কাঠের সেতু
জরাজীর্ণ সেই কাঠের সেতুটিও ভেঙে গেছে, ডিঙি নৌকাই এখন ভরসা
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার শহীদবাগ ইউনিয়নের প্রাণনাথ চর এলাকায় নদী পারাপারের জন্য নির্মিত কাঠের সেতুটি ভেঙে গেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অন্তত ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, নদী পারাপারের জন্য নির্মিত কাঠের সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি সেতুটির একাংশ ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। সেতু ভেঙে যাওয়ায় এলাকার স্বাভাবিক যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতু না থাকায় সত্যিই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ।
প্রাণনাথ চর ও আশপাশের এলাকাগুলো মূলত কৃষিনির্ভর। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় কৃষকরাও উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সময়মতো হাট-বাজারে নিয়ে যেতে পারছেন না। ফলে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
স্থানীয়রা জানান, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডিঙি নৌকা কিংবা ব্রিজের অবশিষ্ট অংশ ব্যবহার করে নদী পারাপার করছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
১৮ দিন আগে
ঝুঁকিতে কাঠের সেতু, ৫ গ্রামের মানুষের ভোগান্তি
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ৭ নম্বর পাইকপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাওয়াল গ্রামসহ আশপাশের ৪-৫ গ্রামের শত শত লোকের চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে একমাত্র কাঠের সেতুটি। মেরামত না করায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দুই বছর আগে উপজেলা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অফিসে আবেদন করে সেতু কিংবা কালভার্ট নির্মাণে আজও কোনো বরাদ্দ মেলেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়রা জানান, কাঠের সেতুটি একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। হেঁটে চলাও বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ। মাসখানেক আগে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। ওই সময় সেতুর দুই পাশ ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল নিয়ে পার হতে গিয়ে স্থানীয়রা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
পূর্ব ভাওয়ালের দুলাল তালুকদার বলেন, ‘৫ গ্রামের মানুষসহ স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করে। তাই এখানে একটি সেতু কিংবা কালভার্ট নির্মাণ করা খুবই জরুরি।’
আরও পড়ুন: দুই প্রতিষ্ঠানের বিরোধে ভোগান্তির শিকার স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্সের ৬ লক্ষাধিক আবেদনকারী
এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের বহুবার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শামীম বলেন, ‘প্রায় ২ বছর আগে এখানে ছোট একটি সেতু করে দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছিলাম। বছরের শুরুতে একবার পিআইওসহ অন্যান্য লোকজন সরেজমিনে পরিদর্শন করেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বরাদ্দ আসেনি।’
ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা শামীম ইউএনবিকে বলেন, ‘আমি ৮ মাস আগে এই ইউনিয়নে যোগদান করেছি। এই কাঠের সেতু সম্পর্কে কিছুই জানি না। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব।’
ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মিল্টন দস্তিদার ইউএনবিকে বলেন, ‘স্থানীয়দের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সেতু নির্মাণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এলাকাবাসীর দবি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’
আরও পড়ুন: ব্যাংকে তারল্য সংকট: টাকা উত্তোলনে ভোগান্তিতে ৬ ব্যাংকের গ্রাহক
৬৫০ দিন আগে
পাকা করতে বিএসএফের বাধা, ভরসা তাই ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতু
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বাধার কারণে সীমান্ত ঘেঁষা নীলকমল নদের ওপর পারাপারের জন্য নির্মাণ করা যাচ্ছে না পাকা সেতু। তাই ভরসা একমাত্র রেলিং বিহীন ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ছয় ফুট প্রস্থের ঝুঁকিপূর্ণ এক কাঠের সেতু।
২০৩৫ দিন আগে