একিউআই
দূষিত বায়ুর শহরের বিশ্বতালিকায় আজ সকালে ঢাকার অবস্থান ৮ম
আজ বুধবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল অষ্টম।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ১৪৩।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো শিশু, প্রবীণ এবং হৃদরোগ বা ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে, তবে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব খুব একটা পড়ে না।
১৬৫ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা এবং উগান্ডার কাম্পালা—যাদের একিউআই স্কোর ছিল ১৬৪।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
৪ দিন আগে
ঢাকায় আজ সকালে বায়ুর মান ‘অস্বাস্থ্যকর’, বিশ্বতালিকায় অবস্থান ৬ষ্ঠ
আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ১৬২।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী শহরের বাতাসকে 'অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়।
১৯৬ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারতের কলকাতা। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুর—যাদের একিউআই স্কোর ছিল যথাক্রমে ১৮৯ ও ১৬৯।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
৫ দিন আগে
দূষিত বায়ুর শহরের বিশ্বতালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান ৪র্থ
আজ সোমবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল চতুর্থ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ১৪৯।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো শিশু, প্রবীণ এবং হৃদরোগ বা ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে, তবে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব খুব একটা পড়ে না।
১৭৯ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা—যাদের একিউআই স্কোর ছিল যথাক্রমে ১৭৭ ও ১৫৭।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
৬ দিন আগে
ঢাকায় আজ সকালে বায়ুর মান ‘সহনীয়’, বিশ্বতালিকায় অবস্থান ২৩তম
আজ রবিবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ২৩তম।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ৮২।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সহনীয়’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো বাতাসের মান সামগ্রিকভাবে গ্রহণযোগ্য, যদিও অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সামান্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব পড়তে পারে।
১৮২ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। পাকিস্তানের লাহোর ও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা যথাক্রমে ১৭৭ ও ১৭১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
৭ দিন আগে
দূষিত বায়ুর শহরের বিশ্বতালিকায় আজ সকালে ঢাকার অবস্থান ৬ষ্ঠ
আজ শনিবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৩৪ মিনিটে শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ১৩০।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো শিশু, প্রবীণ এবং হৃদরোগ বা ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে, তবে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব খুব একটা পড়ে না।
১৯৪ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। অন্যদিকে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কিনশাসা—যাদের একিউআই স্কোর ছিল যথাক্রমে ১৭২ ও ১৬১
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
৮ দিন আগে
ঢাকায় আজ সকালে বায়ুর মান ‘সহনীয়’, বিশ্বতালিকায় অবস্থান ৩৭তম
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ৩৭তম।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪৪ মিনিটে শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ৬৪।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সহনীয়’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো বাতাসের মান সামগ্রিকভাবে গ্রহণযোগ্য, যদিও অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সামান্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব পড়তে পারে।
২৩৯ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে ডিআর কঙ্গোর কিনশাসা। মালয়েশিয়ার কুচিং ও পাকিস্তানের লাহোর ১৯৪ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। আর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
১০ দিন আগে
ঢাকায় আজ সকালে বায়ুর মান ‘সহনীয়’, বিশ্বতালিকায় অবস্থান ৫০তম
আজ বুধবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ৫০তম।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ২২ মিনিটে শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ৫৫।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সহনীয়’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো বাতাসের মান সামগ্রিকভাবে গ্রহণযোগ্য, যদিও অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সামান্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব পড়তে পারে।
২০৭ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। ডিআর কঙ্গোর কিনশাসা ও মালয়েশিয়ার কুচিং যথাক্রমে ১৯৮ ও ১৭৭ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। আর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।
১১ দিন আগে
লাহোরের বাতাস আজ ‘ভালো’, ঢাকায় বেড়েছে দূষণ
প্রায়ই বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার শীর্ষে থাকা পাকিস্তানের লাহোর আজ রীতিমত চমক দেখিয়েছে। শহরটির বাতাসের দূষণ কমে বাসিন্দাদের জন্য পুরোপুরি স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একিউআই স্কোর মাত্র ২৮ নিয়ে দূষিত শহরের তালিকার একদম নিচের দিকে চলে গেছে লাহোর। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, ‘ভালো’ বাতাস নিয়ে ৯৭তম স্থানে নেমে এসেছে শহরটি। পাকিস্তানের আরেক শহরের করাচির বাতাসের মানও আজ ‘মাঝারি’।
এদিকে, টানা কয়েকদিন ‘মাঝারি’ পর্যায়ে থাকলেও আজ ঢাকার বাতাস হয়ে উঠেছে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’। গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ায় ঢাকার বাতাসের দূষণের মাত্রা বাড়তে দেখা গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ঢাকার বাতাসের মানের আরও অবনতি ঘটেছে।
একিউআই স্কোর ১১৬ নিয়ে দূষিত শহরের তালিকার ৮ম স্থানে উঠে এসেছে ঢাকা। গতকাল একই সময়ে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৮৮। এই স্কোর নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার নবম স্থানে ছিল ঢাকা। সে তুলনায় আজ অনেকটা অবনতি ঘটেছে শহরটির বাতাসের মানে।
একই সময়ে আজ তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে উজবেকিস্তানের তাসখন্দ, একিউআই স্কোর ১৭৫। আইকিউএয়ারের মতে, শহরটির জনগণের মধ্যে গাড়ির অতিরিক্ত ব্যবহার দূষণের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে। এসব যানবাহনের অনেকগুলোই পুরোনো, এমনকি কিছু সোভিয়েত আমলেরও রয়েছে। এসব প্রাচীন ইঞ্জিনে চলে এবং আধুনিক, পরিচ্ছন্ন যানবাহনের তুলনায় অনেক বেশি তেলীয় বাষ্প, ধূলিকণা ও ক্ষতিকর রাসায়নিক ধোঁয়া বাতাসে নির্গত করে। তাসখন্দে দূষণের অন্যান্য কারণ হলো কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অন্যান্য শিল্পাঞ্চল থেকে নির্গত ধোঁয়া।
অন্যদিকে, ১৫৯ ও ১৫২ স্কোর নিয়ে আজ তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাতারের দোহা ও ভিয়েতনামের হ্যানয়।
আরও পড়ুন: বায়ুদূষণে শীর্ষ পাঁচ শহরের চারটিই মধ্যপ্রাচ্যের, ঢাকার বাতাস আজও ‘মাঝারি’
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
৩৯৮ দিন আগে
আজ দিল্লি ও লাহোরের চেয়েও ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা বেশি
আজ সোমবার, সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবস। সকাল হতেই আজ রাজধানীতে উঁকি দিয়েছে রোদ, ব্যস্ত মানুষজন ছুটে চলেছে গন্তব্যে। তবে ব্যস্ততম এই শহরের বহুবিধ সমস্যার মধ্যে একটি হলো বায়ুদূষণ। এ থেকে যেন বাসিন্দাদের নিস্তার নেই। গতকাল শহরটির বাতাসের মান ‘ভালো’ হয়ে উঠলেও আজ ফের লক্ষণীয় অবনতি হয়েছে।
সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ৯৭। যেখানে এই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
গতকাল একই সময়ে ঢাকার একিউআই সূচক ছিল মাত্র ৪২। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার ৬৮তম স্থানে ছিল ঢাকার নাম। সেখানে একদিনের ব্যবধানে ঢাকা আজ উঠে এসেছে তালিকার দশম স্থানে।
৯৭ স্কোর নিয়ে আজ রাজধানীর বাতাসের মান ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে। ভারতের দিল্লি ও পাকিস্তানের লাহোরের বাতাসও আজ একই শ্রেণিভুক্ত হলেও ঢাকার চেয়ে স্কোরও কম এবং তালিকারও নিচের দিকে অবস্থান করছে।
৭৬ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার অষ্টাদশ স্থানে রয়েছে দিল্লি এবং ৬৯ স্কোর নিয়ে ২৩তম স্থানে লাহোর।
একই সময়ে ১৭৪ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। আইকিউএয়ার বলছে, সাধারণত জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জাকার্তার আবহাওয়া শুষ্ক থাকে। এ সময় শহরটির বায়ুদূষণের মান বাড়তে দেখা যায়।
এদিকে, ১৭২ ও ১২৯ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে কঙ্গোর কিনশাসা ও আজারবাইজানের বাকু।
আরও পড়ুন: দূষণে শীর্ষ দশে ব্রাজিলের শহর, ঢাকার বাতাস আজ ‘ভালো’
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
৪০৫ দিন আগে
দূষণে শীর্ষ দশে ব্রাজিলের শহর, ঢাকার বাতাস আজ ‘ভালো’
বেশ কয়েক দিন পর বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার শীর্ষস্থানে রদবদল হয়েছে। আজ রবিবার সকালে চিরচেনা লাহোর, দিল্লির কোনো শহরই শীর্ষ দশের ধারেকাছে নেই। তবে এই তালিকায় আজ চলে এসেছে ব্রাজিলের সাও পাউলোর নাম।
রবিবার (২৪ আগস্ট) সকাল সোয়া ৯টার দিকে ১২৩ একিউআই স্কোর নিয়ে অষ্টম শীর্ষ দূষিত বাতাসের শহর হয়ে ওঠে সাও পাউলো। আইকিউ এয়ারের সূচক অনুযায়ী যার মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’।
তবে এই সময়ে ১৬৪ একিউআই স্কোর নিয়ে সবচেয়ে দূষিত বাতাসে শ্বাস নিচ্ছিল ইন্দোনেশিয়ার বাতাম শহরের বাসিন্দারা। ১৬৩ ও ১৫২ স্কোর নিয়ে তার পরেই ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং কঙ্গোর কিনশাসার অবস্থান।
আর দিল্লির বাতাসের একিউআই সূচক ছিল ৯৫। লাহোরের বাতাসে দূষণের মান তখন আরও কম, ৮৪। অর্থাৎ প্রতিবেশী দুই দেশের শহরদুটির বাতাসের মান ছিল ‘মাঝারি’।
ঠিক সেই সময়ে তালিকার উপরের দিকে খুঁজেও ঢাকার নাম পাওয়া যায়নি। যাবে কীভাবে? ঢাকার অবস্থান তখন তলানির দিকে, বিশ্বের স্বাস্থ্যকর বায়ুর শহরগুলো মধ্যে। ৪২ একিউআই স্কোর নিয়ে সেই সময় স্বাস্থ্যকর বাতাস গ্রহণ করছে ঢাকাবাসী। তালিকার ৬৮তম স্থানে ছিল ঢাকার নাম।
আরও পড়ুন: বায়ুদূষণে ফের শীর্ষ পাঁচে লাহোর ও দিল্লি, ঢাকার বাতাস ‘মাঝারি’
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে— বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন।
৪০৬ দিন আগে