প্রতিমন্ত্রী
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালীব রহমান পার্থ দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন।
এদিন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনও জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে বীর শহিদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। পরে তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু জানান, তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার পর সাধারণ মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
১৪ দিন আগে
মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও ৫ মুখ, রাতে শপথ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় আরও পাঁচজন যুক্ত হতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের।
তাদের মধ্যে মঈন খান, পার্থ ও সাচিং প্রু মন্ত্রী এবং শামীম কায়সার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
এছাড়া পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাতের।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি ইউএনবিকে বলেন, আজ নতুন মন্ত্রিসভা সদস্যদের শপথ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কতজন বা কারা শপথ নেবেন, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।
বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউএনবিকে বলেন, সন্ধ্যায় কয়েকজন নতুন মুখ শপথ নিতে পারেন।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণের পর বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল শপথ নেবেন। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন।
রাষ্ট্রপতির শপথের পর নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং ১,২০০-এর বেশি আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন।
মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সঙ্গে মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে পরিবর্তনসহ বড় ধরনের রদবদল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। একই দিনে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।
তবে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে ১ জুন পদত্যাগ করেন।
এদিকে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও শূন্য হবে।
১৫ দিন আগে
জামায়াত সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে: প্রতিমন্ত্রী নূর
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর বলেছেন, জামায়াতে ইসলাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দিতে হবে। সেই সঙ্গে জামায়াত সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের চাইতেও বড় ফ্যাসিস্ট হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুরাতন ভবনের কেবিনে কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবির ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানকে দেখতে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নূর বলেন, জামায়াতে ইসলাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দিতে হবে। জামায়াত সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে। জামায়াতের নৈতিক চরিত্রের অবক্ষয় হয়েছে। কুষ্টিয়ার এমপি জামায়াত নেতা আমির হামজা ও গাজী নজরুল তারই বড় উদাহরণ।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামের সরকারে যাওয়ার খায়েশ হয়েছে এবং এই সরকারের ছয় মাস যেতে না যেতেই তারা সরকারকে নিয়ে বিরক্তিকর বক্তব্য দেওয়া শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, উন্মাদ এমপি আমির হামজা বিভিন্ন সময় আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও ফারজানা পুতুলসহ অন্যান্য নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছেন। এই উন্মাদ আমির হামজা আমাদের প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমানকে (কোকো) নিয়েও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমির হামজার এসব নোংরা ভণ্ডামিপূর্ণ কথাবার্তা জামায়াত সাপোর্ট করছে। এছাড়াও সাতক্ষীরার এমপি নজরুল ইসলামের কর্মকাণ্ডের পরও জামায়াত যদি নিজেদের ইসলামী দল হিসেবে দাবি করে, তাহলে সেটা ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমি তাদের বলব, জামায়াতে ইসলামী থেকে ইসলামী নাম বাদ দিতে। কারণ তারা ইসলামী নামটি ব্যবহার করে ইসলামের লেবাস ধরে ইসলামেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে।
১৬ দিন আগে
খেলায় খেলায় শেখার মাধ্যমে শিশুদের শেখার সক্ষমতা বাড়বে: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক শিক্ষায় মুখস্থনির্ভরতার পরিবর্তে খেলাধুলা ও আনন্দের মাধ্যমে শিশুদের শেখানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, খেলায় খেলায় শেখার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে শেখার সক্ষমতা, সমস্যা সমাধান ও চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটানো সম্ভব।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাকাডেমি (নেপ) আয়োজিত তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা বিষয়ক ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, শিশুদের শুধু মুখস্থ করানোর মাধ্যমে কার্যকর ও টেকসই শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আনন্দময় পরিবেশে খেলাধুলা ও বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শেখার সুযোগ তৈরি করা হলে শিশুদের শেখার সক্ষমতা, সৃজনশীলতা ও চিন্তাশক্তি আরও বিকশিত হবে। এজন্য স্থানীয় খেলাগুলোকে পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোও শিশুবান্ধব ও খেলাভিত্তিক শিক্ষার উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি জানান, নেপ ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানীয় পর্যায়ের খেলাধুলা নিয়ে গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহ করেছে। ইতোমধ্যে ৪১২টি খেলা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে প্রচলিত ৭০০টির বেশি খেলাকে নিয়মবদ্ধ করে বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে কীভাবে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়েও কাজ করা হয়েছে।
চীন ও জাপানের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব দেশে পাঠ্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে খেলনা ও খেলার সমন্বয় করা হয়েছে। কোন শ্রেণিতে কোন বিষয়ের কোন অধ্যায় শেখাতে কোন খেলনা বা খেলা ব্যবহার করা হবে, তা পাঠ্যবই ও পাঠ্যক্রমে নির্ধারণ করা থাকে। এ ক্ষেত্রে পাঠ্যবই প্রকাশক, খেলনা প্রস্তুতকারক ও পাঠ্যক্রম প্রণয়নকারীরা সমন্বিতভাবে কাজ করেন।
বাংলাদেশেও এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। খুব শিগগিরই সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে বসে প্রাথমিক শিক্ষায় খেলাধুলা ও খেলনাভিত্তিক শিখন কীভাবে আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করলেই হবে না; এর যথাযথ বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, খেলার জায়গা, শিক্ষার পরিবেশ এবং অবকাঠামো নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনার প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। শিশুদের জন্য একটি আনন্দময়, নিরাপদ ও কার্যকর শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করাই প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারের অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
১৮ দিন আগে
সীমিত সক্ষমতা নিয়েই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি: প্রতিমন্ত্রী হাবিব
ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, সীমিত সক্ষমতা নিয়েই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। সবার অংশগ্রহণে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর বাসাবো কমিউনিটি সেন্টারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা-৯ আমাদের একটি পরিবার। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের সীমাবদ্ধ সক্ষমতা দিয়ে সকলের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আমাদের এই কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। আমাদের যতটুকু সক্ষমতা রয়েছে, তার সর্বোচ্চটুকু ব্যবহার করতে চাই।’
এ সময় বৃষ্টির মধ্যেও দেশের মানুষের জন্য আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, এই সরকার অনেক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী জনগণের পাশে থাকার এবং তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করছেন। আমরাও ঢাকা-৯ পরিবার হিসেবে আপনাদের পাশে আছি, থাকব। আপনাদের নিয়ে আগামী দিনে এগিয়ে যাব।’
এ সময় স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৫৫ দিন আগে
অসুস্থ শিল্পী শবনম মুশতারীর বাসায় সংস্কৃতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, দিলেন আর্থিক সহায়তা
বাংলাদেশের স্বনামধন্য ও একুশে পদকপ্রাপ্ত নজরুল সংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত ও জটিল ডিমেনশিয়া (স্মৃতিভ্রম) রোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশবরেণ্য এই শিল্পীর অসুস্থতার সংবাদ জানতে পেরে তার পাশে দাঁড়িয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
শনিবার (৪ জুলাই) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী আলি নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ শিল্পীর বাসভবনে তাকে দেখতে যান। এ সময় তারা দীর্ঘক্ষণ অসুস্থ শিল্পীর পাশে অবস্থান করেন, তার চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সান্ত্বনা দেন।
সাক্ষাৎকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট’-এর পক্ষ থেকে গুণী এই শিল্পীর জরুরি চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার একটি চেক হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ডিজিএম সায়েলা খানম এবং শিল্পীর পরিবারের নিকটাত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
নজরুল সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শিল্পী শবনম মুশতারী ১৯৯৭ সালে সরকার কর্তৃক দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত হন। এছাড়া ২০১৫ সালে তিনি জাতীয়ভাবে ‘নজরুল পুরস্কার’ লাভ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি তালিম হোসেন এবং প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক বেগম মাফরুহা চৌধুরীর বড় মেয়ে।
৬৩ দিন আগে
২০২৮ সালের পর প্রাথমিকে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক থাকবে না: প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, ২০২৮ সালের পর দেশের কোনো প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক পাঠদান করবেন না। সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন কিংবা ইংরেজি মাধ্যম—সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এই নীতি প্রযোজ্য হবে।
সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের মাল্টিপারপাস হলে আইইউবি এবং বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের যৌথ আয়োজনে ‘আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নীতিমালা’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক, যুগোপযোগী কারিকুলাম এবং শিশুদের জন্য আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ।
তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে শিশুকে। এমন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে যাতে শেখা তাদের কাছে বোঝা না হয়ে আনন্দের বিষয় হয়ে ওঠে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাসের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এ সময় তিনি এনসিটিবিকে অযাচিত প্রভাবমুক্ত রেখে পেশাগতভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষকের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। একজন শিক্ষক যদি আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগতভাবে সম্মানজনক জীবনযাপন করতে না পারেন, তাহলে শিক্ষাব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন কখনোই অর্জন করা যাবে না।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে এক শিফটে রূপান্তরের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই শিফটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ পাচ্ছে না। তাই পর্যায়ক্রমে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ‘ওয়ান-শিফট স্কুলে’ রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ২০২৮ সালের পর দেশের কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক পাঠদান করবেন না। সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন কিংবা ইংরেজি মাধ্যম—সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এই নীতি প্রযোজ্য হবে।
আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম তামিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাকাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৭৫ দিন আগে
রেলে বেসরকারি বিনিয়োগের ব্যাপারে সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, রেলওয়ের লাইন, সিস্টেম ও প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শুধু লোকোমোটিভ (স্বচালিত রেলযান) ও কোচ পরিচালনায় বেসরকারি বিনিয়োগে উৎসাহিত করার ব্যাপারে সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ বাস্তবায়ন করা গেলে লোকোমোটিভ এবং কোচ আমদানির সময় সংক্ষিপ্ত করা সম্ভব হবে। সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য এবং রেলের সমস্যাগুলো দূর করতে আরও দুই বছর সময় প্রয়োজন লাগবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সিটি করপোরেশনের শহীদ শাহাবউদ্দিন হলরুমে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি মাত্র তিন মাস হয় সরকারে এসেছে। আমাদের অনেক ধরনের সমস্যা রয়েছে। সমস্যাগুলোকে উত্তরণ করে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই, কারণ জনগণের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমাদের রেলের লোকোমেটিভ, ইঞ্জিন, কোচ এগুলোর স্বল্পতা রয়েছে। রেলের যে সমস্যাগুলো রয়েছে আমাদের সক্ষমতা সীমাবদ্ধ রয়েছে। আমরা এই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্ঠা করছি।
সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ময়মনসিংহের রেল যোগাযোগ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটসহ সারা বাংলাদেশে ডুয়েলগেজ ডবল রেল লাইন, ঢাকার সঙ্গে নতুন একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা, ময়মনসিংহ স্টেশনের আধুনিকায়ন ও রিমডেলিং, যানজট নিরসনে লেভেল ক্রসিংগুলোর আধুনিকায়ন, বন্ধ লোকাল ট্রেন চালুকরনের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ, ইঞ্জিন সঙ্কট দূরীকরণসহ যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধি করার বিষয়টি পরিকল্পনায় রয়েছে।
ভবিষ্যতে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মতবিনিময়ের আগে সিটি করপোরেশনের নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদান কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। এর আগে, মন্ত্রী ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে ফুটওভার ব্রিজের স্থান ও বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শন করেন।
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকনের সভাপতিত্বে সভায় সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলুসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১১৪ দিন আগে
দেশের অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ২৫ এপ্রিল, (ইউএনবি)— প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের অর্থনীতি মজবুত করতে এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য এ খাতের কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ বছর ‘ভেটেরিনারিয়ান্স: গার্ডিয়ান্স অব ফুড অ্যান্ড হেলথ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২৬’।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ আজকের বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভেটেরিনারি পেশাজীবীরা মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে আরও সচেতন হচ্ছে। একসময় ভেটেরিনারি পেশাকে ততটা গুরুত্ব দেওয়া না হলেও বর্তমানে এ খাতে মানুষের আগ্রহ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে ভেটেরিনারি শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণীরা তাদের সমস্যা প্রকাশ করতে পারে না। তাই তাদের চিকিৎসা ও সুস্থ্ রাখা অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং কাজ। এ খাতে যারা কাজ করছেন তারা অত্যন্ত মেধাবী ও যোগ্য।
তিনি আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। বর্তমান সরকারও এ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ও ভেটেরিনারি সায়েন্স বর্তমানে একটি জটিল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা পারস্পরিক আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এর কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করব। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে সকল সমস্যা সমাধান সম্ভব এবং সবাই সমানভাবে উপকৃত হবে।
সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত কৃষক কার্ডের আওতায় আসছে। ফলে কৃষকদের মতো এ খাতের খামারিরাও সমান সুবিধা পাবেন।
এ সময় দেশের উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভ্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ভ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আবদুর রহিম।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আরিফুল ইসলাম। এ সময় ভেটেরিনারি পেশার সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভেটেরিনারিয়ানরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাপ্ত/ইউএনবি/সংবি/কেএন/একেডি
১৩৩ দিন আগে
জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা ১১টায় চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন প্রাণীর খাঁচা, প্রাণিচিকিৎসা কেন্দ্র ও ওষুধ সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন। প্রথমে প্রাণী পুষ্টি শাখায় গিয়ে প্রাণীদের খাবারের মান ও পরিমাণ যাচাই করেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে প্রাণীদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচর্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।
পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল চিড়িয়াখানার পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা ও কোনো ধরনের ত্রুটি রয়েছে কি না তা সরেজমিনে দেখা। এ সময় তিনি দর্শনার্থীদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়ে জানতে চান।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানী ও আশপাশের জেলা থেকে আসা হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে চিড়িয়াখানা ছিল মুখর। প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রদর্শনী এলাকায় ছিল উপচে পড়া ভিড়। পরিবার-পরিজন ও শিশুদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বেদখল হওয়া চিড়িয়াখানার প্রায় ৭ একর জমি দ্রুত পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে পাবলিক টয়লেট বৃদ্ধি, দর্শনার্থীদের বসার স্থান সম্প্রসারণ, রাস্তাঘাট মেরামত, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং পশুপাখির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বর্তমান বাজেটের মধ্যেই দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ শুরু করতে হবে।
আকস্মিক পরিদর্শন সম্পর্কে সালাউদ্দিন টুকু বলেন, চিড়িয়াখানায় কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা রয়েছে কি না তা দেখতেই তিনি হঠাৎ করে এসেছেন। তিনি বলেন, কাউকে না জানিয়ে এখানে এসেছি, যাতে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায়। পরিচ্ছন্নতা, বসার ব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুবিধা বাড়াতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন কিছু প্রাণী আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাণীদের খাদ্য সরবরাহ সন্তোষজনক হলেও দর্শনার্থীরা আরও উন্নত পরিবেশ প্রত্যাশা করেন। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিড়িয়াখানাকে আরও সংগঠিতভাবে পরিচালনা করতে হবে, এটি একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প। সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে এটিকে লাভজনক ও দর্শনার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।
এ সময় প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
১৬২ দিন আগে