সিলিন্ডার
এলপিজির দামে বড় লাফ, ১২ কেজি সিলিন্ডারে বেড়েছে ২৫২ টাকা
অক্টোবরের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) খুচরা দাম প্রতি কেজিতে ২১ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। এতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন দাম এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি অক্টোবরের জন্য ভ্যাটসহ বেসরকারি এলপিজির খুচরা দাম প্রতি কেজি ১৫৩ টাকা ৬ পয়সা নির্ধারণ করেছে, যা সেপ্টেম্বরে ছিল ১৩২ টাকা ৮ পয়সা।
সেপ্টেম্বরের জন্য নির্ধারিত দামে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হয়েছিল। সৌদি আরামকোর কনট্রাক্ট প্রাইস (সৌদি সিপি) বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে অক্টোবরে এলপিজির দাম বাড়ল।
অক্টোবরে প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সৌদি সিপি প্রতি মেট্রিক টনে ৭১২ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৬৪৭ দশমিক ৭৫ ডলার। ৩৫:৬৫ অনুপাতের ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়েছে।
অক্টোবরে ৫ দশমিক ৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৮৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৭২৭ টাকা। আর ১২ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯১৩ টাকা করা হয়েছে, যা সেপ্টেম্বরে ছিল ১ হাজার ৬৫২ টাকা।
১৫ কেজি, ২০ কেজি ও ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ২ হাজার ২৯৬ টাকা, ৩ হাজার ৬১ টাকা ও ৬ হাজার ৮৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এসব সিলিন্ডারের দাম ছিল যথাক্রমে ১ হাজার ৯৮২ টাকা, ২ হাজার ৬৪২ টাকা ও ৫ হাজার ৯৪৫ টাকা।
মোটরযানে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। অক্টোবরে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি, যা সেপ্টেম্বরের দাম ৭৩ টাকা ৯ পয়সার তুলনায় ১১ টাকা ৫৩ পয়সা বেশি।
পাইপলাইনভিত্তিক ব্যবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির ভোক্তা পর্যায়ের দাম তরল অবস্থায় প্রতি কেজি ১৪৯ টাকা ৩১ পয়সা এবং গ্যাসীয় অবস্থায় প্রতি লিটার ৩৩ দশমিক ১৯ পয়সা বা প্রতি ঘনমিটার ৩৩১ টাকা ৯০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জারি করা আদেশ অনুযায়ী ডিলার ও খুচরা পর্যায়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এলপিজির ১২ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সায় অপরিবর্তিত রেখেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বিইআরসি এলপিজি মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ লাইসেন্সধারীদের সংশোধিত দামে পরিবেশকদের কাছে এলপিজি বিক্রি এবং সে অনুযায়ী মূসক চালান বা ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) ইস্যু করার নির্দেশও দিয়েছে।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি এবং খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ার খবরের মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি করা হলো। সেপ্টেম্বরে বিইআরসি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করলেও সরবরাহ সংকটের কারণে কিছু এলাকার ভোক্তারা এর চেয়ে উল্লেখযোগ্য বেশি দামে এলপিজি কিনেছেন।
১ দিন আগে
গাবতলীতে মাছবাহী গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণে যুবক নিহত
রাজধানীর গাবতলীতে মাছবাহী ফ্রিজিং গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ইমরান হোসেন (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক মো. ফারুক হোসেন (৪০) আহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে গাবতলীর দীপনগর মাছের আড়তের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমরানের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায়। তার বাবার নাম সারোয়ার মোল্লা। নিহত ও আহত দুজনই দীপনগরের একটি রেফ্রিজারেটরের দোকানে কাজ করতেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ফারুক হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত ইমরানের মামাতো ভাই সবুজ জানান, দীপনগর এলাকায় একটি রেফ্রিজারেটরের দোকানের সামনে মাছবাহী ফ্রিজিং গাড়ি মেরামত ও গ্যাস ভরার কাজ চলছিল। এ সময় হঠাৎ গাড়িটির সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এতে ইমরান ও ফারুক হোসেন আহত হন। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, ইমরানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত ফারুক জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৫৭ দিন আগে
এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম কমল ৩৫৭ টাকা
ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫২৮ টাকা। জুন মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল এক হাজার ৮৮৫ টাকা।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নতুন এ দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
নতুন দর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কার্যকর হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ও জাহাজভাড়া (ফ্রেইট চার্জ) কমে আসায় এ মূল্য হ্রাস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিইআরসি।
বিইআরসি জানিয়েছে, চলতি (জুলাই) মাসে অটোগ্যাসের দাম ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এ মাসে প্রতি কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা ৬ পয়সা।
এদিকে, সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
এর আগে ১৯ এপ্রিল ১২ কেজি এলপিজির দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১,৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তার ১৭ দিন আগে, ২ এপ্রিল, ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে দাম করা হয়েছিল ১,৭২৭ টাকা।
অর্থাৎ, দুই দফায় ১২ কেজি এলপিজির দাম মোট ৫৯৯ টাকা বাড়ানো হয়। এরপর জুন মাসে ১২ কেজির দাম ১,৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ১,৮৮৫ টাকা এবং অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৮৯.৫০ টাকা থেকে কমিয়ে ৮৬.৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে এলপিজি খাতে নজিরবিহীন অরাজকতা চলছে। বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম আদায় করছেন। মার্চ মাসে নির্ধারিত মূল্য ছিল ১,৩৪১ টাকা। তবে বাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রির খবরও রেকর্ড করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো এলপিজির দর ঘোষণা করে বিইআরসি। তখন জানানো হয়, সৌদি আরবের কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুযায়ী ভিত্তিমূল্য প্রতি মাসে সমন্বয় করা হবে। আর কমিশন, জাহাজভাড়া, আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার কমিশনে পরিবর্তন আনতে হলে গণশুনানির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ওই ঘোষণার পর থেকেই প্রতি মাসে এলপিজির নতুন দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।
৯৫ দিন আগে
রাজধানীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের ১০
রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন— মো. রুবেল (২৮), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (০৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই মো. এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী মোছা. দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩০), ভাগনি আয়েশা, (১৯) মো. হাবিব (৩৫) ও আবু কালাম রুবেল (৩৫)।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা সাজেদ মাতব্বর জানান, উত্তরার কামারপাড়া ১০ নম্বর সেক্টরের কবরস্থান রোডের মেম্বার বাড়ির পাশে আবুল কালামের বাসায় দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকেন রুবেল। ওই বাসায় ভোরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে।
তিনি জানান, রুবেল মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করেন। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারি অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তিদের মধ্যে শিশু রোজার শরীরের ১৮ শতাংশ দগ্ধ, সোনিয়া আক্তার দগ্ধ ১০০ শতাংশ, রুবেলের ৩২ শতাংশ, জুনায়েদ ২৪ শতাংশ, এনায়েত আলী ৪৫ শতাংশ, দিলেরা খাতুন ১৪ শতাংশ, আবু কালাম রুবেলের ৭ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, আয়েশা আক্তার ১২ শতাংশ ও রিয়া আক্তারের শরীরের ৩২ শতাংশ দগ্ধ রয়েছে।
যাদের শরীরের দগ্ধের পরিমাণ বেশি, তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অন্যদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানান এ চিকিৎসক।
২১৪ দিন আগে
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে কমল ২৮ টাকা
১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে ২৮ টাকা কমিয়ে মার্চ মাসের জন্য ১ হাজার ৪৫০ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে গ্যাসের নতুন এই দাম কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ঘোষণা অনুযায়ী, মাসজুড়ে প্রতি কেজি এলপি গ্যাসের দাম ১২৩ টাকা ১৬ পয়সা থেকে ২ টাকা ৩৫ পয়সা কমে ১২০ টাকা ৮১ পয়সা করা হয়েছে।
অন্যান্য আকারের সাড়ে পাঁচ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত এলপিজি সিলিন্ডারের দামও একই হারে কমবে।
এতে আরও বলা হয়, প্রতি কেজি 'অটো গ্যাস' (মোটরযানে ব্যবহৃত এলপিজি) ৬৭ টাকা ৭৮ পয়সা (ভ্যাটসহ) থেকে কমিয়ে ৬৬ টাকা ৪৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এলপি গ্যাস কোম্পানির বাজারজাত করা এলপিজির দাম বাড়বে না। কারণ এটি স্থানীয়ভাবে ৫ শতাংশের কম বাজার শেয়ার নিয়ে উৎপাদিত হয়।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্থানীয় বাজারে ১২ কেজি এলপিজির সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ হাজার ৪৯৮ টাকা।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকবে: বিইআরসি
৫৮১ দিন আগে
আশুলিয়া প্রাইভেটকারের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহত ৩
সাভার আশুলিয়ার পলাশবাড়ীতে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বাবা, মা ও ছেলেসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পলাশবাড়ীর হাজী জামাল উদ্দিন মটরপার্টস মার্কেট সংলগ্ন হাবীব সিএনজি পাম্পে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- ঢাকার মোহাম্মদপুর কাটাসুর কাদেরাবাদ এলাকার ইমরাম হাসান সানি, তার স্ত্রী মুক্তা আক্তার ও তাদের ১১ বছরের ছেলে কাজী মিনহাজ। তবে তারা গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: সাভারে অ্যাম্বুলেন্স-বাস সংঘর্ষে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ হয়ে নিহত ৪
স্থানীয়রা জানায়, প্রাইভেটকারটি গ্যাস নিতে পাম্পে প্রবেশ করলে সবাই গাড়ি থেকে নেমে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। গ্যাস নেওয়া শুরু করতেই সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়। এতে প্রাইভেটকারের পাশে থাকা তিনজন আহত হলে তাদের উদ্ধার করে সোহেল স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আলম সিদ্দিক বলেন, গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৬০৬ দিন আগে
গাজীপুরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে কুদ্দুস খান নামে আরও একজনর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৭ জনে।
শনিবার (৩০ মার্চ) ভোরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে মারা যান তিনি।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে একজনের মৃত্যু
কুদ্দুস খান লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলার উত্তর মসরাত মেদেতী গ্রামের মো. সুরুজ আলী খানের ছেলে।
নিহত ১৭ জন হলেন-
সোলাইমান মোল্লা, মনসুর আলী, শিশু তায়েবা, আরিফুল ইসলাম, মহিদুল, নার্গিস খাতুন, জহিরুল ইসলাম, মোতালেব, মো. সোলায়মান, রাব্বি, তাওহীদ, ইয়াসিন, মশিউর রহমান ও কমলা খাতুন, নাদিম, লালন মিয়াসড় এবং কুদ্দুস খান।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, কুদ্দুসকে গাজীপুর থেকে ৮০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আজ শনিবার ভোরে তিনি মারা যান। চিকিৎসাধীন থাকা আরও সাত থেকে আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ২ জন নিহত
গাজীপুরে বালু-খোয়ার স্তপ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
৯২০ দিন আগে
মালিবাগে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩
রাজধানীর মালিবাগে একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লাগার পর গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় এই বিস্ফোরণ হয়।
আহতরা হলেন- মো. সবুজ, মো. মারুফ (১৬) ও জুলহাস (১৮)। তারা সবাই 'শাহজালাল হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট'-এর কর্মচারী।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা সহকর্মী তৌহিদ জানান, সন্ধ্যায় তারা রেস্টুরেন্টের সামনে ইফতার বিক্রি করছিলেন। হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ করে আগুন লেগে তিনজন আহত হন।
আরও পড়ুন: কয়লাভর্তি জিম্মি জাহাজ আব্দুল্লাহতে বিস্ফোরণের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, নিহতদের হাতে-পায়ের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে।
তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে ১৪
৯২৯ দিন আগে
ফের বাড়ল এলপিজির দাম
প্রতি কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ১ টাকা ৯১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
রবিবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে এই দাম কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জানিয়েছে, এখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ১৪০৪ টাকা (ভ্যাটসহ), আগে এই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১৩৮১ টাকা।
বিইআরসি জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে প্রতি কেজি এলপিজির দাম বেড়েছে ১১৭ টাকা ০২ পয়সা, নভেম্বরে এর দাম ছিল ১১৫ টাকা ০৯ পয়সা।
রবিবার ঢাকায় বিইআরসি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন বলেন, সাড়ে ৫ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দামও একই হারে বাড়বে।
আরও পড়ুন: এলপিজির দাম আবারও বাড়ল, চাপে গ্রাহকরা
বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অটো গ্যাসের (মোটর গাড়ির জন্য ব্যবহৃত এলপিজি) দাম লিটার প্রতি ৬৩ টাকা ৩৬ পয়সা থেকে বেড়ে ৬৪ টাকা ৪৩ পয়সা (ভ্যাটসহ) করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এলপি গ্যাস কোম্পানির বাজারজাত করা এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকবে। কারণ এটি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয় এবং এর বাজার শেয়ার ৫ শতাংশের কম।
বিইআরসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সৌদি সিপির (চুক্তি মূল্য) দাম বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় বাজারে এলপিজির দাম বাড়বে।
বাংলাদেশি এলপিজি অপারেটররা সাধারণত সৌদি সিপির ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের বাজার থেকে তাদের পণ্য আমদানি করে।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্থানীয় বাজারে এলপিজির সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ হাজার ৪৯৮ টাকা (প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডার)।
আরও পড়ুন: নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলপিজি ব্যবহারের জন্য সময়োপযোগী নীতি প্রয়োজন: নসরুল
সেপ্টেম্বরে ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ১৪৪ টাকা
১০৩৭ দিন আগে
খুলনায় নির্ধারিত মূল্যের বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম দুই দিন আগে ২৬৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম দাড়িয়েছে এক হাজার ৪৯৮ টাকা।
এই দামেও বাজারে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়েছে খুলনার বাজারে। নির্ধারিত মূল্যের বেশি দিয়ে কিনতে হবে প্রতি সিলিন্ডার।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরকারি দরের চাইতেও ১০০/১৫০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে গ্যাস। দাম নিয়ে এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে অসহায় হয়ে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।
আরও পড়ুন: ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ১৬ টাকা
এদিকে গত দুই সপ্তাহ ধরে এলপি গ্যাসের বাজারে সংকট চলছে। ২৬৬ টাকা দাম বাড়বে- এই সংবাদ আগাম জানতে পেরে বাজার থেকে গ্যাস সরিয়ে ফেলে কোম্পানিগুলো।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুলনা শহর ছাড়াও আশপাশের পৌরসভা, উপজেলা ও গ্রামে বিপুলসংখ্যক মানুষ এলপিজির ওপর নির্ভরশীল।
আরও জানা যায়, ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এ দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এ সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি।
গত বৃহস্পতিবার বিইআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে এলপিজির দাম একলাফে ২৬৬ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এতে প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দর নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৪৯৮ টাকা, যা জানুয়ারি মাসে ছিল এক হাজার ২৩২ টাকা।
সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে তা সব জায়গায় কার্যকর হতে দেখা যায় না। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিযোগ জানাতে বলা হয়।
নগরীর গোবরচাকা এলাকার বাসিন্দা সোহরাব হোসেন জানান, সরকার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করেছে দেড় হাজার (এক হাজার ৪৯৮) টাকা। কিন্তু দোকানে কিনতে গেলে দাম চাইছে এক হাজার ৭০০ টাকা। অনেক তর্কবিতর্কের পরে ৫০ টাকা কমে এক হাজার ৬৫০ টাকায় গ্যাস কিনেছি।
নিরাপদ সড়ক চাইয়ের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মুন্না জানান, তিনিও ১৫০ টাকা বেশি দিয়ে এক হাজার ৬৫০ টাকায় গ্যাস কিনেছেন।
নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও এক হাজার ৬০০ টাকার নিচে গ্যাস নেই। কোথাও এক হাজার ৬৫০, কোথাও এক হাজার ৭০০ টাকায়ও গ্যাস বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইকবাল হাসান জানান, সরকার পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের জন্য ৪০/৫০ টাকা মুনাফা রেখেই দাম নির্ধারণ করে। অর্থ্যাৎ ব্যবসায়ীরা যদি ১৪৯৮ টাকায় গ্যাস বিক্রি করে, তাতেও তাদের ৫০/৬০ টাকা প্রতি সিলিন্ডারে লাভ থাকে।
কিন্তু এই লাভে তারা সন্তুষ্ট হতে পারেন না। খুচরা ব্যবসায়ীরা আরও ১০০/১৫০ টাকা লাভ করতে চান।
তিনি বলেন, মাত্র ১৪০০ টাকা বিনিয়োগ করে ১৫০/২০০ টাকা মুনাফা খোঁজার যে লোভ-এটাই গ্রাহকদের পকেট ফাঁকা করে দিচ্ছে। কিন্তু এসব দেখার কেউ নেই।
বটিয়াঘাটার মোহাম্মদনগর এলাকার বাসিন্দা আকরামুল ইসলাম বলেন, তাঁর পাঁচ সদস্যের পরিবারে মাসে দুই সিলিন্ডার এলপিজি লাগে। এতে খরচ হয় তিন হাজার টাকা।
তিনি আরও বলেন, গত মাসে তিনি প্রতি সিলিন্ডার (১২ কেজি) গ্যাস কিনেছেন ১৩৫০ টাকা দিয়ে। এখন ১ হাজার ৬৫০ টাকা চাইছে।
সরকার নির্ধারিত দামের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারি দাম বললে দোকানদারেরা অপমান করেন। তারা বলেন সরকারের কাছ থেকে কিনতে।
আরও পড়ুন: এলপিজির দাম কেজি প্রতি বাড়ল ২২.১৫ টাকা
এলপিজির দাম কমেছে
১৩৩৯ দিন আগে