহাপরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসের অভিনন্দন
৬৮৫ দিন আগে
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ বিশ্বে প্রশংসিত: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ সারাবিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘দারিদ্র্য বিমোচনসহ সামাজিক নিরাপত্তা অর্জনে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে।’
গতকাল রাতে ঢাকায় 'রিস্ক ইনফরমড আর্লি একশন পার্টনারশীপ -কমিটমেন্ট টু অ্যাকশন' শীর্ষক ভার্চুয়াল এক আলোচানা তিনি এসব কথা বলেন ।
এনামুর রহমান বলেন, ভৌগলিক অবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, ঘনবসতি ইত্যাদি কারণে বাংলাদেশকে প্রতিনিয়ত কোনো না কোনো প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট দুর্যোগের মোকাবিলা করতে হয় । এছাড়া ২০১৯ সালে ঘূর্ণিঝড় ফণী ও বুলবুল এবং ২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলা করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এসব ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সরকারের পূর্বপ্রস্তুতি থাকায় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি-হ্রাস ও দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ক কার্যক্রমকে সমন্বিত, লক্ষ্যভিত্তিক ও শক্তিশালী করা এবং সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০১৬-২০২০, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১১, মৃতদেহ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা-২০১৬, দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) ২০১৯ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ দলিল প্রণীত হয়েছে ।
এর মাধ্যমে বিভিন্ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে প্রতিবন্ধী, নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুসহ দুর্গত জনগোষ্ঠীর চাহিদা নিরূপন ও বাস্তবায়ন । ২০১৫-২০৩০ সাল মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য প্রণীত হয়েছে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)। উল্লেখিত আইন, বিধি, পরিকল্পনা ও নীতিমালার আলোকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক এর লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনায় নিয়ে সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ।
এনামুর রহমান বলেন, জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে দুর্যোগ পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ, আসন্ন দুর্যোগের কবল থেকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহণের জন্য বেতার, টেলিভিশন এবং স্থানীয়ভাবে দুর্যোগ প্রবণ এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচারণার পাশাপাশি দ্রুত ও অধিকতর কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে ইন্টারেক্টিভ ভয়েস রেসপন্স চালু করা হয়েছে । মোবাইল ফোন নম্বর থেকে ১০৯০(টোল ফ্রি) নম্বরে ডায়াল করে দুর্যোগের আগাম বার্তা পেয়ে জনগণ পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
এ বার্তাকে আরও অধিকতর জনবান্ধব করার লক্ষ্যে কমিউনিটি রেডিওর মাধ্যমে স্থানীয় ভাষায় বার্তা প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
যুক্তরাজ্যের মিনিস্টার ফর বিজনেস এনার্জি এন্ড ক্লিন গ্রোথ এন্ড ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন অন এডাপ্টেশন এন্ড রেজিল্যান্স ফর দ্যা কপ-২৬ প্রেসিডেন্সি আনা মেরি ট্রেভেল্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জ্যামাইকা'র হাউজিং, আরবান রিনিউওয়াল, এনভায়রনমেন্ট এন্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ বিষয়কমন্ত্রী পার্নেল পি চার্লস জেআর, জাপানের গ্লোবাল এনভারমেন্টাল অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার কোনডো টমোহিরো, ফ্রান্সের ইউরোপ ও পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ক্লাইমেট অ্যাম্বেসেডর স্টেফানি ক্রোজাট, জার্মানির পার্লামেন্টারি স্টেট সেক্রেটারি টু দ্যা ফেডারেল মিনিস্টার ফর ইকনোমিক কো-অপারেশন অন্ড ডেভেলপমেন্ট মারিয়া ফ্লাসবার্থ, মিশরের পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টর অফ এনভায়রনমেন্ট এন্ড সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের অ্যাম্বেসেডর মোহাম্মদ গাদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন বক্তব্য দেন।
১৯৬৫ দিন আগে
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: কাদের
স্বাধীনতার চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ধারণ করে বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িকতামুক্ত একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে বৃহস্পতিবার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
২০৬৯ দিন আগে