প্রতিমন্ত্রী
রেলে বেসরকারি বিনিয়োগের ব্যাপারে সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, রেলওয়ের লাইন, সিস্টেম ও প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শুধু লোকোমোটিভ (স্বচালিত রেলযান) ও কোচ পরিচালনায় বেসরকারি বিনিয়োগে উৎসাহিত করার ব্যাপারে সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ বাস্তবায়ন করা গেলে লোকোমোটিভ এবং কোচ আমদানির সময় সংক্ষিপ্ত করা সম্ভব হবে। সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য এবং রেলের সমস্যাগুলো দূর করতে আরও দুই বছর সময় প্রয়োজন লাগবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সিটি করপোরেশনের শহীদ শাহাবউদ্দিন হলরুমে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি মাত্র তিন মাস হয় সরকারে এসেছে। আমাদের অনেক ধরনের সমস্যা রয়েছে। সমস্যাগুলোকে উত্তরণ করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই, কারণ জনগণের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমাদের রেলের লোকোমেটিভ, ইঞ্জিন, কোচ এগুলোর স্বল্পতা রয়েছে। রেলের যে সমস্যাগুলো রয়েছে আমাদের সক্ষমতা সীমাবদ্ধ রয়েছে। আমরা এই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্ঠা করছি।
সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ময়মনসিংহের রেল যোগাযোগ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটসহ সারা বাংলাদেশে ডুয়েলগেজ ডবল রেল লাইন, ঢাকার সঙ্গে নতুন একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা, ময়মনসিংহ স্টেশনের আধুনিকায়ন ও রিমডেলিং, যানজট নিরসনে লেভেল ক্রসিংগুলোর আধুনিকায়ন, বন্ধ লোকাল ট্রেন চালুকরনের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ, ইঞ্জিন সঙ্কট দূরীকরণসহ যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধি করার বিষয়টি পরিকল্পনায় রয়েছে।
ভবিষ্যতে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মতবিনিময়ের আগে সিটি করপোরেশনের নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদান কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। এর আগে, মন্ত্রী ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে ফুটওভার ব্রিজের স্থান ও বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শন করেন।
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকনের সভাপতিত্বে সভায় সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলুসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১২ দিন আগে
দেশের অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ২৫ এপ্রিল, (ইউএনবি)— প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের অর্থনীতি মজবুত করতে এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য এ খাতের কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ বছর ‘ভেটেরিনারিয়ান্স: গার্ডিয়ান্স অব ফুড অ্যান্ড হেলথ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬’।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ আজকের বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভেটেরিনারি পেশাজীবীরা মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে আরও সচেতন হচ্ছে। একসময় ভেটেরিনারি পেশাকে ততটা গুরুত্ব দেওয়া না হলেও বর্তমানে এ খাতে মানুষের আগ্রহ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে ভেটেরিনারি শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণীরা তাদের সমস্যা প্রকাশ করতে পারে না। তাই তাদের চিকিৎসা ও সুস্থ্ রাখা অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং কাজ। এ খাতে যারা কাজ করছেন তারা অত্যন্ত মেধাবী ও যোগ্য।
তিনি আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। বর্তমান সরকারও এ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ও ভেটেরিনারি সায়েন্স বর্তমানে একটি জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা পারস্পরিক আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এর কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করব। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে সকল সমস্যা সমাধান সম্ভব এবং সবাই সমানভাবে উপকৃত হবে।
সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত কৃষক কার্ডের আওতায় আসছে। ফলে কৃষকদের মতো এ খাতের খামারিরাও সমান সুবিধা পাবেন।
এ সময় দেশের উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভ্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ভ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আবদুর রহিম।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আরিফুল ইসলাম। এ সময় ভেটেরিনারি পেশার সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভেটেরিনারিয়ানরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাপ্ত/ইউএনবি/সংবি/কেএন/একেডি
৩১ দিন আগে
জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা ১১টায় চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন প্রাণীর খাঁচা, প্রাণিচিকিৎসা কেন্দ্র ও ওষুধ সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন। প্রথমে প্রাণী পুষ্টি শাখায় গিয়ে প্রাণীদের খাবারের মান ও পরিমাণ যাচাই করেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে প্রাণীদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচর্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।
পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল চিড়িয়াখানার পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা ও কোনো ধরনের ত্রুটি রয়েছে কি না তা সরেজমিনে দেখা। এ সময় তিনি দর্শনার্থীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়ে জানতে চান।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানী ও আশপাশের জেলা থেকে আসা হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে চিড়িয়াখানা ছিল মুখর। প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রদর্শনী এলাকায় ছিল উপচে পড়া ভিড়। পরিবার-পরিজন ও শিশুদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বেদখল হওয়া চিড়িয়াখানার প্রায় ৭ একর জমি দ্রুত পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে পাবলিক টয়লেট বৃদ্ধি, দর্শনার্থীদের বসার স্থান সম্প্রসারণ, রাস্তাঘাট মেরামত, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং পশুপাখির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বর্তমান বাজেটের মধ্যেই দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ শুরু করতে হবে।
আকস্মিক পরিদর্শন সম্পর্কে সালাউদ্দিন টুকু বলেন, চিড়িয়াখানায় কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা রয়েছে কি না তা দেখতেই তিনি হঠাৎ করে এসেছেন। তিনি বলেন, কাউকে না জানিয়ে এখানে এসেছি, যাতে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায়। পরিচ্ছন্নতা, বসার ব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুবিধা বাড়াতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন কিছু প্রাণী আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাণীদের খাদ্য সরবরাহ সন্তোষজনক হলেও দর্শনার্থীরা আরও উন্নত পরিবেশ প্রত্যাশা করেন। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিড়িয়াখানাকে আরও সংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে হবে, এটি একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প। সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে এটিকে লাভজনক ও দর্শনার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।
এ সময় প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
৬০ দিন আগে
আট প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন
প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে সরকারের আটজন প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩বি (আইআই) বিধি অনুযায়ী এই পুনবর্ণ্টন করা হয়েছে।
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদকে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফারজানা শারমীনকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. নুরুল হককে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, অপর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে বর্তমান পদের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয়েছিল।
৮৩ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার কে কোন দায়িত্ব পেলেন
প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দপ্তর বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচ জন উপদেষ্টার মধ্যে তিন জনকে রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।
মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জনপ্রশাসন ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচজন উপদেষ্টাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও ক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে; ডা. জাহেদ উর রহমানকে পলিসি ও স্ট্রাটেজি; মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেহান আসিফ আসাদকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সরকার গঠন করে বিএনপি। ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
এর মাধ্যমে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ওইদিনই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় ১০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।
৯১ দিন আগে
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হলেন সুফিউর
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক কূটনীতিক মোহাম্মদ সুফিউর রহমান। সুফিউর রহমান প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় এই নিয়োগ পেলেন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
রবিবার (২০ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে।
অবসরে যাওয়ার আগে সাবেক কূটনীতিক সুফিউর রহমান জেনেভায় জাতিসংঘের দপ্তরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়া ও মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশন গঠনে সৎ-দক্ষ লোক নিয়োগ করা হবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বিশেষ সহকারী হিসেবে সুফিউর রহমানকে নিয়োগদান করেছেন। রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬ অনুযায়ী উপদেষ্টাকে সহায়তার জন্য সুফিউর রহমানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
এছাড়া বিশেষ সহকারী পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে সুফিউর রহমান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন–ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ–সুবিধা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
৪০১ দিন আগে
আপনাদের কর্মকাণ্ডে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে: জর্ডানগামীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী
বিনা অভিবাসন ব্যয়ে জর্ডানগামী ৪৮ নারী কর্মীর উদ্দেশে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ‘আপনাদের কর্মকাণ্ডে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা একেকজন দেশের প্রতিনিধি, বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর। আপনাদের কাজ, চলাফেরা ও ব্যবহারে দেশের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। আশা করি, আপনারা আপনাদের পরিবারের আর্থিক উন্নতির জন্য কাজ করবেন। বৈধ পথে আপনাদের অর্জিত রেমিট্যান্স দেশে পাঠাবেন, যা আপনাদের পরিবার ও দেশের উন্নয়নে কাজ লাগবে।’
আরও পড়ুন: পুলিশের পোশাক পরে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
সোমবার (২৯ জুলাই) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিনা অভিবাসন ব্যয়ে বোয়েসেলের মাধ্যমে জর্ডানগামী ৪৮ নারী কর্মীকে সেন্ড-অফ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়- এমন যেকোনো কাজ থেকে নিজেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতে যারা বিদেশ যেতে চায় তাদের জন্য আপনারা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবেন। আপনারা তাদের উদ্বুদ্ধ করবেন যাতে সবাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে বিদেশে যায়।’
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট ও শ্রমবাজারকে সংকটে ফেলত এখন একটা মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে- এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে সিংহভাগ প্রবাসীদের অবদান। আমি সবাইকে দেশবিরোধী অপপ্রচার থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করব। আমরা জনগণশক্তিকে সম্পদে রূপান্তর করতে কাজ করছি।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার কমোডর সাদিকুর রহমান চৌধুরী, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মল্লিকা আনোয়ার, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বোয়েসেলের মাধ্যমে বিনা খরচে এখন পর্যন্ত ১৩টি দেশে গিয়েছেন মোট ১৫ হাজার ৫৫৮ জন বাংলাদেশি।
আরও পড়ুন: সাম্প্রতিক ঘটনা সারা পৃথিবীতে ভিন্নভাবে প্রচার হয়েছে যা দুঃখজনক: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
দেশবিরোধী জামায়াত-বিএনপি ও ইউনূসদের রুখে দিতে হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী
৬৬৬ দিন আগে
অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিয়ে করেছেন প্রধানমন্ত্রী: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোরারোপ করেছেন জানিয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ‘তার নির্দেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে কাজ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।’
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সভায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।
আরও পড়ুন: বোতলজাত পানির দাম বাড়ার কারণ অনুসন্ধান করা হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রপ্তানির বাজার বহুমুখী করতে কমার্শিয়াল কাউন্সিলরদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে আমাদের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।’
বাংলাদেশের ট্রেড নেগোশিয়েশনে সক্ষমতা বাড়াতে ইউএনডিপি, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান সহযোগিতা করতে আগ্রহী বলে এসময় জানান বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘এছাড়া ট্যারিফ কমিশনকে আরও সক্ষম করে গড়ে তুলতে বিশ্বব্যাংক আগ্রহ দেখিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের সকলকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।’
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন নতুন অর্থবছরের প্রথম দিন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী যে ভিশন দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সকলে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
এসময় মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা সেলের যুগ্মসচিব শায়লা ইয়াসমিন, টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম, উপসচিব ফিরোজ আল মামুনসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শহরের নির্ধারিত আয়ের মানুষ খুব বেশি চাপে আছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
নিত্যপণ্য আমদানি করতে ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমারের সঙ্গেও চুক্তি হচ্ছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
৬৯৪ দিন আগে
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় মালয়েশিয়া
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতে মালয়েশিয়া বিনিয়োগ বাড়াতে চায় বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রী পলকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ আগ্রহের কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনা মো. হাসিম।
সাক্ষাৎ শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদেশিরা বিনিয়োগ করতে ও বাড়াতেই চায়, কিন্তু নানা শুল্ক, বাড়তি কর ও বাড়তি মূসক এই খাতের অগ্রগতিকে ধীর করে দিচ্ছে। এ নিয়ে রাজস্ব বোর্ডের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে আশা করি।’
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোতে গাফিলতির তদন্ত করা হবে: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ান কোম্পানি আমাদের আইসিটি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। পারস্পরিকভাবে সে পরিবেশ তৈরিতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে বিশ্বাস করে মালয়েশিয়া। নতুন করে রাজস্ব না বাড়িয়ে সেবার মান বাড়লে আইসিটি সেক্টরে নতুন খাত তৈরি হবে। এতে রাজস্ব আহরণ ও বিনিয়োগ বাড়বে।’
৭০৫ দিন আগে
নারীর জীবনমানের উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রতিমন্ত্রী
নারীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন (রিমি)।
মঙ্গলবার (১১ জুন) বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে (আইসিভিজিডি) প্রকল্পের অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়ন্স অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেছেন শেখ হাসিনা
অনুষ্ঠানে আইসিভিজিডি প্রকল্পের অধীনে ৯৬ হাজার ৯২৮ জন নারীকে জিটুপি (গভর্নমেন্ট টু পার্সন) পদ্ধতিতে আয় বর্ধক কার্যক্রম বা ব্যবসা পরিচালনার জন্য জনপ্রতি এককালীন ২০ হাজার টাকা করে মোট ১৯৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকার অনুদান দেওয়া হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই অনুদানের মাধ্যমে নারীদের স্বতন্ত্রভাবে সমর্থনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
সিমিন হোসেন বলেন, নারীদের উন্নয়নে এবং দেশের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার এমন সুযোগ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডমেনিকো স্কালপেল্লি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারক, মহিলা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কেয়া খানসহ মন্ত্রণালয়ের অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, চলমান আইসিভিজিডি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশজুড়ে এক লাখ নারীকে উপকারভোগী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে নগদ অর্থ অনুদান, প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল, পাঁচটি নির্ধারিত বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং একটি বিশেষ মডিউলের অধীনে উপকারভোগীর নিজের পছন্দ ও সুবিধাজনক একটি বিষয়ে উন্নত মানের প্রশিক্ষণ ও ব্যবসা পরিকল্পনা তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বাল্যবিবাহ হলো আমাদের সম্পদের অপচয়: সিমিন হোসেন
আত্মহত্যা নিরসনে সরকারি-বেসরকারি সবার প্রচেষ্টা প্রয়োজন: সিমিন হোসেন
৭১৪ দিন আগে