এলপিজি
১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা
সৌদি আরামকোর ঘোষিত কনট্রাক্ট প্রাইস (সৌদি সিপি) সমন্বয়ের ফলে আগস্ট মাসের জন্য বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
নতুন দরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫২৮ টাকা থেকে ৭০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, এই নতুন দর আজ (রবিবার) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৩৩ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাইয়ে এ দাম ছিল ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। সে হিসাবে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৫ টাকা ৮৫ পয়সা।
মূল্য সমন্বয় করে বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের মধ্যে সাড়ে ৫ কেজির দাম ৭৩২ টাকা, ১২ কেজির ১ হাজার ৫৯৮ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির ১ হাজার ৬৬৪ টাকা, ১৫ কেজির ১ হাজার ৯৯৭ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ১৩০ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ৩৯৭ টাকা, ২০ কেজির ২ হাজার ৬৬৩ টাকা, ২২ কেজির ২ হাজার ৯২৯ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ৩২৯ টাকা, ৩০ কেজির ৩ হাজার ৯৯৫ টাকা, ৩৩ কেজির ৪ হাজার ৩৯৪ টাকা, ৩৫ কেজির ৪ হাজার ৬৬০ টাকা এবং ৪৫ কেজির দাম ৫ হাজার ৯৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরামকো আগস্ট মাসের জন্য প্রতি টন প্রোপেনের দাম ৬২০ ডলার এবং বিউটেনের দাম ৬৪০ ডলার নির্ধারণ করেছে। ৩৫:৬৫ অনুপাতে প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সৌদি সিপি প্রতি টন ৬৩৩ ডলার বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
জুলাইয়ে গড় সৌদি সিপি ধরা হয়েছিল প্রতি টন ৫৯৩ ডলার। সে হিসাবে আগস্টে গড় সৌদি সিপি প্রতি টনে ৪০ ডলার বেড়েছে।
এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১২৯ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহকৃত এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৮৭ টাকা ৫০ পয়সা বা প্রতি লিটার ২৮ পয়সা ৭৫ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন।
তবে সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা আদেশ অনুযায়ী সরকারি এলপিজির ডিলার ও রিটেইলার পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সাই বহাল থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এলপিজি মজুত, বোতলজাতকরণ, বিতরণ ও খুচরা বিক্রির কোনো পর্যায়েই কমিশন নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না। কমিশনের আগের অন্যান্য নির্দেশনাও বহাল থাকবে।
১৬ দিন আগে
এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম কমল ৩৫৭ টাকা
ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫২৮ টাকা। জুন মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল এক হাজার ৮৮৫ টাকা।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নতুন এ দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
নতুন দর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কার্যকর হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ও জাহাজভাড়া (ফ্রেইট চার্জ) কমে আসায় এ মূল্য হ্রাস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিইআরসি।
বিইআরসি জানিয়েছে, চলতি (জুলাই) মাসে অটোগ্যাসের দাম ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এ মাসে প্রতি কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা ৬ পয়সা।
এদিকে, সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
এর আগে ১৯ এপ্রিল ১২ কেজি এলপিজির দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১,৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তার ১৭ দিন আগে, ২ এপ্রিল, ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে দাম করা হয়েছিল ১,৭২৭ টাকা।
অর্থাৎ, দুই দফায় ১২ কেজি এলপিজির দাম মোট ৫৯৯ টাকা বাড়ানো হয়। এরপর জুন মাসে ১২ কেজির দাম ১,৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ১,৮৮৫ টাকা এবং অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৮৯.৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ৮৬.৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে এলপিজি খাতে নজিরবিহীন অরাজকতা চলছে। বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম আদায় করছেন। মার্চ মাসে নির্ধারিত মূল্য ছিল ১,৩৪১ টাকা। তবে বাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রির খবরও রেকর্ড করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো এলপিজির দর ঘোষণা করে বিইআরসি। তখন জানানো হয়, সৌদি আরবের কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুযায়ী ভিত্তিমূল্য প্রতি মাসে সমন্বয় করা হবে। আর কমিশন, জাহাজভাড়া, আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার কমিশনে পরিবর্তন আনতে হলে গণশুনানির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ওই ঘোষণার পর থেকেই প্রতি মাসে এলপিজির নতুন দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।
৪৭ দিন আগে
মে মাসে অপরিবর্তিত থাকছে ১২ কেজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম
ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মে মাসের জন্য দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। এতে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ১ হাজার ৯৪০ টাকায় পাওয়া যাবে ১২ কেজির সিলিন্ডার।
রবিবার (৩ মে) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানায়, মে মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আজ (রবিবার) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দাম কার্যকর থাকবে।
এর আগে, গত মাসে দুইবার সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। গত ২ এপ্রিল ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৭২৮ টাকা। এরপর ১৯ এপ্রিল ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি।
তবে চলতি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ২ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৮৯ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১০৭ দিন আগে
১৮ দিনের ব্যবধানে আবারও বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম
এক মাসেই দ্বিতীয়বারের মতো বাড়ল ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৪০ টাকা। মাত্র ১৮ দিনের মধ্যে এটি দ্বিতীয় দফা মূল্যবৃদ্ধি।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর আজ সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে ২১২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হলো ১ হাজার ৯৪০ টাকা।
এর আগে, সবশেষ গত ২ এপ্রিল চলতি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওইদিন ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৩৪১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হয়েছিল। এ হিসাবে ২ এপ্রিলের পর মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে দাম বাড়ল ৫৯৯ টাকা। অর্থাৎ, গত ১ এপ্রিল ১২ কেজির যে সিলিন্ডারটি ১৩৪১ টাকায় কেনা যেত, আজ থেকে সেটি কিনতে ভোক্তাকে গুনতে হবে ১ হাজার ৯৪০ টাকা।
ভোক্তাপর্যায়ে বিইআরসি ঘোষিত নতুন দামে বিভিন্ন ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দামও সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮৮৯ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ২১ টাকা, ১৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৪২৫ টাকা, ১৬ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৫৮৭ টাকা, ১৮ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৯১০ টাকা, ২০ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩ হাজার ২৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি ২২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা, ২৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪ হাজার ৪২ টাকা, ৩০ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪ হাজার ৮৫০ টাকা, ৩৩ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ৩৩৫ টাকা, ৩৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ৬৫৮ টাকা ও ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৭৫ টাকা।
নতুন নির্ধারিত দামে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি জানিয়েছে, এলপিজি আমদানির জাহাজভাড়া ও ট্রেড্রারের প্রিমিয়াম চার্জ এবং ডিজেলের মূল্য পরিবর্তন বিবেচনায় ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
১২১ দিন আগে
এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিনের ঋণসুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
ডলারের তারল্যচাপ কমানো এবং দেশের বাজারে চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রে বিধি শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে বাকিতে এলপিজি আমদানি করতে পারবেন আমদানিকারকরা। সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত এই ঋণসুবিধা ব্যবহার করা যাবে।
নতুন নীতি অনুযায়ী, এখন থেকে দেশীয় ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে এলপিজি আমদানি করা যাবে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ক্রেডিটে আমদানির করা এলপিজি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করা হবে। এর ফলে আমদানিকারকরা সর্বোচ্চ ২৭০ দিন মেয়াদে বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুবিধা পাবেন।
এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরে দেশে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আমদানিতে বাড়তি সময়ের ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
গত ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিকারকরাও একই সুবিধার আওতায় এলেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরবরাহকারীর কাছ থেকে বাণিজ্যিক ঋণের পাশাপাশি আমদানিকারকেরা চাইলে বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতা ঋণ নিতে পারবেন। একইসঙ্গে দেশের নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও গ্রহণ করা যাবে। তবে এসব ক্ষেত্রে প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা ও ঋণ সংক্রান্ত সতর্কতামূলক নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি আমদানির পর তা বাজারে সরবরাহ করতে সময় বেশি লাগায় আমদানিকারকদের নগদ অর্থপ্রবাহে চাপ তৈরি হয়। এই চাপ কমানো এবং জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ এই পণ্যের আমদানিতে গতি আনতেই বাকিতে পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিতে তাৎক্ষণিক বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কিছুটা কমবে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাওয়ায় বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের এলপিজি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় সরকারি নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না, কোথাও বেশি দাম দিয়েও সরবরাহ মিলছে না। এতে ভোক্তা পর্যায়ে ভোগান্তি বাড়ে। এই পরিস্থিতিতে এলপিজি আমদানি সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছিল। সেই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন বিভাগের পরিচালক মো. হারুন-অর-রশিদ। এতে বলা হয়েছে, এ সংক্রান্ত অন্যান্য সব বিধান অপরিবর্তিত থাকবে এবং ব্যাংকগুলোকে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের বিষয়টি জানাতে বলা হয়েছে।
২১৯ দিন আগে
বৃহস্পতিবার থেকে গ্যাস বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি ব্যবসায়ীদের
কমিশন বৃদ্ধি, বিইআরসির একতরফা দাম ঘোষণা বন্ধসহ ৬ দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। দাবি মেনে নেওয়া না হলে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সরবরাহ ও বিপণন বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন তারা।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এ আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
গৃহস্থালি, শিল্প ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের চলমান সংকট ও অব্যবস্থাপনা নিরসনের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সেলিম খান বলেন, দেশে বর্তমানে এলপি গ্যাসের চরম সংকট চলছে। এই পরিস্থিতিতে বিইআরসি পরিবেশকদের সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই নতুন মূল্য নির্ধারণ করায় কোম্পানি, পরিবেশক ও ভোক্তারা চরম বিপর্যয়ে পড়েছেন। সংকট নিরসনের পরিবর্তে মূল্য নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, অনভিজ্ঞ ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানের কারণে বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে, যা সংকটকে আরও তীব্র করছে এবং অনেক ব্যবসায়ীকে ব্যবসা বন্ধে বাধ্য করছে।
সেলিম খান বলেন, বিইআরসি মাসে একবার মূল্য ঘোষণা করলেও কোম্পানিগুলো একাধিকবার মূল্য সমন্বয় করে, যার পুরো দায় পরিবেশকদের বহন করতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে স্থায়ী কমিটি গঠন এবং পরিবেশক ও রিটেইলার কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছি।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশে বর্তমানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ সিলিন্ডার থাকলেও মাত্র ১ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডার রিফিল হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় ৬০ শতাংশ ঘাটতি থাকায় পরিবেশকদের অতিরিক্ত খরচ বাড়ছে, যার ফলে মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে। অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবেশকরা দেউলিয়া হওয়ার পথে। এ অবস্থায় নিষ্ক্রিয় সিলিন্ডারে ভর্তুকি ও নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারি হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।
সমিতির সভাপতি হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিইআরসি যদি পরিবেশকদের সমন্বয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ না করে এবং প্রশাসনের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ না হয়, তবে ৮ জানুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপি গ্যাস সরবরাহ ও বিপণন বন্ধ থাকবে।
মানববন্ধনে সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
২২৩ দিন আগে
এলপিজি সংকট কৃত্রিম, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস-এলপিজির পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও খুচরা বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এ অবস্থাকে ‘কৃত্রিম সংকট’ আখ্যা দিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লক্ষ করা যাচ্ছে খুচরা পর্যায়ে এলপিজির বাজার স্বাভাবিকের চেয়ে ঊর্ধ্বমুখী। বিষয়টি লক্ষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট বিভাগের সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে পরিস্থিতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।
গতকাল (রবিবার) বিকেল ৩টায় এলপিজির বাজার স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এলপিজি অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে জ্বালানি বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে চলমান এলপিজি সংকট বিষয়ে আলোচনায় পর্যবেক্ষণ গুলো তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে এলপিজি গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা বাজারে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। যদিও বিশ্ব বাজারে মূল্য বৃদ্ধি এবং জাহাজ সংকট ও কিছু কিছু কার্গোর (জাহাজ) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় আমদানি পর্যায়েও কিছু সংকট তৈরি হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, গত নভেম্বর মাসে এলপিজির আমদানির পরিমাণ ছিল এক লাখ ৫ হাজার টন। অথচ ডিসেম্বর মাসে আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার টন। অর্থাৎ আমদানি বৃদ্ধি হলেও বাজারে এলপি গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
সভায় জানানো হয়, দেশের প্রায় ৯৮ ভাগ এলপিজির চাহিদা বেসরকারি খাতের আমদানিকারকদের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। তবে বিভিন্ন বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৩২টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১৫টি কোম্পানি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ লাখ ৫৮ হাজার ১৫২ দশমিক ৪৫ টন এলএনজি আমদানি করতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এ মাসে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি করতে পারে জেনে খুচরা বিক্রেতারা এ সংকট তৈরি করেছে বলে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের নেতা ও আমদানিকারকরা জানিয়েছেন।
গতকাল সন্ধ্যায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ থেকে ১ হাজার ৩০৬ টাকায় বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ইতোমধ্যে গ্রিন ফুয়েল বিবেচনায় অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে উত্থাপিত কিছু দাবির (এলসি সহজীকরণ, আরোপিত ভ্যাট হ্রাস করা ইত্যাদি) বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দাবি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এলপিজি অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সভায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে বলা হয়, এলপিজি অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বাজারে সৃষ্ট কৃত্রিম সংকটের বিষয়ে বিবৃতি প্রদান করবে।
তাছাড়া, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে এলপিজির দাম দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
২২৬ দিন আগে
এলপিজির দাম কমে প্রতি সিলিন্ডার ১,২৭৩ টাকা
ভোক্তা পর্যায়ে আরেক দফা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমে আগস্ট মাসে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১,২৭৩ টাকা।
সিলিন্ডারপ্রতি ৯১ টাকা কমিয়ে রোববার (৩ আগস্ট) নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, আগস্ট মাসের জন্য ১২ কেজির এলপিজির দাম ১,৩৬৪ টাকা থেকে ৯১ টাকা কমিয়ে ১,২৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে ২ জুলাই সর্বশেষ দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩৯ টাকা কমিয়ে ১,৩৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও কমিয়েছে বিইআরসি। আগস্ট মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ৪ টাকা ১৮ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূল্য সংযোজন কর (মূসক)সহ প্রতি লিটার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা।
জুলাই মাসে অটোগ্যাসের দাম ১ টাকা ৮৪ পয়সা কমিয়ে প্রতি লিটার ৬২ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আগস্ট মাসের জন্য সৌদি আরামকোর ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের সৌদি সিপি (কনট্র্যাক্ট প্রাইস) ছিল যথাক্রমে প্রতি মেট্রিক টনে ৫২০ মার্কিন ডলার ও ৪৯০ মার্কিন ডলার। প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ অনুযায়ী গড় সিপি নির্ধারিত হয়েছে ৫০০.৫০ ডলার, যা ভিত্তি ধরে আগস্ট মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম ভোক্তা পর্যায়ে সমন্বয় করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম চার দফা কমেছে, সাত দফা বেড়েছে এবং একবার অপরিবর্তিত ছিল।
৩৮০ দিন আগে
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে কমল ২৮ টাকা
১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে ২৮ টাকা কমিয়ে মার্চ মাসের জন্য ১ হাজার ৪৫০ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে গ্যাসের নতুন এই দাম কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ঘোষণা অনুযায়ী, মাসজুড়ে প্রতি কেজি এলপি গ্যাসের দাম ১২৩ টাকা ১৬ পয়সা থেকে ২ টাকা ৩৫ পয়সা কমে ১২০ টাকা ৮১ পয়সা করা হয়েছে।
অন্যান্য আকারের সাড়ে পাঁচ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত এলপিজি সিলিন্ডারের দামও একই হারে কমবে।
এতে আরও বলা হয়, প্রতি কেজি 'অটো গ্যাস' (মোটরযানে ব্যবহৃত এলপিজি) ৬৭ টাকা ৭৮ পয়সা (ভ্যাটসহ) থেকে কমিয়ে ৬৬ টাকা ৪৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এলপি গ্যাস কোম্পানির বাজারজাত করা এলপিজির দাম বাড়বে না। কারণ এটি স্থানীয়ভাবে ৫ শতাংশের কম বাজার শেয়ার নিয়ে উৎপাদিত হয়।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্থানীয় বাজারে ১২ কেজি এলপিজির সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ হাজার ৪৯৮ টাকা।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকবে: বিইআরসি
৫৩৪ দিন আগে
ডিসেম্বরে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকবে: বিইআরসি
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ডিসেম্বর মাসেও অপরিবর্তিত রয়েছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) জানায়, নভেম্বর মাসের মতো ডিসেম্বর মাসেও প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১২১ টাকা ২৫ পয়সা থাকবে।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রেখেই নতুন দাম ঘোষণা করেছে বিইআরসি।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিইআরসির ঢাকা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অন্যান্য আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সাড়ে ৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত একই হারে নির্ধারিত হবে।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরের এলপিজি মূল্য সমন্বয় আজ
বিইআরসির কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশি এলপিজি অপারেটররা সাধারণত সৌদি সিপির ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের বাজার থেকে তাদের পণ্য আমদানি করায় স্থানীয় বাজারে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অটো গ্যাসের (মোটরযানে ব্যবহৃত এলপিজি) দামও প্রতি লিটার (ভ্যাটসহ) ৬৬ টাকা ৮১ পয়সা রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ৫ শতাংশের কম বাজার শেয়ার নিয়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এলপি গ্যাস কোম্পানির বাজারজাত করা এলপিজির দামও একই থাকবে।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্থানীয় বাজারে এলপিজির সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ হাজার ৪৯৮ টাকা (প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডার)।
আরও পড়ুন: নভেম্বরে এলপিজির দাম প্রায় অপরিবর্তিতই থাকছে
৬২৩ দিন আগে