ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
দেশের শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় তিন মাসব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সের সপ্তম ব্যাচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান।
এতে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রতিনিধি এবং অনলাইনে প্রায় পাঁচ হাজার প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এই প্রকল্পের আওতায় সপ্তম ব্যাচে ৪ হাজার ৮০০ হাজার তরুণ-তরুণী কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও গ্রাফিক ডিজাইনের মতো চাহিদাসম্পন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, এ উদ্যোগ তাদের আত্মকর্মসংস্থানের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সহায়তা করবে। সরকারের এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বেকারত্ব হ্রাস এবং পরিবারভিত্তিক অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
সভাপতির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, দেশের শিক্ষিত বেকার যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রশিক্ষণার্থীরা যদি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন, তবে তারা নিজেদের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশীয় ও বৈশ্বিক কর্মবাজারে সফলভাবে কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন। এই উদ্যোগ তাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের পথ আরও সুগম করবে।
ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম বলেন, বাংলাদেশের অসংখ্য ফ্রিল্যান্সার আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনছেন। তবে তাদের অনেকেই নিজেদের সাফল্যের গল্প প্রকাশ করেন না। আমি প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা নিজেদের অর্জন ও অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করুন। আপনাদের সাফল্যের গল্প নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আরও বেশি তরুণ-তরুণী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে উৎসাহিত হবে।
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৭৩ কোটি ৭৭ লাখ ২৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৬ হাজার শিক্ষিত যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড দেশের আটটি বিভাগের ৬৪টি জেলায় এই প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে।
২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসব্যাপী সপ্তম ব্যাচের প্রশিক্ষণে দেশের প্রতিটি জেলা থেকে ৭৫ জন করে মোট ৪ হাজার ৮০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিচ্ছেন। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী এবং ন্যূনতম এইচএসসি পাস তরুণ-তরুণীরা এ সুযোগ পেয়েছেন। জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের নির্বাচন করা হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ছয়টি ব্যাচে ১৯ হাজার ২০০ জন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ, অর্থাৎ ১১ হাজার ৩৫৩ জন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন।
এ পর্যন্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মোট আয় ১৯ লাখ ৯৯ হাজার ৪৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ কোটি ৯০ লাখ ৩৫ হাজার ৮৮৭ টাকা। সব মিলিয়ে তাদের মোট উপার্জনের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ২১৫ টাকা। প্রশিক্ষণার্থীদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে প্রতিটি জেলায় মেন্টরিং ক্লাসেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এবারের ব্যাচে ভর্তির জন্য লক্ষাধিক আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে প্রায় ৭০ হাজার আবেদনকারীকে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ৪ হাজার ৮০০ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণার্থীরা প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা করে তিন মাসে মোট ৬০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। প্রশিক্ষণের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ফ্রিল্যান্সিং, বেসিক ইংরেজি, ডিজিটাল মার্কেটিং, সফট স্কিল, স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ভিডিও এডিটিং।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রশিক্ষণার্থীদের যাতায়াত ভাতা, খাবার এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদপত্র প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা নিয়মিত কার্যক্রম তদারকি করছেন।
৯ দিন আগে
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে ১ জুলাই
দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করার লক্ষ্যে আগামী ১ জুলাই থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ অলিম্পিক ভবনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এ ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দুই মাসব্যাপী নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে। ২০১২ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৪ সালের ৩১ আগস্টের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে।
প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের সম্পৃক্ত করতে স্কুল, ক্লাব ও জেলা ক্রীড়া অফিসের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার প্রতিযোগিতার পরিধি তৃণমূল পর্যায়ে আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। প্রথম আসরে শুধু উপজেলা দলগুলো জেলা পর্যায়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেও এবার দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন এবং সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড দল সরাসরি উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে।
১০ দিন আগে
যুবসমাজের চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আর আপনাদের (যুবসমাজের) মাধ্যমেই আমরা পেয়েছি একটি স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ। এই স্বাধীন বাংলাদেশে এখন সবাই স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারছেন। বর্তমান সরকার যুবসমাজের চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে। এখন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বুধবার (২০ মে) সাভারে অবস্থিত জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে ‘যুব সমাবেশ-২০২৬’ এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী বিষয়। পুরো পৃথিবী আজ ডিজিটাল প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতার যুগে আমাদের যুবসমাজকে এআইয়ের ইতিবাচক ও ভালো দিকগুলোকে গ্রহণ করতে হবে।
তিনি যুবকদের উদ্দেশে দলমত নির্বিশেষে স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবসময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে হবে এবং সৎ থাকতে হবে। যেকোনো ভুল ও অন্যায় কাজকে রুখে দিতে হবে।
বেকারত্ব দূরীকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, বিগত ১৭ বছরে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে আমরা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারিনি। তবে বর্তমান সরকার যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। বেকারত্ব দূরীকরণে যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কাজ করছে, যার মূল লক্ষ্যই হলো যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে কর্মসংস্থান তৈরি করা।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বিদেশে ‘কেয়ার গিভার’-এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যাদের বিদেশে পাঠানো হবে, তাদের দক্ষ করে পাঠানো হবে এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এই বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। যুবসমাজকে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে প্রতিটি জেলায় যুব প্রশিক্ষণ সেন্টারে এআই প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের যুব কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও তৃণমূলমুখী করার লক্ষ্যে ‘যুব সমাবেশ’ কেবল ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে তা পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় জেলা পর্যায়ে আয়োজন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন।
৫০ দিন আগে
দল-মতের ঊর্ধ্বে দেশ গঠনে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশ গঠনে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, যুবসমাজের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের মাধ্যমেই একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন সম্ভব।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত যুব কার্যক্রম অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এ পরিকল্পনায় সরাসরি নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যুবসমাজের অবদান নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের সমাজব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, সরকার একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে বাজেট প্রণয়ন করে। তাই কর্মকর্তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব এবং প্রশিক্ষণ কোর্সগুলো যথাযথভাবে পরিচালনা করতে হবে।
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রতিমন্ত্রী জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দপ্তরে সময়মতো উপস্থিত থাকার এবং অধীনস্থদের উপস্থিতি তদারকির নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, সকল উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত সময় এবং বরাদ্দকৃত বাজেটের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা তা যাচাই করতে দ্রুত একটি ‘মনিটরিং সেল’ গঠনের নির্দেশনা দেন তিনি।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দল-মতের ঊর্ধ্বে এসে সবাইকে দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে। কেউ যাতে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৮৩ দিন আগে
চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
সংসদে রবিবার চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই উদ্যোগটি ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ। প্রাথমিকভাবে সাতটি খেলাধুলা দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন খেলা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো এবং মাঠে শারীরিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।’
এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী
তিনি আরও জানান, তরুণদের খেলাধুলায় ব্যস্ত রাখার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব হবে।
পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় খেলার মাঠ উন্নয়ন করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
১০২ দিন আগে
বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপ জিতবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যে যুব বিশ্বকাপ জয় করেছি। ইনশাআল্লাহ, আমরা একদিন আইসিসির মূল বিশ্বকাপও জয় করব।
তিনি বলেন, ‘আসন্ন বিশ্বকাপটি যেহেতু এ উপমহাদেশে আয়োজিত হচ্ছে, এটি আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য অত্যন্ত পরিচিত পরিবেশ। তারা এ এনভায়রনমেন্টে খেলতে অভ্যস্ত। আমি আশা করি, আসন্ন বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ ভালো খেলবে। আমি বাংলাদেশ দলের জন্য শুভকামনা জানাই।’
আরও পড়ুন: করোনার চিকিৎসায় প্রয়োজনে দেশের সকল স্টেডিয়াম ব্যবহার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বিশ্বকাপ ট্রফি। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর আগে বিশ্ব ভ্রমণে ঘুরছে বিশ্বকাপ ট্রফি। তারই ধারাবাহিকতায় তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে রয়েছে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন বিশ্ব ভ্রমণের অংশ হিসেবে আইসিসি বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে এসেছে। তিন দিনের সফরে প্রথম দিনি স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আজ দ্বিতীয় দিন মিরপুরে ফটোসেশন শেষে মন্ত্রণালয়ে আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ে এটিই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে আসা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের খেলাধুলার অভিভাবক। তাই এখানে যারা রয়েছে তাদের দেখার জন্যই এ আয়োজন করা হয়েছে। এ জন্য আমি আইসিসি এবং বিসিবিকে ধন্যবাদ জানাই।
এদিকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিশ্বকাপ সামনে রেখে একজন যোগ্য খেলোয়াড়ই ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হবেন৷ ক্যাপটেনসি নিয়ে আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি কথা বলেছেন, তারা বিষয়টি দেখছেন। সকালেও তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আশা করি, শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আপনারা জানতে পারবেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অধিনায়ক হিসেবে অবশ্যই যোগ্যতর মানুষ আসবেন। যে খেলোয়াড়কে অধিনায়ক করা হবে, তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন।
বিশ্বকাপকে সামনে রেখে একজন যোগ্য খেলোয়াড়ই অধিনায়ক হিসেবে আসবেন বলে আমি মনে করি।
আরও পড়ুন: সাকিবের অনন্য রেকর্ড, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্রীড়াবিদদের অর্থ সহায়তা দিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
১০৬৬ দিন আগে
সাকিবের অনন্য রেকর্ড, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বিশ্বের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে সাকিব আল হাসান একইসাথে ১০০০ রান ও ১০০ উইকেটের মাইলফলক অর্জন করেছেন।
মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পঞ্চম ও শেষ টি-২০ ম্যাচে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এই অনবদ্য রেকর্ড গড়েন। সাকিবের এমন অর্জনে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি।
আরও পড়ুন: শেষ ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ
অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ইতিহাসে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আজ এক অনন্য রেকর্ড গড়লো। তার এ অসামান্য অর্জনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। আমি তার সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।’
আরও পড়ুন: বার্সেলোনা ছাড়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না: মেসি
উল্লেখ্য, টি-টোয়েন্টিতে ১০০ উইকেট নেওয়ায় তালিকায় সাকিব দ্বিতীয় বোলার। তার আগে এই অর্জন আছে শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি লাসিথ মালিঙ্গার। তবে লাসিথ মালিঙ্গা শুধু ১০০ (১০৭) উইকেটের মালিক, ১০০০ রানের কোটা পার করেননি।
১৭৯৫ দিন আগে
সিলেটে আরেকটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উদ্বোধন
দেশে ক্রিকেট উন্মাদনাকে ছড়িয়ে দিতে চায়ের শহর সিলেটে আরও একটি দৃষ্টিনন্দন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হয়েছে।
১৯৯৩ দিন আগে
নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে পাকিস্তানে খেলতে যাবে বাংলাদেশ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল রবিবার বলেছেন, সব নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই পাকিস্তানে ক্রিকেট দল পাঠাবে বাংলাদেশ।
২৩৮৪ দিন আগে