গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত ।
মঙ্গলবার (৫ মে) ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ এ আদেশ দেন।
অবৈভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় আজ অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল। তবে তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা জানিয়ে সময়ের আবেদন করেছেন তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার।
তিনি বলেন, তোফায়েল আহমেদের বয়স ৮২ বছর। তিনি বার্ধ্যক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিনি কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতিশক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষম।
তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষার অনুরোধ জানিয়ে শুনানি পেছানোর আবেদন করেছেন তার আইনজীবী। তবে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন।
এই মামলার অন্য দুই আসামি হলেন—মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং মোশাররফ হোসেন। তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন জামিনে থেকে আদালতে হাজিরা দেন।
২০০২ সালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি করেছিলেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করেছেন। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে তিন জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।
৯ দিন আগে
সিরাজগঞ্জে এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীকে আপাদমস্তক নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্য করায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ইসলামি বক্তা আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতের বিচারক সুমন ভুঁইয়া এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার বাদী জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত এবং সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) তার সংসদীয় আসনে অসংখ্য মসজিদ ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি যথারীতি নামাজ, রোজা, হজ ও যাকাত পালন করে আসছেন। কিন্তু গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় মসজিদে জুমার খুতবার আগে আলোচনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর দেওয়া এক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মুফতি আমির হামজা এমপি বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একজন আপাদমস্তক নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী।’ পরবর্তীতে তার এ বক্তব্যের একটি ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে। এতে জননেতা বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর সম্মানহানি হয়েছে।
অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর বলেন, এ ঘটনায় আমি নিজে বাদী হয়ে গত ২ এপ্রিল শত কোটি টাকার মানহানি মামলা করি। এরপর আদালতের বিচারক সুমন ভুঁইয়া মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি হাজির হননি। এতে বিজ্ঞ বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
এ ছাড়াও একই ঘটনায় গত ৩০ মার্চ সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে অ্যাডভোকেট এসএম নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে আমির হামজার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন।
২৩ দিন আগে
বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আসলাম চৌধুরী ও তার স্ত্রী নাজনীন মাওলা চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার(১৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক মো. হেলাল উদ্দীন ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ এরশাদ বলেন, বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৬০ কোটি ৭৭ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। ব্যাংকের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড নগরীর পাহাড়তলী শাখা থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ না করায় এ আদেশ দেওয়া হয়। ব্যাংকে যে বন্ধকি সম্পদ রয়েছে, তা নিলামে বিক্রির চেষ্টা করেও ব্যাংক ব্যর্থ হয়। ফলে ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসলাম চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
পড়ুন: বিএনপির আসলাম চৌধুরীর জামিন চেম্বার আদালতে স্থগিত
বিভিন্ন মামলায় প্রায় আট বছর কারাগারে ছিলেন আসলাম চৌধুরী। গত বছর গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০ আগস্ট তিনি কারামুক্ত হন।
বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে ৭৬টি মামলা হয়।
২০১৬ সালের ১৫ মে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে আসলাম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরদিন ফৌজদারি কার্যবিধির (সন্দেহজনক) ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর একই বছরের ২৬ মে আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়। মামলায় তার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
২৬৮ দিন আগে
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি-প্রক্টরসহ ২৬ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ (আইসিটি-২)।
সোমবার (৩০ জুন) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নাজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে, ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে প্রসিকিউশন।
প্রধান প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম আদালতে অভিযোগগুলো পাঠ করে শোনান। অভিযোগগুলোর গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় নিয়ে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তালিকায় বেরোবির সাবেক উপাচার্য (ভিসি) হাসিবুর রশীদ ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামানের নামও রয়েছে।
এ ছাড়াও আসামির তালিকায় রয়েছেন— বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন, পুলিশ কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী। তারা ইতোমধ্যে কারাগারে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করে বেরোবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
এর আগে, ২৪ জুন হত্যা মামলার আলামতসহ তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেয় তদন্ত সংস্থা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক আরএমপি কমিশনারসহ মোট ৩০ জন ব্যক্তি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আবু সায়েদের হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
গত বছর ১৬ জুলাই রংপুরের পার্কমোড় এলাকায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
৩১৮ দিন আগে
ওয়ারেন্ট না থাকায় গ্রেপ্তার হননি আবদুল হামিদ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে কোনো ওয়ারেন্ট (গ্রেপ্তারি পরোয়ানা) না থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (৯ জুন) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা পরিদর্শন শেষে মামলার থাকার পরেও বিমানবন্দরে আবদুল হামিদকে গ্রেপ্তার না করার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘নির্দোষরা শাস্তি পাবেন না বলেই এখন পর্যন্ত কোনো অ্যাকশন নেয়া হয়নি। আবদুল হামিদের বিপক্ষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারাই বলেছেন কোনোভাবেই যেন নির্দোষ কেউ শাস্তি না পান, অযথা গ্রেপ্তার না হন। আমরা সেভাবেই কাজ করছি।’
আরও পড়ুন: দেশে ফিরেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ
তিনি জানান, কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন সেজন্য যাচাই-বাছাই শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মামলার পর যাচাই-বাছাইয়ের এই কার্যক্রম দেশের সব নাগরিকের জন্যই প্রযোজ্য। মন্ত্রণালয়ের তিন সদস্যের কমিটি বিষয়গুলো দেখভাল করছে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
এর আগে, ৮ মে সাবেক রাষ্ট্রপতির বিদেশ যাওয়াকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের এসপি ও তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেসবেরও তদন্ত চলমান বলে জানান জাহাঙ্গীর আলম।
প্রসঙ্গত, রবিবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।
৩৩৯ দিন আগে
অভিনেত্রী শাওনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী ও গায়িকা মেহের আফরোজ শাওনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
শাওনের সৎ মা নিশি ইসলাম হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে ১২ জনকে আসামি করে গত ১৩ মার্চ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি করেন।
এর আগে মঙ্গলবার আসামিদেরকে (২২ এপ্রিল) আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।
সমন পেয়ে আদালতে উপস্থিত না হওয়ার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছানাউল্ল্যাহ তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে— ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদ, সিটিটিসি ইউনিটের সাবেক এডিসি নাজমুল ইসলাম, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, মেহের আফরোজ শাওনের ভাই মাহিন, বোন শিঞ্জন ও সেঁজুতি, সাব্বির, সুব্রত দাস, মাইনুল হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপপরিদর্শক শাহ আলম এবং মোখলেছুর রহমান মিল্টন। ১২ আসামির মধ্যে পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ও উপপরিদর্শক শাহ আলম আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
অপর ১০ আসামি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত, যা গতকাল বুধবার জানাজানি হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, শাওনের পিতা মোহাম্মদ আলী আগের স্ত্রীর কথা গোপন রেখে ও প্রতারণা করে ২০২৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ৫০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে নিশি ইসলামকে বিয়ে করে। পরে নিশি জানতে পারেন, মোহাম্মদ আলী আগেই বিয়ে করেছেন। তার আগের সংসারে একটি ছেলে ও তিনটি কন্যা সন্তান আছে।
গত ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি শাওনের বোন শিঞ্জন ও তার স্বামী সাব্বির বাদীর বাড়িতে এসে বিয়ের কথা গোপন রাখার জন্য চাপ দেন। ৪ মার্চ মোহাম্মদ আলী নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে বাদীকে গুলশানের বাসায় যাওয়ার জন্য বলেন।
তখন মোহাম্মদ আলীর আগের স্ত্রীকে দেখে প্রতারণার বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পান বাদী।
আরও পড়ুন: জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছাড়া পেয়েছেন শাওন ও সোহানা সাবা
এ সময় অন্য আসামিরা তাকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেন। পরদিন আবারও শাওন ও এডিসি নাজমুলসহ অন্য আসামিরা বাদীর বাড়িতে ঢুকে সাদা কাগজে সই নেওয়ার চেষ্টা করেন। সই দিতে অস্বীকৃতি জানালে শাওন বাদীকে মারধর করেন। তিনি অজ্ঞান হয়ে গেলে আসামিরা পালিয়ে যান।
ওই বছরের ২৪ এপ্রিল বাদীকে ডিবির অফিসে ডেকে নেন পরিদর্শক শাহ জালাল। সেখানে শাওনসহ অন্য আসামিরা নিশিকে মারধর করেন।
ডিবিপ্রধান হারুনের নির্দেশে বাড্ডা থানার ওসি বাদীর বিরুদ্ধে মামলা নেন। বাদীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে এনে তাকে নির্যাতন করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছে।
৩৮৬ দিন আগে
হাসিনা-জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
রাজধানীর পূর্বাচলে প্লট অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব দুদকের দেওয়া চার্জশিট আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য আসামিরা হলেন- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন ও সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার।
আরও পড়ুন: দুর্নীতি: হাসিনা-রেহানাসহ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
বাকি আসামিরা হলেন- রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য তন্ময় দাস, (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ), সাবেক সদস্য মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সদস্য (উন্নয়ন) মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক মো. কামরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য শফি উল হক।
দুদকের আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তার করা গেলো কি না সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য ২৮ এপ্রিল তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রথম মামলায় গৃহায়ন ও রাজউকের কর্মকর্তাসহ মোট আসামি ১২ জন।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা দ্বিতীয় মামলায় শেখ হাসিনা এবং গৃহায়ন ও রাজউকের কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ মালিকানায় ও তার ছেলে, মেয়ে, বোন, বোনের মেয়ে ও বোনের ছেলের নামে ঢাকা শহরে বাড়ি বা ফ্ল্যাট বা আবাসন সুবিধা থাকার পরও তা হলফনামায় গোপন করেন এবং পূর্বাচল নতুন শহর আবাসন প্রকল্পের বরাদ্দ সংক্রান্ত আইন-বিধি ও নীতিমালা ও আইনানুগ পদ্ধতি লঙ্ঘন করেছেন।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা, পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
মামলার বিবরণে জানা যায়, তার দপ্তরসহ প্রকল্পের বরাদ্দ বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) গণকর্মচারীদের প্রভাবিত করে নিজে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকারের সর্বোচ্চ পদাধিকারী পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্বরত ও বহাল থাকা অবস্থায় নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের অতি মূল্যবান কূটনৈতিক এলাকায় ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তার ৯ নম্বর প্লট নিজ নামে বাস্তব দখলসহ রেজিস্ট্রিমূলে গ্রহণ করে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় দণ্ডযোগ্য অপরাধ করেছেন আসামিরা।
গত মাসের প্রথমার্ধে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। গত ১০ এপ্রিল প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনা, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন একই আদালত।
গত ১৩ এপ্রিল একই আদালত ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজউক থেকে ৩০ কাঠা প্লট গ্রহণের পৃথক তিন মামলায় শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিকসহ ৫৩ বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
৩৯৪ দিন আগে
যবিপ্রবির সাবেক ভিসিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
দুর্নীতির মামলায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
অন্য দুই আসামি হলেন— যবিপ্রবির উপপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আব্দুর রউফ ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপউপাচার্য ড. কামাল উদ্দিন।
মামলার অভিযোগ পত্রের ওপর শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) আসামিদের বিরুদ্ধে সিনিয়র স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) শেখ নাজমুল আলম এই আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর সিরাজুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের এক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বাছাই বোর্ডের সভাপতির দায়িত্বে থেকে ড. আব্দুস সাত্তার নিয়মবহির্ভূতভাবে আব্দুর রউফকে সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করেন।
যথাযথ যোগ্যতা না থাকায় পরবর্তীতে তাকে সেকশন অফিসার (গ্রেড-১, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় ও বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে ফ্রি র্যাবিস ভ্যাক্সিনেশন ও ক্যাট শো আয়োজন
এভাবে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে আব্দুর রউফ পরে পদোন্নতি পেয়ে ২০২১ সালে উপপরিচালক পদে উন্নীত হন। ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত সরকারি বেতন-ভাতা বাবদ ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট দুদকের যশোর কার্যালয়ের তৎকালীন উপপরিচালক মো. আল আমিন বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
তদন্ত শেষে তিন আসামিকে পলাতক দেখিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দেন। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
৪১২ দিন আগে
সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
জুলাই-আগস্টে গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ সাবেক ১৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রবিবার (২৭ অক্টোবর) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। আদেশের বিষয়টি জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম।
১৭ অক্টোবর জুলাই-আগস্টে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের পৃথক মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আরও পড়ুন: সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ গ্রেপ্তার
চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ১৭ জনের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার জন্য আবেদন করেছিলাম। আদালত সে আবেদন মঞ্জুর করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। সেই ১৭ জনের সবার নাম আমরা বলতে পারছি না নিরাপত্তাজনিত কারণে। এছাড়া যাতে এই আদেশ পৌঁছানোর আগে তারা পালিয়ে যেতে না পারেন।
তিনি আরও বলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান। তিনিসহ বাকি ১৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছি, আদালত তা জারি করেছেন। আদালত তাদের ২০ নভেম্বর উপস্থিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং এর অংশ হিসেবে একটি প্রসিকিউশন টিম ও একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
এ পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ এবং দলের ১৪ নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে গুম ও গণহত্যার অভিযোগে ৬০টি অভিযোগ জমা পড়েছে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আরও পড়ুন: জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায় সাবেক ১০ মন্ত্রী-সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ
রিমান্ড শেষে ব্যারিস্টার সুমন কারাগারে, জামিন নামঞ্জুর
৫৬৪ দিন আগে
রিজভী ও ইশরাকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার দুটি আদালত।
২০১২ সালের ডিসেম্বরে তেজগাঁও এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) একটি ময়লাবাহী ট্রাক ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রিজভী আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার একটি আদালত।
গত বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এ আদেশ দেন।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) আদালতের বেঞ্চ সহকারী আতিকুর রহমান বলেন, অপর দুই আসামি হলেন- খন্দকার এনামুল হক ও কাজী রেজাউল হক।
এদিকে, আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ২০২৩ সালের ২৯ মার্চ দিন ধার্য করেছেন।
এদিকে ২০২০ সালের মতিঝিল থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সোমবার ঢাকার একটি আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
আরও পড়ুন: সব বাধা ডিঙিয়ে ১০ ডিসেম্বর সমাবেশ করতে প্রস্তুত বিএনপি: মির্জা আব্বাস
আদালতের জেনারেল রেজিস্ট্রার শাখার মতিঝিল থানাধীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহা আলম জানান, সময় আবেদন খারিজ করে এ পরোয়ানা জারি করেন ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী।৪৫ আসামির মধ্যে ১৩ আসামি আদালতে হাজিরা না দিয়ে সময়ের আবেদন করেন।
মামলা তথ্যানুসারে, ২০২০ সালের ২৪ জুন ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচন বানচাল করতে অভিযুক্তরা একে অপরের সঙ্গে যোগসাজশে মতিঝিল এলাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপরীতে একটি গাড়িতে আগুন দেয়।
মতিঝিল থানার তৎকালীন এসআই আতাউর রহমান ভূঁইয়া বাদী হয়ে ৪২ জনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করেন।
আরও পড়ুন: যেকোনো মূল্যে ঢাকার জনসভা সফল করব: ফখরুল
১২৫৬ দিন আগে