ডিএসসিসি
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ১৮টি বহুতল ভবন নির্মাণ করবে ডিএসসিসি
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ পুরনো ভবনগুলো ভেঙে আধুনিক সুবিধাসম্বলিত ১৮টি বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে। ভবন নির্মাণকালীন বিকল্প আবাসন, গ্যাস-পানি সমস্যার সমাধান এবং শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও উপাসনালয় নিশ্চিত করতে ডিএসসিসি কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাজধানীর দয়াগঞ্জস্থ পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিবাস পরিদর্শন শেষে উপস্থিত কর্মী ও স্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নিরাপদ আবাসন ও আধুনিকায়ন
বিদ্যমান ভবনগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থার কথা উল্লেখ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বর্তমান ভবনগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন ভবন নির্মাণের আগে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। আপনারা যত দ্রুত সহযোগিতা করবেন, আমরা তত দ্রুত আধুনিক আবাসন নির্মাণ সম্পন্ন করতে পারব।
তিনি জানান, মিরনজিল্লা, ধলপুর, গণকটুলি, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী ও পোস্তগোলাসহ বিভিন্ন কলোনিতে ১৮টি বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুতই এগুলোর কাজ শুরু হবে।
নাগরিক অধিকার ও বিশেষ নির্দেশনা
মো. আবদুস সালাম পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে বলেন কয়েকটি নির্দেশনাও দিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে—
নাগরিক সুবিধা: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার পাবেন। আবাসন প্রকল্পে মন্দির ও শিশুদের খেলার মাঠ থাকবে।
বকেয়া বিল: কর্মীদের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হবে এবং গ্যাস বিল ডিএসসিসির পক্ষ থেকে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বর্জ্য অপসারণ: আসন্ন ঈদুল আজহায় ৮ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দেন তিনি।
সচেতনতার আহ্বান
শহর পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, নাগরিকরা সচেতন না হলে শুধু পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দিয়ে শহর পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়। ড্রেন বা খালে ময়লা ফেলার কারণেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। নগরবাসীকে এ বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।
পরিদর্শনকালে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১২ দিন আগে
ময়লার বিল ১০০ টাকার বেশি নিলে বাতিল হবে লাইসেন্স
বাসাবাড়ি থেকে নির্ধারিত ১০০ টাকার বেশি বর্জ্য সংগ্রহ বিল আদায় এবং প্রতিদিনের ময়লা প্রতিদিন সংগ্রহ না করলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
সোমবার (১১ মে) রাজধানীর নগর ভবন অডিটরিয়ামে বর্জ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (পিসিএসপি) সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও নাগরিক ভোগান্তির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে অনেক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি টাকা আদায় করছে এবং প্রতিদিন ময়লা সংগ্রহ করছে না।
তিনি বলেন, ‘এটি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি ফ্ল্যাট বা বাসাবাড়ি থেকে মাসিক সর্বোচ্চ ১০০ টাকা এবং তা অবশ্যই নির্ধারিত রশিদের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।’
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নির্ধারিত ১০০ টাকার বেশি বিল আদায় এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
একইসঙ্গে ‘দিনের বর্জ্য দিনেই’ অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়। কোনো এলাকায় ময়লা জমে থাকতে পারবে না বলেও এ সময় জানানো হয়।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশেষ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ঈদ-পরবর্তী তিন দিন কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মী বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছুটিতে থাকতে পারবেন না। প্রতিটি ওয়ার্ড বর্জ্যমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কর্মীদের মাঠে থাকতে হবে।
এছাড়া পিসিএসপি ঠিকাদারদের সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে কাজ তদারকি করতে হবে এবং পর্যাপ্ত ভ্যান ও জনবল নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সভায় নাগরিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের যথাসম্ভব পরিচ্ছন্ন পোশাকে দায়িত্ব পালনের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
রাস্তা বা খালে ময়লা ফেলা বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কোনো বাসা থেকে নির্ধারিত স্থানে ময়লা না রেখে রাস্তা বা খালে ফেললে সংশ্লিষ্ট বাসায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শুধু একটি সেবা নয়, এটি মানবিক ও সামাজিক দায়িত্বও। চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করলে ডিএসসিসি আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
সভায় ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
১৪ দিন আগে
মশক নিধনে ডিএসসিসির মাসব্যাপী বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু: চার স্তরের তদারকি ব্যবস্থা
সম্প্রতি মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু হয়েছে।
রবিবার (১ মার্চ) সকালে ডিএসসিসির ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের সুখনগর, গ্রিন মডেল টাউন ও মান্ডা খালে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই অভিযানের উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘মশক নিয়ন্ত্রণে আমরা আজ থেকে মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছি। এই কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ওয়ার্ড পর্যায়, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সচিব পর্যায় এবং প্রশাসক পর্যায়— এই চার স্তরে নিবিড় তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় ইমামদের সম্পৃক্ত করা হবে এবং মাইকিং কার্যক্রম চলবে। তবে নাগরিকরা সচেতন না হলে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস না করলে অঞ্চলভিত্তিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকেও এই সেবা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, ‘অপেক্ষাকৃত অনুন্নত ও নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত এলাকাগুলোতে সিটি করপোরেশনের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত খালগুলো উদ্ধার ও দখলমুক্ত করতে সিটি করপোরেশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।’
সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রায় ২৫০ জন কর্মী অংশ নেন। তারা খাল, ড্রেন, নর্দমা ও ফুটপাত পরিষ্কারের পাশাপাশি মশার ওষুধ প্রয়োগ করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও ‘বিডি ক্লিন’-এর সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি জনসচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ বিভাগীয় প্রধানগণ এবং স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৮৫ দিন আগে
ডিএসসিসিতে জলাবদ্ধতা: রেসপন্স টিম গঠন ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু
টানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীতে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ডভিত্তিক ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম গঠন ও কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
বুধবার (৯ জুলাই) ডিএসসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করার কারণে আজ এসব এলাকায় আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় দক্ষিণ-পূর্ব বা দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিমি বেগে বাতাসসহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে।
৩২১ দিন আগে
ঈদে ঢাকার পরিচ্ছন্নতায় দুই সিটিকে সহযোগিতার অঙ্গীকার ইশরাকের
হাইকোর্টে দায়ের করা রিট খারিজ হয়ে যাওয়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে শপথ নেওয়ার আইনি পথ সুগম হয়েছে বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের। এরপরই নগরবাসীর পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২৩ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে নিজেকে ‘জনতার মেয়র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইশরাক। সেইসঙ্গে আসন্ন ঈদুল আজহায় ডিএনসিসির পাশাপাশি ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতায়ও সহযোগীতার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেন বলেছেন, শপথ কেবল একটি ফরমালিটি (আনুষ্ঠানিকতা)। জনতার মেয়র হিসেবে আগামী কোরবানির ঈদের আগে যাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকে, তার ওপর আমার দায়িত্ব বর্তায়।
তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকাবাসীকে নিশ্চিত করছি, উত্তরে মেয়র না আসা পর্যন্ত সেখানকার প্রশাসন ও পরিচ্ছন্ন কর্মীদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করব।… বিকালের মধ্যে (১৬ ঘণ্টায়) একটা স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করব।’
আরও পড়ুন: কাকরাইলের অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করলেন ইশরাক
ইশরাক জানান, দক্ষিণ সিটিতে সাবেক কাউন্সিলর ও বিগত নির্বাচনের প্রার্থীদের সমন্বয়ে জোনভিত্তিক মনিটরিং টিম গঠনের অনুমোদন দেওয়া হবে। নিজেও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে মাঠে থাকার ঘোষণা দেন তিনি।
ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে পিন করে রাখা একটি কমেন্টে আগামী সিটি নির্বাচনে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন বিএনপির এই নেতা।
সেখানে লিখেছেন, টানা ১০ বছর বিএনপি গ্রেটার (বৃহত্তর) ঢাকা চালিয়েছে। ৯০টির মধ্যে ৭০টির বেশি ওয়ার্ড কমিশনার আমাদের (বিএনপির) ছিল। এখন অনেকে মারা গিয়েছেন কিন্তু একাধিক বিকল্প প্রার্থী আছেন। তাদের কাজে লাগিয়ে পরবর্তী নির্বাচনে ঢাকা সিটির জন্যে প্রাথী বাছাই করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে করা একটি রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
বিকেলে এ সংক্রান্ত আদেশ প্রকাশ হয়। ফলে ইশরাকের শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
আরও পড়ুন: রাস্তা না ছেড়ে আরও জোরদার আন্দোলনের আহ্বান ইশরাকের
২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে পরাজিত হন বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেন। পরবর্তীতে নির্বাচনি ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। চলতি বছরের ২৭ মার্চ ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম তৎকালীন ফলাফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন কমিশন গত ২৭ এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে তাকে ডিএসসিসির নতুন মেয়র হিসেবে ঘোষণা দেয়।
৩৬৮ দিন আগে
নগর ভবন আটকে ইশরাক সমর্থকদের ব্লকেড কর্মসূচি
বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে টানা বিক্ষোভ কর্মসূচির পঞ্চম দিনে নগর ভবন ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন ইশরাক সমর্থকরা।
এই কর্মসূচির কারণে সোমবার (১৯ মে) বেলা ১১টা থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সব ধরনের সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে টানা চার দিন বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের পর পঞ্চম দিনের মতো অবরুদ্ধ আছে নগর ভবন। এ নিয়ে টানা পাঁচ দিন ধরে নগরভবনের সব ধরনের সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
এ দিন নগরভবনের মূল ফটকসহ অন্যান্য সব বিভাগের গেটে তালা লাগিয়ে দেন ডিএসসিসির ইশরাকপন্থী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাধারণ জনগণকে সেবা নিতে এসে ফিরে যেতে হয়েছে।
আরও পড়ুন: অপসাংবাদিকতা পরিহার করতে হবে: প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
নগরভবনের সামনে অবস্থানকারী বিক্ষোভকারীরা বলেন, এখন পর্যন্ত ইশরাকের শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ইশরাককে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
৩৭১ দিন আগে
ধানমন্ডিতে ডিএসসিসির মশা নিধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি)। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সকালে এ আয়োজন করা হয়।
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী এ অভিযানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ডিএসসিসি প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়ার উপস্থিতিতে বর্জ্য ব্যবস্থানা বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও ধানমন্ডি সোসাইটি এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।
অভিযানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৪৫০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, স্বাস্থ্য বিভাগের ৫০ জন মশক কর্মী, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবক, বিডি ক্লিনের ৫০ জন ও ধানমন্ডি সোসাইটির ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন। ধানমন্ডি এলাকাকে ৭টি জোনে ভাগ করে মূল রাস্তা, লেক, পার্ক, মসজিদ, ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকা পরিষ্কার ও মশার ঔষধ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ডিএসসিসির ২৯ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
এ সময় মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, ‘ঢাকাকে সুন্দর ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ডিএসসিসি ও বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক সোসাইটিগুলো আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে।’
‘ইতোমধ্যে রাজউক, গণপূর্ত, বিআরটিএ, পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থার অংশগ্রহণে সরকার একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে। পয়ঃনিষ্কাশনের জন্যেও মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে।’
৩৯৬ দিন আগে
ডিএসসিসির ২৯ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
মশা নিয়ন্ত্রণে দৈনন্দিন নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেছে।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ২৯টি ওয়ার্ডে ‘বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধন’ কার্যক্রম তথা চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন: মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির ১৪ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
ডিএসসিসির সব ওয়ার্ডে দৈনন্দিন নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি সংস্থার স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে ০৭, ১৬, ২৭, ২৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৯, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৪, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে এসব চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে সকালে লার্ভিসাইডিং, বিকালে অ্যাডাল্টিসাইডিংয়ে ২২৯ মশককর্মী এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২৬২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী অংশ নেয়।
এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পাঠানো ২৮ সেপ্টেম্বরের তালিকা অনুযায়ী ডেঙ্গু রোগীর আবাসস্থল ও চারপাশে বিশেষ লার্ভিসাইডিং ও অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রমের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির ৭ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
৬০৩ দিন আগে
মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির ১৪ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
মশা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৪টি ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান চালানো হয়েছে।
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ডিএসসিসির ১৪টি ওয়ার্ডে ‘বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন’ কার্যক্রমটি পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন: মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির ৭ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
এদিকে সংস্থার স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে ৬, ১৪, ১৬, ২২, ২৪, ২৯, ৩২, ৪৭, ৫৯, ৬৪, ৬৫, ৬৭, ৭২ ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে এসব চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে লার্ভিসাইডিং কার্যক্রমে ১৩, অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রমে ১৩ মশককর্মী ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৩০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী অংশ নেয়।
এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২২ সেপ্টেম্বরের তালিকা অনুযায়ী ডেঙ্গু রোগীর আবাসস্থল ও চারপাশে বিশেষ লার্ভিসাইডিং ও অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রমের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এসসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি
গত ২২ সেপ্টেম্বর সারাদেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৯২৬ জন। তন্মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে রোগীর সংখ্যা ১৪৪ জন। কিন্তু তালিকা অনুযায়ী সরেজমিনে যাচাই-বাচাই শেষে ডিএসসিসির আওতাভুক্ত এলাকার ৪৮ রোগী পাওয়া যায়। অন্যান্য রোগীরা দক্ষিণ সিটির আওতাধীন এলাকার বাইরে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে ডিএসসিসির আওতাভুক্ত এলাকায় আত্মীয়-স্বজন কিংবা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।
৬০৯ দিন আগে
মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসির ৭ ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান
মশা নিয়ন্ত্রণে দৈনন্দিন নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭টি ওয়ার্ডে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানে লার্ভিসাইডিং কার্যক্রমে ১৩ জন, অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রমে ১৩ জন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২১০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী অংশ নেয়।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ে ১২, ১৫, ৩১, ৫৩ ও ৫৫-৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান করা হয়।
আরও পড়ুন: ডিএসসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পাঠানো গত ২১ সেপ্টেম্বর তালিকা অনুযায়ী ডেঙ্গু রোগীর আবাসস্থল ও চারপাশে বিশেষ লার্ভিসাইডিং ও অ্যাডাল্টিসাইডিং কার্যক্রমের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় সচেতনতা সৃষ্টিতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে লিফলেট বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর সারাদেশে মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৮৪৩ জন। এরমধ্যে ডিএসসিসির আওতাভুক্ত এলাকায় রোগীর সংখ্যা ৬৬ জন।
কিন্তু তালিকা অনুযায়ী সরেজমিনে যাচাই-বাচাই শেষে ডিএসসিসির আওতাভুক্ত এলাকার ১৫ জন রোগী পাওয়া যায়।
অন্যান্য রোগীরা দক্ষিণ সিটির আওতাধীন এলাকার বাইরে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে ডিএসসিসির আওতাভুক্ত এলাকায় নিকট আত্মীয়-স্বজন কিংবা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: নাগরিকদের আরও দ্রুত সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলবে: ডিএসসিসি প্রশাসক
নাগরিক সেবাদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক
৬১০ দিন আগে