বগি লাইনচ্যুত
রংপুরে ট্রেনের ইঞ্জিনসহ বগি লাইনচ্যুত, দেড় ঘণ্টা পর চলাচল স্বাভাবিক
রংপুর রেলস্টেশন এলাকায় বুড়িমারী থেকে পার্বতীপুরগামী ৪৬১ কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন ও একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে কোনো যাত্রী হতাহত না হলেও প্রায় দেড় ঘণ্টা ওই লাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্টেশনের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি রংপুর রেলস্টেশন এলাকায় পৌঁছালে ইঞ্জিনের কয়েকটি চাকা এবং পেছনের একটি বগির কয়েকটি চাকা লাইন থেকে পড়ে যায়। এতে ওই লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে লাইনচ্যুত ইঞ্জিন ও বগি আলাদা করে ট্রেনটি অন্য লাইনে সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ওই পথে রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হওয়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, স্টেশনের ৩ ও ৪ নম্বর লাইনে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ হয়নি। এমনকি পর্যাপ্ত পাথরও দেওয়া হয়নি। তাদের ধারণা, লাইনের এমন অবস্থার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা নাঈম ইসলাম বলেন, ‘রেললাইনের ৩ নম্বর লাইনে দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কার করা হয়নি। এক ও দুই নম্বর লাইনে পাথর দেওয়া হলেও ৩ ও ৪ নম্বর লাইনে পাথর দেওয়া হয়নি। লাইনে পাথর না থাকায় ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে।’
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর রহমান বলেন, মালবাহী ট্রেন দীর্ঘদিন ধরে এই লাইন দিয়ে চলাচল করলেও এমন দুর্ঘটনা ঘটেনি। আজ ট্রেনটিকে ৩ নম্বর লাইনে নেওয়া হয়েছে। লাইনটি যাচাই-বাছাই না করে কীভাবে সেখানে ট্রেন ঢোকানো হলো, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার। এ ক্ষেত্রে রেল কর্তৃপক্ষের দায় রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। রংপুর রেলস্টেশনের স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ট্রেনটির নির্ধারিত পথই ছিল ৩ নম্বর লাইন। স্টেশনের পয়েন্ট পার হওয়ার পর সামনের দিকে গিয়ে ইঞ্জিনের চাকাগুলো লাইনচ্যুত হয়। একই সঙ্গে পেছনের একটি বগির কয়েকটি চাকাও লাইন থেকে পড়ে যায়।
তিনি বলেন, ‘কুড়িগ্রামের ইঞ্জিন কেটে নিয়ে এবং সেখানকার বগিগুলো আলাদা করে এক নম্বর লাইনে রাখা হয়। এরপর লাইন স্বাভাবিক করা হয়েছে। বর্তমানে রংপুর স্টেশনে ট্রেন চলাচলে কোনো সমস্যা নেই।’
লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি জানিয়ে স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট বলেন, যে অংশটি লাইনচ্যুত হয়েছে, সেটুকু ছাড়া আর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে।
১১ দিন আগে
বিকল্প পথে ময়মনসিংহ থেকে ট্রেন চলাচল শুরু
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রেললাইন খুলে নেওয়ার ঘটনায় ট্রেন লাইনচ্যুতির কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে কয়েক ঘণ্টা পরে বিকল্প পথে ময়মনসিংহ-ভৈরব হয়ে ঢাকাগামী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোর সোয়া ৫টার দিকে গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের ২ কিলোমিটার আগে সালটিয়া মাঠখোলা নামক স্থানে লাইনচ্যুত হয় অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি।
রেলওয়ে স্টেশন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারাকান্দি থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়ে যায়। রেলপথের ওই স্থানটিতে ২০ ফুটের একটি লোহার দণ্ড দুপাশ থেকে নাট খুলে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এতে ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ সামনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। ট্রেন লাইচ্যুত হওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।
এদিকে, জামালপুর থেকে ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেন সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ময়মনসিংহ স্টেশনে এসে অস্থান করে। এরপর বিকল্প রুট হিসেবে গৌরীপুর, কিশোরগঞ্জ ও ভৈরব হয়ে ঢাকা পাঠানো হয় ট্রেনটিকে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন সুপার আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে ট্রেনটি ময়মনসিংহ ছেড়ে যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে জামালপুর এক্সপ্রেস ও মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন ভৈরব হয়ে ময়মনসিংহে আসবে বলেও জানান তিনি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ বন্ধ হয়ে পড়ায় ঢাকা-তারাকান্দি রুটের আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৫ নম্বর) ট্রেন, তারাকান্দি-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৬ নম্বর) ট্রেন, দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস (৭৪৪ নম্বর) ট্রেন, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকা রুটের আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেস (৭৭৮ নম্বর) ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এসব ট্রেনের জন্য কাটা টিকিটের মূল্য ফেরত পেতে অনলাইনে লগইন করে রিফান্ড গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
দুপুর আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহ রেলওয়ের পরিবহন পরিদর্শক শাহীনুর ইসলাম বলেন, উদ্ধারকারী ট্রেন উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। উদ্ধারকাজ শেষ হতে আরও ২ থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
২৩৩ দিন আগে
রেললাইন তুলে ফেলায় দুই বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রেললাইন তুলে ফেলায় ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোর ৫টা ১০ মিনিটে গফরগাঁও স্টেশনের আগে দুর্বৃত্তরা ২০ ফুট রেললাইন সরিয়ে ফেলায় এই ঘটনা ঘটে।
গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হানিফ বলেন, আমি এখনও ঘটনাস্থলে পৌছাতে পারিনি। তবে রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনী জানিয়েছে, ওই এলাকার ২০ ফুট রেললাইন সরিয়ে ফেলায় তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ দুই বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) ময়মনসিংহের পরিদর্শক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনী ঘটনাস্থলে আছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। এরপর মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের কর্মীরা রেললাইন এলাকায় আন্দোলন শুরু করেন।
২৩৩ দিন আগে
লালমনিরহাটে দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে কমিটি
লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে বিডিআর গেট এলাকার কাছে দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। লালমনিরহাট রেল বিভাগের ডিভিশনাল ট্রাফিক সুপারইন্টেডেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিলম্বে লালমনিরহাট স্টেশনে পৌঁছে যাত্রী নামিয়ে দেয়। এরপর সেটি ওয়ার্ক শেডের দিকে পরিষ্কারের জন্য অগ্রসর হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় বিপরীত দিক থেকে বুড়িমারী থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী ৬৬ নম্বর কমিউটার ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশের চেষ্টা করে। একই লাইনে থাকা অবস্থায় ট্রেন দুটি মুখোমুখি চলে এলে কমিউটার ট্রেনটি লালমনি এক্সপ্রেসের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে এক্সপ্রেস ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয় এবং রেললাইন আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ ঘটনায় ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর গতকাল রাত ৮টার পরে লালমনিরহাট-বুড়িমারী রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনায় লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের অন্তত ৮ যাত্রী আহত হন।
আহত যাত্রীদের মধ্যে আকলিমা বেগম নামের এক নারী বলেন, ‘ট্রেনটি স্টেশনে ঢোকার আগ মুহূর্তে বিকট শব্দ হলো। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমি ও আমার মেয়ে সিট থেকে পড়ে যাই। মাথা ও হাতে আঘাত পেয়েছি।’
বিডিআর গেট এলাকার স্থানীয় ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলাম জানান, ‘প্রতিদিনের মতো এক্সপ্রেস ট্রেনটি লোকশেডে ঢোকার আগ মুহূর্তে আচমকা কমিউটার ট্রেনটি এসে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়।’
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নিরাপত্তা কাজে সহায়তা করেন।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে দুটি বগি লাইনচ্যুত
রেলওয়ের নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা আরএমবি বেনজির আহমেদ বলেন, ‘বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং উদ্ধার কাজ দ্রুত চালানো হয়েছে।’
রেলওয়ের লোকো দপ্তরের ডিএমই সাজিদ হাসান নির্ঝর বলেন, ‘ঘটনায় কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আবু হেনা মোস্তফা আলম বলেন, ‘চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবেন। দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৩৮৬ দিন আগে
লালমনিরহাটে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে দুটি বগি লাইনচ্যুত
লালমনিরহাটে সিগন্যাল ত্রুটির কারণে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে লালমনি এক্সপ্রেসের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে উল্টে গেছে। এতে ট্রেনটির ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলস্টেশনের উত্তর পাশে বিডিআর গেট এলাকায় একটি লোকাল ট্রেন এবং ঢাকাগামী লালমনি এক্সপ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে আসা একটি লোকাল ট্রেন লালমনিরহাট স্টেশনে প্রবেশের সময় লালমনি এক্সপ্রেস ওয়াশপিটের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় সিগন্যাল বিভ্রাটের কারণে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লালমনি এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে উল্টে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে কতজন আহত হয়েছেন—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার আবু মোস্তফা আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভুল সিগনালের কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
৩৮৭ দিন আগে
সাড়ে তিন ঘণ্টা পর ঢাকার পথে বনলতা এক্সপ্রেস
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা বিলম্বের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী-ঢাকা রুটের বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে এসেছে।
সোমবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ট্রেনটি রাজশাহী থেকে যাত্রা শুরু করে।
এর আগে সকাল ৬টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসে বনলতা এক্সপ্রেস। পরে ৭টার দিকে রাজশাহী রেলস্টেশনে পৌঁছালে ট্রেনটির একটি বগির চাকা ভেঙে লাইনচ্যুত হয়। এতে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসছিল। প্ল্যাটফর্মে ঢোকার সময় হঠাৎ করেই বিকট শব্দ হয়। পরে দেখা যায় বগির চাকা ভেঙে লাইনচ্যুত হয়েছে বগিটি। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
রেল কর্মীরা জ্যাক ব্যবহার করে লাইনচ্যুত বগিটি উদ্ধার করেন। পরে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে তোলা হয় এবং সাড়ে ১০টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
৪৭১ দিন আগে
সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল চলাচল স্বাভাবিক
বগি লাইনচ্যুতের ঘটনার সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ। উদ্ধার হয়েছে তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের লাইনচ্যুত বগি।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১১ টার দিকে রাজশাহীর সঙ্গে ঢাকাসহ সারা দেশের রেল রেল যোগাযোগ চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক ময়েন উদ্দিন জানান, বেলা পৌনে ১১ টার দিকে ট্রেনটি নীলফামারীর চিলাহাটির উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে উদ্ধার কাজ শেষ হয়। পরে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত করা হয়। ফলে সাড়ে চার ঘণ্টা পর রাজশাহীর সঙ্গে সব রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আরও পড়ুন: বগি লাইনচ্যুত: রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ
তিনি আরও জানান, সোমবার ভোর ৬টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর ৬টা ৩৬ মিনিটে সরদহের কাছে একটি বগির দুটি চাকা লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এটি রাজশাহী থেকে ছেড়ে যাওয়া দিনের প্রথম ট্রেন। সেটি আটকে থাকায় রাজশাহীর সঙ্গে দেশের অন্যান্য রুটের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, ‘সোমবার সকালে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ও বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস ছেড়ে যেতে পারেনি। এছাড়া মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন হরিয়ান স্টেশনে আটকে পড়ে। উদ্ধার কাজ শেষ হওয়ার পর তিন থেকে চার ঘণ্টা বিলম্বে সব ট্রেন চলাচল করে।
৫৮৩ দিন আগে
বগি লাইনচ্যুত: রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ
রাজশাহীতে চিলাহাটিগামী তিতুমীর এক্সপ্রেসের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ভোর ৬টার দিকে রাজশাহী সরদহ স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম বলেন, চিলাহাটিগামী তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ২৫ কিলোমিটার যাওয়ার পর বেলপুকুর পার হয়ে সরদহ স্টেশন এলাকায় এসে লাইনচ্যুত হয়। এতে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে রেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত কাজ শেষ করতে চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুন: ঢাকার আজমপুরে মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত
তিনি আরও বলেন, ট্রেনটি লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মধুমতি এক্সপ্রেস, বনলতা ও সিল্কসিটি স্টেশনে আটকা পড়েছে।
সিঙ্গেল লাইন থাকায় উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ট্রেন যাওয়া আসা করতে পারছে না বলেও জানান মামুনুল ইসলাম।
৫৮৩ দিন আগে
পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত: ঢাকার সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক
বৃহস্পতিবার রাতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকাসহ সারাদেশের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
স্টেশন সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার স্টেশন থেকে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ছাড়ার সময়সূচির শেষ ট্রেন ছিল। রাত ১২টা ৫ মিনিটে শাহজাহানপুর এলাকায় ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার ২৫ মিনিটের মধ্যে লাইনচ্যুত হলে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
সকাল ৬টা থেকে স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়ার কথা থাকলেও লাইনচ্যুত হওয়ায় ট্রেন ছাড়তে দুই ঘণ্টা দেরি হয়।
কমলাপুর স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে ট্রেনের লাইনচ্যুত বগি উদ্ধার করার পর সীমিত আকারে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
৬৬৩ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে চট্টলা এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে যাত্রীবাহী ট্রেন চট্টলা এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। তবে এতে হতাহত হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর ঢাকামুখী ওই লাইনের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে পৌরসভার সিরাজ ভূঁইয়ার রাস্তার মাথা এলাকায় চট্টলা এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটির ইঞ্জিনের পেছনের বগি লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটির উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে ভোর ৬টার দিকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেন সিরাজ ভূঁইয়ার রাস্তার মাথা এলাকায় পৌঁছালে বগিটি লাইনচ্যুত হয়।
আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে মালবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত
চালক প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও প্রায় এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে ট্রেন থামানো হয়।
রেলওয়ে পুলিশ সীতাকুণ্ড ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমজাদ হোসেন বলেন, চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বগি লাইনচ্যুত অবস্থায় দেখা যায়। তবে এ দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
সীতাকুণ্ড রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোজাম্মেল হোসেন বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটির উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঢাকামুখী ওই লাইনের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে ট্রেনের ইঞ্জিনসহ ৭ বগি লাইনচ্যুত, নিহত ১
৯৫৯ দিন আগে