ফেরি
ইন্দোনেশিয়ায় ফেরিতে আগুন, নিহত ৫, নিখোঁজ বহু
ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের উপকূলে যাত্রীবাহী একটি ফেরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত ২২৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ঠিক কতজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন, তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময় সোমবার (৩ আগস্ট) নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন দেশটির উদ্ধারকারীরা। গতকাল (রবিবার) সকাল ৬টা থেকে ৭টার দিকে সুমেনেপ রিজেন্সির জলসীমায় ফেরিটিতে আগুন লাগে।
‘মুতিয়ারা সেন্টোসা-২’ ফেরিটি ইন্দোনেশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর পূর্ব জাভার সুরাবায়া থেকে দক্ষিণ সুলাওয়েসির মাকাসার শহরের উদ্দেশে যাচ্ছিল।
উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাজটির ম্যানিফেস্ট অনুযায়ী এতে ২৩২ জন যাত্রী ও ৩৯ জন ক্রু সদস্য ছিলেন।
এদিকে, সোমবার সকালে কর্মকর্তারা জানান, ফেরিটিতে ম্যানিফেস্টে উল্লিখিত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ ছিলেন। এখন পর্যন্ত ২২৯ জনকে জীবিত উদ্ধার এবং ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে প্রকৃতপক্ষে কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, এখনও তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংখ্যা নির্ধারণে কর্মকর্তারা নিহত ও জীবিতদের পরিবারের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করছেন।
সুরাবায়া উদ্ধার কার্যালয়ের প্রধান নানাং সিগিত জানান, ইন্দোনেশিয়ায় নৌযান বা ফেরিতে যাত্রীর প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে অনেক সময় ম্যানিফেস্টে উল্লেখিত সংখ্যার মিল থাকে না। নৌযানগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে এমন অসঙ্গতি দেখা দেয়। ফলে এ ধরনের দুর্ঘটনায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে পড়ে।
এদিকে, ফেরিতে আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
ফেরিটিতে ১৮০টি যানবাহনও ছিল। এর মধ্যে বেশিরভাগই ছিল ট্রাক। এছাড়া এতে একটি এক্সকাভেটরও বহন করা হচ্ছিল।
উদ্ধার হওয়া যাত্রী আহমাদ আবদুল করিম জানান, সম্ভবত নিচতলার যানবাহন ডেকে থাকা একটি ট্রাক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘বাতাসের কারণে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। সে সময় ৩০ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে সবাইকে ফেরির সামনের অংশে চলে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।’
ঘটনাস্থলটি সুমেনেপ রিজেন্সির বুরুয়ান সাপুদি দ্বীপের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। এ দুর্ঘটনার পর সুরাবায়া থেকে একটি উদ্ধারকারী নৌযান ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর জাহাজ ও ঘটনাস্থলের আশপাশ দিয়ে যাওয়া বেশ কয়েকটি জাহাজও উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।
ফেরিটি ১৯৯২ সালে জাপানে নির্মাণ করা হয়েছিল। সেখানে কয়েক বছর চলাচলের পর ২০১৫ সালে এটি ইন্দোনেশিয়ায় বিক্রি করা হয়। প্রায় ১৬০ মিটার (৫২৫ ফুট) দীর্ঘ এ ফেরিতে ৬৮৯ জন যাত্রী, ৪৯ জন ক্রু সদস্য এবং সর্বোচ্চ ১৮১টি যানবাহন বহনের সক্ষমতা রয়েছে।
মুতিয়ারা সেন্টোসা-২ নিয়মিত সুরাবায়া-মাকাসার রুটে চলাচল করে। সাধারণত এ যাত্রাপথ অতিক্রম করতে প্রায় ৪০ ঘণ্টা সময় লাগে। জাভা ও সুলাওয়েসি দ্বীপের মধ্যে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে এ রুটটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
১৭ হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত দেশ ইন্দোনেশিয়ায় ফেরি চলাচল অন্যতম প্রধান যাতায়াত ব্যবস্থা। তবে দেশটিতে প্রায়ই নৌদুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনার জন্য দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও তার যথাযথ বাস্তবায়নের ঘাটতিকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
১৩ দিন আগে
ঘন কুয়াশায় দেড় ঘণ্টা বন্ধের পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু
চৈত্রের শেষ দিকে এসেও কুয়াশার কবলে ঢাকা পড়ছে নৌপথ। আকস্মিক কুয়াশায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে আজ শনিবার সকালে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো ফেরিসহ নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল। এ সময় নদী পাড়ি দিতে না পারায় উভয় ঘাটে আটকা পড়ে বেশকিছু যানবাহন। বাড়তি ভোগান্তিতে পড়েন ঢাকামুখি যানবাহনের যাত্রীরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয় জানায়, চৈত্র মাসের শেষ দিকে এসেও ভোরের দিকে আকস্মিক কুয়াশায় নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিমাত্রায় কুয়াশা পড়তে থাকলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে শনিবার ভোর পৌনে ৬টা থেকে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া নৌপথে ফেরিসহ নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় নদী পাড়ি দিতে না পারায় দৌলতদিয়া এবং পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় আটকা পড়ে বেশকিছু যানবাহন। এর মধ্যে যাত্রীবাহী পরিবহনসহ পণ্যবাহী গাড়িও আটকা পড়ে।
সংস্থাটি আরও জানায়, ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি বন্ধ হলে পাটুরিয়া প্রান্তে ৩ নম্বর ঘাটে রো রো (বড়) ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান, ৪ নম্বর ঘাটে ভাষা সৈনিক গোলাম মাওলা কে-টাইপ (মাঝারি) ফেরি, বাইগার ও রো রো ফেরি শাহ মখদুম এবং ৫ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর এবং ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি বনলতা নোঙর করে থাকে। একইভাবে দৌলতদিয়া প্রান্তে ৭ নম্বর ঘাট এলাকায় রো রো ফেরি কেরামত আলী, শাহ পরান ও ইউটিলিটি ফেরি হাসনাহেনা নোঙর করে থাকে। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সকাল সোয়া ৭টার দিকে কুয়াশা কেটে গেলে পুনরায় ফেরি চালু হয়। এক এক করে ঘাট ছাড়তে শুরু করে ফেরিগুলো।
ঢাকাগামী জামান ও সৌহার্দ্য পরিবহনের দৌলতদিয়া ঘাট তত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানান, চৈত্র মাস প্রায় শেষ। এখনও নৌপথে কুয়াশা পড়ছে। ভোরের দিকে আকস্মিকভাবে চারদিকে কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে সামান্য দূরের কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এ সময় কর্তৃপক্ষ ফেরি বন্ধ করে দিলে ঘাটে আমাদের কোম্পানির পরিবহনসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নানা ধরনের গাড়ি আটকা পড়ে। প্রায় দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ফেরি বন্ধ থাকায় আমাদের গাড়িগুলো ঘাটে আটকে থাকে এবং যাত্রীরা বাড়তি ভোগান্তিতে পড়েন।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম জানান, আজ ভোর থেকে নদীপথে আকস্মিকভাবে কুয়াশা পড়তে থাকে। এ সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক সময়ের জন্য ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সকাল সোয়া ৭টার পর ফেরি চালু করা হয়। এ সময় নদী পাড়ি দিতে না পারায় উভয় ঘাটে কিছু গাড়ি আটকা পড়ে। তবে ফেরি সংখ্যা যথেষ্ট থাকায় যানবাহন পারাপারে তেমন বেগ পোহাতে হচ্ছে না।
১২৭ দিন আগে
তিন ঘণ্টা পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু
আকস্মিক কুয়াশায় প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চালু হয়েছে। এর আগে, ভোর ৪টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া দুটি ফেরি মাঝ পদ্মায় ঘন কুয়াশার কবলে আটকা পড়ে।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে পদ্মা নদী অববাহিকা আকস্মিক কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় নৌযান চলাচলে ঝুঁকি দেখা দেয়। এরপর মাঝ নদীতে দুটি ফেরি আটকে পড়ার খবরে সাড়ে ৪টা থেকে ফেরিসহ সকল নৌযান বন্ধ রাখা হয়।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয় জানায়, গতকাল (রবিবার) দিবাগত রাতের পর থেকে পদ্মা অববাহিকায় কুয়াশা পড়তে থাকে। সময়ের সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে, ভোর ৪টার দিকে চারদিকে কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এতে করে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দেখা যায়।
এ সময় দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া এনায়েতপুরী নামক একটি রো রো এবং বাইগার নামক একটি কে-টাইপ ফেরি মাঝ নদীতে কুয়াশার কবলে পড়ে। চারদিকে কিছুই দেখতে না পেয়ে ফেরি দুটি মাঝ নদীতেই নোঙর করে থাকে বলে জানায় বিআইডব্লিউটিসি।
ফেরি নোঙর করে থাকার খবর পেয়ে উপায় না পেয়ে কর্তৃপক্ষ ভোর সাড়ে ৪টা থেকে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া নৌপথে ফেরিসহ নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, এ সময় পাটুরিয়া প্রান্তে ৩ নম্বর ঘাটে রো রো (বড়) ফেরি খানজাহান আলী, কেরামত আলী ও ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি বনলতা নোঙর করে থাকে। একইভাবে, ৪ নম্বর ঘাটে ভাষা সৈনিক ডা. গোলাম মাওলা ও শাহ পরান নামক দুটি রো রো ফেরি এবং ৫ নম্বর ঘাটে রো রো ফেরি শাহ মখদুম ও ইউটিলিটি পেরি হাসনাহেনা নোঙর করে থাকে।
অন্যদিকে, দৌলতদিয়া প্রান্তে ৪ নম্বর ঘাটে কেটাইপ (মাঝারি) ফেরি ঢাকা এবং ৭ নম্বর ঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান নামক একটি রো রো ফেরি নোঙর করে থাকে।
এদিকে, নদী অববাহিকার পাশাপাশি সড়ক ও মহাসড়কেও কুয়াশার কবলে পড়ে যানবাহন। যানবাহনগুলো লাইট জ্বালিয়ে ধীরে ধীরে চলতে থাকে। মাঝে মধ্যে অতিমাত্রায় ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখতে না পেয়ে যানবাহনগুলোকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
সরেজমিন ভোর পাঁচটার দিকে দেখা যায়, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় দূরপাল্লার যানবাহনগুলো সতর্কতার সঙ্গে ধীরে গতিতে চলছে।
মোটরসাইকেল নিয়ে তেল আনতে পাম্পের দিকে যাওয়া রাকিবুল হক নামের এক ব্যক্তি বলেন, দিনের বেলায় অনেক লম্বা লাইন হয় বলে ভোরে রওনা করেছি। কিন্তু কুয়াশার কারণে গাড়ি চালাতে খুব ভয় করছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, কুয়াশায় নদীপথ অন্ধকার হয়ে আসায় নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ভোর চারটার দিকে ঘাট ছেড়ে যাওয়া দুটি ফেরি মাঝ নদীতে কুয়াশার কবলে আটকা পড়লে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সাড়ে ৪টার দিকে ফেরি বন্ধ করা হয়।
প্রায় তিন ঘণ্টা বন্ধের পর সকাল পৌনে ৭টার দিকে কুয়াশা কম দেখে মাঝ নদীতে থাকা ফেরিগুলো ঘাটের দিকে আসে। ঘাটে নোঙরে থাকা ফেরিগুলো একে একে ঘাট ছেড়ে যায় বলে জানান মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন।
১৩৯ দিন আগে
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীর ভিড় বাড়লেও নেই ভোগান্তি
ঈদ উদযাপনে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে। তবে যাত্রীদের চাপ থাকা সত্ত্বেও স্বস্তিতেই চলাচল করতে পারছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকাল থেকেই এ নৌপথে ফেরি ও লঞ্চ পারাপারের যাত্রীদের চাপ বাড়তে থাকে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদযাত্রায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহন পারাপারে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ চলাচল করছে।
এর ফলে ঘাট এলাকায় ফেরি কিংবা লঞ্চের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। অনায়াসেই লঞ্চ-ফেরিতে উঠতে পেরে স্বস্তি জানিয়েছেন যাত্রীরা।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে নেই যানজট
জেলা পুলিশ সুপার ইয়াসমিন আক্তার জানান, ঘাটের নিরাপত্তা ও যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ, নৌপুলিশসহ আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাম হোসেন জানান, বর্তমানে নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথে পদ্মা নদীর অববাহিকায় তীব্র স্রোত রয়েছে। এ কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ফেরি চলাচলে কিছুটা বেশি সময় লাগছে। তবে ফেরির সংখ্যা বেশী থাকায় যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
৪৩৭ দিন আগে
ঈদযাত্রায় প্রস্তুত পাটুরিয়া-আরিচা ঘাটের ফেরি ও লঞ্চ
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার খ্যাত সড়ক যোগাযোগের মাধ্যম পাটুরিয়া ও উত্তর বঙ্গে যাওয়ার অন্যতম নৌ-রুট আরিচা ঘাট। এছাড়া প্রতিদিন পাটুরিয়া ঘাট দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী ২১ জেলার যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করে।
তাই ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ২৩টি ফেরি যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে নিয়োজিত থাকবে।
পাশাপাশি মানিকগঞ্জের ৩৬ কিলোমিটার সড়কপথ, আরিচা, পাটুরিয়া নৌপথে ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে মোতায়েন থাকবে ৬০০ পুলিশ। চালু থাকবে টেলিফোন সেবাও।
এরই মধ্যে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, পরিবহন খাতের নেতারাসহ সংশ্লিষ্ট ঘাট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় সভা হয়েছে।
সভায় নানামুখী সিদ্ধান্তের মধ্যে পাটুরিয়া ঘাটে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামলাতে ঘাটের উত্তর পার্শ্বে বিআরটিসি টার্মিনাল ব্যবহার করা হবে। মহাসড়ক ও সংযোগ রাস্তায় বালু ও মাটিবাহী কোনো ট্রাক চলাচল করতে পারবে না। নিরাপত্তায় জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন ছাড়াও স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সেবা দেবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) অতিরিক্ত জেনারেল ম্যানেজার (এজিম) আব্দুস ছালাম বলেন, ‘ঈদে যাত্রী-যানবাহন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পারাপারের জন্য পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ারুটে ১৭টি ফেরি ও আরিচা-কাজীরহাট রুটে ৬টি ছোট-বড় ফেরি সচল রাখা হয়েছে। ফেরিতে যানবাহন ওঠানামায় ঘাটের পন্টুন, অ্যাপ্রোচ সড়কের সংস্কার কাজ করা হয়েছে। যানজট নিরসনে ঘাটের এক কিলোমিটার পর্যন্ত ওয়ানওয়ে পদ্ধতিসহ ছোট ও বড় গাড়ির জন্য রাখা হচ্ছে আলাদা লেনের ব্যবস্থা। ঈদের চারদিন আগ থেকে বন্ধ থাকবে পন্যবাহী ট্রাক পারাপার।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় ভোগান্তি ছাড়াই ভ্রমণ করছেন যাত্রীরা
পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটের সুপারভাইজার পান্না লাল বলেন, ‘ঈদযাত্রায় যাত্রীদের বড় একটি অংশ পারাপার হয় লঞ্চে। তাই ত্রুটিমুক্ত করা হয়েছে দুই রুটে ৩২টি লঞ্চ। এছাড়া পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ২০টি ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ১২টি লঞ্চ চলবে।’
৫১০ দিন আগে
দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর দুই নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু
ঘন কুয়াশার কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে দুই ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে কুয়াশার প্রকোপ কমে গেলে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ও সাড়ে ৮টায় আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অঞ্চলের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম ) নাসির চৌধুরী জানান, বুধবার ভোর ৬টায় ঘন কুয়াশার প্রকোপ বেড়ে পুরো নৌপথ ঢেকে যায়। এতে নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় মাঝ নদীতে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে আটকা পড়ে গৌরি নামে একটি ফেরি। অন্য ১২টি ফেরি উভয়ঘাটে আটকিয়ে রাখা হয়।
আরও পড়ুন: আজও ঘন কুয়াশায় দুই নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
এদিকে, একই কারণে আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ভোর সাড়ে ৬টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় কাজিরহাট থেকে আরিচা আসার পথে মাঝ নদীতে আটকে পড়ে হামিদুর রহমান, শাহ আলী ও চিত্রা নামের তিনটি ফেরি। এছাড়া আরিচা থেকে কাজিরহাট যাওয়ার পথে ধানসিঁড়ি নামে অপর ফেরিটিও মাঝ নদীতে আটকে পড়ে।
ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চারটি ঘাটে তিন শতাধিক যানবাহন পারের অপেক্ষায় থাকতে হয়। কুয়াশার প্রকোপ কমে গেলে সকাল ৮টায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ও সাড়ে ৮টায় আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। ঘাটে আটকে থাকা যানবাহনগুলো পারাপার শুরু করে।
৫৫০ দিন আগে
৯ ঘণ্টা পর দুই নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
ঘন কুয়াশায় মানিকগঞ্জের আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
আরিচা সেক্টরের ডিজিএম নাসির চৌধুরী জানান, মধ্যরাত থেকে পদ্মা ও যমুনা নদীর অববাহিকায় ঘন কুয়াশার প্রকোপ বাড়তে থাকায় নৌদুর্ঘটনা এড়াতে রাত দেড়টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ সময় মাঝ নদীতে আটকে পড়ে বরকত ও কপোতী নামে দুটি ফেরি। এছাড়া ঘন কুয়াশায় আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটেও রাত দেড়টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ সময় মাঝ নদীতে যানবাহন নিয়ে নোঙর করে রাখা হয় খান জাহান আলী ও চিত্রা নামে দুটি ফেরি।
ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, পাটুরিয়ায় ৬টি ও দৌলতদিয়া ৪টি এবং আরিচাঘাটে ৩টি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন বোঝাই করে আটকে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঘন কুয়াশায় ২ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি
এদিকে, ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ৪টি ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে পাঁচ শতাধিক যানবাহন। এর মধ্যে চার শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক, বাকিগুলো যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস।
আরিচা সেক্টরের ডিজিএম নাসির চৌধুরী জানান, সকাল সাড়ে ১০টায় ঘন কুয়াশার প্রকোপ কমে যাওয়ায় মানিকগঞ্জের আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথমে যাত্রীবাহী বাসসহ ব্যক্তিগত যানবাহন প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে পন্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হবে।
৫৬৯ দিন আগে
ঘন কুয়াশায় ১১ ঘণ্টা বন্ধের পর দুই নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ১০ ঘণ্টা ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ১১ ঘন্টা বন্ধ থাকার ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম নাসির চৌধুরী জানান, শনিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকে আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে কুয়াশার প্রকোপ বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টায় কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে পুরো নৌপথ ঢেকে যায়। এতে চ্যানেলের বিকন বাতিসহ নৌচ্যানেল অস্পষ্ট হয়ে যায়।
বাধ্য হয়ে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় মাঝ নদীতে খান জাহান আলী নামে একটি রো রো ফেরি যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে আটকে পড়ে।
আরও পড়ুন: কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়াো ও আরিচা-কাজিরহাটে ফেরি চলাচল বন্ধ
এছাড়া আরিচা ঘাটে চিত্রা, কৃষাণী ও শাহ আলী নামে তিনটি ফেরি ও কাজিরহাট ঘাটে ধানসিঁড়ি নামে অপর একটি ফেরিকে আটকে রাখা হয়েছে।
এদিকে, রাত ১টায় কুয়াশার তীব্রতায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেসময় মাঝ নদীতে আটকে পড়ে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ও বাইগার নামে দুইটি ফেরি। এছাড়া পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটে মোট ৮টি ফেরি আটকে রাখা হয়েছে।
ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উভয় ঘাটে তিন শতাধিক যানবাহন পারের অপেক্ষায় আটকে পড়ে। কুয়াশা কমে গেলে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আরিচা-কাজিরহাট ও বেলা ১১টার দিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। বহরে অতিরিক্ত চারটি ফেরি যুক্ত করা হয়েছে।
ডিজিএম নাসির চৌধুরী জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিত্বে যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস পারাপার করা হবে। পর্যায়ক্রমে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার হবে।
আরও পড়ুন: ৯ ঘণ্টা পর দুই নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু
৫৮৮ দিন আগে
৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক
ঘন কুয়াশায় তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রবিবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। এদিকে, দুই ঘণ্টা বন্ধের পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সময় মাঝ নদীতে আটকে পড়া ফেরিগুলোও ঘাটে পৌঁছেছে। ঘাটে আটকে পড়া যানবাহনগুলো পারাপার শুরু করেছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা সেক্টরের ডিজিএম নাসির চৌধুরী জানান, ঘন কুয়াশায় রবিবার ভোর সাড়ে ৬টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় মাঝ নদীতে আটকে পড়ে হাসনা হেনা ও কেরামত আলী নামে দুইটি ফেরি। এছাড়া পাটুরিয়াঘাটে ৬টি ও দৌলতদিয়াঘাটে ২টি ফেরি যাত্রী ও যানবাহনবোঝাই করে আটকে রাখা হয়।
আরও পড়ুন: ৬ ঘণ্টা পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু
এছাড়া ঘন কুয়াশায় আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটেও রবিবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ সময় মাঝ নদীতে যানবাহন নিয়ে নোঙর করে রাখা হয় খান জাহান আলী নামে একটি ফেরি। এছাড়া আরিচাঘাটে আরও তিনটি ও কাজিরহাট ঘাটে একটি ফেরি আটকিয়ে রাখা হয়।
ঘন কুয়াশার প্রকোপ কমে যাওয়ায় সকাল সাড়ে ৮টায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় এবং সকার ৯টায় আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এদিকে, ফেরি চলাচল শুরু হওয়ায় চারটি ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আটকে থাকা যানবাহনগুলো পারাপার শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: ঘন কুয়াশায় ২ নৌরুটে চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি
৬০২ দিন আগে
ঘন কুয়াশায় ২ নৌরুটে চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি
ঘন কুয়াশায় মানিকগঞ্জের আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। মাঝ নদীতে আটকে আছে চারটি ফেরি। চার ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে তিন শতাধিক যানবাহন।
বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘন কুয়াশায় বুধবার(১১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ৩টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসময় মাঝ নদীতে আটকে পড়ে শাহপরান ও এনায়েতপুরী নামে দুইটি ফেরি।
এছাড়া ঘন কুয়াশার কারণে আরেক নৌরুট আরিচা-কাজিরহাটে রাত ১২টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এসময় মাঝ নদীতে যানবাহন নিয়ে নোঙর করে রাখা হয় হামিদুর রহমান ও কৃষাণী নামে দুইটি ফেরি।
আরও পড়ুন: আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে আবারও ফেরি চলাচল বন্ধ
এছাড়া পাটুরিয়াঘাটে ৪টি ও দৌলতদিয়াঘাটে ৬টি ফেরি এবং আরিচাঘাটে যাত্রী ও যানবাহন বোঝাই আরও চারটি ফেরি আটকে রাখা হয়েছে বলেও জানান ঘাট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, মধ্য রাত থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চারটি ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে তিন শতাধিক যানবাহন। এর মধ্যে দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক, বাকীগুলো যাত্রীবাহী বাস। এছাড়াও প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস রয়েছে।
এদিকে, ঘন কুয়াশায় ফেরি বন্ধ হয়ে পড়ায় ঘাটগুলোতে আটকে পড়া যাত্রীরা কনকনে শীতে দুর্ভোগে পড়েছেন। নদী পার হতে আসা বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সে রোগীরাও আটকে পড়েছেন।
আরিচা সেক্টরের ডিজিএম নাসির চৌধুরী জানান, ঘন কুয়াশা প্রাকৃতিক বিষয়। কুয়াশা না কেটে যাওয়া পর্যন্ত ফেরি চালানো সম্ভব হবে না। ফেরিতে উচ্চ মাত্রা ফগ লাইট লাগানো থাকলেও সেগুলো কাজে আসছে না বলেও জানান কর্তৃপক্ষ।
কুয়াশার প্রকোপ কেটে গেলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন: কুয়াশায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা বন্ধের পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চালু
৬১২ দিন আগে