প্রতিমন্ত্রী
আট প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন
প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে সরকারের আটজন প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩বি (আইআই) বিধি অনুযায়ী এই পুনবর্ণ্টন করা হয়েছে।
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদকে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফারজানা শারমীনকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. নুরুল হককে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, অপর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে বর্তমান পদের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয়েছিল।
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার কে কোন দায়িত্ব পেলেন
প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দপ্তর বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচ জন উপদেষ্টার মধ্যে তিন জনকে রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।
মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জনপ্রশাসন ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচজন উপদেষ্টাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও ক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে; ডা. জাহেদ উর রহমানকে পলিসি ও স্ট্রাটেজি; মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেহান আসিফ আসাদকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সরকার গঠন করে বিএনপি। ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
এর মাধ্যমে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ওইদিনই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় ১০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।
১০ দিন আগে
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হলেন সুফিউর
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক কূটনীতিক মোহাম্মদ সুফিউর রহমান। সুফিউর রহমান প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় এই নিয়োগ পেলেন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
রবিবার (২০ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে।
অবসরে যাওয়ার আগে সাবেক কূটনীতিক সুফিউর রহমান জেনেভায় জাতিসংঘের দপ্তরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়া ও মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশন গঠনে সৎ-দক্ষ লোক নিয়োগ করা হবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বিশেষ সহকারী হিসেবে সুফিউর রহমানকে নিয়োগদান করেছেন। রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬ অনুযায়ী উপদেষ্টাকে সহায়তার জন্য সুফিউর রহমানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
এছাড়া বিশেষ সহকারী পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে সুফিউর রহমান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন–ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ–সুবিধা পাবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
৩২০ দিন আগে
আপনাদের কর্মকাণ্ডে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে: জর্ডানগামীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী
বিনা অভিবাসন ব্যয়ে জর্ডানগামী ৪৮ নারী কর্মীর উদ্দেশে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ‘আপনাদের কর্মকাণ্ডে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা একেকজন দেশের প্রতিনিধি, বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর। আপনাদের কাজ, চলাফেরা ও ব্যবহারে দেশের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। আশা করি, আপনারা আপনাদের পরিবারের আর্থিক উন্নতির জন্য কাজ করবেন। বৈধ পথে আপনাদের অর্জিত রেমিট্যান্স দেশে পাঠাবেন, যা আপনাদের পরিবার ও দেশের উন্নয়নে কাজ লাগবে।’
আরও পড়ুন: পুলিশের পোশাক পরে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
সোমবার (২৯ জুলাই) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিনা অভিবাসন ব্যয়ে বোয়েসেলের মাধ্যমে জর্ডানগামী ৪৮ নারী কর্মীকে সেন্ড-অফ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়- এমন যেকোনো কাজ থেকে নিজেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতে যারা বিদেশ যেতে চায় তাদের জন্য আপনারা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবেন। আপনারা তাদের উদ্বুদ্ধ করবেন যাতে সবাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে বিদেশে যায়।’
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট ও শ্রমবাজারকে সংকটে ফেলত এখন একটা মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে- এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে সিংহভাগ প্রবাসীদের অবদান। আমি সবাইকে দেশবিরোধী অপপ্রচার থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করব। আমরা জনগণশক্তিকে সম্পদে রূপান্তর করতে কাজ করছি।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার কমোডর সাদিকুর রহমান চৌধুরী, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মল্লিকা আনোয়ার, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বোয়েসেলের মাধ্যমে বিনা খরচে এখন পর্যন্ত ১৩টি দেশে গিয়েছেন মোট ১৫ হাজার ৫৫৮ জন বাংলাদেশি।
আরও পড়ুন: সাম্প্রতিক ঘটনা সারা পৃথিবীতে ভিন্নভাবে প্রচার হয়েছে যা দুঃখজনক: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
দেশবিরোধী জামায়াত-বিএনপি ও ইউনূসদের রুখে দিতে হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী
৫৮৫ দিন আগে
অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিয়ে করেছেন প্রধানমন্ত্রী: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোরারোপ করেছেন জানিয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, ‘তার নির্দেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে কাজ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।’
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সভায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।
আরও পড়ুন: বোতলজাত পানির দাম বাড়ার কারণ অনুসন্ধান করা হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রপ্তানির বাজার বহুমুখী করতে কমার্শিয়াল কাউন্সিলরদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে আমাদের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।’
বাংলাদেশের ট্রেড নেগোশিয়েশনে সক্ষমতা বাড়াতে ইউএনডিপি, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান সহযোগিতা করতে আগ্রহী বলে এসময় জানান বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘এছাড়া ট্যারিফ কমিশনকে আরও সক্ষম করে গড়ে তুলতে বিশ্বব্যাংক আগ্রহ দেখিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের সকলকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।’
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন নতুন অর্থবছরের প্রথম দিন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী যে ভিশন দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সকলে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
এসময় মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা সেলের যুগ্মসচিব শায়লা ইয়াসমিন, টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম, উপসচিব ফিরোজ আল মামুনসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শহরের নির্ধারিত আয়ের মানুষ খুব বেশি চাপে আছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
নিত্যপণ্য আমদানি করতে ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমারের সঙ্গেও চুক্তি হচ্ছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
৬১৩ দিন আগে
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় মালয়েশিয়া
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতে মালয়েশিয়া বিনিয়োগ বাড়াতে চায় বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রী পলকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ আগ্রহের কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনা মো. হাসিম।
সাক্ষাৎ শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদেশিরা বিনিয়োগ করতে ও বাড়াতেই চায়, কিন্তু নানা শুল্ক, বাড়তি কর ও বাড়তি মূসক এই খাতের অগ্রগতিকে ধীর করে দিচ্ছে। এ নিয়ে রাজস্ব বোর্ডের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে আশা করি।’
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোতে গাফিলতির তদন্ত করা হবে: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ান কোম্পানি আমাদের আইসিটি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী। পারস্পরিকভাবে সে পরিবেশ তৈরিতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে বিশ্বাস করে মালয়েশিয়া। নতুন করে রাজস্ব না বাড়িয়ে সেবার মান বাড়লে আইসিটি সেক্টরে নতুন খাত তৈরি হবে। এতে রাজস্ব আহরণ ও বিনিয়োগ বাড়বে।’
৬২৪ দিন আগে
নারীর জীবনমানের উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রতিমন্ত্রী
নারীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন (রিমি)।
মঙ্গলবার (১১ জুন) বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে (আইসিভিজিডি) প্রকল্পের অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়ন্স অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেছেন শেখ হাসিনা
অনুষ্ঠানে আইসিভিজিডি প্রকল্পের অধীনে ৯৬ হাজার ৯২৮ জন নারীকে জিটুপি (গভর্নমেন্ট টু পার্সন) পদ্ধতিতে আয় বর্ধক কার্যক্রম বা ব্যবসা পরিচালনার জন্য জনপ্রতি এককালীন ২০ হাজার টাকা করে মোট ১৯৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকার অনুদান দেওয়া হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই অনুদানের মাধ্যমে নারীদের স্বতন্ত্রভাবে সমর্থনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
সিমিন হোসেন বলেন, নারীদের উন্নয়নে এবং দেশের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার এমন সুযোগ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডমেনিকো স্কালপেল্লি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারক, মহিলা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কেয়া খানসহ মন্ত্রণালয়ের অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, চলমান আইসিভিজিডি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশজুড়ে এক লাখ নারীকে উপকারভোগী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে নগদ অর্থ অনুদান, প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল, পাঁচটি নির্ধারিত বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং একটি বিশেষ মডিউলের অধীনে উপকারভোগীর নিজের পছন্দ ও সুবিধাজনক একটি বিষয়ে উন্নত মানের প্রশিক্ষণ ও ব্যবসা পরিকল্পনা তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বাল্যবিবাহ হলো আমাদের সম্পদের অপচয়: সিমিন হোসেন
আত্মহত্যা নিরসনে সরকারি-বেসরকারি সবার প্রচেষ্টা প্রয়োজন: সিমিন হোসেন
৬৩৩ দিন আগে
টেলিযোগাযোগ আইন সময়োপযোগী ও বিনিয়োগবান্ধব হবে: টিআরএনবির সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী
নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিতে সরকার সময়োপযোগী, ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব টেলিযোগাযোগ আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বুধবার (৫ জুন) টিআরএনবি (টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এ তথ্য জানান তিনি।
‘রিফরম অব দ্য টেলিকমিউনিকেশন ল, ২০০১’ শিরোনামে এ বৈঠকে যৌথ আয়োজক ছিল অ্যামটব (অ্যাসোসিয়েসন অব মোবাইল অপারেটরস অব বাংলাদেশ)।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রস্তুত করা খসড়ায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে চূড়ান্ত আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানান পলক।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পূর্ণ স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের প্রয়োজন আছে। একইসঙ্গে তাদেরও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে হবে।’
খসড়া আইনের যেসব বিষয় ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব হবে না, সেগুলো সংশোধনের আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো অংশীজন ও দেশের জনসাধারণের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, এমন যা কিছু এই খসড়া আইনে আছে, তা অপসারণ করার উদ্যোগ নেব। এক্ষেত্রে ভারত ও ভিয়েতনামের আইসিটি আইন আমরা অনুসরণ করতে পারি। দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে একটি সময়োপযোগী আইন করা হবে যা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়ক হবে।’
তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী সেমিনারে আলোচকদের প্রস্তাব অনুযায়ী খসড়া আইনের ২টি ধারা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেন। এ দুটি ধারা হচ্ছে ৭(৩) ও ২৬(ঙ)।
৭(৩) ধারায় বিটিআরসির কমিশনারদের অপসারণের ক্ষমতা মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে এবং ২৬(ঙ) ধারায় সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন প্লাটফর্ম পরিচালনার জন্য বিটিআরসি থেকেও লাইসেন্স নেওয়ার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।
সেমিনারে ৭(৩) ধারার সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, এ ধারার মাধ্যমে বিটিআরসির স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন চরমভাবে ব্যাহত হবে। অন্যদিকে ২৬(ঙ) ধারা দেশে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা ও অন্যান্য উদ্ভাবনকে জটিলতায় ফেলবে।
একই সঙ্গে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক পরিচালনায় গঠিত বিটিআরসির কাজ ডিজিটাল সার্ভিসের ক্ষেত্রে বিস্তৃত করা হলে বিটিআরসির স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনেও বড় ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন বক্তারা।
এ দুটি সমালোচনাকে ইতিবাচক উল্লেখ করে দুটি ধারাই বাদ দেওয়ার ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।
খসড়া আইন নিয়ে বিশিষ্ট অংশীজনদের সুপারিশ করা খসড়া পর্যালোচনার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি তৈরি করেন প্রতিমন্ত্রী। কমিটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে সুপারিশ জমা দিতে বলেন। এই কমিটির সুপারিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনারও আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।
সেমিনারে বিটিআরসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নতুন আইনের কারণে কেউ যেন কোনো সমস্যায় না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।’
বেসরকারি মোবাইল অপারেটরদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আপনাদের সার্ভিসটা হবে কম টাকায় সর্বোচ্চ সার্ভিস।’
আলোচনায় বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত টেলিযোগাযোগ আইনের খসড়ার কিছু দিক নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য দেশে ২০০১ সালে প্রণীত একটি পৃথক আইন থাকা সত্ত্বেও নতুন আইনের খসড়ায় এ সংক্রান্ত ধারা সন্নিবেশিত করা হয়েছে যা সমস্যা তৈরি করবে। খসড়ায় সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি টাকাসহ উচ্চ জরিমানার বিধান রয়েছে যা অনেক বেশি বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা।
বৈঠকে খাতসংশ্লিষ্টরা বলেন, প্রশাসনিক জরিমানাই এক ধরনের শাস্তি, এর ওপরে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব করা হয়েছে খসড়ায় যা ব্যবসাবান্ধব নয়। এতে এই খাতের সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর অপরাধকে জামিন অযোগ্য অপরাধ বলে বিবেচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে সরকার বা কমিশনের কোনো পদক্ষেপের ওপর কোনো দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার থাকবে না বলে বলা হয়েছে। এ ধরনের বিধানকে সাংবিধানের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী উল্লেখ করেন বক্তারা।
আলোচকরা আরও বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে এমন কোনো ধারা আইনে থাকা উচিত নয়। সরকারের কাছে খাতসংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি আইন প্রণয়নের অনুরোধ করেন তারা।
গোলটেবিল আলোচনায় দুটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল হক এবং রবির চিফ কর্পোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স শাহেদ আলম।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন।
টিআরএনবি সভাপতি রাশেদ মেহেদীর সভাপতিত্বে এই গোলটেবিল আলোচনায় আরও অংশ নেন- অ্যামটব সভাপতি ও গ্রামীণ ফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, বাংলালিংকের ভারপ্রাপ্ত সিইও তৈমুর রহমান, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরুল মাবুদ চৌধুরী (অতিরিক্ত দায়িত্ব), গ্রামীণফোনের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার হ্যান্স মার্টিন হেনরিকসন, এমটব মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব), ই-ডটকোর কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনিল আইজ্যাক, মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জাকারিয়া শহীদ, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশনের (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক, সামিট কমিউনিকেশনের চিফ নেটওয়ার্ক আর্কিটেক্ট ফারুক ইমতিয়াজ, ফাইবার অ্যাট হোমের পরিচালক(কমিউনিকেশন) আব্বাস ফারুক এবং ব্রাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ল’র শিক্ষক সাইমুম রেজা তালুকদার।
৬৩৯ দিন আগে
নদী রক্ষার যুদ্ধে আমরা বিজয়ী হব: প্রতিমন্ত্রী
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদী রক্ষায় বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এ যুদ্ধে আমরা বিজয়ী হব। এছাড়া নদী রক্ষায় দখল, দূষণরোধ, অবৈধ বালু উত্তোলন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, আপনারা যারা নদী রক্ষায় কাজ করেন তারা সচেতনতা তৈরি করুন। দায়িত্ব চিহ্নিত করুন। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, সরকার সহায়তা করবে।
রবিবার (২৬ মে) ঢাকায় ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘জাতীয় নদী কনফারেন্স-২০২৪’ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দর অন্য দেশেও এর কার্যক্রম চালাবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের সম্মেলন প্রমাণ করে, নদীকে নিয়ে আমরা কত ভাবি। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমাদের নদীগুলোর নাব্যতা হারিয়ে যাচ্ছে। নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে। সে সময় বঙ্গবন্ধু বিআইডব্লিউটিএর জন্য সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নদী-নালা, খাল বিল আমাদের সম্পদ। নদী নালা খাল বিল না থাকলে আমরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করতে পারতাম না। সে সময়ে নদী-নালা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। যেভাবে সুন্দরবন আমাদের ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন একটি নতুন প্রতিষ্ঠান। তারা বিভিন্ন সমীক্ষা করেছে, দখলদারদের তালিকা করেছে। এসব জায়গায় ভুল থাকতে পারে, তবে যাত্রা শুরু হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদীকে ঘিরে সভ্যতা গড়ে উঠেছে- এটা সত্য। নদীর পাড়ে ইন্ডাস্ট্রি হবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হবে, শহর হবে সবই ঠিক আছে। সেগুলো হবে নদীকে রক্ষা করে, নদীকে ধ্বংস করে নয়। ২০১৯ সালে ঢাকা শহরের চারপাশে নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় অনেক ধরনের শক্তিশালী লোক ছিল, আমি সংসদে বলেছি সরকার বা রাষ্ট্রের চেয়ে কেউ শক্তিশালী নেই। নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য সরকার ও রাষ্ট্রের আন্তরিকতা আছে।
ইমিরেটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান সারোয়ার মাহমুদ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মো. শরীফ উদ্দিন, নিজেরা করি এর সমন্বয়কারী খুশী কবির, বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ আরও অনেকে।
আরও পড়ুন: দেশে এমন একজন টেনিস খেলোয়াড় তৈরি হবে, যার জন্য দেশবাসী গর্ববোধ করবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
৬৪৯ দিন আগে
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর
উন্নত-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এতে আপনাদের মান-ইজ্জত বাড়বে। সেইসঙ্গে দেশের উন্নয়ন হবে।
আরও পড়ুন: ৩১ মের মধ্যে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো সম্পন্ন করতে কাজ চলছে: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
শনিবার (২৫ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট, দুবাইয়ের আয়োজনে ‘রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ এবং সিআইপি সংবর্ধনা ২০২১-২০২৩’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, সিআইপিদের সংবর্ধনার পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের সম্মাননা প্রদান নিঃসন্দেহে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীরা উৎসাহিত হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিবাসী কর্মীদের জন্য আরও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে কাজ করছে সরকার।
কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর, আল হারামাইন গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মাহতাবুর রহমান নাসির, সিআইপি এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খায়রুল আলম।
অনুষ্ঠানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালে সিআইপি মর্যাদাপ্রাপ্ত মোট ৭৫ জন ব্যবসায়ীকে সংবর্ধনা দেয় বাংলাদেশ সরকার। পাশাপাশি বাংলাদেশে নিয়মিত বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের মধ্য থেকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে মোট ৫১ জনকে রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে ৩ দেশ সফরে প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
দেশে-বিদেশে কর্মীদের সুরক্ষিত রাখতে কাজ করছে সরকার: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
৬৪৯ দিন আগে