মুন্সীগঞ্জ
মুন্সীগঞ্জে লঞ্চঘাটে ৩২ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ
মুন্সীগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছোটবড় অন্তত ৩২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয় এবং একপর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
রবিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উচ্ছেদ করা স্থাপনাগুলোর মধ্যে খাবারের হোটেল, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল।
বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটের প্রবেশমুখ ও আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে জায়গা দখল করে স্থাপনাগুলো নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে।
তবে উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, তাদের কোনো ধরনের আগাম নোটিশ না দিয়েই হঠাৎ করে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অভিযান চলাকালে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয় এবং একপর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
অভিযান প্রসঙ্গে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, ‘আগে কী হয়েছে সেটা দেখার বিষয় নয়। অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সরকারের স্পষ্ট বার্তা রয়েছে। সরকারি জায়গা দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারজানা আক্তার বলেন, লঞ্চঘাটের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি আমাদের নজরে ছিল। বিআইডব্লিউটিএর উদ্যোগে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা হয়েছে। সরকারি জায়গা দখল করে কেউ যাতে পুনরায় স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় এর আগেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আবার সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা গড়ে ওঠে। সেগুলো উচ্ছেদ করতেই এবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লঞ্চঘাটের জায়গা দখল করে ভবিষ্যতে যাতে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদারি করা হবে। উচ্ছেদে এক একর জমি দখলমুক্ত করা হয়, যার মূল্য শত কোটি টাকা।
১২ দিন আগে
স্বামীকে শেষ বিদায় জানিয়ে কারাগারে ফিরলেন দীপু মনি
১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে স্বামীকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন সাবেক শিক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৫৮ মিনিটে তাকে পুনরায় মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বুধবার (১৯ আগস্ট) তার প্যারোলের আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদেশ অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি প্যারোলে মুক্ত ছিলেন। এ সময় তিনি প্রয়াত স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ দেখতে ঢাকার কলাবাগানের বাসভবন, গুলশানের আজাদ মসজিদের জানাজা এবং রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।
দীপু মনির আইনজীবী বলেন, ‘আমরা চার দিনের প্যারোলে মুক্তি চেয়ে আবেদন করেছিলাম। জেলা প্রশাসক মহোদয় আমাদের ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তির আবেদন মঞ্জুর করেছেন।’
তিনি বলেন, ডা. দীপু মনির কারাবরণের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। এর আগে তার স্বামী দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। স্বামীর সঙ্গে কারাগারের বাইরে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে একাধিকবার আবেদন করা হলেও তা পাওয়া যায়নি। স্বামীর মৃত্যুর পর এবার প্যারোলে মুক্তির সুযোগ পেলেন তিনি।
ফয়সাল ইসলাম জানান, আজ সকাল ৬টায় কারাগার থেকে পুলিশ পাহারায় দীপু মনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। প্যারোলের পুরো সময় তিনি পুলিশ পাহারায় ছিলেন।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রয়াত ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ সকালে ঢাকার কলাবাগানে তার নিজ বাসভবনে নেওয়া হয়। সেখানে দীপু মনি স্বামীর মরদেহ দেখেন। এরপর মরদেহ নেওয়া হয় গুলশান আজাদ মসজিদে। বাদ জোহর গুলশান আজাদ মসজিদে ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা ও দোয়া শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
প্যারোলে মুক্তির আইনগত ভিত্তি সম্পর্কে আইনজীবী ফয়সাল ইসলাম বলেন, কারা আইন ও সংশ্লিষ্ট কারাবিধিতে দিনের আলোতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির বিধান রয়েছে। এ ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী তারা ১২ ঘণ্টার প্যারোল পেয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনগতভাবেই এই প্যারোল পেয়েছি। সরকার চাইলে এর চেয়ে বেশি সময়ের জন্যও প্যারোলে মুক্তি দিতে পারত।’
১৫ দিন আগে
স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টা প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি
স্বামীর মৃত্যুতে মানবিক কারণে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি প্যারোলে মুক্ত থাকবেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে তার প্যারোলের আবেদন মঞ্জুর করেন মুন্সীগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।
প্যারোলে কারাগারের বাইরে থাকাকালে তিনি প্রয়াত স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ দেখতে এবং দাফন কার্যক্রমে উপস্থিত থাকতে পারবেন বলে নিশ্চিত করেছেন দীপু মনির আইনজীবী অ্যাডভোকেট গাজী ফয়সাল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আমরা চার দিনের প্যারোলে মুক্তি চেয়ে আবেদন করেছিলাম। আদালত ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তির আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আগামী ২০ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই মুক্তি কার্যকর থাকবে।’
অ্যাডভোকেট গাজী ফয়সাল ইসলাম বলেন, দীপু মনির কারাবরণের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। এর আগে, তার স্বামী দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। স্বামীর সঙ্গে কারাগারের বাইরে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে একাধিকবার আবেদন করা হলেও তা পাওয়া যায়নি। স্বামীর মৃত্যুর পর এবার প্যারোলে মুক্তির সুযোগ পেলেন তিনি।
তিনি জানান, আগামীকাল সকাল ৬টায় কারাগার থেকে পুলিশ পাহারায় দীপু মনিকে নিয়ে যাওয়া হবে। প্যারোলের পুরো সময় তিনি পুলিশ পাহারায় থাকবেন।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রয়াত ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ আগামীকাল সকালে ঢাকার কলাবাগানে তার নিজ বাসভবনে নেওয়া হবে। সেখানে ডা. দীপু মনি স্বামীর মরদেহ দেখবেন। এরপর মরদেহ নেওয়া হবে গুলশান আজাদ মসজিদে। বাদ জোহর গুলশান আজাদ মসজিদে ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা ও দোয়া শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
প্যারোলে মুক্তির আইনগত ভিত্তি সম্পর্কে আইনজীবী ফয়সাল হোসেন বলেন, কারা আইন ও সংশ্লিষ্ট কারাবিধিতে দিনের আলোতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির বিধান রয়েছে। এ ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী তিনি ১২ ঘণ্টার প্যারোল পেয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনগতভাবেই এই প্যারোল পেয়েছি। সরকার চাইলে এর চেয়ে বেশি সময়ের জন্যও প্যারোলে মুক্তি দিতে পারত।’
১৭ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে কুলসুম হত্যা মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে কুলসুম বেগম (৩৫) হত্যা মামলায় মো. সুমন হোসেন ওরফে সুমন শেখকে (৩৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফুল আলম ভূঁইয়া এ রায় দেন। ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
নিহত কুলসুম বেগম ও দণ্ডিত সুমন শেখ দুজনই শ্রীনগর উপজেলার পূর্ব হাসাড়গাঁও গ্রামে পাশাপাশি বাড়িতে থাকতেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে পূর্ব হাসাড়গাঁওয়ে স্বামীর বাড়ির উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হন কুলসুম। সে সময় তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
নিখোঁজের ১৯ দিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি পূর্ব হাসাড়গাঁও গ্রামের পশ্চিম চকের একটি পতিত জমি থেকে মানুষের হাড়, মাথার খুলি, স্যান্ডেল, মাথার ক্লিপ ও কাপড়ের অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের ছেলে কামরুল হাসান অয়ন ও পরিবারের অন্য সদস্যরা এসব আলামত দেখে কঙ্কালটি কুলসুমের বলে দাবি করেন। পরে আদালতের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আলামত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়।
ডিএনএ পরীক্ষায় আলামতগুলো কুলসুম বেগমের বলে প্রমাণিত হওয়ার পর তার ছেলে কামরুল হাসান অয়ন বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি মুন্সীগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয়।
পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসে, কামরুলকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে সুমন বিভিন্ন সময়ে ৬ লাখ টাকা নেন। পরে আরও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়া এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কুলসুমের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সুমন কুলসুমকে পূর্ব হাসাড়গাঁওয়ের একটি অনাবাদি জমিতে ডেকে নিয়ে ধারালো দা দিয়ে মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ঘাসের স্তূপের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। হত্যায় ব্যবহৃত দা ও ভ্যানিটি ব্যাগ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সুমনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রায়ের পর মামলার আইনজীবী ও সাবেক সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. হালিম হোসেন বলেন, আদালতের রায়ে তিনি সন্তুষ্ট ও খুশি। এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
অন্যদিকে, বাদী ও নিহতের ছেলে কামরুল হাসান অয়ন বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম আসামির ফাঁসির আদেশ হবে। সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে আদালতের রায়কে আমরা সম্মান করি।
২৪ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে ঘোড়ার মাংস বিক্রি চক্রের হোতা আটক
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঘোড়া জবাই করে বিক্রি চক্রের হোতা রাজিবকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া চক্রটির প্রধান সহযোগী তিতাসকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার গজারিয়া আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
মো. রাজিব শিকদার (৩৪) উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আনারপুরা গ্রামের বাসিন্দা।
গত বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে আনারপুরা গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে জবাই করা ১২টি এবং একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করে পুলিশ।
চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বুধবারের ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন; চক্রের হোতা ও সদস্যদের ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবারের ওই অভিযানের আগেই অভিযুক্ত রাজিব ও তিতাসসহ কয়েকজন সটকে পড়েন। তাদের বেশিরভাগই এলাকা ছেড়ে চলে গেলেও রাজিব এলাকাতেই আত্মগোপনে ছিলেন। এরপর গতকাল (শুক্রবার) বিকেলে আনারপুরা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এর আগে অবশ্য বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির আরও ৪ সদস্যকে আটক করেছিল পুলিশ। তারা হলেন: মাদারীপুর জেলার কালকিনির রুবেল (৩৯), নওগাঁর সৌরভ (২১), গাজীপুরের টঙ্গীর সোহেল গাজী (২১) ও ইয়াসিন আরাফাত (২১)।
শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মিনহাজুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, অপরাধীদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সেখানে মোট ১০টি ঘোড়া ছিল, যার মধ্যে ৯টি জবাই করা হয়েছিল এবং একটি অসুস্থ ঘোড়া জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, এই চক্রটি রাজিব ও তিতাসের নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। রাজিব আটক হয়েছেন। এখন তিতাসকে আটকের চেষ্টা চলছে।
এ নিয়ে এই ঘটনায় রাজিবসহ এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজন আটক হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
১৪৭ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা, উদ্ধারের পর যুবক গ্রেপ্তার
মুন্সীগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুরবাড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। এ খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাকে জীবিত উদ্ধার করার পর পুলিশে দিয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে শনিবার (৪ এপ্রিল) ভোর রাতে ওই যুবক আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
তিনি লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ এলাকার বাসিন্দা। পেশায় তিনি একজন জেলে।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, রাত ৩টা ৫৭ মিনিটে লৌহজং উপজেলার উত্তর মেদিনীমণ্ডলের আনোয়ার চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে জলিল ব্যাপারী (৪০) নামের এক ব্যক্তি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় রশি দিয়ে শ্বশুরবাড়ির গাছের ডালের সঙ্গে ঝুলে পড়ার চেষ্টা করেন।
পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। স্থানীয় লোকজন তাকে নামানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।
পরে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা কৌশলে তাকে বুঝিয়ে গলার ফাঁস খুলে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
উদ্ধারের পর জলিল ব্যাপারীকে পদ্মা সেতু উত্তর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তাকে আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানান সফিকুল ইসলাম।
১৫৪ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে জখম
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে অহিদুজ্জামান নাঈম (৭১) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষ।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক-সংলগ্ন জিস্ট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
আহত অহিদুজ্জামান নাঈম উপজেলার বালুয়াকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাক মাস্টারের ছেলে।
আহতের স্বজনদের অভিযোগ, অহিদুজ্জামান নাঈমের সঙ্গে স্থানীয় নাসিমুল ও মনির হোসেনের জমির মাপজোপ ছিল। এ সময় ক্যাডার তুহিনের নেতৃত্বে একটা দল আশপাশে মহড়া দিতে থাকে। মাপের একপর্যায়ে তিনি একা মহাসড়কের পাশে গেলে তুহিনের ভাইসহ ৮/১০ জনের একটি দল তার ওপর হামলা করে। পিটিয়ে ও কুপিয়ে তাকে আহত করেন তারা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি জানান, আহীদুজ্জামান নাঈমের সঙ্গে এলাকার কয়েকজনের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। জমি দখল নিয়ে একাধিক ব্যাক্তির নামে আদালতে মামলা চলছে। তার জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শারমীন সুলতানা বলেন, দুপরে একজন রোগী হাসপাতালে নিয়ে আসেল প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তার একটি হাত ও একটি পা ভাঙা এবং মাথার পেছনে কোপের চিহ্ন রয়েছে। রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, খবর পাওয়ামাত্র ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৫৮ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলায় গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫, আটক ৩
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঝগড়ার জেরে প্রতিবেশীর বাড়িতে সশস্ত্র হামলায় গুলিবিদ্ধসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মিনু বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রবিবার (৮ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের রুদ্রপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশ লাইসেন্স করা অস্ত্রসহ হারুন খা, আব্দুল মান্নান খা ও মহসিন খাকে আটক করেছে। মান্নান খার ঘর থেকে একটি ওয়াকিটকি জব্দ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মান্নান খা ও তার চাচা হারুন খা গ্রুপের সঙ্গে প্রতিবেশি মিজানুর রহমানের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন বিকেলে ওই এলাকার কাদিরের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মিজানুর রহমানকে মান্নান খার লোকজন মারধর করেন৷ পরে বাড়িতে গিয়ে মিজান পরিবারকে জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এদিকে, তারাবির নামাজের পর মান্নান খা, হারুন খা, আমিন খাসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল অস্ত্র নিয়ে মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়৷
আহতদের মধ্যে রয়েছেন— মিজানুর রহমান, মিনু বেগম, জয়তন বেগম, কাজল বেগম, ইভা, বন্যা, নুপুর বেগম, আয়ান, ফাহিমা, দোলন, আলামিন, খোরশেখ খা, মোস্তাকিম, ইদ্রিস খাঁ ও সাফি বেগম।
স্থানীয়রা জানান, আহতদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। গুরুতর আহত মিনু বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন সেখানকার চিকিৎসক। এছাড়া আহত মিজানের অবস্থাও গুরুতর।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, র্যাব ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিয়া বলেন, মূল অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে৷
১৮০ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে জসিম হত্যাকাণ্ড পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে: সেনাবাহিনী
মুন্সীগঞ্জে নিহত জসিম উদ্দিনের ঘটনা মূলত পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে ঘটেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোথাও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। কয়েকটি স্থানে উত্তেজনার আশঙ্কা দেখা দিলেও তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সার্কিট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল আকিব জাভেদ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জসিম উদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুপক্ষের মধ্যে আগে থেকেই পারিবারিক বিরোধ ছিল। নির্বাচনের পর কথাকাটাকাটির মাধ্যমে সেই বিরোধ নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। দুই পক্ষ ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানে থাকলেও ঘটনার মূল কারণ ছিল পারিবারিক কলহ।
তিনি উল্লেখ করেন, চর আব্দুল্লাপুর এলাকায় নাসিরের পক্ষ ও জসিমের পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই সম্পর্কের অবনতি ছিল। পারিবারিক সূত্রে তাদের মধ্যে পূর্বশত্রুতা ছিল। নির্বাচনের পর সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। প্রথমে হাতাহাতি হয়, পরে বিকেল আড়াইটার দিকে নাসির পক্ষের অতর্কিত হামলায় জসিম গুরুতর আহত হন। তাকে ঢাকায় নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশ এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আকিব জাভেদ।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। কয়েকটি স্থানে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোল্লাকান্দির একটি কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছিল। এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল আকিব জাভেদ বলেন, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলার কয়েকটি এলাকায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। শ্রীনগরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আনন্দপুর ও মোল্লাকান্দি এলাকায় উত্তেজনার আশঙ্কা দেখা দিলে সেখানে টহল জোরদার করা হয়। আগলা এলাকায় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ২ জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মোল্লাকান্দিসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সেনা মোতায়েন অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
২০৩ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রের কাছে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৬
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সদর উপজেলার মাকহাটি গুরুচরণ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কাছে কয়েক দফা ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে কিছু সময়ের জন্য কেন্দ্রটির ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। এসব ঘটনায় সেনাবাহিনীর তৎপরতায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে প্রথম দফায় ককটেল বিস্ফোরণের পর সকাল সোয়া ১০টার দিকে মোল্লাকান্দির মহেশপুর থেকে নাহিদ নামের একজনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে ১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জুবায়ের আহমেদ অর্ণব জানান, প্রথমে সকাল সোয়া ১০টার দিকে এক যুবককে আটক করা হয়। এরপর দুপুর ১২টার দিকে আবারও দুই দফা ককটেল বিস্ফোরণ হয়। খবর পেয়ে কিছুটা দূরে থাকা সেনা সদস্যরা ছুটে আসেন। সেনাবাহিনী দেখে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে ধাওয়া দিয়ে আরও ৫ জনকে আটক করা হয়। পরে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে সেনাবাহিনী।
আটকরা হলেন— রহমত মাঝি (৪২), পারভেজ মাঝি (২৭), মো. কামাল (৩৭), আরশাদ মাঝি ও সালিম মাঝি। আর সকালে আটক হন নাহিদ।
কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তিতুমীর জানান, সকাল সোয়া ১০টা থেকে আবার কেন্দ্রটিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এখনও ভোট গ্রহণ চলছে।
এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের শব্দে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়, পরে কেন্দ্রের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছালে ৭-৮ মিনিট পর ফটক খুলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, ‘ফুটবল’ ও ‘ধানের শীষ’ সমর্থকদের মধ্যে কেন্দ্রের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
খবর শুনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী ও পুলিশ সুপার মো মেনহাজুল আলম ঘটনাস্থাল পরিদর্শন করেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিন আলী জানান, কেন্দ্রটিতে আইনশৃঙ্খলা জোরদার করা হয়েছে।
২০৫ দিন আগে