উপদেষ্টা
বিএনপি গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা সমর্থন করবে না: ডা. জাহেদ
বিএনপি গত ১৭ বছর গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে এবং সরকার গঠনের পরও সেই অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ বলেন, কোনো রাষ্ট্র বা সরকার যদি কাউকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করে, তাহলে সেটি আর রাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করে না। এটি খুন, যা যেকোনো মানুষই করতে পারে। একটি রাষ্ট্র প্রকৃত অর্থে রাষ্ট্র হয়ে ওঠে তখনই, যখন সে বিচার করার ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
কোনো গণতান্ত্রিক সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সমর্থন করতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। কিন্তু কাউকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা রাষ্ট্রের কাজ হতে পারে না। রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে বিচারব্যবস্থার হাতে তুলে দেওয়া যায়। প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করা যেতে পারে, কিন্তু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুযোগ নেই।
বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে উপদেষ্টা বলেন, পাঁচ বছর পর রাতের ভোট বা ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার কোনো উদ্দেশ্য এই সরকারের নেই। তাই সরকার এমন কোনো কাজ করবে না, যাতে তার ক্ষতি হয়। বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো ঘটনায় মানুষের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সরকারের অনুমতি পেলে ক্রসফায়ার করা হবে বলে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইজিপি তার পরবর্তী বক্তব্যে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন বলে মনে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইজিপি তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং আগের অবস্থানে অনড় থাকেননি। এছাড়া সাংবাদিকদের বিষয়ে তার বক্তব্যে যে সাধারণীকরণ ও গুরুতর অভিযোগ ছিল, সেখান থেকেও তিনি সরে এসেছেন। তাই তার মতে এটা নিয়ে আর কথা বলা উচিত হবে না।
আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়ার কারণে তাকে পদে থাকার সুযোগ দেওয়া যায় কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, বিষয়টি সাংবাদিকদের বিবেচনার। তবে তার মতে, আইজিপি আগের বক্তব্যে অনড় থাকলে সমস্যা হতো।
তিনি আরও বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে বেআইনি কাজের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা করতে বাধ্য নন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আইন মেনেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আইজিপির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করবেন বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে আসতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ময়মনসিংহের ভালুকায় বিএনপিকে ভোট দিয়ে ভুক্তভোগী হওয়ার কথা জানিয়ে ফেসবুক লাইভ করায় এক নারী উদ্যোক্তাকে ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ওই নারী উদ্যোক্তার বক্তব্যের কারণে যারা প্রতিবাদ করেছেন, তাদের অবস্থান সঠিক বলে তিনি মনে করেন না।
তবে মানুষের এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার অধিকার রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আরও অনেক ব্যক্তি, এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এই ধরনের বক্তব্য আসলে দেওয়া যেতেই পারে।
আদালতে পাঠানোর পরের বিষয়গুলো বিচার বিভাগের এখতিয়ার উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আদালত সরকার নয়। আদালত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার জবাবদিহি সরকার করবে না। তবে সরকারের দায়িত্ব হলো, পুলিশের তদন্ত যেন নিরপেক্ষ ও প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে হয়, তা নিশ্চিত করা।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তদন্তে ওই নারীর বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে দেখা হবে না। কারণ ওই বক্তব্যে অপরাধের উপাদান পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য থেকে তিনি ইঙ্গিত পেয়েছেন।
রংপুরের পীরগঞ্জে তিনটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান জানান, ঘটনাটি তার নজরে আসেনি। তবে সেখানে পুলিশ মোতায়েন ও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি শুনেছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রপন্থি কিছু মানুষের আস্ফালনের প্রবণতা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এ প্রবণতা বেড়েছিল এবং অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে বর্তমান সরকার এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে থেকে বিচারের বাইরে থাকবেন, এটা হতে পারে না। আমি আপনাকে এটা নিশ্চিত করছি।’
তিনি আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও একটি উদার গণতান্ত্রিক দেশে নিরাপদে বসবাস করতে চান। রাজনৈতিক দলের হাতে দেশের দায়িত্ব থাকলে তাদের কাছেও মানুষের প্রত্যাশা থাকে। বিএনপিকে সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।
১১ দিন আগে
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: উপদেষ্টা জাহেদ
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শর্ত মানলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে কি না জানতে চাইলে—প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘কোনো রকমের সমস্যা নেই। একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের হয়েও নির্দলীয় থাকেন তাও পারবেন। কারণ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়, এখানে কেউই দলের কথা বলবেন না।
‘একজন নির্দলীয় ব্যক্তি আসলেন, কিন্তু তিনি যদি তার প্রচারণায় আওয়ামী লীগ বা তাদের দলের যা যা বলার সেগুলো বলেন, সেটা কিন্তু সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি নির্বাচনটা করার জন্য যে ক্রাইটেরিয়া (শর্ত) আছে, সেটা যদি তিনি পূরণ করতে পারেন, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে পারেন। নিশ্চয়ই পারেন।’
যদি নির্বাচনে আসা কারও আওয়ামী লীগের দলীয় পদ-পদবি থাকে তাহলে কী হবে— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সংগঠনের কর্মসূচি যেহেতু নিষিদ্ধ আছে এই পোস্ট পজিশন তিনি তো আসলে ব্যবহার করছেন না, তিনি করতে পারেন না। ব্যক্তি হিসেবে কেউ যদি নির্বাচনের শর্তে যা আছে সেটা পূরণ করতে পারেন, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে পারেন। এ ব্যাপারে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
১৫১ দিন আগে
অধ্যাপক ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট
হামের টিকা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার বাইরে বেসরকারি খাতে দেওয়ার অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সাবেক সব উপদেষ্টা ও সংশ্লিষ্ট ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৭ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম এ রিট আবেদন দায়ের করেন।
রিটে কেবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়, হামের টিকা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার বাইরে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
সেদিন ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম বলেন, সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। এতে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং অসংখ্য শিশু ও সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হামের টিকা ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় খাত থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার ‘অশুভ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে’ জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ড. আসিফ নজরুল, সৈয়দ রেজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খান শুভ্র, নূর জাহান বেগম, ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ সংশ্লিষ্টদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানানো হয়।
১৭৪ দিন আগে
আট প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন
প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে সরকারের আটজন প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩বি (আইআই) বিধি অনুযায়ী এই পুনবর্ণ্টন করা হয়েছে।
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদকে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফারজানা শারমীনকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. নুরুল হককে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্বও পুনর্বণ্টন করেছে সরকার। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদার রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে তার বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, অপর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে বর্তমান পদের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয়েছিল।
২৪৮ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার কে কোন দায়িত্ব পেলেন
প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টার মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দপ্তর বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচ জন উপদেষ্টার মধ্যে তিন জনকে রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।
মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জনপ্রশাসন ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার পাঁচজন উপদেষ্টাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও ক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামকে; ডা. জাহেদ উর রহমানকে পলিসি ও স্ট্রাটেজি; মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেহান আসিফ আসাদকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সরকার গঠন করে বিএনপি। ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
এর মাধ্যমে ২০ বছর পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ওইদিনই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় ১০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।
২৫৬ দিন আগে
অপপ্রচার রোধে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অনুষ্ঠানে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ভোট দেওয়ার পর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসের বারিধারা স্কলার্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর তিনি এ আহ্বান জানান।
সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের সাংবাদিকরা সত্য সংবাদ পরিবেশন করেছেন বলেই ভারতীয় মিডিয়ার অপপ্রচার ও প্রোপাগাণ্ডা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। একইভাবে সাংবাদিকরা জাতীয় নির্বাচনেও সত্য সংবাদ প্রকাশ করলে গুজব ও অপপ্রচার রোধ করা সম্ভব হবে। জাতীয় নির্বাচনে মিডিয়া সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবে বলে তিনি এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
২৬৮ দিন আগে
জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টার সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা হুমা খান।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বলে দলটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
এসময় হুমা খানের সঙ্গে ছিলেন জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির মানবাধিকার বিষয়ক জুনিয়র উপদেষ্টা ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম খান।
সাক্ষাতের শুরুতেই হুমা খান জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন ও তার পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা কামনা করেন। পরবর্তীতে আন্তরিক পরিবেশে উভয়পক্ষ পারস্পরিক মতবিনিময় করেন।
চলতি বছরের ২৯ জুলাই রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার আয়োজিত ‘জুলাই স্মরণ সভায়’ জামায়াত আমিরের দেওয়া বক্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মিস হুমা খান।
পড়ুন: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইইউ রাষ্ট্রদূত মিলার
আলোচনায় তারা বাংলাদেশে বিদ্যমান মানবাধিকার পরিস্থিতি, গুম-খুনের বিচারসহ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করেন। হুমা খান জামায়াতের প্রস্তাবিত সংস্কার কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে জামায়াত আমির তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন।
উল্লেখ্য, এসময় ডা. শফিকুর রহমান জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলকে নিজের দলের উদ্যোগে ‘জুলাই শহীদদের’ স্মরণে প্রকাশিত ইংরেজি সংস্করণের ১২ খণ্ডের বই উপহার দেন।
দলটির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান প্রমুখ।
৪২৫ দিন আগে
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদকে সংযত থাকার আহ্বান ইশরাকের
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে তার বক্তব্যে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি বজায় রাখতে আরও কোনো আন্দোলন রোধ করার জন্য যেকোনো প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ এড়াতে সতর্কও করেন তিনি।
ইশরাক বলেন, ‘আশা করি, আসিফ মাহমুদ তার বক্তব্যে সংযত থেকে বর্তমান শান্তির পরিস্থিতি বজায় রাখতে সহায়তা করবেন।’
বুধবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান তিনি।
ইশরাক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টাকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার কথাও বিবেচনা করার আহ্বান জানান।
পড়ুন: ইশরাককে শপথ পড়ানো হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত ইসির: আপিল বিভাগ
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আমি এটি একটি সতর্কীকরণ বার্তা হিসেবে দিচ্ছি। নগরবাসী এর কোনো বিচ্যুতি মেনে নেবে না। যদি আন্দোলন আবার শুরু হয়, তবে এটি নগর ভবনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না—এটি রাস্তায় ছড়িয়ে পড়বে। এটি অবশ্যই এড়ানো উচিত।’
ইশরাকের সমর্থক এবং বিএনপি কর্মীরা ১৪ মে থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) প্রধান কার্যালয়ের বাইরে ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে। পরে ডিএসসিসি কর্মচারী ইউনিয়নও এই বিক্ষোভে যোগ দেয়।
২০২০ সালের ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে ইশরাক প্রায় ২ লাখ ভোটে হেরে যান।
তবে, চলতি বছরের ২৭ মার্চ একটি নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ওই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে দেয়। এরপর নির্বাচন কমিশন ২৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ইশরাক হোসেনকে নতুন মেয়র ঘোষণা করে।
তবে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় অমীমাংসিত আইনি বিষয়ের কারণ দেখিয়ে ইশরাকের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
৫০০ দিন আগে
নির্বাচনী রোডম্যাপ দাবিকে ‘মহাপাপ’ মনে করছেন কিছু উপদেষ্টা: রিজভী
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বিএনপি যে নির্বাচনী রোডম্যাপ দাবি করেছে, সেটিকে কিছু উপদেষ্টা ‘মহাপাপ’ হিসেবে দেখছেন বলে মন্তব্য করছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
নির্বাচনের জন্য অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘স্পষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনের আহ্বান জানানো কি মহাপাপ? কিছু উপদেষ্টার মন্তব্য থেকে মনে হচ্ছে যে, তারা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন মানুষের মধ্যে এই ধারণা উসকে দিচ্ছেন।’
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার (২৫ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি নেতা এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক দলগুলো অন্তর্বর্তী সরকারকে প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে বলেছে। শেখ হাসিনা জনগণের এই ভোট দেওয়ার অধিকার বিলম্বিত করেছিলেন, বঞ্চিত করেছিলেন।’
আরও পড়ুন: নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে আশ্বাস পায়নি বিএনপি
‘আমাদের সব বিক্ষোভ ও আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল এই পরিস্থিতির উত্তরণ। প্রকৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা এবং একটি মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু এখন, নির্বাচনকে ঘিরে অনেক চক্রান্ত চলছে,’ যোগ করেন রিজভী।
নিজেদের এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে কিছু উপদেষ্টা নির্বাচন নিয়ে কথা বলছেন বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব। এ কারণেই রাজনৈতিক সংকট বাড়ছে বলে তিনি মনে করেন।
রিজভী বলেন, ‘যদি উপদেষ্টারা তাদের দায়িত্বের বাইরে কোনো গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেন—তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের ভূমিকা পরিবেশ রক্ষা এবং উন্নত করা, কিন্তু তিনি বরং নির্বাচনের কথা বলেন ‘
‘বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষার জন্য রিজওয়ানা কী করেছেন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও বিষাক্ত বাতাসে শ্বাস নিচ্ছি কেন? দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে, পরিবেশ দূষণমুক্ত করতে তার কোনো উদ্যোগ বা কর্মসূচি আমরা দেখিনি।’
দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগের জন্য তার দলের আহ্বানকে সমর্থন করে রিজভী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা হলো নিরপেক্ষ থাকা। কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল গঠনে সহায়তা করা বা এর বিকাশে সহায়তা করা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নয় ‘
রিজভী বলেন, ‘অবশ্যই নিরপেক্ষভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে, যদি একজন উপদেষ্টা (কুমিল্লার) এসপিকে ফোন করে বিএনপির লোকজনকে গ্রেপ্তার করার এবং দলটিকে সেখানে কোনো কার্যকলাপ পরিচালনা করতে বাধা দেওয়ার নির্দেশ দেন—তাহলে কেন তার পদত্যাগের দাবি উঠবে না?’
৫৩১ দিন আগে
উপদেষ্টা মাহফুজের ওপর ‘প্রতীকী বোতল’ নিক্ষেপ
তৃতীয় দিনের মতো জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থানস্থলে উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের উপর প্রতীকী বোতল নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (১৬ মে) বিকাল ৪টায় কাকরাইল মসজিদ মোড়ে শিক্ষার্থীরা এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচি শুরু করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সংলগ্ন রাস্তার উপর তিনটি প্লাস্টিকের ঝুড়িতে 'সান্ডা মাহফুজ' লেখা সাঁটিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। এরপর পালাক্রমে শতাধিক শিক্ষার্থী বোতল নিক্ষেপ শুরু করেন।
এই সময় আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ইসমাইল হোসেন বলেন, তার মাথায় বোতল নিক্ষেপের ঘটনাটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত। আমাদের শিক্ষকরা তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি পুরো বিষয়টিকে ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা করছেন। উপদেষ্টা মাহফুজের উদ্ধতপূর্ণ আচরণকে আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
আরও পড়ুন: জবি শিক্ষার্থীদের গণঅনশন শুরু
নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাওন বলেন, বোতল নিক্ষেপের মতো একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওনি আমাদের সাথে কথা না বলে চলে গেছেন। সরকারের একজন ছাত্র প্রতিনিধি হয়েও আমাদর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে খারাপ আচরণ করেছে। পুলিশ আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলা করেছে। ওনি এটার জন্য আমাদের পক্ষে অবস্থান না নিয়ে পুলিশের প্রতি সহমর্মিতা দেখিয়েছেন। এর প্রতিবাদে আমরা আজকে সান্ডা মাহফুজের উপরে প্রতীকী বোতল নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করছি।
এর আগে গত বুধবার থেকে যমুনা অভিমুখে কাকরাইল মোড়ে অবস্থান করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। সবশেষ খবর অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সমাবেশ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৫০টি বাস চক্রাকারে শিক্ষার্থীদের আন্দোলস্থলে নিয়ে আসছেন।
উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবিতে কাকরাইল মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। চলমান আন্দোলনের চার দফা দাবি হলো— বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি চালু করা, জবির প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন দেওয়া, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় পাশ ও দ্রুত বাস্তবায়ন, গত ১৪ মে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
৫৪০ দিন আগে